BLACKPINK Fashion Impact: গানের মঞ্চ থেকে প্যারিস ফ্যাশন উইক! কীভাবে চার সাধারণ তরুণী হয়ে উঠলেন বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের মুখ? জানুন অজানা রূপকথা।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি পপ কালচারের (Pop Culture) খোঁজখবর রাখুন বা না রাখুন, সোশ্যাল মিডিয়া ঘাটলে এই চারজন তরুণীর মুখ আপনার চোখে পড়েনি, এমনটা প্রায় অসম্ভব। জিসু, জেনি, রোজে এবং লিসা— এই চার কন্যাকে নিয়ে গঠিত দক্ষিণ কোরিয়ার গার্ল গ্রুপ ব্ল্যাকপিঙ্ক (BLACKPINK) আজ শুধুমাত্র একটি গানের দল নয়, বরং বিশ্বজুড়ে এক অভাবনীয় সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নাম। ২০১৬ সালে যখন তাঁরা প্রথম আত্মপ্রকাশ করেছিলেন, তখন কেউ ভাবতেও পারেনি যে এই চারজন সাধারণ মেয়ে একদিন শুধু বিলবোর্ড চার্টেই নয়, গ্লোবাল ফ্যাশন (Global Fashion) দুনিয়াতেও কার্যত একচ্ছত্র রাজত্ব করবেন। বর্তমানে প্যারিস ফ্যাশন উইক হোক বা মেট গালা— ব্ল্যাকপিঙ্কের উপস্থিতি ছাড়া যেন সব আয়োজন অসম্পূর্ণ।
বিশ্বের সবচেয়ে দামি এবং বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোর (Luxury Brands) গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে আজ তাঁরা যা পরেন, তা মুহূর্তের মধ্যে গোটা বিশ্বে ট্রেন্ড হয়ে যায়। কিন্তু এই জাদুকরী সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে এক দীর্ঘ ও চরম কঠোর লড়াইয়ের ইতিহাস। দক্ষিণ কোরিয়ার এক ছোট্ট ট্রেনিং রুম থেকে শুরু করে বিশ্ব ফ্যাশনের কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছে যাওয়ার এই BLACKPINK Fashion Impact বা ফ্যাশন জগতে তাঁদের অভাবনীয় প্রভাব কীভাবে তৈরি হলো? আসুন, আজ সেই চমকপ্রদ এবং অজানা উত্থানের কাহিনির পাতা উল্টে দেখা যাক।
চার দেশের চার কন্যা: ব্ল্যাকপিঙ্ক তৈরির নেপথ্য কাহিনি
একটি গানের দল কীভাবে একটি বৈশ্বিক ব্র্যান্ড (Global Brand) হয়ে উঠল, সেই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে এই চারজন সদস্যের শেকড়ের মধ্যে। দক্ষিণ কোরিয়ার বিখ্যাত বিনোদন সংস্থা ‘ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট’ (YG Entertainment) যখন নতুন একটি গার্ল গ্রুপ তৈরির পরিকল্পনা করে, তখন তাদের লক্ষ্য শুধু কোরিয়া ছিল না, তারা চেয়েছিল এমন একটি দল গড়তে যারা গোটা বিশ্বকে কানেক্ট করতে পারবে। আর সেই লক্ষ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অডিশনের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় চারজন সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুর প্রতিভাকে।
তাঁদের এই চারজনের চার জায়গা থেকে উঠে আসার কাহিনিটি সত্যিই চমকপ্রদ:
- জিসু (Jisoo): দলের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য কিম জিসু হলেন একেবারে খাঁটি কোরিয়ান। দক্ষিণ কোরিয়াতেই তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা। ২০১১ সালে তিনি ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টে ট্রেইনি হিসেবে যোগ দেন। তাঁর স্নিগ্ধ কোরিয়ান সৌন্দর্য এবং অনবদ্য অভিনয় দক্ষতা শুরু থেকেই তাঁকে সবার চেয়ে আলাদা করে তুলেছিল।
