ED raid on TMC leaders: রেশন, শিক্ষা ও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ইডির তৎপরতা বেড়েছে। ভোটের মুখে এই তল্লাশি ও তলব ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
ভোটের আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)-র তৎপরতা নতুন কিছু নয়—প্রায় প্রতি নির্বাচনের আগেই রাজ্যে একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে তদন্ত ও তল্লাশির ঘটনা সামনে আসে। এবারের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনও তার ব্যতিক্রম নয়।
রেশন দুর্নীতি, কয়লা পাচার, শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি—এইসব বহুল আলোচিত মামলার পাশাপাশি পৌরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগেও একাধিক তৃণমূল নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়কের নাম উঠে এসেছে। এই সব মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের একাধিক নেতার বাড়িতে ইডি তল্লাশি চালিয়েছে, কোথাও আবার এখনও তল্লাশি চলছে।
শুধু তল্লাশি নয়, তদন্তের স্বার্থে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাকে সমনও পাঠানো হয়েছে। ফলে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরের আবহে এই ইডি অভিযান আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আজকের এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল সেই সমস্ত তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়কদের তালিকা—যাদের বাড়িতে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ইডির তল্লাশি হয়েছে, চলছে, অথবা যাদের তদন্তে হাজিরার জন্য সমন পাঠানো হয়েছে।
কয়লা, রেশন, শিক্ষা—এক নজরে সব বড় মামলা (ED raid on TMC leaders)
বিধাননগর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুকে ইতিমধ্যেই ইডি তলব করেছে। সূত্রের খবর, তাকে তৃতীয়বারের জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে সুজিত বসু জানিয়েছেন, অসুস্থতার কারণে তিনি বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সেই কারণেই তিনি নির্ধারিত সময়ে ইডির দপ্তরে হাজির হতে পারেননি। তাঁর পরিবর্তে তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু ইডির দপ্তরে গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন এবং বাবার শারীরিক অবস্থার কথা জানান।
জানা যাচ্ছে, পৌর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিত বসুত বসুর নাম জড়িয়েছে এবং সেই মামলার তদন্তেই তাঁকে বারবার তলব করা হচ্ছে। যদিও তিনি নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত থাকার কারণেও কিছুটা সময় চেয়েছিলেন, কিন্তু ইডি সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি বলেই সূত্রের দাবি।
ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট দিনে অর্থাৎ শনিবারের মধ্যে যদি তিনি হাজিরা না দেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর অসুস্থতা ও হাসপাতালে ভর্তি থাকার বিষয়টি জানাতে তাঁর পুত্র সমুদ্র বসুই ইডির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের প্রতিক্রিয়াও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।
তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ এই প্রসঙ্গে স্পষ্টভাবে অভিযোগ করেছেন যে, ভোটের আগে ইডি ইচ্ছাকৃতভাবে সুজিত বসুকে বারবার তলব করে ‘হয়রানি’ করছে। তাঁর দাবি, সুজিত বসু আগেই জানিয়েছিলেন যে তিনি বর্তমানে নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন এবং মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে তিনি ইডির সামনে হাজিরা দেবেন। কিন্তু সেই আবেদন বা বার্তা ইডি গ্রহণ করেনি বলেই অভিযোগ।
কুণাল ঘোষ আরও বলেন, ইডি নাকি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে—নির্দিষ্ট সময়ে হাজিরা না দিলে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর মতে, একজন সক্রিয় প্রার্থী হিসেবে ভোটের ঠিক আগে এই ধরনের আইনি জটিলতা সামলানো কার্যত অসম্ভব।
তিনি এই ঘটনাকে সরাসরি ‘চক্রান্ত’ বলেও উল্লেখ করেছেন। কুণাল ঘোষের দাবি, প্রতি নির্বাচনের আগেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং তার পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কাজ করে। এই প্রসঙ্গে তিনি বিজেপির ভূমিকার কথাও টেনে আনেন এবং অভিযোগ করেন যে বিজেপির মদতেই ইডি বা অন্যান্য সংস্থা এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
