ISKCON Mid Day Meal West Bengal: আজ থেকে ইস্কনের উদ্যোগে রাজ্যের একাধিক সরকারি ও সরকার-পোষিত বিদ্যালয়ে শুরু হল মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্প। কর্মসূচির উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী ঘুরে দেখলেন অত্যাধুনিক কেন্দ্রীয় রান্নাঘর, স্মার্ট প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: আজ ১ আগস্ট থেকে রাজ্যের একাধিক সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলে ইস্কনের উদ্যোগে মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্প আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল। দক্ষিণ কলকাতার তারাতলায় ইস্কনের অন্নদাতা ফাউন্ডেশনের অত্যাধুনিক কেন্দ্রীয় রান্নাঘর থেকে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি গোটা প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং রান্নাঘরের বিভিন্ন পরিকাঠামো ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন।
এই কেন্দ্রীয় রান্নাঘরে প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য খাবার প্রস্তুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার রান্না ও সংরক্ষণের সমস্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখান থেকে নির্দিষ্ট সময়ে বিভিন্ন স্কুলে খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে।
প্রকল্পটির অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হল, সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা। রান্নাঘর পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করার পাশাপাশি স্কুলগুলিতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হবে বিদ্যুৎচালিত গাড়ি। অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
রান্নাঘর পরিদর্শনের সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজেও রান্নার কাজে অংশ নেন। বিশাল আকারের কড়াইয়ে রান্না হওয়া সবজি ও অন্যান্য উপকরণে তিনি নিজ হাতে নাড়াচাড়া করেন। সেখানে উপস্থিত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কীভাবে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খাবার স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রস্তুত করা হয়, সে বিষয়েও বিস্তারিত খোঁজ নেন।
পরিদর্শনের সময় মুখ্যমন্ত্রীকে দেখানো হয় অত্যাধুনিক স্মার্ট কিচেন এবং স্মার্ট ড্যাশবোর্ড। এই ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডে রান্নার প্রতিটি ধাপ, খাদ্যের মান, স্বাস্থ্যবিধি, তাপমাত্রা, উৎপাদনের পরিমাণ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রিয়েল টাইমে পর্যবেক্ষণ করা যায়।
মুখ্যমন্ত্রী বিশেষভাবে দেখেন, কীভাবে এই স্মার্ট ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে খাবারের গুণগত মান (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স) নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রতিটি ধাপে নির্ধারিত মান বজায় রাখা হচ্ছে কি না। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা তাঁকে পুরো ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
সরকারের দাবি, এই আধুনিক রান্নাঘর ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে একদিকে যেমন স্কুল পড়ুয়াদের কাছে সময়মতো স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে, তেমনই পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রযুক্তিনির্ভর খাদ্য ব্যবস্থাপনায়ও একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এই উদ্যোগ।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পে কাঁচামাল সংগ্রহ থেকে শুরু করে রান্না, প্যাকেজিং এবং বিদ্যালয়ে খাবার পৌঁছে দেওয়া—প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ পরিচ্ছন্নতা ও খাদ্য নিরাপত্তার মান বজায় রাখা হয়েছে। সবজি, চাল, ডালসহ সমস্ত খাদ্যসামগ্রী নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা করে রান্নাঘরে প্রবেশ করানো হয়। রান্না শেষে প্রতিটি খাবারের পাত্র বিশেষভাবে সিল ও ট্যাগ করা হয়, যাতে খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে।
তিনি জানান, অত্যাধুনিক মেগা কিচেন থেকে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রতিটি খাদ্যবাহী গাড়িতে ট্র্যাকিং ব্যবস্থা রয়েছে, ফলে খাবার কোথায় পৌঁছেছে, তা রিয়েল টাইমে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
কী কী খাবার থাকবে পড়ুয়াদের জন্য?
মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া মেনু অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর ও বৈচিত্র্যময় খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে পরিবেশন করা হবে—
- ভাত
- খিচুড়ি
- পোলাও
- পনিরের পদ
- ছানার পদ
- সয়াবিনের তরকারি
- মরশুমি সবজি
- বাদাম
- মিষ্টি
- মরশুমি ফল
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই মেনুর সব খাবার একদিনে দেওয়া হবে না। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন পদ পরিবেশন করা হবে, যাতে পড়ুয়ারা পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য পান।
ইস্কনের নিজস্ব নীতিতে কোনও আপস নয়
মুখ্যমন্ত্রী জানান, ইস্কনের নিজস্ব খাদ্য প্রস্তুতির একটি নির্দিষ্ট নীতি রয়েছে। সেই নীতির সঙ্গে সরকার কোনও আপস করতে বলেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তিনি বলেন, সরকার ইস্কনের নিরামিষ, স্বাস্থ্যকর ও শুদ্ধ আহার ব্যবস্থাকেই সম্মান জানিয়ে এই প্রকল্প চালু করেছে।
ডিম নিয়েও জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
ডিম প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইস্কনের রান্নায় ডিম অন্তর্ভুক্ত না থাকলেও রাজ্য সরকার আলাদা উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি জানান, ওড়িশার মডেল পর্যালোচনা করার পর সিদ্ধান্ত হয়েছে, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (এসএইচজি) মাধ্যমে সপ্তাহে দু’দিন আলাদা ব্যবস্থায় সেদ্ধ ডিম পড়ুয়াদের দেওয়া হবে। অর্থাৎ ইস্কনের পরিবেশিত খাবারের সঙ্গে নয়, সরকারের পৃথক ব্যবস্থাপনায় এই ডিম বিতরণ করা হবে।
দান নয়, সামাজিক দায়িত্ব
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন দাতা ও সহযোগীদের ধন্যবাদ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এটি শুধুমাত্র দান নয়, বরং সমাজের প্রতি একটি দায়িত্ব। অনেক ব্যক্তি ও সংস্থা পরিবহন, পরিকাঠামো এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করেছেন, যা এই বৃহৎ প্রকল্পকে সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।
কারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে?
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের অধিকাংশ পড়ুয়াই মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের সন্তান। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তারাই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। তাঁর দাবি, নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার পেলে শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, বিদ্যালয়ে উপস্থিতি এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
শেষে সমালোচকদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র শিশুদের পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া। তাই এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে রেখে সকলের উচিত শিশুদের স্বার্থে সহযোগিতা করা।
আধুনিক প্রযুক্তিতে স্কুলের মধ্যাহ্নভোজ, কীভাবে পৌঁছাবে পড়ুয়াদের পাতে পুষ্টিকর খাবার?
ইস্কনের উদ্যোগে এবার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে পশ্চিমবঙ্গের স্কুল পড়ুয়াদের জন্য প্রস্তুত করা হবে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত, পুষ্টিকর, প্রোটিনসমৃদ্ধ ও সুস্বাদু মধ্যাহ্নভোজ। সপ্তাহে একদিন খাবারের সঙ্গে মিষ্টিও দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে রাজ্যের আরও বিভিন্ন শহরে একই ধরনের বৃহৎ কেন্দ্রীয় রান্নাঘর গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।
ইস্কনের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের স্বপ্ন ছিল— ইস্কনের কোনও মন্দিরের দশ মাইলের মধ্যে যেন একজন মানুষও অভুক্ত না থাকেন। সেই ভাবনাকেই বাস্তবে রূপ দিতে অন্নদাতা ফাউন্ডেশনের এই বৃহৎ রান্নাঘর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
কীভাবে পরিচালিত হবে এই বৃহৎ রান্নাঘর?