- জেনি (Jennie): কিম জেনি দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মগ্রহণ করলেও, তাঁর বেড়ে ওঠার একটা বড় অংশ কেটেছে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে (Auckland)। সেখানে পড়াশোনা করার ফলে পাশ্চাত্যের সংস্কৃতির সঙ্গে তাঁর একটা গভীর যোগসূত্র তৈরি হয়। পরে তিনি গানের টানে কোরিয়ায় ফিরে আসেন এবং ২০১২ সালে ট্রেইনি হিসেবে যোগ দেন। দলের মধ্যে সবচেয়ে স্টাইলিশ এবং র্যাপ করার অসামান্য দক্ষতার জন্য তাঁকে ‘ওয়াইজি প্রিন্সেস’ বলা হয়।
- রোজে (Rosé): দলের মূল গায়িকা রোজের আসল নাম রোজ্যান পার্ক। তাঁর জন্ম নিউজিল্যান্ডে, কিন্তু তিনি বেড়ে উঠেছেন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে (Melbourne)। ২০১২ সালে সিডনিতে অনুষ্ঠিত ওয়াইজি-র একটি অডিশনে প্রায় ৭০০ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেন। গিটার হাতে তাঁর জাদুকরী কণ্ঠস্বরই ব্ল্যাকপিঙ্কের গানের মূল প্রাণভোমরা।
- লিসা (Lisa): দলের সবচেয়ে ছোট সদস্য এবং মূল নৃত্যশিল্পী লিসার আসল নাম লালিসা মানোবাল। তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা থাইল্যান্ডে (Thailand)। ২০১০ সালে থাইল্যান্ডে হওয়া অডিশনে একমাত্র লিসাই নির্বাচিত হয়েছিলেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো, লিসাই হলেন ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের ইতিহাসে প্রথম নন-কোরিয়ান (Non-Korean) বা বিদেশি শিল্পী। তাঁর অসামান্য নাচ এবং স্টেজে আগুন ঝরানো পারফরম্যান্স দলের এনার্জি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
ভিন্ন দেশ, ভিন্ন ভাষা এবং সম্পূর্ণ আলাদা সংস্কৃতি থেকে উঠে আসা এই চারজন তরুণীকে এক ছাদের নিচে এনে বছরের পর বছর ধরে অমানবিক পরিশ্রম করানো হয়েছিল। কোরিয়ান, ইংরেজি, জাপানি থেকে শুরু করে থাই— একাধিক ভাষায় দক্ষ এই চার কন্যা যখন নিজেদের সবটুকু উজাড় করে ২০১৬ সালে ‘স্কয়ার ওয়ান’ (Square One) অ্যালবামের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করলেন, তখন ইতিহাস তৈরি হওয়াটা ছিল কেবল সময়ের অপেক্ষা। এভাবেই চার দেশের চার সাধারণ মেয়ে মিলে তৈরি করলেন ‘ব্ল্যাকপিঙ্ক’ নামক এক জাদুকরী ব্র্যান্ড, যা আজ গোটা বিশ্বের যুবসমাজের কাছে এক আবেগের নাম।
নামের পেছনের আসল অর্থ এবং কঠিন লড়াই
অনেকেই হয়তো ভাবেন যে ব্ল্যাকপিঙ্ক রাতারাতি তারকা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাস্তবটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। দক্ষিণ কোরিয়ার বিখ্যাত বিনোদন সংস্থা ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের (YG Entertainment) অধীনে আত্মপ্রকাশ করার আগে এই চারজন তরুণীকে দীর্ঘ চার থেকে ছয় বছর ধরে এক চরম অমানবিক রুটিনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল। প্রতিদিন প্রায় ১৪ ঘণ্টা করে নাচ, গান এবং পারফরম্যান্সের কঠোর প্রশিক্ষণ (Trainee period) নিতে হতো তাঁদের। মাসের পর মাস পরিবারের থেকে দূরে থেকে, কড়া ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস (Dietary habits) মেনে, নিজেদের প্রমাণ করার এই লড়াইটা ছিল অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার।
