Gold ETF Investment Strategy India – যুদ্ধ লাগলে সাধারণত সোনার দাম বাড়ে, কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে সম্পূর্ণ অন্য কথা! জানুয়ারি মাসে যেখানে রেকর্ড বিনিয়োগ হয়েছিল, সেখানে ফেব্রুয়ারি মাসেই গোল্ড ইটিএফ-এ (Gold ETF) বিনিয়োগ মুখ থুবড়ে পড়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এই চরম অস্থির পরিস্থিতিতে আপনার জমানো টাকা কোথায় রাখবেন? এই পতন কি চিন্তার, নাকি নতুন করে বিনিয়োগের সুবর্ণ সুযোগ? প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ সুজয় ভদ্র-র নিখুঁত বিশ্লেষণ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য কমপ্লিট গাইডলাইন জানুন।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এখন বারুদের গন্ধ। ইজরায়েল, ইরান ও আমেরিকার এই ত্রিমুখী সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিকে আক্ষরিক অর্থেই খাদের কিনারে এনে দাঁড় করিয়েছে। শেয়ার বাজারে রক্তস্নান চলছে। এমন ডামাডোলের বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মনে একটাই প্রশ্ন—”কষ্ট করে জমানো টাকাগুলো রাখব কোথায়?”
অর্থনীতির চিরাচরিত নিয়ম বলে, বিশ্বে যখনই কোনো যুদ্ধ বা চরম সংকট দেখা দেয়, তখন বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজার থেকে টাকা তুলে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় বা ‘সেফ হ্যাভেন’ (Safe Haven) হিসেবে সোনা বা গোল্ডে বিনিয়োগ করেন। কিন্তু সম্প্রতি অ্যাসোসিয়েশন অফ মিউচুয়াল ফান্ডস ইন ইন্ডিয়া বা অ্যামফি (Amfi) এমন কিছু পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, যা দেখে চোখ কপালে উঠেছে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের! দেখা যাচ্ছে, যুদ্ধের এই আবহেও ভারতে মূল্যবান ধাতুর এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড বা ইটিএফ-এ (precious metals exchange-traded funds – ETFs) বিনিয়োগ বা ইন-ফ্লো (inflows) মারাত্মকভাবে কমে গেছে।
কোথায় গেল বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ? কেন তাঁরা সোনার বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন? আর সবচেয়ে বড় কথা—বর্তমান এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আপনার কি গোল্ড ইটিএফ-এ (Gold ETF) বিনিয়োগ করা উচিত, নাকি দূরে থাকা উচিত? আজ NewsOffBeat-এর এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা কোনো কঠিন অর্থনৈতিক পরিভাষা ব্যবহার করব না। বরং, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ সুজয় ভাদিয়ার সহজবোধ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা আপনার জমানো টাকাকে সুরক্ষিত রাখার সেরা উপায়টি খুঁজে বের করব।
অ্যামফি (Amfi)-র ডেটা: গোল্ড ইটিএফ-এ কেন এই বিশাল পতন?
