Jeffrey Epstein: পর্দার আড়ালে থাকা এক অন্ধকার জগতের সত্য ঘটনা, যা আপনাকে ভাবিয়ে তুলবে ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে। এপস্টিন ফাইল নিয়ে এখন সারা বিশ্ব তোলপাড়। বিশ্বের তাবড় তাবড় সেলিব্রিটিদের নাম জড়িয়ে এই ফাইলে। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে এতক্ষণ আপনারা সবাই জেনে গেছেন কীভাবে চলতো তার সাম্রাজ্য। কীভাবে চলতো যৌন নির্যাতন (Sexual Abuse) এবং শিশু ও নারী পাচার। কিন্তু কে এই এপস্টিন? কীভাবে স্কুল ড্রপ আউট ছাত্র থেকে তিনি হয়ে ওঠেন এক বিশাল রহস্যময় সাম্রাজ্যের মালিক? চলুন আজ জেনে নেব সেই গল্প।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: ঝকঝকে আলো, বিলাসবহুল পার্টি, ব্যক্তিগত জেট আর সমুদ্রের বুকে একান্ত দ্বীপ—বাইরে থেকে দেখলে যেন ক্ষমতা আর প্রভাবের রূপকথা। কিন্তু এই রূপকথার পর্দার আড়ালেই লুকিয়ে ছিল এক ভয়ংকর অন্ধকার, যেখানে নিঃশব্দে ভাঙছিল অসংখ্য জীবন। আজ “এপস্টিন ফাইল” নামটি উচ্চারিত হলেই কেঁপে উঠছে গোটা বিশ্ব। কারণ এই ফাইল শুধু একজন মানুষের অপরাধের গল্প নয়, এটি ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রভাবশালীদের নীরবতা আর ব্যবস্থার ব্যর্থতার এক নির্মম দলিল।
আরও পড়ুন : তিব্বতের ধর্মগুরু থেকে কিভাবে হয়ে উঠলেন গ্র্যামি পুরস্কার বিজেতা
স্কুল ড্রপআউট এক সাধারণ ছাত্র কীভাবে হয়ে উঠল বিশ্বের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, হলিউড সেলিব্রিটি ও ধনকুবেরদের অন্দরমহলের অবাধ যাতায়াত করা এক রহস্যময় চরিত্র—এই প্রশ্নই আজ সবচেয়ে বেশি নাড়া দিচ্ছে মানুষকে। যৌন নির্যাতন (Sexual Abuse), শিশু ও নারী পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টিনের নামের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে এমন সব মুখ, যাদের আমরা এতদিন ক্ষমতা, সাফল্য আর সম্মানের প্রতীক বলে জেনে এসেছি। এই গল্প শুধু অতীতের কোনো অপরাধ কাহিনি নয়; এটি আমাদের ভাবতে বাধ্য করে—ক্ষমতা হাতে এলে মানুষ কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে, আর সমাজ কতটা চুপ করে থাকতে পারে। আজ সেই অজানা পথচলার গল্পই জানব আমরা।
ব্রুকলিনের সাধারণ ছেলে থেকে ‘মাস্টার অফ ডিসেপশন’
১৯৫৩ সালের ২০ জানুয়ারি, নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে এক মধ্যবিত্ত ইহুদি পরিবারে জন্ম হয় জেফ্রি এপস্টিনের। বাবা ছিলেন নিউইয়র্ক সিটি পার্কস ডিপার্টমেন্টের একজন সামান্য কর্মী। ছোটবেলা থেকেই জেফ্রি ছিল অসম্ভব মেধাবী, বিশেষ করে গণিতে তার দক্ষতা ছিল চোখে পড়ার মতো। মাত্র ১৬ বছর বয়সে সে হাই স্কুল পাশ করে কুপার ইউনিয়ন কলেজে ভর্তি হয়, কিন্তু দুই বছর পর সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। পরে নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির ‘কুরান্ত ইনস্টিটিউট অফ ম্যাথমেটিক্যাল সায়েন্সেস’-এ ভর্তি হলেও কোনো ডিগ্রি ছাড়াই পড়াশোনা ছেড়ে দেয় সে।