Annapurna Yojana: অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫৬ মাসে রাজ্য সরকার কী কী প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে, মহিলাদের জন্য কী সুবিধা থাকবে এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা জানিয়েছেন তিনি।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: হলদিয়ার কদমতলায় একটি সভা থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা-সহ একাধিক সরকারি প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী ৫৬ মাসে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ করবে। সভা থেকে তিনি বলেন, অবহেলিত ও অত্যাচারিত প্রত্যেক পরিবারের হাতে কাজ, পেটে ভাত এবং মাথার উপর ছাদ দেওয়া সরকারের অঙ্গীকার এবং সেই অঙ্গীকার পূরণ করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই চার মাসে ৬৭ হাজার দিদি ও বোনের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা পাঠানো শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার। পাশাপাশি অর্ধসমাপ্ত বাড়িগুলির জন্য দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার টাকা এবং নতুন বাড়ির জন্য প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দেওয়ার ব্যবস্থার কথাও সভা থেকে জানানো হয়।
অন্নপূর্ণা যোজনায় ৬৭ হাজার মহিলার অ্যাকাউন্টে টাকা
হলদিয়ার সভা থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে নিজের সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই চার মাস ধরে ৬৭ হাজার দিদি ও বোনের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা পাঠানো শুরু হয়েছে।
সভায় মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ৫৬ মাসে রাজ্য সরকার তার প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ করবে। অবহেলিত ও অত্যাচারিত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের হাতে কাজ, পেটে ভাত এবং মাথার উপর ছাদ দেওয়ার অঙ্গীকারের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
অন্নপূর্ণা যোজনার পাশাপাশি একাধিক সরকারি প্রকল্পের কথাও এদিনের সভায় উঠে আসে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির অগ্রগতি এবং আগামী দিনের পরিকল্পনার কথাও সামনে আসে।
বাড়ির জন্য দ্বিতীয় ও প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার ঘোষণা
হলদিয়ার সভা থেকে বাড়ি সংক্রান্ত আর্থিক সহায়তার বিষয়েও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, অর্ধসমাপ্ত ৮ হাজার বাড়ির জন্য দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি আরও ১৩ হাজার ৭০০টি নতুন বাড়ির জন্য প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থার কথাও জানান তিনি। অর্থাৎ অর্ধসমাপ্ত বাড়ি এবং নতুন বাড়ি—দুই ক্ষেত্রেই আর্থিক সহায়তার বিষয়টি সভা থেকে তুলে ধরা হয়।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এই অর্থ দেওয়ার প্রক্রিয়ার ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই করা হয়েছে। সভা থেকে তিনি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন।
জনকল্যাণ শিবিরে বিভিন্ন প্রকল্পে আবেদন
মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে নতুন জব কার্ড, বাড়তি ভাতা এবং অন্যান্য সামাজিক কর্মসূচির জন্য মানুষ আবেদন করেছেন।
তিনি বলেন, যাঁরা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের সেই আবেদন পূরণ করার কাজ সরকার করেছে। জনকল্যাণ শিবিরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি এদিনের বক্তব্যে গুরুত্ব পায়।
অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে শুরু করে বাড়ির আর্থিক সহায়তা এবং অন্যান্য সামাজিক কর্মসূচি—একাধিক প্রকল্পের কথা একই সভা থেকে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী দিনে সরকারের প্রতিশ্রুতি পূরণের কথাও তিনি পুনরায় জানান।
হরিপুরে অগ্নিনির্বাপণ কেন্দ্র ও নন্দীগ্রাম-হলদিয়া সেতু
সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের পাশাপাশি পরিকাঠামো সংক্রান্ত কাজের কথাও সভা থেকে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, হরিপুরে অগ্নিনির্বাপণ কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি নন্দীগ্রাম-হলদিয়া সেতুর জন্য মাটি পরীক্ষা, দরপত্রের প্রস্তুতি এবং সমীক্ষার কাজের কথাও জানান তিনি। এই সমীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাইটসকে। প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্পের জন্য ১০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও সভা থেকে জানানো হয়।
অর্থাৎ হলদিয়া ও নন্দীগ্রাম এলাকার পরিকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি সামাজিক প্রকল্পগুলির কথাও একই মঞ্চ থেকে তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আগামী ৫৬ মাসে প্রতিশ্রুতি পূরণের বার্তা
হলদিয়ার কদমতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে আগামী ৫৬ মাসে প্রতিশ্রুতি পূরণের বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে আসে। তিনি বলেন, অবহেলিত ও অত্যাচারিত প্রত্যেক পরিবারের হাতে কাজ, পেটে ভাত এবং মাথার উপর ছাদ দেওয়া সরকারের অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকার পূরণ করার কথাও জানান তিনি।
অন্নপূর্ণা যোজনায় ৬৭ হাজার দিদি ও বোনের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা পাঠানোর দাবি, অর্ধসমাপ্ত ৮ হাজার বাড়ির জন্য দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার টাকা এবং ১৩ হাজার ৭০০টি নতুন বাড়ির জন্য প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা—এই বিষয়গুলিই এদিনের ঘোষণার অন্যতম অংশ ছিল।
এর পাশাপাশি জনকল্যাণ শিবির, নতুন জব কার্ড, বাড়তি ভাতা, হরিপুরে অগ্নিনির্বাপণ কেন্দ্র এবং নন্দীগ্রাম-হলদিয়া সেতুর প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরা হয়। প্রাথমিকভাবে সেতু প্রকল্পে ১০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দের কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
#annapurnayojana #westbengalgovernment #chiefministerannouncement #annapurnascheme #governmentpromises #56monthsplan #welfarescheme
সাম্প্রতিক পোস্ট
‘সাথীরা, প্রশ্নফাঁস মাফিয়াদের রেয়াত নয়’– সংসদে বিল পাসের পর প্রথমবার কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?
সিলেবাসে বড় পরিবর্তন কবে থেকে? শিক্ষক নিয়োগেও সুখবর? কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী?
আবার কি বদলে যাবে নোট? দেশে আসছে প্লাস্টিকের নোট,জানুন, কী বদল আসছে?
১লা আগস্ট থেকে স্কুলের খাবারের দায়িত্ব ইস্কনের, ডিম বিতরণ, ও শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা
কেন জেন জির ‘ক্রাশ’ সৌরভ দাস ও অভিজিৎ দীপকে? নেপথ্যে কী রহস্য?