জানুয়ারি মাসে ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা যেন সোনা কেনার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাস আসতেই সেই উন্মাদনায় কার্যত জল ঢেলে দেওয়া হয়।
অ্যামফি (Amfi)-র প্রকাশিত ডেটা অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে গোল্ড ইটিএফ-এ (Gold ETF) বিনিয়োগ বা ইন-ফ্লো হয়েছে মাত্র ৫,২৫৪.৯৫ কোটি টাকা (₹5,254.95 crore)। এই সংখ্যাটি হয়তো সাধারণ চোখে অনেক বড় মনে হতে পারে, কিন্তু আপনি যদি আগের মাসের দিকে তাকান, তবে চমকে উঠবেন। জানুয়ারি মাসে এই গোল্ড ইটিএফ-এ রেকর্ড ২৪,০৪০ কোটি টাকা (record ₹24,040 crore) বিনিয়োগ হয়েছিল! অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে বিনিয়োগে এক বিশাল পতন (steep decline) দেখা গেছে।
রূপো বা সিলভার ইটিএফ (Silver ETFs)-এর অবস্থাও তথৈবচ। জানুয়ারি মাসে যেখানে রূপোতে ৯,৪৬৩ কোটি টাকার (₹9,463 crore) বিশাল ইন-ফ্লো হয়েছিল, সেখানে ফেব্রুয়ারি মাসে বিনিয়োগ তো আসেইনি, উল্টে ৮২৬ কোটি টাকার (outflow of ₹826 crore) আউট-ফ্লো হয়েছে। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীরা রূপো থেকে টাকা তুলে নিয়েছেন।
কিন্তু কেন ঘটল এমনটা? মার্কেট বা বাজারের পর্যবেক্ষকরা (Market observers) জানিয়েছেন, এই পতনের পেছনে মূলত দুটি কারণ রয়েছে—প্রথমত, শক্তিশালী মার্কিন ডলার (stronger US dollar), এবং দ্বিতীয়ত, বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়া বা ‘প্রফিট বুকিং’ (profit booking)। বছরের শুরুতে মূল্যবান ধাতুর বাজারে যে বিশাল র্যালি বা উত্থান হয়েছিল, তার ফলে বিনিয়োগকারীরা প্রচুর লাভে ছিলেন। তাই বাজার কিছুটা শান্ত হতেই তাঁরা সেই মুনাফা পকেটে পুরেছেন (tempered investor enthusiasm)।
ফেব্রুয়ারির শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারেও (global precious metal prices) একটি বড় কারেকশন বা পতন দেখা গিয়েছিল। কমেক্স গোল্ডের (Comex gold) দাম ২৮শে জানুয়ারির সর্বোচ্চ ৫,৪৮৭ ডলার (peak of $5,487 per ounce) থেকে কমে ৫ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৪,৭৩৬ ডলারে ($4,736 per ounce) নেমে আসে। যদিও ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে তা আবার রিকভার করে ৫,২৯৬ ডলারে ($5,296) পৌঁছায়। রূপোর দামেও একইরকম একটি স্টিপ কারেকশন বা খাড়া পতন দেখা যায়। ২৮শে জানুয়ারির ১১৭ ডলার ($117 per ounce) থেকে নেমে ৫ই ফেব্রুয়ারি তা ৬৭ ডলারে ($67 per ounce) এসে ঠেকেছিল, যা পরে রিকভার করে ৯৩.৮ ডলারে ($93.8) পৌঁছায়।
সোনা থেকে বেরিয়ে টাকা কোথায় গেল? ইক্যুইটি ও এসআইপি-র চমক
সোনা থেকে যে বিপুল পরিমাণ টাকা বেরিয়ে গেল, তা গেল কোথায়? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই টাকা ঢুকেছে ইক্যুইটি (Equity) এবং ডেবট মিউচুয়াল ফান্ডে (Debt mutual funds)।
অ্যামফির পরিসংখ্যান বলছে, ফেব্রুয়ারি মাসে ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ডে ২৫,৯৭৮ কোটি টাকার (₹25,978 crore) বিশাল ইন-ফ্লো হয়েছে, যা জানুয়ারির ২৪,০২৮ কোটি টাকার (₹24,028 crore) থেকেও বেশি। ইনক্রেড মানির (InCred Money) সিইও নীতিন আগরওয়াল (Nitin Agrawal) জানিয়েছেন যে, জানুয়ারি মাসে গোল্ড ইটিএফ-এ যে রেকর্ড ইন-ফ্লো হয়েছিল তা এখন মডারেট বা স্বাভাবিক হচ্ছে, এবং বিনিয়োগকারীরা তাঁদের ডিফেন্সিভ পজিশন (defensive positioning) থেকে বেরিয়ে আবার ইক্যুইটির দিকে ঝুঁকছেন। আমেরিকা-ভারত ট্রেড ফ্রেমওয়ার্ক বা বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণার পর বিদেশি বিনিয়োগকারীদের (foreign portfolio investor flows) পজিটিভ মনোভাবও ভারতীয় শেয়ার বাজারকে চাঙ্গা করেছিল। পাশাপাশি ডেবট ফান্ডেও (মূলত লিকুইড এবং মানি মার্কেট ফান্ড) ৪২,১০৬ কোটি টাকার (₹42,106 crore) বিপুল বিনিয়োগ এসেছে।
তবে সাধারণ মানুষের প্রিয় এসআইপি বা সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যানে (SIP) সামান্য পতন দেখা গেছে। ফেব্রুয়ারিতে এসআইপি-র মাধ্যমে জমা পড়েছে ২৯,৮৪৫ কোটি টাকা (₹29,845 crore), যা জানুয়ারির ৩১,০০২ কোটি টাকার (₹31,002 crore) তুলনায় কিছুটা কম। তবে এতে চিন্তার কিছু নেই। অ্যামফির চিফ এক্সিকিউটিভ ভেঙ্কট চালাসানি (Venkat Chalasani) অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ফেব্রুয়ারি মাসটি ছোট হওয়ার কারণেই মূলত এই পতন দেখা গেছে (marginal moderation was largely due to February being a shorter month)। মাসের শেষের অনেক এসআইপি ইন্সটলমেন্ট আসলে মার্চের শুরুতে প্রসেস করা হয়েছে।
(পাশাপাশি, মিউচুয়াল ফান্ড ইন্ডাস্ট্রি সেবির (Sebi) কাছে রিটায়ারমেন্ট এবং চিলড্রেন্স ফান্ড ক্যাটেগরি (retirement and children’s fund categories) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে চলেছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।)
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞ সুজয় ভাদিয়ার পরামর্শ: সোনা কি কিনবেন?
