Annapurna Scheme Benefits: বাল্যবিবাহ বা নাবালিকা মাতৃত্বের ঘটনা প্রমাণিত হলে অন্নপূর্ণা-সহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা বন্ধ হতে পারে বলে কড়া বার্তা দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। একইসঙ্গে স্বামী, অভিভাবক, পুরোহিত ও কাজির বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও বাল্যবিবাহ এবং নাবালিকা মাতৃত্বের ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য প্রশাসন। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সামাজিক সচেতনতার অভাব এবং একাধিক সামাজিক অন্যায়ের কারণে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ে ও কম বয়সে মাতৃত্বের ঘটনা এখনও উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবার শুধু ফৌজদারি মামলা ও আইনি শাস্তির মধ্যেই ব্যবস্থা সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে না। প্রশাসনের বার্তা, ১৮ বছরের কম বয়সি মেয়ের বিয়ে বা অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় গর্ভধারণের ঘটনা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সরকারি আর্থিক সুবিধাও বন্ধ হতে পারে। অন্নপূর্ণা-সহ সরকারি অনুদান, সামাজিক ভাতা এবং বিভিন্ন ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার কড়া সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে স্বামী, বাবা-মা, অভিভাবক, পুরোহিত, কাজি এবং বিয়ের আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাল্যবিবাহ রুখতে স্বাস্থ্য দফতর ও প্রশাসনের নজরদারিও আরও বাড়ানো হচ্ছে।
বাল্যবিবাহ বা নাবালিকা মাতৃত্ব হলেই বন্ধ হতে পারে সরকারি সুবিধা
রাজ্য প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, ১৮ বছরের কম বয়সি মেয়ের বিয়ে দেওয়া কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় তাঁর গর্ভধারণের ঘটনা সামনে এলে সংশ্লিষ্ট পরিবারের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু মামলা দায়ের বা কারাদণ্ডের মতো আইনি শাস্তিই নয়, পরিবারটি যে সমস্ত সরকারি আর্থিক সাহায্য এবং সামাজিক সুবিধা পেয়ে থাকে, সেগুলিও বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে বাল্যবিবাহ বন্ধ করার জন্য আইন রয়েছে। কিন্তু আইন থাকা সত্ত্বেও সামাজিক সচেতনতার অভাব এবং বিভিন্ন সামাজিক কারণে এই প্রবণতা পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। তাই এবার আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অর্থাৎ কোনও পরিবার যদি আইন ভেঙে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়েতে সম্মতি দেয়, বিয়ে আয়োজন করে অথবা অপরিণত বয়সে মেয়ের সন্তানধারণের পরিস্থিতি তৈরি করে, তাহলে সেই পরিবারের সরকারি সামাজিক ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হল, আইন ভাঙার ক্ষেত্রে পরিবারের উপর আরও সরাসরি প্রশাসনিক চাপ তৈরি করা এবং বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা।
পকসো ও বাল্যবিবাহ আইনে থাকছে কঠোর শাস্তির বিধান
বাল্যবিবাহ এবং নাবালিকা মাতৃত্বের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের বিভিন্ন ধারা প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০০৬ সালের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন এবং পকসো আইনের আওতায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সি স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ঘটনা পকসো আইনের আওতায় যৌন নির্যাতন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এমন ক্ষেত্রে অভিযুক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে ন্যূনতম ১০ বছর থেকে সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
অপ্রাপ্তবয়স্ক স্ত্রী গর্ভবতী হলে পকসো আইনের আরও কঠোর ধারা প্রয়োগের কথাও বলা হয়েছে। স্ত্রীর বয়স ১৬ বছরের কম হলে অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
একইসঙ্গে ২১ বছরের কম বয়সি পুরুষের বিয়ের ক্ষেত্রেও আইনি শাস্তির বিধানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই বয়সের নিচে কোনও পুরুষ বিয়ে করলে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
