নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকর্মা পুজো এলেই বাংলার অনেক কারখানা, গ্যারাজ, ওয়ার্কশপ, পরিবহণ সংস্থা কিংবা ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ছবিটা যেন বদলে যায়। বছরের অন্য দিন যে যন্ত্রগুলো নিরন্তর কাজ করে, এই দিনে সেগুলিই হয়ে ওঠে পুজোর কেন্দ্র। মেশিন পরিষ্কার হয়, গাড়ি সাজানো হয়, কাজের সরঞ্জামের সামনে প্রদীপ জ্বলে। কোথাও আবার ট্রাক, বাস, ট্যাক্সি কিংবা ব্যক্তিগত গাড়িও ফুল-মালা দিয়ে সাজিয়ে করা হয় পুজো। কিন্তু প্রশ্ন হল, বিশ্বকর্মা পুজো কি শুধুই কারখানার যন্ত্রপাতির উৎসব? নাকি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার পরিধি বাড়তে বাড়তে গাড়ি, পরিবহণ, ছোট ওয়ার্কশপ থেকে আধুনিক প্রযুক্তির কর্মক্ষেত্রেও পৌঁছে গিয়েছে? দেবশিল্পী বিশ্বকর্মাকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই উৎসবের মধ্যে তাই শুধু ধর্মীয় আচার নয়, মিশে রয়েছে শ্রম, কারিগরি দক্ষতা, জীবিকা এবং মানুষের কর্মযন্ত্রের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের গল্প।
যন্ত্রের পুজো থেকেই শুরু গল্প
হিন্দু পুরাণে বিশ্বকর্মাকে দেবতাদের স্থপতি ও কারিগর হিসেবে ধরা হয়। সেই ধারণা থেকেই কারিগরি পেশার সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। কামার, কুমোর, স্বর্ণকার, শিল্পকর্মী, কারখানার শ্রমিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষ এই দিনে নিজেদের কাজের সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতির পুজো করেন। মূল ভাবনাটি খুব সহজ—যে যন্ত্রের সাহায্যে মানুষ তার জীবিকা অর্জন করেন, সেই যন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো।
কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলিতে এই পুজোর রীতি তাই বিশেষভাবে চোখে পড়ে। যে মেশিন সারা বছর উৎপাদনের কাজে ব্যস্ত থাকে, পুজোর আগে সেটি পরিষ্কার করা হয়। কর্মীরা এক জায়গায় জড়ো হন। তারপর শুরু হয় পুজো। কোথাও যন্ত্রের সামনে ফুল দেওয়া হয়, কোথাও কর্মস্থল সাজানো হয়, আবার কোথাও পুজোর পর কর্মীদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
এই জায়গাতেই বিশ্বকর্মা পুজোর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ধরা পড়ে। এখানে শুধু দেবতার আরাধনা নয়, মানুষের কর্মজীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত উপকরণের প্রতিও সম্মান জানানো হয়। অর্থাৎ যে হাত যন্ত্র চালায় এবং যে যন্ত্র সেই কাজকে এগিয়ে নিয়ে যায়—দুটিই যেন একই উৎসবের অংশ হয়ে ওঠে।
শিল্পাঞ্চল থেকে গাড়ির পুজোয় বদলে গেল ছবিটা
কলকাতা, হাওড়া এবং হুগলি নদীর দুই পাড়ের শিল্পাঞ্চলে বিশ্বকর্মা পুজোর একসময় বিশেষ সামাজিক গুরুত্ব ছিল। কারখানা মানেই ছিল বড় বড় মেশিন, শ্রমিকদের ব্যস্ততা এবং উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত অসংখ্য যন্ত্র। বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে সেই কারখানাগুলিই হয়ে উঠত উৎসবের জায়গা।