এতক্ষণ আমরা যে পরিসংখ্যানগুলো দেখলাম, তা সবই ছিল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বা ‘ওয়েস্ট এশিয়া ক্রাইসিস’ (West Asia crisis)-এর আগের ছবি। অ্যানালিস্ট বা বিশ্লেষকরাও দেখিয়েছেন যে, ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্বজুড়ে রিস্ক সেন্টিমেন্ট (global risk sentiment) উন্নত হওয়ার কারণেই মানুষ সোনা ছেড়ে শেয়ারে ফিরেছিল। কিন্তু এখন তো পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেছে! এখন যুদ্ধ চলছে। তাহলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কী করা উচিত?
এই বিষয়ে NewsOffBeat কথা বলেছিল প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট সুজয় ভদ্র-র সঙ্গে। তাঁর বিশ্লেষণ আপনার বিনিয়োগের চোখ খুলে দিতে পারে।
সুজয় ভাদিয়া জানাচ্ছেন, “আপনাদের বুঝতে হবে ফেব্রুয়ারি মাসের গোল্ড ইটিএফ-এর পতন কোনোভাবেই সোনার প্রতি মানুষের অনাস্থা নয়। মিরা অ্যাসেট ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজারস-এর (Mirae Asset Investment Managers) স্ট্র্যাটেজিক অ্যালায়েন্সের হেড সুরঞ্জনা বোরঠাকুর (Suranjana Borthakur) অত্যন্ত সঠিক একটি কথা বলেছেন যে, গোল্ড ইটিএফ-এ ইন-ফ্লো কমলেও তা কিন্তু অ্যাবসলিউট বেসিসে বা আদতে বেশ স্বাস্থ্যকর (remain healthy on an absolute basis) রয়েছে। আর এর কারণ হলো বিশ্বজুড়ে থাকা উচ্চ ঝুঁকি (heightened risks), যা বিনিয়োগকারীদের মূল্যবান ধাতুর দিকে আকর্ষণ করেই চলেছে।”
সুজয়বাবু আরও বিশদে বলেন, “এখন মধ্যপ্রাচ্যে যে ভয়াবহ সংঘাত শুরু হয়েছে, তা বিশ্ব অর্থনীতিতে একটা চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। যখনই তেলের দাম বাড়ে এবং শেয়ার বাজার ধসে পড়ে, তখন সোনা তার নিজস্ব শক্তিতে জ্বলে ওঠে। ফেব্রুয়ারি মাসে যাঁরা প্রফিট বুকিং করে সোনা থেকে বেরিয়ে গেছেন, যুদ্ধের এই ডামাডোলে তাঁরা কিন্তু আবার সোনাতেই ফিরে আসবেন পোর্টফোলিওকে বাঁচানোর জন্য। তাই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য আমার পরামর্শ হলো—এই পতনের খবর দেখে ভয় পাবেন না। এটি আসলে সোনা কেনার বা গোল্ড ইটিএফ-এ ইনভেস্ট করার এক সুবর্ণ সুযোগ বা ‘Buy on Dips’।”
ফিজিক্যাল গোল্ড নাকি গোল্ড ইটিএফ? কোনটা বাছবেন?
