Gender Awareness for Competitive Exams: গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জেন্ডার সচেতনতা অধ্যায় থেকে কী কী পড়লে নিশ্চিত নম্বর পাওয়া যাবে, তার স্পষ্ট দিশা।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: গ্রুপ সি স্কুল ক্লার্ক পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নতুন আপডেট সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক সিলেবাস সংশোধনের মাধ্যমে স্কুল ক্লার্ক পদের গ্রুপ সি পরীক্ষায় সংযোজিত হয়েছে একটি নতুন অধ্যায়— জেন্ডার সচেতনতা ও লিঙ্গ সমতা সংক্রান্ত বিধান। বিষয়টি এখনও অনেক পরীক্ষার্থীর কাছেই স্পষ্ট নয়। ফলে কী পড়তে হবে, কোন কোন অংশ বেশি গুরুত্বপূর্ণ— এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে। আজকের এই নিউজ আপডেট সেই দিকেই একটি স্পষ্ট দিশা দেখাতে তৈরি।
জেন্ডার সচেতনতা (Gender Awareness) কী?
নতুন অধ্যায়ে মূলত লিঙ্গভিত্তিক সচেতনতার ধারণা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। জেন্ডার সচেতনতা বলতে সমাজে নারী, পুরুষ, শিশু এবং অন্যান্য সকল লিঙ্গের মানুষের মধ্যে বিদ্যমান পার্থক্য, বৈষম্য ও অসম সুযোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়াকে বোঝানো হয়েছে। পাশাপাশি এই বৈষম্য কীভাবে দূর করা যায় এবং সকলের জন্য সমান অধিকার কীভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব, সেই বিষয়টিও এই অধ্যায়ের মূল আলোচ্য।
এই অংশে পরীক্ষার্থীদের পরিষ্কারভাবে বুঝে নিতে হবে— জেন্ডার সচেতনতা কেবল একটি সামাজিক ধারণা নয়, বরং এটি প্রশাসনিক কাজকর্ম, শিক্ষা ব্যবস্থা ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত। জেন্ডার সচেতনতা হলো লিঙ্গভিত্তিক পার্থক্য ও বৈষম্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং তার সমাধান খোঁজা। এটি পুরুষ, নারী, শিশু এবং অন্যান্য সকল লিঙ্গের মানুষের জন্য সমান সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিত করার একটি প্রক্রিয়া।
জেন্ডার সচেতনতার মূল উদ্দেশ্য
লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠা, অর্থাৎ সকল লিঙ্গের মানুষের জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করা। কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য কমানো। নারী ক্ষমতায়নের ধারণা, যেখানে নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, সামাজিক মর্যাদা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পরিবার ও সমাজে প্রচলিত নেতিবাচক মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা।
শিক্ষাক্ষেত্রে জেন্ডার সচেতনতার ভূমিকা
নতুন অধ্যায়ের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে শিক্ষায় লিঙ্গ সচেতনতার আলোচনা। এখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—সকল লিঙ্গের শিক্ষার্থীর জন্য সমান শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা। পাঠ্যক্রমে লিঙ্গ সংবেদনশীল বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা। শিক্ষকদের লিঙ্গ সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হেনস্থামুক্ত ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা।
লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য ও তার প্রভাব
এই অধ্যায়ে বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যেমন— মেয়েদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা, একই কাজ করেও কম পারিশ্রমিক দেওয়া, অথবা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের পিছিয়ে রাখা।
এর প্রভাব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে— সমাজ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হওয়া, নারীদের আত্মনির্ভরতা কমে যাওয়া এবং নারী নির্যাতনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়া। এই অংশ থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা থাকছে।
সংবিধানের কোন ধারায় জেন্ডার সচেতনতা সম্পর্কে কি বলা হয়েছে?