তাঁদের এই ব্যান্ডের নাম ‘ব্ল্যাকপিঙ্ক’ রাখার পেছনেও রয়েছে এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক দর্শন। সমাজে ‘পিঙ্ক’ বা গোলাপি রংটিকে বরাবরই মেয়েদের কমনীয়তা এবং সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু এই দলটি শুধু সুন্দর হওয়ার তকমা নিয়ে বাঁচতে চায়নি। তাঁরা বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, সৌন্দর্যের পাশাপাশি তাঁদের ভেতরে রয়েছে ‘ব্ল্যাক’ বা কালোর মতো এক অদম্য শক্তি, তেজ এবং প্রতিভা। অর্থাৎ, তাঁরা একই সঙ্গে লাবণ্যময়ী এবং অত্যন্ত শক্তিশালী। গানের কথা থেকে শুরু করে তাঁদের ব্যক্তিগত স্টাইলিং (Styling)— সব জায়গাতেই এই দুই বিপরীতধর্মী চেতনার এক অদ্ভুত সুন্দর সংমিশ্রণ দেখতে পাওয়া যায়, যা খুব দ্রুত গোটা বিশ্বের তরুণ প্রজন্মকে আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিল।
গানের জগৎ থেকে গ্লোবাল ফ্যাশনের মঞ্চে পদার্পণ
সাধারণত পপ তারকারা ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোর পোশাক পরেন তাদের প্রোমোট করার জন্য। কিন্তু ব্ল্যাকপিঙ্কের ক্ষেত্রে সমীকরণটা একেবারেই উলটে গেল। তাঁরা শুধুমাত্র পোশাক পরলেন না, বরং নিজেদের ব্যক্তিত্ব দিয়ে সেই ব্র্যান্ডগুলোর পরিচয়টাই যেন নতুন করে সংজ্ঞায়িত করলেন। একটা সময় ছিল যখন প্যারিস, মিলান বা নিউইয়র্কের নামজাদা ডিজাইনাররা মূলত হলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী বা পাশ্চাত্যের সুপারমডেলদের ওপরই ভরসা করতেন। কিন্তু ব্ল্যাকপিঙ্ক সেই অলিখিত নিয়ম ভেঙে চুরমার করে দিল।
তাঁদের মিউজিক ভিডিওগুলোতে (Music Videos) ব্যবহৃত অত্যাধুনিক এবং সাহসী পোশাকগুলো মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হতে শুরু করল। ডিজাইনাররা খুব দ্রুত বুঝতে পারলেন যে, এই চার কন্যার বিশ্বজুড়ে যে পরিমাণ অনুরাগী বা ‘ব্লিঙ্ক’ (Blink – ব্ল্যাকপিঙ্কের ভক্তদের নাম) রয়েছে, তা যেকোনো হলিউড তারকার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চ্যানেল, ডিওর বা সেন্ট লরেন্টের মতো ঐতিহ্যে মোড়া ইউরোপীয় ফ্যাশন হাউসগুলো নিজেদের ব্র্যান্ডের চেহারা বদলাতে ব্ল্যাকপিঙ্কের সদস্যদের দিকে হাত বাড়িয়ে দিল। এই ট্রানজিশন বা পরিবর্তনটা এতটা মসৃণ ছিল যে, মনে হতো তাঁরা যেন জন্ম থেকেই এক একজন ফ্যাশন আইকন (Fashion Icons)।
আরও পড়ুন: নস্টালজিয়ার টানে ভিড় শহরে! কেন সবাই ছুটছে আইকনিক সেটে ছবি তুলতে? জানুন বিস্তারিত
চার কন্যার চার আলাদা ফ্যাশন সাম্রাজ্য
ব্ল্যাকপিঙ্কের এই ফ্যাশন রাজত্বের সবচেয়ে বড় চমক হলো, তাঁরা চারজনই ফ্যাশনের দুনিয়ায় চারটি আলাদা এবং স্বতন্ত্র সাম্রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন। কারোর স্টাইলের সঙ্গে কারোর মিল নেই, অথচ প্রত্যেকেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে সেরা।
প্রথমেই আসা যাক জেনির (Jennie) কথায়। তাঁকে ফ্যাশন দুনিয়ায় ভালোবেসে ডাকা হয় ‘হিউম্যান চ্যানেল’ (Human Chanel) নামে। বিখ্যাত ফরাসি ব্র্যান্ড চ্যানেলের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে জেনি তাঁর ক্লাসিক অথচ আধুনিক রূপ দিয়ে গোটা বিশ্বকে মুগ্ধ করেছেন। অন্যদিকে জিসু (Jisoo) হলেন বিখ্যাত ফরাসি ফ্যাশন হাউস ডিওরের (Dior) গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর। ডিওরের মার্জিত, রাজকীয় এবং নারীবাদী পোশাকের সঙ্গে জিসুর স্নিগ্ধ সৌন্দর্যের মেলবন্ধন এতটাই নিখুঁত যে, স্বয়ং ডিওরের সিইও একবার মজা করে বলেছিলেন, “ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট জিসুকে তাড়িয়ে দিলে, ডিওর তাঁকে দত্তক নেবে!”