অনেকেই ভাবেন সোনা মানেই সোনার গয়না বা সোনার বিস্কুট কেনা। কিন্তু অর্থনীতিবিদদের মতে, বিনিয়োগের জন্য ফিজিক্যাল গোল্ডের থেকে গোল্ড ইটিএফ বা ডিজিটাল গোল্ড অনেক বেশি লাভজনক।
- নিরাপত্তা ও খরচ: গয়না কিনলে মেকিং চার্জ (Making Charge) এবং জিএসটি (GST) দিতে হয়। তার ওপর লকারে রাখার খরচ এবং চুরির ভয় থাকে। গোল্ড ইটিএফ-এ এইসব কোনো ঝামেলাই নেই। এটি আপনার ডিম্যাট অ্যাকাউন্টে (Demat Account) শেয়ারের মতো নিরাপদে পড়ে থাকে।
- লিকুইডিটি (Liquidity): আপনার যখনই টাকার প্রয়োজন হবে, আপনি এক ক্লিকেই গোল্ড ইটিএফ বিক্রি করে বর্তমান বাজারের দামে টাকা নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নিয়ে নিতে পারবেন। গয়না বিক্রি করতে গেলে অনেক সময় সোনার দাম কমিয়ে ধরা হয়।
- পিওরিটি বা বিশুদ্ধতা: গোল্ড ইটিএফ সবসময় ২৪ ক্যারেট বা ৯৯.৫% বিশুদ্ধ সোনার মূল্যের ওপর ভিত্তি করে চলে। ফলে খাদ মেশানোর কোনো ভয় থাকে না।
অ্যাসেট অ্যালোকেশনই আসল হাতিয়ার
যুদ্ধ, মহামারী বা মন্দা—অর্থনীতিতে এই ধরনের দুর্যোগ বারবার আসবে। আপনি কখনোই একেবারে নিখুঁত সময়ে বা ‘বটমে’ (Bottom) ইনভেস্ট করতে পারবেন না। সুজয় ভাদিয়ার মতো বিশেষজ্ঞদের মূল বক্তব্য হলো—আপনার পোর্টফোলিওকে ডাইভার্সিফাই (Diversify) করুন।
আপনার জমানো টাকার ১০০ শতাংশ কখনোই শুধু শেয়ারে বা শুধু সোনায় ঢালবেন না। একটি আদর্শ পোর্টফোলিওতে অন্তত ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বিনিয়োগ গোল্ড ইটিএফ-এ থাকা উচিত। এই সোনা আপনার পোর্টফোলিওতে একটি ‘শক অ্যাবজর্বার’ (Shock Absorber) হিসেবে কাজ করে। যখন যুদ্ধ বা অন্য কোনো কারণে শেয়ার বাজার হুড়মুড়িয়ে পড়ে যায়, তখন এই গোল্ড ইটিএফ-এর দাম বেড়ে গিয়ে আপনার সার্বিক লোকসানকে অনেকটাই কমিয়ে দেয়। তাই ফেব্রুয়ারি মাসের পতন দেখে ঘাবড়াবেন না। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কথা মাথায় রেখে নিজের আর্থিক উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলে একটি ভালো গোল্ড ইটিএফ-এ বিনিয়োগ শুরু করার এটাই হয়তো সেরা সময়।
সাম্প্রতিক পোস্ট
- নীরবে বাড়ছে কিডনি রোগ! বিশ্ব কিডনি দিবসে জানুন কোন লক্ষণে সতর্ক হবেন, কী খাবেন আর কী এড়াবেন
- খাঁচায় বন্দি চিতা, অথচ সরকারের খাতায় ‘সফল’ প্রজেক্ট! ভারতের চিতা পুনর্বাসন প্রকল্পের আসল সত্যিটা কী?
- সোনার বাজারে বড় পতন! মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে গোল্ড ইটিএফ-এ (Gold ETF) বিনিয়োগ করা কি এখন বুদ্ধিমানের কাজ?
- হেঁশেলে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ! গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে দেশজুড়ে হাহাকার, সাধারণ মানুষের বাঁচতে কী করতে হবে?
- বৃদ্ধ বয়সে ডিভোর্স চাইছেন পঙ্কজ-ডিম্পল! মাঝখানে ফেঁসে গেলেন অপরশক্তি খুরানা?