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, কোনো ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও নিজের মেধা আর অকল্পনীয় আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করে সে নিউইয়র্কের সবচেয়ে এলিট স্কুল ‘ড্যাল্টন’-এ শিক্ষকতার চাকরি পেয়ে যায়। ড্যাল্টন স্কুলে পড়াশোনা করত আমেরিকার সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ধনী ব্যক্তিদের সন্তানরা। সেখানেই এপস্টিন বুঝতে পারে, ক্ষমতার চাবিকাঠি আসলে কোথায় লুকিয়ে আছে। সে শুধু পড়াত না, বরং ধনী অভিভাবকদের মনস্তত্ত্ব বুঝতে শুরু করে। এই স্কুলই ছিল তার ভবিষ্যতের সেই অন্ধকার সিঁড়ি, যা তাকে সাধারণ এক যুবক থেকে বিলিয়নিয়ারদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুতে রূপান্তরিত করে।
ওয়াল স্ট্রিটের উত্থান ও ‘বেয়ার স্টিয়ার্নস’-এর দিনগুলি
শিক্ষকতা করার সময় ড্যাল্টন স্কুলের এক ছাত্রের বাবা, যিনি ছিলেন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ‘বেয়ার স্টিয়ার্নস’-এর তৎকালীন প্রধান অ্যালান গ্রিনবার্গ, এপস্টিনের বুদ্ধিতে মুগ্ধ হন। ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও ১৯৮১ সালে তাকে সেই ব্যাংকে কাজ দেওয়া হয়। এপস্টিন সেখানে খুব দ্রুত উপরে উঠতে শুরু করে। বলা হয়, তার গাণিতিক মগজ আর মানুষের মন পড়ার ক্ষমতা তাকে অল্প সময়েই লিমিটেড পার্টনারের পদে নিয়ে যায়। তবে ১৯৮১ সালেই কিছু রেগুলেটরি ঝামেলা আর সন্দেহজনক লেনদেনের কারণে তাকে ব্যাংক থেকে বেরিয়ে যেতে হয়।
ব্যাংক থেকে বেরিয়ে সে নিজের কোম্পানি ‘J. Epstein & Co.’ তৈরি করে। সে সারা বিশ্বে প্রচার করতে শুরু করে যে সে কেবল বিলিয়নিয়ারদের টাকা ম্যানেজ করে। আসলে তার প্রধান মক্কেল ছিলেন ভিক্টোরিয়া’স সিক্রেট-এর মালিক লেস ওয়েক্সনার। ওয়েক্সনার তাকে এতটাই বিশ্বাস করতেন যে তাকে ‘পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি’ দিয়ে দিয়েছিলেন। অর্থাৎ ওয়েক্সনারের বিশাল সম্পদের ওপর এপস্টিনের আইনি নিয়ন্ত্রণ চলে এসেছিল। এই টাকাই ছিল তার সাম্রাজ্যের আসল জ্বালানি।
‘হানি ট্র্যাপ’ ও প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণের ব্লু-প্রিন্ট
এপস্টিন শুধু টাকা জমানোয় বিশ্বাসী ছিল না, সে বিশ্বাস করত ‘ইনফরমেশন ইজ পাওয়ার’। সে নিউইয়র্ক পেন্টহাউস থেকে শুরু করে পাম বিচের ভিলা আর ক্যারিবিয়ান দ্বীপ ‘লিটল সেন্ট জেমস’-এ তার সাম্রাজ্য বিস্তার করে। তার মূল অস্ত্র ছিল ‘হানি ট্র্যাপ’। প্রতিটি ভিআইপি রুমে বসানো থাকত অত্যন্ত সূক্ষ্ম হাই-ডেফিনিশন ক্যামেরা। রাজপরিবারের সদস্য, বড় বড় দেশের প্রেসিডেন্ট, নামী বিজ্ঞানী কিংবা বিলিয়নিয়ার—যারা তার দ্বীপে আসতেন, তাদের ব্যক্তিগত ও দুর্বল মুহূর্তগুলো সে রেকর্ড করে রাখত।
তদন্তকারীদের মতে, এই ভিডিওগুলোই ছিল তার ‘লেভারেজ মেশিন’। যদি কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলার বা আইনের পথে যাওয়ার চেষ্টা করত, সে এই ভিডিওগুলো ব্যবহার করে তাদের মুখ বন্ধ করে দিত। এইভাবেই সে নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে নিয়ে গিয়েছিল। সাধারণ মানুষের কাছে সে ছিল একজন দয়ালু দানবীর এবং হার্ভার্ডের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্স ও কসমোলজি প্রজেক্টের স্পন্সর, কিন্তু সেই মুখোশের আড়ালে ছিল এক ভয়ংকর শয়তানি বুদ্ধি।
পিরামিড স্কিম:
কীভাবে চলত নির্যাতন ও পাচার এপস্টিনের নির্যাতনের মডেলটি ছিল একদম ব্যবসায়িক ‘পিরামিড স্কিম’-এর মতো। সে এবং তার দীর্ঘদিনের সঙ্গিনী গিসলেন ম্যাক্সওয়েল এমন মেয়েদের খুঁজত যারা আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া বা পারিবারিক সমস্যায় জর্জরিত। তাদের বলা হতো, ‘বিখ্যাত মানুষের জন্য মাত্র এক ঘণ্টার ম্যাসাজের কাজ আছে, বিনিময়ে মিলবে ২০০-৩০০ ডলার।’ আমেরিকার ছোট টাউনের অভাবী কিশোরীদের কাছে এটা ছিল বিশাল টাকা।
ম্যাসাজ রুমে এপস্টিন প্রথমে মেডিক্যাল বই দেখিয়ে পেশির গঠন নিয়ে কথা বলত যাতে মেয়েরা তাকে খুব প্রফেশনাল এবং গম্ভীর একজন মানুষ মনে করে। এরপর শুরু হতো আসল নির্যাতন। আরও ভয়ংকর বিষয় হলো, যারা একবার এই জালে আটকা পড়ত, তাদের বলা হতো আরও মেয়ে নিয়ে আসতে। যত বেশি মেয়ে আসবে, তত বেশি টাকা মিলবে। এভাবে সে নিজেই একটি ভিকটিম-রিক্রুটার নেটওয়ার্ক তৈরি করে ফেলেছিল, যা দিয়ে সে বছর বছর ধরে শিশু ও কিশোরীদের পাচার করে আসছিল। ৫. ললিতা এক্সপ্রেস ও গোপন দ্বীপের বন্দিদশা তার ব্যক্তিগত বোয়িং ৭২৭ বিমানটি মিডিয়ায় ‘ললিতা এক্সপ্রেস’ নামে পরিচিতি পায়। এই বিমানে দীর্ঘ ভ্রমণের সময় প্রভাবশালীদের মনোরঞ্জনের জন্য কিশোরীদের রাখা হতো। বিমানে শোওয়ার জন্য বড় বড় বিছানা বসানো ছিল। ভিকটিম ভার্জিনিয়া জিউফ্রে থেকে শুরু করে অনেকেই বর্ণনা দিয়েছেন কীভাবে এই বিমান আর দ্বীপের ভেতর দিয়ে তাদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঘোরানো হতো প্রভাবশালী পুরুষদের সন্তুষ্ট করার জন্য। ক্যারিবিয়ানের ‘লিটল সেন্ট জেমস’ দ্বীপটি ছিল এক সুরক্ষিত দুর্গ। চারদিকে নীল পানি, বাইরে থেকে মনে হতো স্বর্গ, কিন্তু ভেতরে ছিল নরক। অভিযোগ আছে, কেউ যদি সেখান থেকে পালাতে চাইত, তবে তার পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হতো। এমনকি সাঁতরে পালানোর চেষ্টা করে ধরা পড়ে যাওয়া কিশোরীদের ওপর চলত চরম নির্যাতন। পাম বিচের পুলিশ যখন ২০০৫ সালে প্রথম তদন্ত শুরু করে, তখন তারা ৬০ জন মেয়ের জবানবন্দি পেয়ে চমকে উঠেছিল।
সিস্টেমের ব্যর্থতা ও ২০০৮-এর ‘সুইটহার্ট ডিল’
জেফ্রি এপস্টিন কীভাবে এত বছর ধরে বেঁচে গেল, তা নিয়ে আজও বিতর্ক তুঙ্গে। ২০০৮ সালে যখন তার বিরুদ্ধে ফেডারেল চার্জ গঠন হওয়ার কথা ছিল, তখন এক অলৌকিক এবং কুখ্যাত ‘সুইটহার্ট ডিল’ (Sweetheart Deal) করা হয়। তাকে মাত্র ১৩ মাসের সাজা দেওয়া হয়, তাও আবার স্টেট লেভেলের হালকা অভিযোগে। সাজা চলাকালীন সে দিনের বেশিরভাগ সময় জেলের বাইরে নিজের অফিসে কাটানোর অনুমতি পেয়েছিল।
তৎকালীন প্রসিকিউটর আলেকজান্ডার অ্যাকোস্টা পরে দাবি করেছিলেন যে, তাকে নাকি বলা হয়েছিল এপস্টিন ‘ইন্টেলিজেন্সের লোক’ এবং তার বিরুদ্ধে মামলা করলে বিপদ হতে পারে। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে এপস্টিনের হাত কতটা লম্বা ছিল। সে কেবল অপরাধী ছিল না, সে ছিল এমন এক সিস্টেমের অংশ যেখানে ক্ষমতা থাকলে যে কোনো অপরাধ ধামাচাপা দেওয়া সম্ভব।
২০১৯-এর গ্রেফতার ও রহস্যময় মৃত্যু