প্রথমে ট্রাকে করে চাল, ডাল, সবজি, মশলা-সহ সমস্ত কাঁচামাল রান্নাঘরে আনা হবে। এরপর চলন্ত বেল্টের মাধ্যমে সেগুলি সংরক্ষণাগারে পৌঁছে দেওয়া হবে।
সেখান থেকে প্রয়োজনীয় উপকরণ নিয়ে যাওয়া হবে পরিষ্কার ও ধোয়ার বিভাগে। সবজি, ডাল, চাল এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে ধুয়ে পরিষ্কার করা হবে। এরপর সবজি কাটা ও অন্যান্য প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন হবে।
তারপর সমস্ত উপকরণ নিয়ে যাওয়া হবে রান্নার বিভাগে। সেখানে বিশাল বাষ্পচালিত কড়াই এবং আধুনিক রান্নার ব্যবস্থার মাধ্যমে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ খাবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রস্তুত করা হবে।
নিরাপদভাবে প্যাকিং ও স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা
রান্না শেষ হলে খাবার বিশেষ পাত্রে ভরে সম্পূর্ণভাবে সিল করে দেওয়া হবে। এরপর ট্রলির সাহায্যে সেই পাত্রগুলি লিফটের মাধ্যমে নিচে নামানো হবে।
নিচতলায় প্রতিটি পাত্রের সংখ্যা যাচাই করার পর সেগুলি গাড়িতে তোলা হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিভিন্ন স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হবে।
প্রতিটি খাবারের ওপর থাকবে প্রযুক্তির নজর
এই পুরো ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তির বিশেষ ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি খাবারের পাত্রে বিশেষ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা থাকবে। সেই ব্যবস্থার মাধ্যমে অবস্থান নির্ণয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে খাবার কোথায় রয়েছে, কখন কোন স্কুলে পৌঁছাচ্ছে—সবকিছু মুহূর্তে মুহূর্তে নজরদারি করা যাবে।
একটি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরো খাদ্য বিতরণ প্রক্রিয়ার তথ্য সরাসরি দেখা যাবে, ফলে খাবার সঠিক সময়ে ও সঠিক জায়গায় পৌঁছাচ্ছে কি না, তা সহজেই নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
খাবার বিতরণের পর কী হবে?
স্কুলে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কাজ শেষ হলে সমস্ত পাত্র আবার রান্নাঘরে ফিরিয়ে আনা হবে।
এরপর দ্বিতীয় তলায় থাকা ধোয়ার বিভাগে সব পাত্র ও রান্নার সরঞ্জাম সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিষ্কার করা হবে, যাতে পরদিন আবার নিরাপদভাবে ব্যবহার করা যায়।
কর্মীদের জন্যও রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা
রান্নাঘরের দ্বিতীয় তলায় কর্মীদের থাকার জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাঁদের শিশুদের জন্য নিরাপদ খেলাধুলার জায়গাও তৈরি করা হয়েছে।
এছাড়া প্রথম তলায় বিশ্রামাগার এবং প্রশাসনিক কার্যালয়েরও ব্যবস্থা রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও শিক্ষায় নতুন দিশা
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য, কোনও স্কুলপড়ুয়া শিশু যেন অভুক্ত না থাকে এবং প্রত্যেকের কাছে সময়মতো পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে যায়।
সরকারের মতে, নিয়মিত স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার পেলে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ আরও ভালো হবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়বে এবং পড়াশোনার প্রতিও তাদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।
শুধু মধ্যাহ্নভোজ নয়, মানবসেবাতেও অগ্রণী
ইস্কন জানিয়েছে, তাদের সেবার কাজ শুধু স্কুলের শিশুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি বা যে কোনও জাতীয় সংকটের সময়ও তারা খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ায়।
করোনা মহামারির সময় লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে রান্না করা খাবার ও ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছিল ইস্কন। সেই মানবিক উদ্যোগের জন্য তাদের কাজ দেশের সর্বস্তরে প্রশংসিত হয়েছিল।
এই অন্নদাতা বৃহৎ রান্নাঘরও সেই মানবসেবার ধারাবাহিকতারই একটি নতুন অধ্যায়, যার লক্ষ্য—প্রতিটি শিশুর পাতে নিরাপদ, পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পৌঁছে দেওয়া এবং একটি সুস্থ, শিক্ষিত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।
#ISKCON #MidDayMeal #WestBengal #SchoolMeals #AnnadataFoundation #SmartKitchen #ElectricVehicles #StudentNutrition #Education #IndiaNews
সাম্প্রতিক পোস্ট
‘সাথীরা, প্রশ্নফাঁস মাফিয়াদের রেয়াত নয়’– সংসদে বিল পাসের পর প্রথমবার কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?
সিলেবাসে বড় পরিবর্তন কবে থেকে? শিক্ষক নিয়োগেও সুখবর? কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী?
আবার কি বদলে যাবে নোট? দেশে আসছে প্লাস্টিকের নোট,জানুন, কী বদল আসছে?
১লা আগস্ট থেকে স্কুলের খাবারের দায়িত্ব ইস্কনের, ডিম বিতরণ, ও শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা
কেন জেন জির ‘ক্রাশ’ সৌরভ দাস ও অভিজিৎ দীপকে? নেপথ্যে কী রহস্য?

