Russia Offers Crude to India: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে প্রায় বন্ধের মুখে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত জলপথ হরমুজ প্রণালী। ভারতের হাতে মাত্র ২৫ দিনের ব্যবহারের মতো অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে! এমন শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে ৯৫ লক্ষ ব্যারেল তেল নিয়ে ভারতের দুয়ারে কড়া নাড়ছে রাশিয়া। কিন্তু আমেরিকার রক্তচক্ষু আর ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে কি পুতিনের হাত ধরবে নয়াদিল্লি?
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: আপনার বাড়ির রোজকার রান্নার গ্যাসের দাম থেকে শুরু করে বাইকের তেলের খরচ—সবকিছুই কিন্তু অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা থাকে হাজার হাজার মাইল দূরের কোনো এক ভৌগোলিক প্রণালীর ওপর। বর্তমানে আমরা খবরের কাগজে বা টেলিভিশনে মধ্যপ্রাচ্যের যে বিধ্বংসী যুদ্ধের ছবি দেখছি, তা শুধু ইজরায়েল, ইরান বা আমেরিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক আঁচ এবার আছড়ে পড়তে চলেছে ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতির ওপর।
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ ‘হরমুজ প্রণালী’ (Strait of Hormuz) কার্যত অবরুদ্ধ হওয়ার মুখে। আর এর ফলেই চরম বিপাকে পড়েছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল উপভোক্তা দেশ ভারত। পরিস্থিতি এমন এক জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যে, ভারতের অপরিশোধিত তেলের (Crude Oil) সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ঠিক এই খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়, পুরনো বন্ধুর মতো আবারও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়া।
আরও পড়ুন : কোস্পি ধস, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন: ভারতীয় বাজারে কি বড় ঝড়ের পূর্বাভাস?
কিন্তু বিশ্ব রাজনীতির অঙ্ক এতটাও সোজা নয়। একদিকে রাশিয়ার এই লোভনীয় প্রস্তাব, অন্যদিকে আমেরিকার কড়া নজরদারি ও শুল্কনীতির (Tariffs) খাড়া—নয়াদিল্লির সামনে এখন আক্ষরিক অর্থেই এক শাঁখের করাত। আজ NewsOffBeat-এর এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা অত্যন্ত গভীরে গিয়ে বিশ্লেষণ করব, কেন হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়া ভারতের জন্য এক অশনি সংকেত? আমেরিকা কি সত্যিই ভারতকে রাশিয়ার থেকে তেল কিনতে বারণ করেছিল? আর এই পুরো পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পকেটে কতটা টান পড়তে চলেছে?
হরমুজ প্রণালী: ভারতের অর্থনীতির ‘স্নায়ুকেন্দ্র’
হরমুজ প্রণালী হলো পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মাঝে অবস্থিত একটি অত্যন্ত সরু জলপথ। বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সামুদ্রিক তেল বাণিজ্য এই পথ দিয়েই হয়। আর ভারতের জন্য এই রুটটি আক্ষরিক অর্থেই লাইফলাইন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতের মোট আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৪০ শতাংশই এই হরমুজ প্রণালী হয়ে দেশে প্রবেশ করে।
বর্তমানের এই সংঘাতের জেরে এই রুটে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে, যার ফলে বিকল্প পথের খোঁজ করতে বাধ্য হচ্ছে ভারত। এর প্রভাব কতটা মারাত্মক হতে পারে, তা বুঝতে গেলে ভারতের বর্তমান মজুত ভাণ্ডারের দিকে তাকাতে হবে।
শুনলে হয়তো আপনি শিউরে উঠবেন, ভারত তেলের জোগানের দিক থেকে কতটা দুর্বল বা ‘ভালনারেবল’ (Vulnerable)। আমাদের দেশে আপৎকালীন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য অপরিশোধিত তেলের যে মজুত রয়েছে, তা দিয়ে চাহিদার মাত্র ২৫ দিন মেটানো সম্ভব। রিফাইনারি বা শোধনাগারগুলোর কাছে থাকা গ্যাসঅয়েল, গ্যাসোলিন এবং এলপিজি (LPG) বা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের মজুতও একইভাবে সীমিত। ভারত সরকার ইতিমধ্যেই বিকল্প সরবরাহের খোঁজ শুরু করেছে, যাতে পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাত ১০-১৫ দিনের বেশি স্থায়ী হলেও দেশ সামাল দিতে পারে।
রাশিয়ার প্রস্তাব: সংকটে ‘মসিহা’ পুতিন? (Russia Offers Crude to India)