অন্যদিকে, এই অভিযোগকে সম্পূর্ণভাবে উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, তৃণমূলের এই ধরনের বক্তব্য ‘ভাঙা রেকর্ডের মতো’। তাঁর কথায়, যখনই কোনও তদন্ত শুরু হয় বা কোনও নেতা তলব হন, তখনই তৃণমূল তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবি করে।
রাহুল সিনহার আরও বক্তব্য, শুধু ভোটের সময় নয়—ভোট না থাকলেও তৃণমূলের নেতারা একই অভিযোগ তুলে থাকেন যে তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এই অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই এবং তদন্তকারী সংস্থাগুলি নিজেদের নিয়ম মেনেই কাজ করছে।
রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী রথীন ঘোষকেও একই ধরনের অভিযোগের মুখে পড়তে হয়েছে। পৌরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর নাম জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে এবং সেই সূত্রেই ইডি তাঁকে তলব করেছে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই তাঁকে দ্বিতীয়বারের জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে।
এই তলব ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইডির নোটিস পাওয়ার পর তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তর দিনাজপুরে এক নির্বাচনী সভা থেকে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ভোটের মুখে কেন হঠাৎ করে তদন্তকারী সংস্থাগুলি একের পর এক তৃণমূল প্রার্থীদের তলব করছে? এতদিন তারা কোথায় ছিল? তাঁর কটাক্ষ, “তারা কি এতদিন ঘুমোচ্ছিল?”
শুধু এই মামলাই নয়, রেশন দুর্নীতি মামলাতেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় ইডির তৎপরতা নজরে এসেছে। হাবরা, কলকাতা, সাগরদিঘি, বনগাঁ এবং রাণীগঞ্জ—এই সব এলাকায় একযোগে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। ফলে নির্বাচন ঘিরে রাজ্যের রাজনীতিতে চাপানউতোর আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার, যিনি এতদিন এই কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁকেও ইডির তলবের মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরনিগমের মেয়র-ইন-কাউন্সিলর পদে রয়েছেন।
দেবাশিস কুমারের বিরুদ্ধে জমি দখল এবং বিনিয়োগ জালিয়াতির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে জমি দখল সংক্রান্ত মামলায় তাঁর নাম সামনে আসায় ইডি তাঁকে তলব করে। তদন্তের অংশ হিসেবে দক্ষিণ কলকাতার একটি বেআইনি নির্মাণ সংস্থার অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। অভিযোগ, ওই সংস্থা পুরসভার সহায়তা নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বেআইনিভাবে জমি দখল করে নির্মাণ প্রকল্প গড়ে তুলেছে।
এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দেবাশিস কুমার ইডির দপ্তরে দ্বিতীয়বারের মতো হাজিরা দেন। সেখানে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সূত্রের খবর। ফলে ভোটের আগে এই ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে দেবাশিস কুমার এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, এই সংক্রান্ত যা বলার তা দলই বলবে। ফলে ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই বিতর্ক এড়িয়ে গিয়ে সম্পূর্ণ বিষয়টি দলের উপরই ছেড়ে দিয়েছেন।
ভোটের আগে বাড়ছে আইনি চাপ, অস্বস্তিতে শাসক দল (ED raid on TMC leaders)
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার নাম। এই মামলায় ইডির তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসে। অভিযোগ, তাঁর দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আয় বহির্ভূত বিপুল পরিমাণ টাকা জমা পড়েছিল। সেই অর্থের উৎস সম্পর্কে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি।
এরপরই ইডি তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেই তল্লাশিতে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয় বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি, তাঁর দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় দেড় কোটি টাকা জমা থাকার তথ্যও সামনে আসে। এই সব বিষয় নিয়েই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতেও ইডির তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে তাঁর বাসভবনে কয়লা পাচার সংক্রান্ত অর্থ পাচারের মামলায় এই অভিযান হয়। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে তদন্তকারী সংস্থা।
