CPIM Educated Candidates 2026: রাজনীতিতে মেধা ও মননের লড়াই! একুশের ধাক্কা সামলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার এবং আইনজীবীদের ওপর বাজি ধরে হারানো জমি পুনরুদ্ধারের আশায় সিপিআই(এম)।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্য রাজনীতিতে একটা সময় সিপিআই(এম) (CPI(M)) মানেই ছিল বুদ্ধিজীবী এবং উচ্চশিক্ষিত মানুষদের আঁতুড়ঘর। দীর্ঘ বাম শাসনে দলটির নীতিনির্ধারণ থেকে শুরু করে প্রশাসনিক পরিকাঠামো—সব জায়গাতেই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার এবং অধ্যাপকদের একটি বড় প্রভাব দেখা যেত। তবে বিগত এক দশকে রাজনৈতিক জমি ক্রমশ আলগা হওয়ায় সেই ছবিটা কিছুটা ফিকে হয়েছিল। কিন্তু আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) যত এগিয়ে আসছে, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট যেন ফের তাদের সেই পুরোনো ঐতিহ্যেই ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শূন্যে নেমে যাওয়ার পর, এবার তৃণমূল এবং বিজেপির মেরুকরণের রাজনীতির বিরুদ্ধে বামেদের প্রধান হাতিয়ার হলো ‘স্বচ্ছতা এবং মেধা’। বিভিন্ন হাই-প্রোফাইল কেন্দ্রে তারা এমন কিছু প্রার্থীকে ময়দানে নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, যাঁদের অ্যাকাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড (Academic Background) যেকোনো কর্পোরেট প্রফেশনালকে হার মানাতে পারে। কেউ বিদেশের নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি (Ph.D.) করেছেন, তো কেউ প্রতিদিন সাধারণ মানুষের হয়ে কোর্টে আইনি লড়াই চালাচ্ছেন। আসুন, আগামী নির্বাচনে সিপিআই(এম)-এর এমনই কয়েকজন উল্লেখযোগ্য উচ্চশিক্ষিত প্রার্থীর প্রোফাইল এবং তাঁদের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করে দেখা যাক।
মীনাক্ষী মুখার্জী (Minakshi Mukherjee)
সিপিআই(এম)-এর বর্তমান প্রজন্মের সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখ মীনাক্ষী মুখার্জী, যাঁর বয়স ৪২ বছর। নির্বাচন কমিশনের এফিডেভিট অনুযায়ী ২০২৬-এ তাঁকে উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতার নিরিখে তিনি একজন পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট। কুলটির জলধী কুমারী দেবী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে স্কুলজীবন শেষ করে তিনি আসানসোলের বনওয়ারিলাল ভালোটিয়া কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। এরপর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় (University of Burdwan) থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে (Political Science) এমএ ডিগ্রি লাভ করেন।
তাঁর রাজনৈতিক উত্থান একেবারেই ক্লাসিক বামপন্থী ঘরানার—কলেজ, এসএফআই (SFI), ডিওয়াইএফআই (DYFI) হয়ে পার্টি লিডারশিপ। অ্যাকাডেমিক স্তরে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্রী হওয়ার সুবাদে তাঁর রাজনৈতিক বোঝাপড়া অত্যন্ত স্পষ্ট। পেশা হিসেবে তিনি নিজেকে একজন ‘সমাজকর্মী’ হিসেবেই উল্লেখ করেন এবং তাঁর আয়ের মূল উৎস হলো পার্টির দেওয়া ভাতা। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন শাসকদলের কোনো স্থানীয় দাপুটে নেতা। লড়াইটি কঠিন হলেও, মীনাক্ষীর অকৃত্রিম জনসংযোগ এবং লড়াকু মানসিকতা উত্তরপাড়ার ভোটারদের গভীরভাবে আকৃষ্ট করতে পারে।
সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় (Sayan Banerjee)