প্রশাসনের বার্তা, অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ে বা গর্ভধারণের ঘটনা সামনে এলে বিষয়টিকে কোনওভাবেই সাধারণ পারিবারিক ঘটনা হিসেবে দেখা হবে না। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাবালিকা গর্ভধারণের খবর পেলেই শুরু হবে প্রশাসনিক পদক্ষেপ
নাবালিকা গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসবের খবর পাওয়ার পর পুলিশ ও প্রশাসন স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে পদক্ষেপ করবে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ না এলেও প্রশাসনের কাছে এমন ঘটনা পৌঁছলে তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা শুরু হতে পারে।
স্বাস্থ্য দফতরের মাধ্যমে চিহ্নিত নাবালিকা বধূর পরিবার এবং স্বামীর কাছে শোকজ নোটিস পাঠানোর ব্যবস্থার কথাও জানানো হয়েছে। সেখানে বিয়ের সময় মেয়েটির বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছিল কি না, তার প্রমাণ দিতে হবে।
বয়স প্রমাণের জন্য সরকারি নথি দেখাতে হবে। এর মধ্যে স্কুলের শংসাপত্র, জন্মের শংসাপত্র অথবা পরিচয়পত্রের মতো নথি পেশ করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ শুধু পরিবারের বক্তব্যের উপর নির্ভর না করে সরকারি নথির মাধ্যমে বয়স যাচাই করা হবে।
প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, সঠিক বয়সের প্রমাণ দিতে না পারলে সংশ্লিষ্টদের আইনি শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে। বাল্যবিবাহের অভিযোগ যাচাই করার ক্ষেত্রে বয়সের নথিকেই গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে দেখা হবে।
এই নজরদারির মাধ্যমে প্রশাসনের লক্ষ্য হল, বিয়ের সময় মেয়েটির বয়স কম ছিল কি না এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসব অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা।
বাবা-মা, অভিভাবক থেকে পুরোহিত-কাজি, রেহাই নেই
বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে শুধু স্বামীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। যে সমস্ত ব্যক্তি বিয়ের আয়োজন, অনুমোদন বা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের ১০ নম্বর ধারার কথা উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনা বা সহায়তা করা পুরোহিত এবং কাজিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তাঁদের সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত জেল এবং এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি পকসো আইনের আওতায়ও তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, বাবা-মা বা অভিভাবক যদি নাবালিকার বিয়েতে সম্মতি দেন, উৎসাহ দেন বা বিয়ে আয়োজনের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও কড়া ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের ১১ নম্বর ধারার উল্লেখ করে অভিভাবকদের দায়বদ্ধতার কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ১৩ নম্বর ধারার মাধ্যমে কোনও অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ে আটকাতে আদালত আগাম নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
অর্থাৎ, বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে শুধু বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর ব্যবস্থা নয়, বিয়ে হওয়ার আগেই প্রশাসন এবং আদালতের মাধ্যমে তা বন্ধ করার সুযোগও রাখা হয়েছে।
হাসপাতালে নাবালিকা প্রসবের তথ্য গোপন করলেও ব্যবস্থা
নাবালিকা মাতৃত্বের ঘটনা চিহ্নিত করতে স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের সন্তান প্রসব হলে সেই তথ্য প্রশাসনের নজরে আসবে। এমন কোনও ঘটনা গোপন করার চেষ্টা হলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, নাবালিকা প্রসবের তথ্য গোপন করা হলে পকসো আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হতে পারে। ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও এই বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নাবালিকা মাতৃত্বের ঘটনা চিহ্নিত করার পাশাপাশি তার পিছনে বাল্যবিবাহ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার চেষ্টা করা হবে।
বয়সের নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও প্রশাসন কড়া অবস্থান নিয়েছে। স্কুলের শংসাপত্র, জন্মের শংসাপত্র এবং পরিচয়পত্রের মতো নথি মিলিয়ে বয়স যাচাই করার কথা বলা হয়েছে।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একই নিয়ম কার্যকর করার বার্তা
রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাল্যবিবাহ এবং নাবালিকা মাতৃত্বের বিরুদ্ধে নেওয়া এই ব্যবস্থা ধর্ম বা বর্ণের ভিত্তিতে আলাদা হবে না। প্রতিটি ক্ষেত্রেই একই নিয়ম কার্যকর করা হবে।
অর্থাৎ অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ে, কম বয়সে গর্ভধারণ এবং সন্তান প্রসবের ঘটনা সামনে এলে সংশ্লিষ্ট পরিবারের বিরুদ্ধে একই ধরনের প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বয়সের প্রমাণ এবং ঘটনার বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রশাসনের বার্তা অনুযায়ী, আইন ভেঙে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ে দেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একইভাবে অপরিণত বয়সে মেয়েদের মাতৃত্বের দিকে ঠেলে দেওয়ার ঘটনাও কঠোরভাবে দেখা হবে।
এই কারণেই সরকারি আর্থিক সাহায্য ও সামাজিক ভাতা বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে বাল্যবিবাহ রুখতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিবারের উপর আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি আর্থিক সুবিধা হারানোর আশঙ্কা তৈরি হলে বাল্যবিবাহের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা কমতে পারে—এমন লক্ষ্যেই এই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
অন্নপূর্ণা-সহ সরকারি সুবিধা বন্ধের বার্তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ
এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক অপরাধের সঙ্গে সরকারি সুবিধা পাওয়ার বিষয়টিকেও যুক্ত করা হচ্ছে। প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, যে পরিবার আইন ভেঙে নাবালিকার বিয়েতে সায় দেবে অথবা অপরিণত বয়সে মেয়ের সন্তানধারণের ঘটনা ঘটবে, সেই পরিবারের সরকারি সামাজিক ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা ভবিষ্যতে বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
অন্নপূর্ণা-সহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা বন্ধ করার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রশাসন সরাসরি পরিবারগুলিকে সতর্ক করতে চাইছে। বার্তা স্পষ্ট—আইন ভাঙলে শুধু মামলা বা জেলের মুখোমুখি হতে হবে না, সরকারি সাহায্য পাওয়ার সুযোগও হারাতে হতে পারে।
একইসঙ্গে বিয়ের সঙ্গে যুক্ত পুরোহিত, কাজি, অভিভাবক এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। ফলে বাল্যবিবাহকে আর শুধুমাত্র পরিবারের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ থাকছে না।
স্বাস্থ্য দফতরের মাধ্যমে নাবালিকা বধূ এবং নাবালিকা মাতৃত্বের ঘটনা চিহ্নিত করা, শোকজ নোটিস পাঠানো, বয়সের সরকারি নথি যাচাই এবং প্রয়োজন হলে পুলিশি ব্যবস্থা—এই পুরো প্রক্রিয়াকে আরও সক্রিয় করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
বাল্যবিবাহ ও নাবালিকা মাতৃত্ব রুখতে রাজ্য প্রশাসনের ঘোষিত পদক্ষেপে আইনি শাস্তির পাশাপাশি সরকারি সুবিধা বন্ধের বিষয়টিও সামনে এসেছে। ১৮ বছরের আগে মেয়ের বিয়ে বা অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় মাতৃত্বের ঘটনা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পরিবারের বিরুদ্ধে একাধিক স্তরে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে—এটাই প্রশাসনের দেওয়া কড়া বার্তার মূল কথা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এই নিয়ম কার্যকর করার কথাও জানানো হয়েছে।
#AnnapurnaSchemeBenefits #AnnapurnaScheme #GovernmentBenefits #SocialWelfareSchemes #WestBengalGovernmentSchemes #ChildMarriage #MinorMotherhood #GovernmentAllowances
সাম্প্রতিক পোস্ট
‘সাথীরা, প্রশ্নফাঁস মাফিয়াদের রেয়াত নয়’– সংসদে বিল পাসের পর প্রথমবার কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?
সিলেবাসে বড় পরিবর্তন কবে থেকে? শিক্ষক নিয়োগেও সুখবর? কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী?
আবার কি বদলে যাবে নোট? দেশে আসছে প্লাস্টিকের নোট,জানুন, কী বদল আসছে?
১লা আগস্ট থেকে স্কুলের খাবারের দায়িত্ব ইস্কনের, ডিম বিতরণ, ও শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা
কেন জেন জির ‘ক্রাশ’ সৌরভ দাস ও অভিজিৎ দীপকে? নেপথ্যে কী রহস্য?

