Gas Cylinder Shortage India: মধ্যপ্রাচ্য থেকে এলপিজি আমদানিতে ধাক্কা, হরমুজ প্রণালীর চাপ ও যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা। ভারতের জ্বালানি পরিস্থিতি কী, কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গে প্রভাব কতটা? কেন্দ্র ও রাজ্য কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, সাধারণ মানুষের এখন করণীয় কী—জানুন বিস্তারিত।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: খবরটা শুনলে হয়তো আপনি চমকে উঠবেন। পৃথিবী থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে মধ্যপ্রাচ্যে (West Asia) যে মিসাইল আর ড্রোন হামলা চলছে, তার সরাসরি ধাক্কা এসে লেগেছে আপনার বাড়ির রান্নাঘরে!
গত কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খবর আসছিল যে, রান্নার গ্যাস বা এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার পেতে দেরি হচ্ছে। কিন্তু পরিস্থিতি যে এতটা ভয়াবহ, তা হয়তো অনেকেই আঁচ করতে পারেননি। যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি (LNG) আমদানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। আর এই সংকটের মোকাবিলা করতে এবার ভারত সরকারকে এক প্রকার জরুরি অবস্থা বা আপৎকালীন ব্যবস্থা (emergency measures) নিতে হয়েছে।
আপনি হয়তো ভাবছেন, আপনি তো গ্যাসে রান্না করেন, তাহলে এলএনজি (LNG) না এলে আপনার কী সমস্যা? আসলে, দেশের বেশ কিছু শিল্প ও অন্যান্য ক্ষেত্রে এলএনজি ব্যবহার করা হতো, কিন্তু এখন তা না আসায়, সরকার বাধ্য হয়ে এলপিজি (LPG) এবং সিএনজি (CNG)-কে সেইসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করার বা ঘুরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে আপনার বাড়ির জন্য বরাদ্দ গ্যাসে টান পড়েছে। আজ NewsOffBeat-এর এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা বিশ্লেষণ করব, কেন হঠাৎ করে দেশজুড়ে এই হাহাকার, এর ফলে আপনার দৈনন্দিন জীবনে কী কী প্রভাব পড়তে চলেছে এবং সবচেয়ে বড় কথা—এই সংকট মোকাবিলায় একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আপনার কী করা উচিত।
সরকারের ‘এমার্জেন্সি গ্যাস কার্ব’: কেন এই চরম সিদ্ধান্ত?
যুদ্ধ যখন কোনো একটি অঞ্চলে হয়, তখন তার অর্থনৈতিক প্রভাব গোটা বিশ্বেই পড়ে। কিন্তু ভারতের ক্ষেত্রে এই প্রভাব আরও মারাত্মক, কারণ ভারত তার প্রয়োজনীয় গ্যাসের একটা বড় অংশই পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে।
বর্তমান সংঘাতের কারণে সেই সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকার বাধ্য হয়ে ‘এমার্জেন্সি গ্যাস কার্ব’ (Emergency gas curbs) বা জরুরি ভিত্তিতে গ্যাস নিয়ন্ত্রণ নীতি প্রণয়ন করেছে।
সরকারি নির্দেশিকা বা গ্যাজেট নোটিফিকেশন (gazette notification) অনুযায়ী, দেশীয়ভাবে উৎপাদিত যে প্রাকৃতিক গ্যাস (domestic natural gas) রয়েছে, তা এখন থেকে শুধুমাত্র অত্যন্ত জরুরি বা ‘প্রায়োরিটি সেক্টর’গুলোতে (priority sectors) দেওয়া হবে। এই প্রায়োরিটি সেক্টর বলতে মূলত গৃহস্থের রান্নার গ্যাস (household cooking gas – PNG) এবং পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত সিএনজি (CNG for transport)-কে বোঝানো হয়েছে।
এর অর্থ হলো, আগে যে গ্যাস সার কারখানা বা অন্যান্য বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে যেত, এখন তা সাধারণ মানুষের হাঁড়ি চড়ানোর জন্য ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু সমস্যা হলো, এই ‘ঘুরিয়ে দেওয়া’ বা ডাইভার্ট (divert) করার প্রক্রিয়াটি এতটাও সহজ নয়। এর ফলে সাময়িকভাবে বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র আকাল দেখা দিয়েছে।
গৃহস্থ থেকে রেস্তোরাঁ: আতঙ্কের রেশ দেশজুড়ে (Gas Cylinder Shortage India)
এই গ্যাস সংকটের খবর রটে যাওয়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে এক অদ্ভুত প্যানিক বা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। অনেকেই ভয় পাচ্ছেন যে হয়তো আগামী কয়েক মাস গ্যাস পাওয়াই যাবে না।