টেলিভিশন বিতর্ক এবং কলকাতা হাইকোর্টের পরিচিত মুখ সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স ৩০-এর কোঠায়। তাঁকে কলকাতা বা শহরতলির কোনো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে। সায়ন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আইন (L.L.B.) নিয়ে গ্র্যাজুয়েট প্রফেশনাল ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
রাজনীতিতে আসার আগে এবং বর্তমানেও তিনি পেশায় একজন সফল আইনজীবী (Advocate)। কলকাতা হাইকোর্টে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিসহ একাধিক জনস্বার্থ মামলায় চাকরিপ্রার্থীদের হয়ে লড়াই করে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন। তাঁর এই আইনি জ্ঞান এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ের ভাবমূর্তিই হলো প্রচারের ময়দানে তাঁর সবচেয়ে বড় ইউএসপি (USP)।
দীপ্সিতা ধর (Dipsita Dhar)
বামেদের অন্যতম বাগ্মী নেত্রী দীপ্সিতা ধরের বয়স আনুমানিক ২৭-২৮ বছর। তাঁকে দমদম উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। আশুতোষ কলেজ থেকে ভূগোলে (Geography) বিএ পাস করার পর তিনি দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (JNU) ভর্তি হন। সেখান থেকে পপুলেশন জিওগ্রাফিতে এমএ এবং এমফিল (২০১৭) সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি জেএনইউ-তেই পিএইচডি গবেষক।
পেশায় একজন ‘ছাত্রী’ ও ‘গবেষক’ দীপ্সিতা তাঁর অ্যাকাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ডকে প্রচারে দারুণভাবে ব্যবহার করেন। তিনি অত্যন্ত সাবলীলভাবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুর সঙ্গে স্থানীয় সমস্যার মেলবন্ধন ঘটিয়ে শাসকদলকে আক্রমণ করেন, যা তাঁকে তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে।

প্রফেসর পার্থ প্রতিম বিশ্বাস (Prof. Partha Pratim Biswas)
টালিগঞ্জ আসন থেকে বামেদের হেভিওয়েট প্রার্থী প্রফেসর পার্থ প্রতিম বিশ্বাস যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক (২০০৩ থেকে কর্মরত)। তিনি যাদবপুর থেকেই বি.ই (B.E.), এম.ই (M.E.) এবং ২০০৫ সালে পিএইচডি (Ph.D.) সম্পন্ন করেছেন।
একজন পুরোদস্তুর অ্যাকাডেমিক এবং গবেষক হিসেবে তাঁর স্বচ্ছ ভাবমূর্তি টালিগঞ্জের মতো শিক্ষিত এবং সংস্কৃতিমনস্ক কেন্দ্রে বামেদের একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে তুলে ধরতে পারে।
বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য (Bikash Ranjan Bhattacharya)
রাজ্য রাজনীতিতে মেধা, আইনি লড়াই এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সিপিআই(এম)-এর সবচেয়ে বড় ও নির্ভরযোগ্য মুখ হলেন বর্ষীয়ান নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য। ১৯৫১ সালে জন্মগ্রহণ করা এই নেতার বয়স এখন সত্তরের কোঠায় হলেও, তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষুরধারতা আজও তরুণদের হার মানায়। তিনি কলকাতার স্বনামধন্য প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর, দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে (Political Science) স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
পেশায় তিনি কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের একজন অত্যন্ত দাপুটে এবং প্রতিষ্ঠিত সিনিয়র আইনজীবী (Senior Advocate)। কলকাতার প্রাক্তন মেয়র এবং রাজ্যসভার এই সাংসদকে আসন্ন নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করার জোর জল্পনা রয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে সারদা-নারদ—রাজ্যের প্রায় প্রতিটি বড় দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি পথে শাসকদলকে ধরাশায়ী করার প্রধান কারিগর তিনি। যাদবপুরের মতো রাজনীতি-সচেতন এবং শিক্ষিত কেন্দ্রে বিকাশবাবুর মতো একজন ‘শিক্ষিত মার্কসবাদী বুদ্ধিজীবী’ এবং তুখোড় আইনজীবীর উপস্থিতি যেকোনো প্রতিপক্ষের কাছেই প্রবল ভয়ের কারণ। প্রচারের ময়দানে তাঁর অ্যাকাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি সাধারণ মানুষের মনে এক বিশাল আস্থার জায়গা তৈরি করে।