মেশিন পরিষ্কার করা, কর্মস্থল সাজানো, পুজোর আয়োজন এবং শ্রমিকদের অংশগ্রহণ—সব মিলিয়ে তৈরি হত আলাদা পরিবেশ। পরবর্তী সময়ে এই যন্ত্রকেন্দ্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে যানবাহনের সম্পর্কও আরও দৃঢ় হয়।
আসলে গাড়িও তো একটি যন্ত্র। তবে গাড়ির সঙ্গে যুক্ত মানুষের কাছে তার গুরুত্ব আরও একটু আলাদা। ট্রাক মালিকের কাছে ট্রাক ব্যবসার মাধ্যম, ট্যাক্সিচালকের কাছে ট্যাক্সি জীবিকার উপায়, বাস মালিকের কাছে বাস পরিবহণ ব্যবসার সম্পদ। একইভাবে গ্যারাজ মালিকের কাছে বিভিন্ন গাড়ি মেরামতের কাজই তাঁর পেশা।
ফলে বিশ্বকর্মা পুজোর যন্ত্রকেন্দ্রিক ভাবনা যখন পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত হল, তখন গাড়িও ধীরে ধীরে এই উৎসবের দৃশ্যমান অংশ হয়ে উঠল। আজ বহু জায়গায় বিশ্বকর্মা পুজোর দিন গাড়ি ধুয়ে-মুছে সাজানো হয়, ফুল-মালা দেওয়া হয় এবং পুজো করা হয়। বিশ্বাস থাকে, সারা বছর গাড়ি ভালো থাকবে, কাজের পথে বিপদ কমবে এবং জীবিকা নির্বিঘ্নে চলবে।
এই বিশ্বাসের পিছনে তাই শুধু ধর্মীয় ভাবনা নয়, মানুষের জীবিকার সঙ্গে গাড়ির সরাসরি সম্পর্কও কাজ করে।
গাড়ির পুজো থেকে নতুন গাড়ি কেনার রেওয়াজ?
এখানেই বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে গাড়ির সম্পর্কের আরও একটি আকর্ষণীয় দিক সামনে আসে। পুরনো গাড়ির পুজো এবং নতুন গাড়ি কেনা—দুটিকে এক করে দেখার প্রবণতা তৈরি হয়েছে সময়ের সঙ্গে।
পুরনো রীতিতে বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে নিজের কর্মযন্ত্রকে পুজো করার বিষয়টি স্পষ্ট। কিন্তু বিশ্বকর্মা পুজোতেই নতুন গাড়ি কিনতে হবে—এমন কোনও নির্দিষ্ট প্রাচীন ধর্মীয় বিধানের কথা এখানে বলা যায় না।
বরং এর পিছনে রয়েছে কয়েকটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রবাহ। ভারতীয় সমাজে শুভদিনে নতুন জিনিস কেনার ধারণা বহুদিনের। নতুন কোনও সম্পদ জীবনে আনার আগে শুভ সময় বেছে নেওয়া অনেক পরিবারের পরিচিত রীতি। বিশ্বকর্মা পুজো যেহেতু যন্ত্র, কারিগরি কাজ এবং কর্মজীবনের সঙ্গে যুক্ত, তাই নতুন গাড়ি কেনা বা গাড়ির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করার ক্ষেত্রেও দিনটি অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গাড়ির ব্যবসার নিজস্ব প্রচারও। বিশ্বকর্মা পুজোকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গাড়ির বিপণন প্রতিষ্ঠান বিশেষ অফার, ছাড় বা নতুন গাড়ি সরবরাহের আয়োজন করে। ফলে মানুষের পুরনো বিশ্বাস এবং আধুনিক বাজারব্যবস্থা একে অন্যের সঙ্গে মিশে গিয়েছে।
তাই বিশ্বকর্মা পুজোয় নতুন গাড়ি কেনার চলকে একেবারে প্রাচীন ঐতিহ্য বলা যেমন ঠিক নয়, তেমনই একে নিছক কাকতালীয় বলাও পুরো ছবিটা ব্যাখ্যা করে না। বরং পুরনো যন্ত্র-পুজোর রীতির উপর দাঁড়িয়েই আধুনিক সময়ে এই নতুন অভ্যাসের বিস্তার ঘটেছে।
গাড়ির বাইরে কোন কোন শিল্পে বিশ্বকর্মা পুজো?