ঠিক এমন এক দমবন্ধ করা পরিস্থিতিতে আসরে নেমেছে রাশিয়া। পশ্চিম এশিয়ার এই সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়ার মোকাবিলা করতে রাশিয়া ভারতকে তেল ঘুরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ৯৫ লক্ষ ব্যারেল (9.5 million barrels) রাশিয়ান অপরিশোধিত তেল বোঝাই জাহাজ ইতিমধ্যেই ভারতের জলসীমার কাছাকাছি রয়েছে এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেগুলো ভারতের শোধনাগারগুলোতে পৌঁছে দ্রুত স্বস্তি দিতে পারে। শুধু কি তাই? ভারতের শোধনাগারগুলো প্রতিদিন প্রায় ৫৬ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল প্রসেস করে। রাশিয়া জানিয়েছে যে তারা ভারতের মোট অপরিশোধিত তেলের চাহিদার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত মেটাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
সংকট শুধু অপরিশোধিত তেলেই নয়। কাতার হঠাৎ করেই সোমবার থেকে এলএনজি (LNG) বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়ায় ভারতের কিছু কোম্পানি তাদের শিল্প গ্রাহকদের গ্যাসের সরবরাহ কমাতে বাধ্য হয়েছে। আর এই সুযোগে রাশিয়া ভারতকে এলএনজি বিক্রি করতেও রাজি হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রকাশ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাশিয়া হয়তো ইউরোপের বাজারে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করে আরও বেশি লাভজনক বাজারের দিকে ঝুঁকবে। ইঙ্গিতটি যে সরাসরি ভারত এবং এশিয়ার দিকে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
আমেরিকার রক্তচক্ষু এবং ট্রাম্পের ‘শুল্ক-রাজনীতি’
রাশিয়ার এই প্রস্তাব ভারতের রিফাইনারিগুলোর জন্য অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক হলেও, এখানেই লুকিয়ে আছে বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বড় কাঁটা—আমেরিকা। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ব্যাপারে আমেরিকার প্রচ্ছন্ন চাপ ভারতের ওপর ছিল। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ভারত যেহেতু রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করেছে, তাই আমেরিকাও ভারতের ওপর থেকে কিছু শুল্ক বা ট্যারিফ কমিয়েছে। কিন্তু বাস্তব ছবিটা কি সত্যিই এমন? ভারত কি সত্যিই রাশিয়ার থেকে তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছিল? সরকারিভাবে ভারত সরকার কিন্তু এমন কোনো তথ্য কখনোই সামনে আনেনি যে তারা পুতিনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। তবে পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারিতে রাশিয়ার থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানি কমে প্রতিদিন প্রায় ১১ লক্ষ ব্যারেলে (1.1 million barrels per day) এসে দাঁড়িয়েছিল, যা ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বনিম্ন। এর মূল কারণ ছিল মার্কিন শুল্কের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য নয়াদিল্লির একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।
বর্তমানে ভারতীয় রিফাইনারিগুলো রাশিয়ান তেল বিক্রেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে ঠিকই, কিন্তু মস্কো থেকে তেলের আমদানি বাড়ানো হবে কি না, তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে সরকারের নির্দেশিকার ওপর। কারণ আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য সংক্রান্ত আলোচনা (Trade talks) এখনো চলছে।
অর্থনীতিবিদ সুমন্ত রায়ের বিশ্লেষণ: ভারতের সামনে কোন পথ খোলা?
এই গোটা ভূ-রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ডামাডোল নিয়ে NewsOffBeat কথা বলেছিল প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ সুমন্ত রায়ের সঙ্গে। তাঁর এই পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ (Russia Offers Crude to India) আমাদের চোখ খুলে দিতে পারে। অর্থনীতিবিদ সুমন্ত রায় জানাচ্ছেন, “বর্তমান পরিস্থিতি ভারতের জন্য আক্ষরিক অর্থেই শাঁখের করাত। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার অর্থ হলো ভারতের এনার্জি সাপ্লাই চেইনে সরাসরি আঘাত। আমাদের হাতে মাত্র ২৫ দিনের রির্জাভ আছে, যা কোনো বিশাল অর্থনীতির দেশের জন্য যথেষ্ট নয়। এই মুহূর্তে রাশিয়া যে ৯৫ লক্ষ ব্যারেল তেলের অফার দিয়েছে, তা ভারতের জন্য লাইফলাইন হতে পারে। কিন্তু অঙ্কের হিসাবটা এত সোজা নয়।”