প্রফেসর সুমন রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় (Prof. Suman Ranjan Bandyopadhyay)
শিল্পাঞ্চলের রাজনীতিতে পেশিশক্তির বদলে এবার মেধা এবং শিক্ষাকে হাতিয়ার করতে চাইছে সিপিআই(এম)। আর সেই কৌশলেরই অন্যতম বড় উদাহরণ হলেন ব্যারাকপুর কেন্দ্রের প্রার্থী প্রফেসর সুমন রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়। বয়স আনুমানিক ৫৩ বছর। শিক্ষাগত দিক থেকে তিনি অত্যন্ত কৃতী একজন ছাত্র। ১৯৯৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক (B.A. English Honours) এবং ১৯৯৫ সালে ওই একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর (M.A. English) সম্পন্ন করেন।
পেশাগত জীবনে তিনি দীর্ঘ ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষাদানের সঙ্গে যুক্ত। ২০০১ সাল থেকে তিনি ব্যারাকপুরের পি.এন. দাস কলেজে (P.N. Das College) ইংরেজির অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত। ব্যারাকপুরের মতো একটি রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত এবং শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকায় একজন ইংরেজি প্রফেসরের পরিশীলিত ভাবমূর্তি বামেদের প্রচারকে এক অন্য মাত্রা দেয়। শিক্ষকতা করার সুবাদে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং রুগ্ণ শিল্পাঞ্চলের পুনরুদ্ধারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে একজন অধ্যাপকের যৌক্তিক প্রচার সাধারণ ভোটারদের মনোযোগ কাড়তে বাধ্য।
ডা. পুলিন বিহারী বাস্কে (Dr. Pulin Bihari Baske)
জঙ্গলমহলের প্রান্তিক মানুষের কাছে সিপিআই(এম)-এর এক অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং শিক্ষিত মুখ হলেন ডা. পুলিন বিহারী বাস্কে। তাঁকে নয়াগ্রাম (এসটি) কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতার নিরিখে তিনি একজন গ্র্যাজুয়েট প্রফেশনাল। ১৯৯৪ সালে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ (Calcutta Medical College) থেকে তিনি এমবিবিএস (MBBS) পাস করে সফলভাবে ডাক্তারি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনীতির পাশাপাশি পেশায় তিনি মূলত একজন চিকিৎসক। নির্বাচন কমিশনের এফিডেভিট অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক মামলা (Criminal Case) বা আর্থিক দায়বদ্ধতা নেই। জঙ্গলমহলের মতো আদিবাসী এবং পিছিয়ে পড়া এলাকায়, যেখানে চিকিৎসাপরিষেবা এখনো অনেক মানুষের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে একজন যোগ্য চিকিৎসকের রাজনৈতিক ময়দানে নেমে আসাটা সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। মানুষের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখার পাশাপাশি তাঁদের রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে ডা. বাস্কে একজন অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও মানবিক প্রার্থী।
ডা. নিলয় মজুমদার (Dr. Niloy Majumder)
বেহালা পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বামেদের প্রার্থী ডা. নিলয় মজুমদার হলেন আরও একজন উচ্চশিক্ষিত মেডিক্যাল প্রফেশনাল। তিনি এমবিবিএস (MBBS) পাসের পর জেনারেল মেডিসিনে এমডি (MD) সম্পন্ন করেছেন।