এই আতঙ্ক সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন শহরের গৃহস্থ পরিবার এবং হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিকদের মধ্যে। দিল্লি, ভুবনেশ্বর (Bhubaneswar), তিরুবনন্তপুরম (Thiruvananthapuram) এবং বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) মতো শহরগুলোতে এলপিজি ডেলিভারি এজেন্টরা ইতিমধ্যেই গ্রাহকদের সতর্ক করতে শুরু করেছেন যে, আগামী দিনে সিলিন্ডার আসতে দেরি হতে পারে।
কেরালার (Kerala) এক হোটেল মালিক জেরিন জর্জ (Jerin George) জানিয়েছেন, তিনি প্রতিদিন দু-তিনটে সিলিন্ডার ব্যবহার করেন। এখন এই পরিস্থিতিতে তিনি বাধ্য হয়ে ‘ইন্ডাকশন কুকিং’ (induction cooking) বা ইলেকট্রিক চুল্লির দিকে ঝুঁকছেন, যদিও এতে তাঁর খরচ অনেক বেড়ে যাবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
একই অবস্থা সাধারণ গৃহিণীদেরও। তিরুবনন্তপুরমের (Thiruvananthapuram) একজন গৃহিণী প্রিয়া দীনেশ (Priya Dinesh) জানিয়েছেন, তিনি তাঁর গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছেন, কিন্তু ডেলিভারি পাচ্ছেন না। দিল্লির (Delhi) এক এলপিজি এজেন্সির সুপারভাইজারও স্বীকার করেছেন যে, গ্রাহকদের মধ্যে আগে থেকেই গ্যাস বুক করার বা ‘প্যানিক বুকিং’-এর হিড়িক পড়ে গেছে, যার ফলে ডেলিভারি সিস্টেম আরও বেশি ভেঙে পড়ছে।
বাণিজ্যিক স্তরে চরম ধাক্কা: বন্ধ হতে পারে রেস্তোরাঁ? (Gas Cylinder Shortage India)
শুধু তো সাধারণ মানুষ নয়, এই গ্যাস সংকটের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হতে চলেছেন রেস্তোরাঁ এবং আতিথেয়তা শিল্পের (hospitality sector) সঙ্গে যুক্ত মানুষজন।
ফেডারেশন অফ হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশনস অফ ইন্ডিয়ার (Federation of Hotel and Restaurant Associations of India) ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রদীপ শেট্টি (Pradeep Shetty) জানিয়েছেন, ভারতীয় রান্নার ধরন অনুযায়ী (Indian-style cooking) ইলেকট্রিক বা ইন্ডাকশন চুল্লি ব্যবহার করা খুব একটা লাভজনক বা কার্যকরী নয় (not viable)। তিনি কড়া ভাষায় সতর্ক করে বলেছেন যে, যদি খুব শিগগিরই গ্যাসের সাপ্লাই স্বাভাবিক না হয়, তবে দেশের প্রায় অর্ধেক রেস্তোরাঁ কয়েকদিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যেতে পারে!
কর্নাটক (Karnataka) এবং ওড়িশার (Odisha) মতো রাজ্যগুলোতেও হোটেলের মালিকরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। ওড়িশার হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান জে.কে. মোহান্তি (J.K. Mohanty) জানিয়েছেন যে, এই সংকট রাজ্যের পর্যটন শিল্পে (tourism), হোটেল বুকিংয়ে (hotel bookings) এবং হাজার হাজার মানুষের জীবিকায় (livelihoods) সরাসরি আঘাত হানতে পারে।
গ্যাসের আমদানি না হওয়ায় তার জেরেই পশ্চিমবঙ্গে গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে মা ক্যান্টিন (Ma Canteen) পরিষেবাতেও। গ্যাসের অভাবে আপাতত বহু জায়গায় মা ক্যান্টিনে রান্না বন্ধ রয়েছে বলে সূত্রের খবর। পরে এই বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানিয়েছেন, গ্যাস সরবরাহে সমস্যার কারণেই সাময়িকভাবে বেশিরভাগ মা ক্যান্টিনে রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে যাতে জরুরি পরিষেবা ব্যাহত না হয়, সেই কারণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলোর সামনে যে মা ক্যান্টিনগুলি রয়েছে, সেগুলিতে আপাতত পরিষেবা চালু রাখা হয়েছে। কারণ হাসপাতালের রোগী, তাদের পরিবার এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য এই পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু হাসপাতাল ছাড়া শহরের অন্যান্য এলাকায় থাকা মা ক্যান্টিনগুলিতে এই মুহূর্তে খাবার সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষেরা যারা প্রতিদিন স্বল্প মূল্যে এই খাবারের উপর নির্ভর করেন, তারা সাময়িক সমস্যার মুখে পড়েছেন।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং গ্যাস সরবরাহ ঠিক হলেই ধীরে ধীরে সব মা ক্যান্টিন আবার চালু করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।
সাধারণ মানুষের জন্য গাইডলাইন: এখন আপনার কী করণীয়?