ব্যান্ডের মূল গায়িকা রোজে (Rosé) আবার সেন্ট লরেন্ট (Saint Laurent) এবং টিফানি অ্যান্ড কোং-এর (Tiffany & Co) মতো ব্র্যান্ডের মুখ। তাঁর বোহেমিয়ান অথচ রক-স্টার স্টাইল পাশ্চাত্যের ফ্যাশন সমালোচকদের সবচেয়ে বেশি প্রিয়। আর সবশেষে রয়েছেন লিসা (Lisa)। সেলিন (Celine), বুলগারি এবং হালে লুই ভিঁতোর (Louis Vuitton) মতো ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত লিসার স্টাইল অত্যন্ত বোল্ড, ট্রেন্ডি এবং পরীক্ষামূলক। এই চারজন যখন একসঙ্গে রেড কার্পেটে হাঁটেন, তখন মনে হয় যেন গোটা গ্লোবাল ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি এক ফ্রেমে ধরা দিয়েছে।
ফ্যাশন অর্থনীতিতে ব্ল্যাকপিঙ্কের অবিশ্বাস্য প্রভাব
ফ্যাশন দুনিয়ায় ব্ল্যাকপিঙ্কের এই প্রভাব শুধু গ্ল্যামার বা শো-অফের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এটি আক্ষরিক অর্থেই বিশ্ব অর্থনীতিতে (Global Economy) এক বিশাল পরিবর্তন এনেছে। মিডিয়া ইমপ্যাক্ট ভ্যালু বা এমআইভি (Media Impact Value) অনুযায়ী, প্যারিস ফ্যাশন উইকে ব্ল্যাকপিঙ্কের একজন সদস্যের উপস্থিতি সেই ব্র্যান্ডের প্রচারমূল্য কয়েক মিলিয়ন ডলার এক ধাক্কায় বাড়িয়ে দেয়। জিসু বা জেনি যখন কোনো নির্দিষ্ট ডিজাইনের ব্যাগ নিয়ে বিমানবন্দরে পাপারাজ্জিদের সামনে ধরা দেন, ঠিক তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শোরুমে সেই ব্যাগটি ‘সোল্ড আউট’ (Sold Out) হয়ে যায়।
মার্কেটিং বিশেষজ্ঞরাও এই বিষয়টিতে রীতিমতো হতবাক। এই চার তরুণী প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, ফ্যাশনের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা হয় না। এশিয়ার মাটি থেকে উঠে এসে ইউরোপীয় হাই-ফ্যাশনের দম্ভকে কীভাবে নিজেদের হাতের মুঠোয় আনতে হয়, তা ব্ল্যাকপিঙ্কের চেয়ে ভালো আর কেউ জানে না। তাঁদের এই অভাবনীয় সাফল্য আসলে বিশ্বের সমস্ত সাধারণ ঘরের স্বপ্নবাজ মেয়েদের কাছে এক জ্বলন্ত অনুপ্রেরণা, যে কঠোর পরিশ্রম এবং নিজের প্রতি বিশ্বাস থাকলে সারা বিশ্বকেই একদিন জয় করা সম্ভব।
গ্লোবাল ফ্যাশনে ব্ল্যাকপিঙ্কের এই অভূতপূর্ব প্রভাব নিয়ে আপনার কী মতামত? চার সদস্যের মধ্যে কার ব্যক্তিগত ফ্যাশন স্টাইল আপনার সবচেয়ে বেশি পছন্দের? আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। বিনোদন ও লাইফস্টাইল দুনিয়ার এমন আরও অজানা ও চমকপ্রদ খবর পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন NewsOffBeat-এ।
সাম্প্রতিক খবর
- চারজন মেয়ের একটি গ্রুপ কীভাবে কাঁপাচ্ছে গ্লোবাল ফ্যাশন দুনিয়া? শুনলে চমকে উঠবেন ব্ল্যাকপিঙ্কের উত্থানের জাদুকরী কাহিনি
- রাজ্যের দায়িত্ব কাঁধে, তবু মায়ের হাতের রান্নাতেই তৃপ্তি! মাতৃ দিবসে কী খেলেন মুখ্যমন্ত্রী
- মুখ্যমন্ত্রীর নতুন ঠিকানা কোথায়? জানুন কী কী বিশেষ সুবিধা থাকছে সেই বিলাসবহুল রাজকীয় বাসভবনে
- প্রেশারের ওষুধ খাচ্ছেন? ভুল সময়ে খেলেই বাড়তে পারে বিপদ, হঠাৎ বন্ধ করলে কী হতে পারে, জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা
- শপথ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে যাওয়ার আগেই ঝড়ের গতিতে যে কাজগুলো করে ফেললেন শুভেন্দু! জানলে অবাক হবেন