বিশ্বকর্মা পুজোর পরিধি আসলে গাড়ির চেয়ে অনেক বড়। যে সব পেশা ও শিল্পে যন্ত্র, সরঞ্জাম বা কারিগরি দক্ষতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, সেখানেই এই পুজোর উপস্থিতি দেখা যায়।
পাটশিল্প ও বস্ত্রশিল্প তার অন্যতম উদাহরণ। পাটকল, সুতোকল, তাঁত এবং বিভিন্ন বস্ত্রকারখানায় উৎপাদনের যন্ত্রপাতিকে কেন্দ্র করে পুজোর আয়োজন করা হয়। বাংলার শিল্পাঞ্চলের ইতিহাসে এই ধরনের কারখানাগুলির সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোর সম্পর্ক বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
লৌহ ও ইস্পাত শিল্পেও বিশ্বকর্মা পুজোর আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। লেদ, ড্রিল, কাটিং যন্ত্র, ওয়েল্ডিংয়ের সরঞ্জাম, ভারী যন্ত্রপাতি—সবই কর্মজীবনের অপরিহার্য অংশ। পুজোর আগে এগুলি পরিষ্কার করে সাজানো হয়।
নির্মাণশিল্পেও একই ছবি। ক্রেন, কংক্রিট মেশিন, ড্রিলিং যন্ত্র, কাটার বা অন্যান্য নির্মাণ সরঞ্জামকে ঘিরে পুজো হয়। কারণ নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত মানুষের কাছে এই যন্ত্রগুলিই প্রতিদিনের কাজের প্রধান সহায়ক।
রেল ও রেলওয়ের বিভিন্ন কর্মশালা, ইঞ্জিন মেরামতের কেন্দ্র এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মক্ষেত্রেও বিশ্বকর্মা পুজোর প্রচলন রয়েছে। সেখানে রেলইঞ্জিন, রেলকোচের মেরামতির সরঞ্জাম, ক্রেন এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি এই দিনের অনুষ্ঠানের অংশ হয়ে ওঠে।
অর্থাৎ বিশ্বকর্মা পুজোর কেন্দ্রীয় ভাবনাটি একই থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার যন্ত্রের তালিকা বদলেছে।
ছাপাখানা থেকে আধুনিক প্রযুক্তির কর্মক্ষেত্রেও পৌঁছে গিয়েছে পুজো
একসময় ছাপাখানার বিশাল মুদ্রণযন্ত্র ছিল উৎপাদনের মূল শক্তি। তাই ছাপাখানাতেও বিশ্বকর্মা পুজোর আলাদা গুরুত্ব তৈরি হয়েছিল। ছাপার মেশিন, কাগজ কাটার যন্ত্র, বাঁধাইয়ের সরঞ্জাম—সবকিছুকেই পরিষ্কার করে পুজোর জন্য প্রস্তুত করা হত।
ছোট কারিগরি কর্মশালাতেও এই পুজোর রীতি এখনও দেখা যায়। মোটর গ্যারাজ, সাইকেল ও মোটরবাইক মেরামতের দোকান, লোহার গ্রিল তৈরির কর্মশালা, কাঠের কাজের জায়গা, ওয়েল্ডিংয়ের দোকান—সব জায়গাতেই হাতের সরঞ্জামই কারিগরের জীবিকার মূল অবলম্বন। তাই হাতুড়ি, রেঞ্চ, করাত, ড্রিল কিংবা অন্যান্য কাজের সরঞ্জামও পুজোর অংশ হয়ে ওঠে।
এই তালিকায় রয়েছে তাঁত, কাঠের কাজ, মৃৎশিল্প, ধাতুশিল্প, ভাস্কর্য এবং বিভিন্ন হস্তশিল্পও। বড় কারখানায় যেমন মেশিন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই ছোট কারিগরের কাছে তাঁর হাতের সরঞ্জামই সবচেয়ে বড় সম্পদ।
সময় বদলের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির কর্মক্ষেত্রেও বিশ্বকর্মা পুজোর পরিধি কিছু ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়েছে। কম্পিউটার, মুদ্রণযন্ত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কিংবা অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর উপকরণকে কর্মজীবনের অংশ হিসেবে দেখেই কোথাও কোথাও এই পুজোর আয়োজন করা হয়।
তবে সব প্রতিষ্ঠানে এই রীতি সমানভাবে প্রচলিত নয়। কোথাও তা দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, কোথাও স্থানীয় সংস্কৃতির অংশ, আবার কোথাও কর্মীদের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে।
