West Bengal Social Pension Increase: রাজ্যের প্রবীণ নাগরিক, বিধবা মহিলা ও প্রতিবন্ধী উপভোক্তাদের জন্য বাড়ানো হয়েছে ভাতার পরিমাণ। এবার বর্ধিত হারে টাকা কবে থেকে অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে, তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। সরকারের ঘোষণায় উপভোক্তাদের মধ্যে নতুন করে আশার আলো দেখা দিয়েছে।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের বয়স্ক নাগরিক ও বিধবা মহিলাদের জন্য বড় সুখবর। বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার পরিমাণ ইতিমধ্যেই বৃদ্ধি করেছে রাজ্য সরকার, এবং এবার বর্ধিত হারে সেই টাকা কবে থেকে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে, তা নিজেই জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
কবে থেকে বাড়তি টাকা মিলবে? (West Bengal Social Pension Increase)
পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের জারি করা সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী,১ অগাস্ট ২০২৬ থেকেই নতুন হারে ভাতা কার্যকর হয়েছে, যা ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) পদ্ধতিতে সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হচ্ছে। তবে এই বর্ধিত অঙ্কের প্রথম কিস্তি প্রকৃতপক্ষে কবে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে, তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছিল উপভোক্তাদের মধ্যে। সেই প্রশ্নের জবাবে খোদ মুখ্যমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, জাতীয় সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি এবং রাজ্য সরকারের সামাজিক কল্যাণ পেনশন প্রকল্পসমূহের আওতাভুক্ত উপভোক্তাদের মাসিক আর্থিক সহায়তা ১ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি করে দেড় হাজার টাকা করার নির্দেশ জারি করা হয়েছে, এবং সেপ্টেম্বর থেকেই এই বর্ধিত ভাতা ডিবিটি মারফত সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
কত টাকা মিলবে? (West Bengal Social Pension Increase)
আগে বার্ধক্য, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রকল্পে উপভোক্তারা মাসিক ১,০০০ টাকা করে পেতেন। বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের প্রস্তাবের ভিত্তিতেই সেই ভাতা ৫০০ টাকা বাড়িয়ে ১,৫০০ টাকা করা হয়েছে। বর্ধিত টাকা বিতরণের বাড়তি খরচ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের ২০২৬-২৭ আর্থিক বছরের নির্ধারিত বাজেট থেকে বহন করা হবে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের প্রবীণ নাগরিক, বিধবা ও দিব্যাঙ্গ জনেরা আরও শক্তিশালী সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসবেন এবং তাঁদের জীবনযাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক হবে।
কারা পাবেন এই ভাতা? (West Bengal Social Pension Increase)
বার্ধক্য ভাতার ক্ষেত্রে — আবেদনকারীকে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সের হতে হবে, পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল হতে হবে। পুরুষ ও মহিলা উভয়েই এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারেন।
বিধবা ভাতার ক্ষেত্রে — আবেদনকারীর ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর হতে হবে এবং তাঁকে বিধবা হতে হবে, পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া আবশ্যক। বিধবা ভাতাপ্রাপ্ত কোনও মহিলার বয়স ৬০ বছর পার হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বার্ধক্য ভাতায় রূপান্তরিত হয়ে যায়।
কীভাবে জমা পড়বে টাকা? (West Bengal Social Pension Increase)
সমস্ত ভাতার টাকা সরাসরি উপভোক্তার নিজস্ব নামে থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ডিবিটি পদ্ধতিতে জমা হয়। উপভোক্তারা রাজ্য সরকারের নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে নিজের মোবাইল নম্বর বা আধার নম্বর দিয়ে পেমেন্ট স্ট্যাটাস যাচাই করে নিতে পারবেন, টাকা জমা হয়েছে কি না বা পেমেন্ট হোল্ডে রয়েছে কি না।
উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মেনেই রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে একের পর এক সামাজিক প্রকল্পে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে। সরকারি কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধির পরই এই সামাজিক পেনশন প্রকল্পগুলির অঙ্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে বড় পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।
#WestBengalPension #OldAgePension #WidowPension #DisabilityPension #SocialWelfare #WestBengalGovernment #PensionIncrease #GovernmentScheme
সাম্প্রতিক পোস্ট
স্কুলের শৌচাগারে সাপ! নামী বেসরকারি স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন, কী বলছে কর্তৃপক্ষ
নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণ কী? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিজিৎ দীপকে কি তবে এবার বিজেপিতে? রাজনৈতিক প্রস্তাব ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা
ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, হাইকোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পদক্ষেপ কী?

