TMC Jora Phool Symbol Dispute: তৃণমূলের পরিচিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ঘিরে এবার তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করছে। প্রতীকের অধিকার নিয়ে সেই দ্বন্দ্ব এবার পৌঁছেছে নির্বাচন কমিশনের দরজায়, ফলে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: একটা প্রতীক, আর তাকে ঘিরেই এখন তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। বাংলার রাজনীতিতে বহু বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচয়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ‘জোড়াফুল’ প্রতীক এবার কোন শিবিরের হাতে থাকবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী—দুই পক্ষই নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করছে। আর সেই লড়াই গড়িয়েছে নির্বাচন কমিশনের দরজায়।
বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ সামনে রয়েছে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। ফলে হাতে সময়ও খুব বেশি নেই। দুই গোষ্ঠীর দাবি, দলের নাম, সংগঠন এবং নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারের অধিকার তাদেরই থাকা উচিত। কমিশন ইতিমধ্যেই দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রও নিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
তাহলে আজকের বৈঠকের পর কী হল? (TMC Jora Phool Symbol Dispute)
১২ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের সামনে দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে। এরপর পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কমিশন ঋতব্রত শিবিরের জমা দেওয়া নথির পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের কাছে লিখিত জবাব চেয়েছে। সেই জবাব জমা দেওয়ার সময়সীমা ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টে পর্যন্ত বলে জানা যাচ্ছে। প্রয়োজন হলে ১৭ সেপ্টেম্বর ফের শুনানি হতে পারে।
অর্থাৎ, আজকের পরেই জোড়াফুল প্রতীক কার, তার চূড়ান্ত ফয়সালা হয়ে যাচ্ছে—এমনটা বলা যাচ্ছে না। বরং সামনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি ও সাংগঠনিক লড়াই অপেক্ষা করছে।
কেন এত গুরুত্বপূর্ণ জোড়াফুল? (TMC Jora Phool Symbol Dispute)
রাজনীতিতে প্রতীক শুধু একটা ছবি নয়। ভোটারের কাছে সেটাই অনেক সময় দলের সবচেয়ে পরিচিত পরিচয়। বিশেষ করে বহু বছর ধরে তৃণমূলের সঙ্গে জোড়াফুলের যে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, সেখানে প্রতীক নিয়ে কোনও অনিশ্চয়তা তৈরি হলে তার রাজনৈতিক প্রভাব যথেষ্ট বড় হতে পারে।
তার উপর উপনির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত বা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা কী হয়, তার দিকে নজর থাকছে দুই শিবিরেরই।
শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে প্রতীক? (TMC Jora Phool Symbol Dispute)
এই মুহূর্তে এখনও কারও হাতে চূড়ান্তভাবে তুলে দেওয়া হয়নি। কমিশন দুই পক্ষের বক্তব্য, নথি এবং সাংগঠনিক দাবিদাওয়া খতিয়ে দেখছে। প্রয়োজনে অন্তর্বর্তী কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে।
তাই এখন আসল নজর ১৬ ও ১৭ সেপ্টেম্বরের দিকে। মমতা শিবির কী জবাব দেয়, ঋতব্রত শিবিরের দাবির মোকাবিলায় কী নথি পেশ করে এবং কমিশন শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয়—তার উপরই নির্ভর করছে বাংলার রাজনীতির এই নতুন ‘জোড়াফুল’ অধ্যায়ের পরের পাতা।
লড়াই এখন শুধু দলের নাম নিয়ে নয়, দলের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক পরিচয়—জোড়াফুল নিয়েও। আর সেই ফুল শেষ পর্যন্ত কার হাতে ফুটবে, তার উত্তর এখনও সময়ের অপেক্ষায়।
#TMC #JoraPhool #TMCDispute #TrinamoolCongress #MamataBanerjee #RitabrataBanerjee #ElectionCommission #BengalPolitics #WestBengalPolitics
সাম্প্রতিক পোস্ট
‘সাথীরা, প্রশ্নফাঁস মাফিয়াদের রেয়াত নয়’– সংসদে বিল পাসের পর প্রথমবার কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?
সিলেবাসে বড় পরিবর্তন কবে থেকে? শিক্ষক নিয়োগেও সুখবর? কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী?
আবার কি বদলে যাবে নোট? দেশে আসছে প্লাস্টিকের নোট,জানুন, কী বদল আসছে?
১লা আগস্ট থেকে স্কুলের খাবারের দায়িত্ব ইস্কনের, ডিম বিতরণ, ও শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা
কেন জেন জির ‘ক্রাশ’ সৌরভ দাস ও অভিজিৎ দীপকে? নেপথ্যে কী রহস্য?