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। এমনকি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে সঙ্গে নিয়ে প্রতীক জৈনের বাড়িতে যান। তিনি সেখানে অল্প সময়ের জন্য অবস্থান করেন এবং বেরিয়ে আসার সময় তাঁর হাতে একটি সবুজ রঙের ফাইল দেখা যায়, যাতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে এই মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।
SSC শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় ফের সামনে এল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়িতেও আজ সকাল থেকেই ইডির তল্লাশি চলছে। এর আগেই তাঁকে সমন পাঠিয়েছিল ইডি, তবে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি দফতরে হাজিরা দেননি।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, শারীরিক অবস্থার কারণে তিনি ইডির দপ্তরে যেতে পারবেন না, তবে চাইলে তদন্তকারী সংস্থা তাঁর বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। সেই প্রেক্ষিতেই আজ তাঁর বাড়িতে ইডির এই তল্লাশি ও তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় আগেও তাঁর নাম জড়িয়েছে এবং সেই মামলায় একাধিকবার তদন্ত হয়েছে। যদিও বর্তমানে দলের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ আগের মতো সক্রিয় নয়, তবুও এই নতুন করে তল্লাশি চালানোয় রাজনৈতিক মহলে আবারও চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এর আগেই প্রাথমিক শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই সময় তাঁদের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়, যা নিয়ে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিশেষ করে তাঁর ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকেও বিপুল অর্থ পাওয়া যাওয়ায় দু’জনকেই গ্রেফতার করে তদন্তকারী সংস্থা।
এবার আবার নতুন করে এসএসসি তথা শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ইডি সূত্রে খবর, এই মামলাতেও আর্থিক তছরুপ বা মানি লন্ডারিংয়ের যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে তদন্তকারী সংস্থা।
তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে ইডির অনুমান, এই ক্ষেত্রেও অনিয়মিত আর্থিক লেনদেনের স্পষ্ট যোগ থাকতে পারে। সেই কারণেই আজ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল সূত্রে জানা গিয়েছে।
সব মিলিয়ে, শিক্ষা দুর্নীতি মামলার একাধিক স্তর খুলতে থাকায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে তদন্তের জাল আরও বিস্তৃত হচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্যের শাসক দল, কারণ ভোটের মুখে এমন একের পর এক তদন্ত এবং তল্লাশি রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
এছাড়াও, রেশন দুর্নীতি মামলায় কলকাতা, হাওড়া, বর্ধমান এবং মুর্শিদাবাদ—এই চার জেলায় প্রায় ১২টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। এই তদন্তে একাধিক ব্যবসায়ী এবং তাঁদের সঙ্গে যুক্ত রাজনৈতিক যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এই বাড়তি তৎপরতা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের শাসক দল। তাদের অভিযোগ, প্রতি নির্বাচনের আগেই ইডি-সহ বিভিন্ন সংস্থাকে ব্যবহার করা হয় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে।
যদিও এই অভিযোগ খারিজ করেছে বিজেপি। তাদের দাবি, দুর্নীতির তদন্ত চালিয়ে যাওয়া একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং এই প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া বা তাকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়া গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।
#EDRaid #TMCLeaders #WestBengalPolitics #CorruptionCase #ElectionNews #ParthaChatterjee #IndiaPolitics
সাম্প্রতিক পোস্ট
- দিনের ২৪ ঘণ্টা বদলে দিতে পারে আপনার জীবন! জানুন, সময় ব্যবহারের এই সহজ কৌশল
- পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে তরুণ তুর্কিদের ঝড়! ভোটের ময়দানে কতটা প্রভাব ফেলছে যুব মুখ?
- শালিমার বাগের ভবিষ্যৎ রহস্য: প্রেম, স্মৃতি আর সময়কে ছাপিয়ে ভবিষ্যৎ কি বদলে দেবে ইতিহাস?
- বিতর্ক পিছু ছাড়েনি, মামলা মাথায় নিয়েই ভোটের ময়দানে! তৃণমূল-বিজেপির হেভিওয়েটদের ভোটযুদ্ধ ঘিরে উত্তাপ
- গ্যাস সিলিন্ডার দ্রুত শেষ হয়ে যায়? এই ৬টি সহজ টিপস জানলে সিলিন্ডার চলবে বেশি দিন