নতুন সিলেবাস অনুযায়ী জেন্ডার সচেতনতা অধ্যায়ে ভারতের সংবিধান ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আইনের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি স্কুল ক্লার্ক পরীক্ষার জন্য এই অংশটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ধারা ও আইন অনুযায়ী বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।
আইনের চোখে সমানাধিকার: সংবিধানের ধারা ১৪
সংবিধানের ধারা ১৪ অনুযায়ী, ভারতের সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান। এখানে নারী ও পুরুষের মধ্যে কোনও ভেদাভেদ করা যাবে না। রাষ্ট্র কাউকে বিশেষ সুবিধা বা বঞ্চনা দিতে পারবে না শুধুমাত্র তার লিঙ্গের ভিত্তিতে।
এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো— সমাজে ন্যায়বিচার ও সমতা প্রতিষ্ঠা করা এবং সকল নাগরিককে সমান মর্যাদা দেওয়া।
লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য নিষিদ্ধ: সংবিধানের ধারা ১৫
ধারা ১৫ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করে যে, রাষ্ট্র কোনও নাগরিকের সঙ্গে ধর্ম, বর্ণ, জাতি, লিঙ্গ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য করতে পারবে না।
এই ধারার বিশেষ দিক হলো— লিঙ্গের ভিত্তিতে বৈষম্য সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি সুযোগ-সুবিধা কিংবা সামাজিক ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে কোনও বৈষম্য আইনত অপরাধ।
সরকারি চাকরিতে সমান সুযোগ: সংবিধানের ধারা ১৬
সংবিধানের ধারা ১৬ অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে— নিয়োগ, পদোন্নতি বা কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গের ভিত্তিতে কাউকে পিছিয়ে রাখা যাবে না।
এই ধারা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য সরকারি চাকরিতে সমান অধিকার নিশ্চিত করে।
সমান জীবনধারণের সুযোগ: সংবিধানের ধারা ৩৯ (ক)
ধারা ৩৯ (ক) রাষ্ট্রকে নির্দেশ দেয়— নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য সমান জীবিকা ও সম্মানজনক জীবনধারণের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
এই ধারার মাধ্যমে নারী-পুরুষের আর্থিক নিরাপত্তা, কাজের অধিকার এবং শোষণমুক্ত জীবনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ আইনসমূহ: জেন্ডার সুরক্ষার বাস্তব প্রয়োগ
সংবিধানগত অধিকার ছাড়াও, জেন্ডার সচেতনতা অধ্যায়ে কয়েকটি বিশেষ আইনের মূল ধারণা ও উদ্দেশ্য জানাও বাধ্যতামূলক।
কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন, ২০১৩
এই আইনের উদ্দেশ্য হলো কর্মক্ষেত্রে নারীদের যৌন হয়রানি থেকে সুরক্ষা দেওয়া।
আইন অনুযায়ী—
- প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক।
- কর্মক্ষেত্রে নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।
এই আইন নারীর কর্মপরিবেশকে নিরাপদ ও সম্মানজনক করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গর্ভস্থ লিঙ্গ নির্ধারণ ও কন্যা ভ্রূণ হত্যা প্রতিরোধ আইন, ১৯৯৪
এই আইন মূলত কন্যা ভ্রূণ হত্যা এবং গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ বন্ধ করার জন্য প্রণীত।
আইনের মাধ্যমে—
- গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
- কন্যা সন্তানের জন্মকে উৎসাহিত করা এবং লিঙ্গ অনুপাত রক্ষা করা এর প্রধান লক্ষ্য।
পারিবারিক হিংসা থেকে সুরক্ষা আইন, ২০০৫
এই আইনের মাধ্যমে নারীদের পারিবারিক নির্যাতন থেকে সুরক্ষা দেওয়া হয়।
এখানে শারীরিক, মানসিক, যৌন ও আর্থিক নির্যাতন— সবকিছুকেই পারিবারিক হিংসার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আইনের লক্ষ্য হলো— নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মানবিক অধিকার রক্ষা করা।
জেন্ডার সচেতনতা, নারী সুরক্ষা এবং নারী ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং ভারত সরকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বা স্কিম চালু করেছে। নিচে এই সংক্রান্ত প্রধান প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের প্রকল্পসমূহ
- কন্যাশ্রী প্রকল্প (Kanyashree Prakalpa):এটি পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম সফল প্রকল্প। এর মূল লক্ষ্য হলো বাল্যবিবাহ রোধ করা এবং মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করা। ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত অবিবাহিত থেকে পড়াশোনা চালিয়ে গেলে এককালীন অনুদান (K2) প্রদান করা হয়।
আর্থিক সহায়তা ও সুবিধা:
এই প্রকল্পে দুটি ধাপে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়—
- বার্ষিক সহায়তা:
- তেরো থেকে আঠারো বছর বয়সী অবিবাহিত ছাত্রীদের প্রতি বছর নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়, যাতে তারা স্কুলে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে। ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ১০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।
- এককালীন অনুদান:
- কোনো মেয়ে আঠারো বছর বয়স পর্যন্ত অবিবাহিত থেকে পড়াশোনা চালিয়ে গেলে, তাকে এককালীন পঁচিশ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
- এই অর্থ সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়।
- রূপশ্রী প্রকল্প (Rupashree Prakalpa):আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ের জন্য এককালীন ২৫,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়, যাতে পরিবারকে ঋণের বোঝা বইতে না হয়।
- লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar):পরিবারের প্রধান নারীদের আর্থিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক সহায়তা সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে বর্তমানে ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। জেনারেল ক্যাটাগরির মহিলারা পাবেন ১৫০০ টাকা। তপশিলি জাতি এবং উপজাতির মহিলারা পাবেন ১৭০০ টাকা করে।
- ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ড (Bhabishyat Credit Card): নারীরা যাতে ক্ষুদ্র শিল্প বা ব্যবসা শুরু করে স্বাবলম্বী হতে পারেন, তার জন্য কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা রয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় আবেদনকারীরা ৫ লক্ষ টাকা করে ঋণ পাবেন।
ভারত সরকারের (কেন্দ্রীয়) প্রকল্পসমূহ
- বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও (Beti Bachao Beti Padhao): এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো কন্যা শিশুর জন্ম হার বাড়ানো, লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা এবং মেয়েদের সুরক্ষা ও শিক্ষা নিশ্চিত করা।
- সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা (Sukanya Samriddhi Yojana): মেয়েদের ভবিষ্যতের পড়াশোনা এবং বিয়ের খরচের জন্য এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় প্রকল্প। এতে সঞ্চিত অর্থের ওপর আকর্ষণীয় সুদ পাওয়া যায়। এই প্রকল্পের সুদের হার বর্তমানে বার্ষিক আট দশমিক দুই শতাংশ।
- উজ্জ্বলা যোজনা (Ujjwala Yojana): নারীদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে এবং রান্নাঘরে ধোঁয়াযুক্ত জ্বালানি বন্ধ করতে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা পরিবারগুলোকে বিনামূল্যে গ্যাস সংযোগ প্রদান করা হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা (PMMVY): গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের পুষ্টির জন্য এবং প্রথম সন্তানের জন্মের সময় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
- মহিলা ই-হাট (Mahila E-Haat): নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য অনলাইনে বিক্রির জন্য একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম।
নিরাপত্তা ও সচেতনতা সংক্রান্ত বিশেষ পরিষেবা
| প্রকল্পের নাম | বিবরণ |
| ওয়ান স্টপ সেন্টার (OSC) | পারিবারিক হিংসা বা নির্যাতনের শিকার নারীদের আইনি, চিকিৎসা এবং মানসিক সহায়তা প্রদান। |
| মহিলা হেল্পলাইন (১৮১) | বিপদে পড়া নারীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা টোল-ফ্রি নম্বর। |
| স্বধার গৃহ (Swadhar Greh) | গৃহহীন বা চরম বিপদে পড়া নারীদের আশ্রয় ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা। |
জেন্ডার সচেতনতা ও নারীকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি সমাজের সার্বিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। কেবল আইন প্রণয়ন করলেই বৈষম্য দূর হয় না, তার বাস্তব প্রয়োগ জরুরি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিভিন্ন নারীকল্যাণমূলক উদ্যোগ সেই বাস্তব প্রয়োগের দৃষ্টান্ত। এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে নারীদের শিক্ষা, আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার পথ সুগম হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের সচেতনতা ও সহায়তা আরও বিস্তৃত হলে একটি সমানাধিকারভিত্তিক ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতির মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য দূর করার ভিত্তি গড়ে তুলেছে। আইনের চোখে সমানাধিকার, শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ এবং সম্মানজনক জীবনধারণের অধিকার—এই সবই কেন্দ্রীয় নীতির মূল স্তম্ভ। কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা কেবল আইন প্রণয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নীতি নির্ধারণ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাজ্যগুলিকে প্রয়োজনীয় দিশা দেওয়ার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার জেন্ডার সচেতনতা ও নারী ক্ষমতায়নের একটি শক্ত ভিত তৈরি করেছে। এই সম্মিলিত উদ্যোগের ফলেই ধীরে ধীরে একটি সমানাধিকারভিত্তিক সমাজ গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
#wbschool #groupc #clerkschool, #wbssc
(আরও গুরুত্বপূর্ণ খবর ও রাশিফল আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল WhatsApp চ্যানেলে যোগ দিন! সবচেয়ে আগে পান জ্যোতিষ, অফবিট নিউজ, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি, বিনোদন, জীবনধারা ও অফবিট এক্সক্লুসিভ আপডেট —আমাদের WhatsApp Channel-এ যোগ দিন)
সাম্প্রতিক পোস্ট
- ভোটের বছরেও ‘বঞ্চিত’ বাংলা? হাইস্পিড রেল আর ফ্রেট করিডর ছাড়া ঝুলিতে শূন্য! বাজেটে বাড়ল ক্ষোভের পারদ
- ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বাজেট কি জনদরদী হতে চলেছে? জানুন, লাইভ বাজেট আপডেট ২০২৬
- পুরনো ধাতুর ওপর বিশ্বাস │ রাজপথে কীভাবে ভিন্টেজ গাড়ি হয়ে ওঠে চলমান ইতিহাস
- ঋতুস্রাব আর বাধা নয় শিক্ষায় │ যুগান্তকারী রায় দেশের শীর্ষ আদালতের
- বাজেট প্রত্যাশা ২০২৬ │ ভোটের আগে বাংলার জন্য কী চমক রাখছে কেন্দ্র? │ জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদ

