Author: নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক

"নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক" নিউজঅফবিট ডট কমের (www.newsoffbeat.com ) অফিসিয়াল এডিটোরিয়াল টিমের একটি সম্মিলিত এবং সৃজনশীল প্রয়াস। সম্পাদক ও অবর-সম্পাদকদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই ডেস্কটি পরিচালিত হয়। এই ডেস্কের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি আমাদের ভার্চুয়াল রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘সুচীরা’ (Suchira)। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো তথাকথিত নেতিবাচক সাংবাদিকতার বাইরে বেরিয়ে পাঠকদের ‘খবরের স্বাদবদল’ করানো। গুগল ট্রেন্ডস, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ডিজিটাল জগতের সর্বশেষ আপডেটগুলোকে নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করে আমরা দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর, অফবিট ঘটনা, লাইফস্টাইল, আধুনিক প্রযুক্তি এবং সমাজের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন তুলে ধরি। প্রতিটি তথ্যের নির্ভুলতা যাচাই এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখাই আমাদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। আমরা বিশ্বাস করি খবর কেবল তথ্য দেওয়ার জন্য নয়, বরং মানুষকে অনুপ্রাণিত ও শিক্ষিত করার জন্য। দ্রুততা, স্বচ্ছতা এবং আধুনিক ডিজিটাল ইনসাইটের সমন্বয়ে ‘নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক’ সবসময় সত্য ও নতুনত্বের সন্ধানে সচেষ্ট।

Umbrella: রঙচটা প্রাচীরের দেওয়াল ঘেঁষে টুপ করে সন্ধ্যা নামে। হামাগুড়ি দিয়ে অন্ধকার ঢোকে আমাদের বেডরুমে। যৌনতায় মিশে থাকে জীবনের টানাপোড়েন। ক্লাসিফাইড বিজ্ঞাপনে ভরসা খুঁজতে থাকে মধ্যবিত্ত মন। চৌকাঠের চিহ্ন রেখে যায় বদলে যাওয়া সময়, আর না বদলানো কিছু মানসিকতা দরজায় খিল দিয়ে দিনবদলের স্বপ্ন দেখে। আজকের কথকতায় জমে থাক ‘জীবনের ঘূর্ণিপাক‘। লিখছেন প্রাণকৃষ্ণ ঘোষ। যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল আর যারা একটু পরে বৃষ্টি নামলেই ভিজবে-তাদের মধ্যে বেসিক কোনো পার্থক্য নেই, সময়ের জ্ঞান ছাড়া। ভেজা – না ভেজার মাঝখানে ঢাল হয়ে অবস্থান করেন যে ভদ্রলোক তাকে আমরা ছাতা নামে চিনি। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা যাই হোক না কেন মোটামুটি ভাবে ইনিই ভরসা। পাল হোক…

Read More

Contractual Employees: সময় বদলায়। বদলাবেই। নিয়নের আলো ফিকে হয়ে এলইডি’র উজ্জলতায়। স্মার্টফোন মাপে রক্তচাপ। মুহূর্তগুলো বন্দি আজ আঙুলের ছোঁয়ায়। তবু ছুটির দিনে ক্লান্ত দুপুরে ভাতঘুম মন। শিরিষ গাছের দীর্ঘ ছায়া আড়মোড়া ভাঙে তপ্ত ছাদে। আর মন কেমন করা রবিবার দুপুরে মজে থাকে ‘রোদ্দুরের কথকতা‘। কলমে-দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় চাকরি আর নিরাপত্তা প্রায় সমার্থক শব্দ। মাসের শেষে মাইনে। সংসার, ছেলেমেয়ের পড়াশোনা, বাড়িভাড়া, বিদ্যুতের বিল , ওষুধপত্র , লোক লৌকিকতা মানে পুরো ছকে বাঁধা ‘সুখী গৃহকোণ, গ্রামোফোন’ টাইপ। ক্রমবর্ধমান চাকরির চাহিদা আর যোগানের অসাম্য চুক্তিদাস নামক এক বকচ্ছপ প্রাণীর জন্ম দিল। এখানে আপনার হাবভাব স্থায়ী চাকুরীজীবির মতো কিন্তু আপনার চাকরিটি স্থায়ী নয়। আপনি স্থায়ী কর্মীর মতোই…

Read More

Darjeeling Ropeway Project: দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি পথে পর্যটকদের দীর্ঘ যানজটের সমস্যা কমাতে এবার বড় পরিকল্পনার ভাবনা। কার্শিয়াং থেকে দার্জিলিংয়ের মধ্যে অত্যাধুনিক রোপওয়ে বা কেবল কার চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পর্যটকদের যাতায়াত আরও সহজ ও আকর্ষণীয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে মেঘের লুকোচুরি দেখতে দার্জিলিং পাড়ি দেওয়া বাঙালির যেন এক চিরন্তন আবেগ। কিন্তু এই আবেগে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় যানজট। সমতল থেকে পাহাড়ে ওঠার আনন্দ নিমেষেই উবে যায় যখন গাড়ির দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। বিশেষ করে পর্যটনের ভরা মরসুমে (Peak Season) এই যানজট এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। পর্যটকদের…

Read More

Shyamalda Untouched Shoes: দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজারে চার বছর পর পুরনো দোকানের সাটারে চোখে পড়ল একজোড়া না-পরা জুতোর বিজ্ঞপ্তি। কাগজে লেখা ফোন নম্বরটি ছিল পরিচিত শ্যামলদার। ফোন করতেই মিলল দোকানে আসার আমন্ত্রণ, শুরু হল এক পুরনো গল্পের খোঁজ। বিশেষ কলমে ড. সুস্মিতা প্রামাণিক আর্ণেস্ট হেমিংওয়ের নামে চালু থাকা পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গল্প। ছয়টা শব্দে একটা গোটা উপন্যাস। “For sale: baby shoes, never worn.” বিক্রির জন্য: বাচ্চার জুতো, একবারও পরা হয়নি। এর বেশি কিছু লেখা নেই। এই ভাবটা নিয়েই আমার নতুন গল্প – জুতো দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজারের শেষ মাথায় একটা পুরনো দোকানের সাটারে আজ চার বছর পর একটা কাগজ সাঁটা দেখলাম। হাতের…

Read More

Bigg Boss Life Lessons: রঙচটা প্রাচীরের দেওয়াল ঘেঁষে টুপ করে সন্ধ্যা নামে। হামাগুড়ি দিয়ে অন্ধকার ঢোকে আমাদের বেডরুমে। যৌনতায় মিশে থাকে জীবনের টানাপোড়েন। ক্লাসিফাইড বিজ্ঞাপনে ভরসা খুঁজতে থাকে মধ্যবিত্ত মন।  চৌকাঠের চিহ্ন রেখে যায় বদলে যাওয়া সময়, আর না বদলানো কিছু মানসিকতা দরজায় খিল দিয়ে দিনবদলের স্বপ্ন দেখে। আজকের কথকতায় জমে থাক ‘জীবনের ঘূর্ণিপাক‘। লিখছেন প্রাণকৃষ্ণ ঘোষ।  না। হোস্ট হিসেবে সৌরভ না দেব, কে এগিয়ে সেটা নিয়ে গবেষণা করার ধৃষ্টতা আমার নেই। বিগ বস এর মতো শো এর সঞ্চালক হিসেবে সৌরভ এর সাজসজ্জা কতটা আকর্ষণীয় সেটাও আমার এই লেখার উদ্দেশ্য নয়। সেটা বিচার করার যোগ্যতাও আমার নেই। সেই সমস্ত ভাবার জন্য…

Read More

Pain and Aches:  সময় বদলায়। বদলাবেই। নিয়নের আলো ফিকে হয়ে এলইডি’র উজ্জলতায়। স্মার্টফোন মাপে রক্তচাপ। মুহূর্তগুলো বন্দি আজ আঙুলের ছোঁয়ায়। তবু ছুটির দিনে ক্লান্ত দুপুরে ভাতঘুম মন। শিরিষ গাছের দীর্ঘ ছায়া আড়মোড়া ভাঙে তপ্ত ছাদে। আর মন কেমন করা রবিবার দুপুরে মজে থাকে ‘রোদ্দুরের কথকতা‘। কলমে-দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যথাবেদনা জিনিসটা বড়ই বিচিত্র। জীবনে কিছু কিছু মানুষ থাকে, যাদের সঙ্গে আমাদের আলাপ করার কোনো ইচ্ছাই থাকে না, অথচ তাঁরা এমনভাবে জীবনে ঢুকে পড়েন যে পরে তাঁদের ছাড়া জীবন কল্পনাই করা যায় না। ব্যথাবেদনাও ঠিক তেমনই। তাকে নিমন্ত্রণ করতে হয় না, ফোন করে ডাকতে হয় না, এমনকি দরজায় ‘নো এডমিশন’ লিখে রাখলেও সে দিব্যি ভেতরে ঢুকে…

Read More

Uttam Kumar Centenary: শতবর্ষ পেরিয়েও বাঙালির হৃদয়ে অমলিন এক হাসি, এক ব্যক্তিত্ব, এক কিংবদন্তি—উত্তম কুমার। সময় বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে, কিন্তু তাঁর অভিনয়, উপস্থিতি ও সেই অনন্য হাসির আবেদন আজও সমানভাবে জীবন্ত। বিশেষ কলমে ড.সুস্মিতা প্রামাণিক তেসরা সেপ্টেম্বর ১৯২৬ কলকাতার আহিরীটোলা থেকে যাত্রা শুরু করে আজ ও এক আশ্চর্য বিশ্বপথিক হয়ে বাঙালি মানসে উজ্জ্বল ধ্রুবতারা হয়ে জ্বলজ্বল করছেন অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় ওরফে উত্তমকুমার ।আমার সঙ্গে উত্তমকুমারের সম্পর্কটা শুরু থেকেই একটু অদ্ভুত।আমি যখন পৃথিবীতে এলাম, সেই বছরই উত্তমকুমার চলে গেলেন।আমার জন্মের দিন কেউ নিশ্চয়ই জানত না, বাংলা সিনেমার এক যুগও প্রায় একই সময়ে শেষ হয়ে গেছে। বাড়িতে তখন আমার জন্মের আনন্দ, আত্মীয়স্বজনের আসা-যাওয়া,…