যন্ত্র থামিয়ে পুজো করার মধ্যেও রয়েছে আলাদা অর্থ
বিশ্বকর্মা পুজোর একটি দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য হল—যে যন্ত্র সারা বছর চলে, পুজোর দিনে অনেক জায়গায় সেটিই কিছু সময়ের জন্য থেমে যায়। মেশিন পরিষ্কার হয়, কর্মস্থল সাজানো হয় এবং তারপর পুজো করা হয়।
এই থেমে যাওয়ার মধ্যেও একটি প্রতীকী অর্থ রয়েছে। যে যন্ত্র মানুষের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যায়, তার দিকে অন্তত একটি দিন ফিরে তাকানো। যন্ত্রটি শুধু লোহা, ইস্পাত বা প্রযুক্তির সমষ্টি নয়; তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে শ্রমিকের সময়, কারিগরের দক্ষতা এবং একটি প্রতিষ্ঠানের জীবিকা।
গাড়ির ক্ষেত্রেও একই বিষয় দেখা যায়। যে গাড়ি প্রতিদিন রাস্তায় ছুটে বেড়ায়, বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে সেটি ধুয়ে-মুছে সাজিয়ে পুজোর সামনে দাঁড় করানো হয়। চালক বা মালিকের কাছে সেটি তখন শুধুমাত্র একটি যান নয়—বরং কর্মজীবনের অংশ।
এই কারণেই বিশ্বকর্মা পুজোকে শুধু ‘মেশিনের পুজো’ বললে হয়তো উৎসবটির সামাজিক ব্যাপ্তিটা সম্পূর্ণ ধরা যায় না। এটি আসলে কাজের উপকরণকে সম্মান জানানোর একটি সংস্কৃতি।
বিশ্বকর্মা পুজোর আসল গল্প—যন্ত্রের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক
গাড়ি থেকে কারখানার মেশিন, রেলওয়ের কর্মশালা থেকে ছোট গ্যারাজ, ছাপাখানা থেকে কারিগরের হাতের সরঞ্জাম—সব জায়গাতেই বিশ্বকর্মা পুজোর একটি সাধারণ সূত্র রয়েছে। সেটি হল কাজের সঙ্গে যুক্ত যন্ত্র এবং সেই যন্ত্র ব্যবহার করা মানুষের সম্পর্ক।
সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তি বদলেছে। বদলেছে কাজের ধরনও। কিন্তু মানুষের একটি বিশ্বাস একই রয়ে গিয়েছে—যে উপকরণ দিয়ে সে নিজের জীবিকা তৈরি করে, তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো দরকার।
তাই বিশ্বকর্মা পুজোয় গাড়ি পুজো করা, নতুন গাড়ি কেনা, কারখানার মেশিন সাজানো কিংবা ছোট ওয়ার্কশপে হাতুড়ি-রেঞ্চের সামনে প্রদীপ জ্বালানো—সবকিছুর পিছনে একই সাংস্কৃতিক সূত্র খুঁজে পাওয়া যায়।
নতুন গাড়ি কেনার রেওয়াজটি তাই পুরনো যন্ত্র-পুজোর সঙ্গে আধুনিক জীবনের একটি সংযোগ। আর সেই সংযোগই দেখিয়ে দেয়, বিশ্বকর্মা পুজো কীভাবে কারখানার গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নানা কর্মযন্ত্রের উৎসবে পরিণত হয়েছে।
#vishwakarmapujacarbuying #vishwakarmapuja #newcarbuying #carpuja #vehiclepuja #vishwakarmapujatradition #carbuying #auspiciousday #indianfestival
সাম্প্রতিক পোস্ট
‘সাথীরা, প্রশ্নফাঁস মাফিয়াদের রেয়াত নয়’– সংসদে বিল পাসের পর প্রথমবার কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?
সিলেবাসে বড় পরিবর্তন কবে থেকে? শিক্ষক নিয়োগেও সুখবর? কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী?
আবার কি বদলে যাবে নোট? দেশে আসছে প্লাস্টিকের নোট,জানুন, কী বদল আসছে?
১লা আগস্ট থেকে স্কুলের খাবারের দায়িত্ব ইস্কনের, ডিম বিতরণ, ও শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা
কেন জেন জির ‘ক্রাশ’ সৌরভ দাস ও অভিজিৎ দীপকে? নেপথ্যে কী রহস্য?