পরিস্থিতি সত্যিই উদ্বেগজনক, কিন্তু প্যানিক বা আতঙ্ক কখনোই কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না। এই গ্যাস সংকটের মুহূর্তে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আপনার কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। NewsOffBeat-এর পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য একটি বিশেষ গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে:
১. প্যানিক বুকিং বন্ধ করুন: সবচেয়ে প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো, আপনার যদি এখনই গ্যাসের প্রয়োজন না থাকে, তবে অহেতুক ‘প্যানিক বুকিং’ (Panic Booking) করবেন না। অনেকেই ভয়ে দুটো বা তিনটে সিলিন্ডার বুক করে রাখার চেষ্টা করছেন। এর ফলে যাদের সত্যিই গ্যাসের প্রয়োজন, তারা গ্যাস পাচ্ছেন না এবং কালোবাজারির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। মনে রাখবেন, সরকার গৃহস্থের গ্যাসকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার (Priority) দিয়েছে, তাই একটু দেরি হলেও আপনি আপনার গ্যাস পাবেন।
২. গ্যাসের সাশ্রয় করুন (Gas Conservation): এই সংকটের সময় রান্নার গ্যাসে সাশ্রয় করা অত্যন্ত জরুরি। রান্না করার সময় কিছু সহজ নিয়ম মেনে চলুন।
- সবজি বা মাছ-মাংস আগে থেকে কেটে ও ধুয়ে গুছিয়ে রাখুন, তারপর গ্যাস জ্বালান।
- রান্না করার সময় পাত্রের মুখ ঢাকা দিয়ে রাখুন, এতে খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয় এবং গ্যাস বাঁচে।
- খুব বেশি আঁচে (High flame) রান্না করবেন না, মাঝারি আঁচে (Medium flame) রান্না করলে গ্যাস কম পোড়ে।
- প্রেশার কুকারের (Pressure Cooker) ব্যবহার বাড়িয়ে দিন।
৩. বিকল্প রান্নার পদ্ধতির খোঁজ রাখুন: হোটেল মালিক জেরিন জর্জের মতো, আপনিও সাময়িকভাবে বিকল্প রান্নার পদ্ধতির (Alternative cooking methods) সাহায্য নিতে পারেন। বাড়িতে যদি মাইক্রোওয়েভ ওভেন বা ইন্ডাকশন কুকার (Induction cooker) থাকে, তবে জল গরম করা বা সাধারণ কিছু রান্নার জন্য সেগুলো ব্যবহার করুন। এতে আপনার সিলিন্ডারের ওপর চাপ অনেকটাই কমবে।
৪. সরকারি নির্দেশিকায় ভরসা রাখুন, গুজবে কান দেবেন না: সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক সময় গুজব ছড়ায় যে গ্যাস পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের খবরে কান দেবেন না। সরকার ইতিমধ্যেই একটি নির্দেশিকা জারি করেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে কমার্শিয়াল বা বাণিজ্যিক এলপিজি (commercial LPG)-র ক্ষেত্রেও সাপ্লাই ঠিক রাখতে সরকার পদক্ষেপ নেবে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Singh Puri)-ও এই বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন।
৫. কালোবাজারি দেখলে অভিযোগ জানান: এই ডামাডোলের সুযোগ নিয়ে যদি কোনো অসাধু ডিলার বা ডেলিভারি বয় আপনার কাছ থেকে গ্যাসের দামের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে বা ‘ব্লেক’ (Black market) করার চেষ্টা করে, তবে সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস কোম্পানির টোল-ফ্রি নম্বরে বা স্থানীয় পুলিশে অভিযোগ জানান। আপনার সচেতনতাই পারে এই দুর্নীতি রুখতে।
ভারত এর আগেও বহু সংকট মোকাবিলা করেছে (Gas Cylinder Shortage India)। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ভারতের অর্থনীতি এবং দৈনন্দিন জীবনে যে এক বিরাট ধাক্কা দিয়েছে, তা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। কিন্তু সরকারের ‘এমার্জেন্সি গ্যাস কার্ব’ বা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহের নীতি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।
আমরা যদি একটু সচেতন হই, গ্যাসে সাশ্রয় করি এবং অহেতুক আতঙ্কিত না হই, তবে এই গ্যাস সংকট খুব সহজেই পার করে দেওয়া সম্ভব। আসুন, এই কঠিন সময়ে আমরা একে অপরের পাশে দাঁড়াই এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের ভূমিকা পালন করি।
সাম্প্রতিক পোস্ট
- বৃদ্ধ বয়সে ডিভোর্স চাইছেন পঙ্কজ-ডিম্পল! মাঝখানে ফেঁসে গেলেন অপরশক্তি খুরানা?
- ‘গুজারিশ’-এর ইথান মাসকারেনহাস আজ বাস্তব! ১৩ বছরের যন্ত্রণার অবসান, দেশে প্রথমবার ইউথেনেশিয়া (নিষ্কৃতিমৃত্যুর) অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের
- স্বেচ্ছামৃত্যু কি ভারতে বৈধ? স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন কে করতে পারেন? ভারতে ইউথানেসিয়া নিয়ে কী বলছে আইন
- মাছ-মাংস না খেলেও শরীর থাকবে ফিট! জেনে নিন, ৩টি হেলদি সুস্বাদু নিরামিষ রেসিপি
- যোটক বিচার কি সত্যিই কাজ করে? বিয়ের আগে আসলে কোনটা জরুরি, কী বলছে আধুনিক বিজ্ঞান?