২০১৯ সালে আবার ফেডারেল চার্জে তাকে নিউইয়র্কে গ্রেফতার করা হয়। এবার অভিযোগ ছিল অত্যন্ত গুরুতর—সেক্স ট্রাফিকিং এবং ষড়যন্ত্র। কিন্তু গ্রেফতারের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ১০ আগস্ট ২০১৯ তারিখে জেলের ভেতর তার মৃত্যু হয়। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী এটা আত্মহত্যা, কিন্তু সেই সময়ে জেলের ক্যামেরা নষ্ট থাকা এবং গার্ডদের ঘুমিয়ে পড়ার মতো অদ্ভুত ঘটনাগুলো আজও ‘এপস্টিন ডিড নট কিল হিমসেলফ’ নামক কনস্পিরেসি থিওরিকে বাঁচিয়ে রেখেছে। মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েই গেছে—সে কি সত্যিই আত্মহত্যা করেছিল নাকি তাকে মেরে ফেলা হয়েছে যাতে সে প্রভাবশালীদের নাম ফাঁস করতে না পারে? তার মৃত্যুর পর তার সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েল গ্রেফতার হন এবং বর্তমানে ২০ বছরের জেল খাটছেন, কিন্তু মূল মাস্টারমাইন্ড এপস্টিন তার রহস্য সাথে নিয়েই চলে গেছেন।
এপস্টিন ফাইলস ২০২৬
পৃথিবীর মাথায় ‘হিমালয়সম পাথর’ মৃত্যুর পর কয়েক বছর কেটে গেলেও এপস্টিন আজও প্রাসঙ্গিক। কংগ্রেসের ‘এপস্টিন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে ২০২৬ সালের শুরুতে মার্কিন সরকার কয়েক মিলিয়ন পাতার নথিপত্র এবং হাজার হাজার ভিডিও উন্মুক্ত করতে শুরু করেছে। এই ফাইলগুলোতে বিশ্বের তাবড় সেলিব্রিটি, রাজনীতিবিদ এবং বিলিয়নিয়ারদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও অনেকের সরাসরি অপরাধ প্রমাণ হয়নি, কিন্তু তাদের এপস্টিনের দ্বীপে বা বিমানে যাতায়াতের রেকর্ড সাধারণ মানুষের মনে গভীর সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। এই নতুন ফাইলগুলো প্রমাণ করছে যে এপস্টিন শুধু একজন একা অপরাধী ছিল না, সে ছিল আধুনিক সামন্ততন্ত্রের এক কালো প্রতীক। তার এই সাম্রাজ্য টিকে ছিল দারিদ্র্য আর লজ্জাকে পুঁজি করে। আজ যখন আমরা স্ক্রল করতে করতে কোনো ‘ভিআইপি অফার’ বা ‘সহজ উপায়ে বড় লোক হওয়ার’ হাতছানি দেখি, তখন আমাদের মনে রাখা উচিত এপস্টিনের সেই পিরামিড স্কিমের কথা।
জেফ্রি এপস্টিন এক এমন চরিত্র যিনি আমাদের দেখিয়েছেন যে সঠিক তথ্য আর ব্ল্যাকমেল করার ক্ষমতা থাকলে কীভাবে এক স্কুল ড্রপ আউটও বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তার সাম্রাজ্য হয়তো ভেঙে পড়েছে, কিন্তু তার শেখানো কৌশলগুলো আজও ডিজিটাল দুনিয়ায় সক্রিয়। সচেতনতাই আমাদের একমাত্র হাতিয়ার। আপনার মতামত আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। এই বিষয়ে আরও গভীর ও অনুসন্ধানমূলক তথ্যের জন্য চোখ রাখুন NewsOffBeat-এ। আমাদের লেখা ভালো লাগলে শেয়ার করে সত্য ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করুন।
(আরও গুরুত্বপূর্ণ খবর ও রাশিফল আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল WhatsApp চ্যানেলে যোগ দিন! সবচেয়ে আগে পান জ্যোতিষ, অফবিট নিউজ, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি, বিনোদন, জীবনধারা ও অফবিট এক্সক্লুসিভ আপডেট —আমাদের WhatsApp Channel-এ যোগ দিন)
সাম্প্রতিক পোস্ট
- ভোটের বছরেও ‘বঞ্চিত’ বাংলা? হাইস্পিড রেল আর ফ্রেট করিডর ছাড়া ঝুলিতে শূন্য! বাজেটে বাড়ল ক্ষোভের পারদ
- ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বাজেট কি জনদরদী হতে চলেছে? জানুন, লাইভ বাজেট আপডেট ২০২৬
- পুরনো ধাতুর ওপর বিশ্বাস │ রাজপথে কীভাবে ভিন্টেজ গাড়ি হয়ে ওঠে চলমান ইতিহাস
- ঋতুস্রাব আর বাধা নয় শিক্ষায় │ যুগান্তকারী রায় দেশের শীর্ষ আদালতের
- বাজেট প্রত্যাশা ২০২৬ │ ভোটের আগে বাংলার জন্য কী চমক রাখছে কেন্দ্র? │ জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদ
#NewsOffBeat #JeffreyEpstein #Mystery

