ছোট্ট একরত্তি বেদা পরেশের অবিশ্বাস্য কীর্তি
দেশের কনিষ্ঠতম সাঁতারু (Veda Paresh incredible swimming story) মহারাষ্ট্রের বেদা পরেশ এক বছর নয় মাস বয়সেই ১০০ মিটার সাঁতরে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুলে সকলের নজর কেড়েছে। জানুন এই বিস্ময় প্রতিভার অনুশীলনের গল্প ।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: এক বছর নয় মাস বয়স — সাধারণত এ সময়ে কোনো শিশু হাঁটতে শেখে, কথা বলার চেষ্টা করে, বা প্রথমবারের মতো নিজের নাম চিনতে শেখে। কিন্তু ভারতের মহারাষ্ট্রের বেদা পরেশ এই সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে এমন এক ইতিহাস তৈরি করেছে যা শুনলে অবিশ্বাস্য লাগে! মাত্র ২১ মাস বয়সে সে সাঁতরে ফেলেছে একশো মিটার — সেটিও পুরোপুরি নিজের চেষ্টায়।
ভারত কি মাইকেল ফেলেপস পাবে ভবিষ্যতে? সেই উত্তর ভবিষ্যৎ দিতে পারবে। এই খুদের প্রতিভা বিস্ময়কর। বেদার জন্ম ২২ শে জানুয়ারি ২০২৪ এ। ২৫ মিটার করে দীর্ঘ ল্যাপ চারবারে সম্পন্ন করে ১০০ মিটার সাঁতার শেষ করেছে সে। ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ড এই সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে। রত্নগিরির একটি সুইমিংপুলে ১০ মিনিট ৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে সে তার সাঁতার সম্পন্ন করেছে। এই মুহূর্তে তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা ৫০০০ এর কিছুটা বেশি। বেদার কোচ মহেশ মিলকে জানিয়েছেন, তিনি এবং তার স্ত্রী বেদাকে ১১ মাস ধরে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। বেদার এই যাত্রা শুরু হয় নয় মাস বয়সে রত্নগিরির একটি সুইমিংপুলে। বেদার কোচ জানিয়েছেন, সে কঠোর পরিশ্রম করেছে। কোচ আরো জানিয়েছেন এই জয় শুধুমাত্র তাঁদের নয়, বেদার বাবা এবং মায়ের সহায়তা ছাড়া এই জয় কখনোই সম্ভব ছিল না।
বেদা পরেশের গল্পে অনুপ্রেরণা: শেখা মানে আনন্দ
যে বয়সে বেশিরভাগ শিশু হাঁটতে শেখে, সে বয়সেই বেদাপারেশ সাঁতরে ইতিহাস লিখেছে। তার গল্প আমাদের শেখায়— শেখার শুরু কখনও তাড়াতাড়ি হয় না। যদি শেখাটা হয় আনন্দের সঙ্গে, তবে শিশুরা অসম্ভবকেও সম্ভব করে তুলতে পারে। তার বাবা প্রশান্তের কথায়, “আমরা চাই, অন্য বাবা-মায়েরাও বুঝুক, শেখা মানেই প্রতিযোগিতা নয়, আনন্দ।”
শিশুর বিকাশে সাঁতারের প্রভাব (Veda Paresh incredible swimming story)
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাঁতার শুধুমাত্র একধরনের খেলা নয়; এটি শিশুর শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। জলে নড়াচড়া করার ফলে মোটর স্কিল দ্রুত বিকশিত হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের শক্তি বৃদ্ধি পায়। জলে আত্মবিশ্বাসী হওয়ায় ভয়ের মনোভাব কমে যায়। ড. অনন্যা সেন, শিশু মনোবিজ্ঞানী, বলেন— “সাঁতার শেখার সময় শিশুরা শরীরের প্রতিটি অংশ ব্যবহার করে। এটি তাদের মস্তিষ্কের সমন্বয় ক্ষমতা বাড়ায়।”
Most Viewed Posts
- মোটা হবেন না, মিষ্টি খান নিশ্চিন্তে │ Guilt-Free Sweets for Diwali Delight
- ২০২৬-এ মেষ রাশির জন্য আসছে বড় মোড় │ Aries Horoscope 2026 Full Prediction
- Dharmendra death: ধর্মেন্দ্রর জীবনের এই ১১টি তথ্য অনেকেই জানেন না │ 11 Untold Facts About Dharmendra
- জানেন কি নবরাত্রির চতুর্থ দিনে মা কুষ্মাণ্ডা পূজা কেন বিশেষ? ︱Why Ma Kushmanda Puja on Navratri Day 4 is Special?
- Digha Jagannath Temple Facts ︱দীঘা জগন্নাথ মন্দির সম্পর্কে জানুন এই দশটি অজানা তথ্য