পেশাগত জীবনে তিনি কলকাতা এবং ডায়মন্ড হারবার সংলগ্ন এলাকায় একজন অত্যন্ত পরিচিত এবং ব্যস্ত প্র্যাকটিসিং ফিজিশিয়ান। বেহালা পূর্বের মতো একটি আধা-শহুরে এবং মিশ্র ভোটব্যাঙ্কের এলাকায় শাসকদলের দীর্ঘদিনের আধিপত্য রয়েছে। এমন একটি কেন্দ্রে পেশিশক্তির রাজনীতির বদলে একজন এমডি চিকিৎসকের মতো স্বচ্ছ এবং শিক্ষিত প্রোফাইল ভোটারদের সামনে একটি শক্তিশালী বিকল্প তৈরি করে। স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন, ডেঙ্গুর মতো নাগরিক সমস্যা এবং সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের সমস্যা সমাধানে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের ডেটা-ভিত্তিক প্রচার এই কঠিন রাজনৈতিক ময়দানে বামেদের একটি বড় হাতিয়ার হতে পারে।
অ্যাডভোকেট সৌম্যজিৎ রাহা (Adv. Soumyajit Raha)
বিধাননগরের (সল্টলেক) মতো একটি শিক্ষিত, অভিজাত এবং আইটি (IT) হাব অধ্যুষিত কেন্দ্রে সিপিআই(এম)-এর বাজি হলেন অ্যাডভোকেট সৌম্যজিৎ রাহা। শিক্ষাগত যোগ্যতায় তিনি একজন আইন গ্র্যাজুয়েট (L.L.B.) এবং পেশায় কলকাতা হাইকোর্টের একজন আইনজীবী।
বিধাননগরের মতো একটি বিধানসভা কেন্দ্রে, যেখানে প্রচুর সরকারি আমলা, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত এবং আইটি প্রফেশনালদের বাস, সেখানে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট রাজের বিরুদ্ধে একজন আইনি পেশার মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। কোর্টের ভেতরে যেমন তিনি আইনের সাহায্যে লড়াই করেন, প্রচারের ময়দানেও তিনি সেই আইনি যুক্তিগুলোকেই সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরেন। তোলাবাজি মুক্ত পরিচ্ছন্ন প্রশাসন এবং নাগরিক অধিকারের দাবিতে একজন আইনজীবীর এই সুশৃঙ্খল প্রচার বিধাননগরের এলিট ভোটারদের গভীরভাবে আকৃষ্ট করে।
ডা. অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (Dr. Abhijit Bandyopadhyay)
হাওড়া দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বামেদের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে চলেছেন আরও একজন উচ্চশিক্ষিত চিকিৎসক, ডা. অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও শিক্ষাগত যোগ্যতায় একজন ডাক্তার এবং দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসাপেশার সঙ্গে যুক্ত।
হাওড়া দক্ষিণের মতো ঘিঞ্জি, শিল্পাঞ্চল এবং মিশ্র জনসংখ্যার এলাকায় পরিচ্ছন্ন পানীয় জল, দূষণ এবং স্বাস্থ্য পরিকাঠামো একটা বড় ইস্যু। ডা. অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারের ময়দানে কোনো অবাস্তব রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি না দিয়ে, একজন চিকিৎসকের দৃষ্টিকোণ থেকে এই মৌলিক নাগরিক সমস্যাগুলোর সমাধানের ব্লু-প্রিন্ট তুলে ধরেন। তাঁর স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের ব্যাকগ্রাউন্ড সাধারণ মানুষের মনে ভরসা জোগায় যে, রাজনীতির কাদা-ছোঁড়াছুঁড়ির বাইরে গিয়েও সমাজ গড়ার কাজ করা সম্ভব।
সাম্প্রতিক পোস্ট
- দিনের ২৪ ঘণ্টা বদলে দিতে পারে আপনার জীবন! জানুন, সময় ব্যবহারের এই সহজ কৌশল
- পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে তরুণ তুর্কিদের ঝড়! ভোটের ময়দানে কতটা প্রভাব ফেলছে যুব মুখ?
- শালিমার বাগের ভবিষ্যৎ রহস্য: প্রেম, স্মৃতি আর সময়কে ছাপিয়ে ভবিষ্যৎ কি বদলে দেবে ইতিহাস?
- বিতর্ক পিছু ছাড়েনি, মামলা মাথায় নিয়েই ভোটের ময়দানে! তৃণমূল-বিজেপির হেভিওয়েটদের ভোটযুদ্ধ ঘিরে উত্তাপ
- গ্যাস সিলিন্ডার দ্রুত শেষ হয়ে যায়? এই ৬টি সহজ টিপস জানলে সিলিন্ডার