ট্রাম্পের মন্তব্য এবং ভারতের অবস্থান নিয়ে সুমন্তবাবু এক চাঞ্চল্যকর দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমেরিকা আগে থেকেই চাপ দিচ্ছিল যাতে আমরা রাশিয়ার তেল না কিনি। ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি দাবি করেছে যে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমিয়েছে বলেই তারা শুল্ক বা ট্যারিফে ছাড় দিয়েছে। যদিও ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কখনোই বলেনি যে তারা রাশিয়ার তেল বয়কট করেছে। ভারত অত্যন্ত সুকৌশলে জানুয়ারিতে ইমপোর্ট কমিয়ে ১১ লক্ষ ব্যারেলে নামিয়ে এনেছিল, যাতে আমেরিকার সঙ্গে ট্রেড ডিলগুলো মসৃণ হয়। একে বলে স্ট্র্যাটেজিক ব্যালেন্সিং বা কৌশলগত ভারসাম্য।”
তাহলে এখন কি ভারত আমেরিকার কোপের মুখে পড়বে? এই প্রশ্নের উত্তরে অর্থনীতিবিদ সুমন্ত রায় পরিষ্কার জানান, “এখন (Russia Offers Crude to India)পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা । এটি এখন আর শুধু কূটনীতির বিষয় নেই, এটি এখন সার্ভাইভাল বা টিকে থাকার প্রশ্ন। মধ্যপ্রাচ্যের রুট বন্ধ থাকলে, ভারতের কাছে রাশিয়া থেকে তেল কেনা ছাড়া আর কোনো সাশ্রয়ী বিকল্প নেই। ভারত যদি এখন আবার রাশিয়ার দিকে ঝোঁকে, তবে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে (Trade talks) হয়তো কিছুটা ফাটল ধরতে পারে। কিন্তু আমি মনে করি, মার্কিন প্রশাসনকেও বাস্তব পরিস্থিতি বুঝতে হবে। ভারতকে নিজের দেশের ১৩০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সবার আগে। আমেরিকা হয়তো কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করবে, কিন্তু পুরোপুরি সম্পর্ক ছিন্ন করার মতো জায়গায় তারাও নেই।”
সাধারণ মানুষের ওপর এর কী প্রভাব পড়বে?
একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আপনি হয়তো ভাবছেন, এত বড় বিশ্ব রাজনীতির খেলায় আপনার আমার কী যায় আসে? অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে আপনার রোজকার বাজারে।
যদি ভারত রাশিয়া থেকে কম দামে এই তেল কিনতে না পারে এবং হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিনের জন্য অবরুদ্ধ থাকে, তবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশ ছোঁবে। এর ফলে দেশের ভেতরে পেট্রোল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের দাম মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাবে। আর তেলের দাম বাড়লে সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের পরিবহন খরচ বেড়ে যায়, যা ডেকে আনে লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি বা ইনফ্লেশন (Inflation)। অর্থাৎ, বাজারদর সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই রাশিয়ার এই ‘ক্রুড সালভ’ (Crude salve) বা তেলের প্রলেপ আসলে সাধারণ ভারতীয়দের পকেট বাঁচানোর জন্যও অত্যন্ত জরুরি।
ভারত এখন বিশ্ব রাজনীতির এমন এক মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে আবেগ বা ভয় নয়, চলতে হবে চরম প্র্যাক্টিক্যাল বা বাস্তববাদী হয়ে। একদিকে আমেরিকার মতো সুপারপাওয়ারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার তাগিদ, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার মতো পুরোনো মিত্রের সাহায্য গ্রহণ।
নয়াদিল্লিকে এখন এক নিখুঁত ‘ব্যালান্সিং অ্যাক্ট’ করে দেখাতে হবে। ইতিহাস সাক্ষী, ভারত এর আগেও জোটনিরপেক্ষ নীতি বজায় রেখে এই ধরনের চরম সংকট মোকাবিলা করেছে। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিন ভারতের এনার্জি সেক্টরের জন্য অত্যন্ত নির্ণায়ক হতে চলেছে। পুতিনের হাত ধরে ভারত এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে কি না, নাকি মার্কিন শুল্কনীতির চাপে নতুন কোনো বিপদে পড়বে—সেই উত্তরের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে গোটা বিশ্ব।
#newsoffbeat #CrudeOil #RussiaIndia #GlobalEconomy #StraitOfHormuz #MiddleEastCrisis #SmartMoney #Geopolitics #IndianEconomy
সাম্প্রতিক পোস্ট
- খামেনেইয়ের মৃত্যু ও ৪০ দিনের শোক! পহলভি রাজবংশের পতন থেকে কীভাবে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছলেন তিনি?
- খামেনেয়ের মৃত্যু! মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি কোন দিকে, ভারতের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
- রাতের শহরে মহিলাদের সুরক্ষায় বিশেষ বাহিনী রাজ্য সরকারের │ জানুন, কী সেই উদ্যোগ
- আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা! তিন ধাপে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, কীভাবে জানবেন আপনার নাম আছে কি না?
- লাদাখে বরফের ওপর ম্যারাথন! আফগান-পাক যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগেই চিনের সীমান্তে ভারতের এই পদক্ষেপ কেন মাস্টারস্ট্রোক?