Read More

Kanchrapara Train Journey: রঙচটা প্রাচীরের দেওয়াল ঘেঁষে টুপ করে সন্ধ্যা নামে। হামাগুড়ি দিয়ে অন্ধকার ঢোকে আমাদের বেডরুমে। যৌনতায় মিশে থাকে জীবনের টানাপোড়েন। ক্লাসিফাইড বিজ্ঞাপনে ভরসা খুঁজতে থাকে মধ্যবিত্ত মন। চৌকাঠের চিহ্ন রেখে যায় বদলে যাওয়া সময়, আর না বদলানো কিছু মানসিকতা দরজায় খিল দিয়ে দিনবদলের স্বপ্ন দেখে। আজকের কথকতায় জমে থাক ‘জীবনের ঘূর্ণিপাক‘। লিখছেন প্রাণকৃষ্ণ ঘোষ। সময় ভালো হলে তুমিই রাজা।খারাপ হলে মূর্তিমান বিভীষিকা।এই তো সেদিন কাঁচরাপাড়াতে ট্রেন ধরলাম। কী সুন্দর জায়গা পেলাম। পাশে খোলা জানালা, উল্টোদিকে একটা টানা সিটে গাদাগাদি করে চারজন বসে। চোখে মুখে চূড়ান্ত আত্মবিশ্বাস। এক পলকেই বুঝে নেওয়া যায় নিত্যযাত্রী। তখনও কিছু বুঝিনি। খানিকক্ষণ পরে সোদপুর পেরোতেই…

Read More

Why Writers Write: সময় বদলায়। বদলাবেই। নিয়নের আলো ফিকে হয়ে এলইডি’র উজ্জলতায়। স্মার্টফোন মাপে রক্তচাপ। মুহূর্তগুলো বন্দি আজ আঙুলের ছোঁয়ায়। তবু ছুটির দিনে ক্লান্ত দুপুরে ভাতঘুম মন। শিরিষ গাছের দীর্ঘ ছায়া আড়মোড়া ভাঙে তপ্ত ছাদে। আর মন কেমন করা রবিবার দুপুরে মজে থাকে ‘রোদ্দুরের কথকতা‘। কলমে-দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ” আপনার লেখাগুলো কেউ পড়ে না। আপনার লেখাগুলো কারো ভালো লাগে না। আপনার বই বিক্রি হয় না। আপনাকে কেউ চেনে না । তাহলে লেখেন কেন? “প্রশ্নটি শুনে লোকটা আকাশের দিকে তাকাল। ভাবল অনেকক্ষণ। তারপর বলল, ‘আর কিছুই পারি না বলে।’ মানে বলতে চাইলো। অশ্রুত কথোপকথনের মতো।এই এক লাইনের ভেতরেই পৃথিবীর সব লেখকের গোপন ইতিহাস লুকিয়ে…

Read More

রঙচটা প্রাচীরের দেওয়াল ঘেঁষে টুপ করে সন্ধ্যা নামে। হামাগুড়ি দিয়ে অন্ধকার ঢোকে আমাদের বেডরুমে। যৌনতায় মিশে থাকে জীবনের টানাপোড়েন। ক্লাসিফাইড বিজ্ঞাপনে ভরসা খুঁজতে থাকে মধ্যবিত্ত মন।  চৌকাঠের চিহ্ন রেখে যায় বদলে যাওয়া সময়, আর না বদলানো কিছু মানসিকতা দরজায় খিল দিয়ে দিনবদলের স্বপ্ন দেখে। আজকের কথকতায় জমে থাক ‘জীবনের ঘূর্ণিপাক‘। লিখছেন প্রাণকৃষ্ণ ঘোষ।  গ্রামের ছেলে। বছর কয়েক আগেও গ্রাম ছিল নির্ভেজাল। শহরের নানাবিধ কালচার, থাবা বসাতে পারেনি তখনও। তখনও জাতীয় সড়ক আমাদের বাড়ির খামার সংলগ্ন এলাকায় এসে মেশেনি। কোকিলের কুহু ডাকে ঘুম ভাঙার ঐতিহ্য তখনও অবিচল। চড়ুই পাখির চরৈবেতি তখনও অমলিন। বর্ষার সন্ধ্যায়, নিঝুম অন্ধকারে ;ব্যাঙের ডাককে উপেক্ষা করে ধুপধাপ তাল…

Read More