নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: রাজস্থানের জয়পুর জেলার চৌমু এলাকার অশোক বিহার কলোনিতে দীর্ঘদিনের জল সমস্যার মাঝেই সামনে এসেছে এক উদ্বেগজনক ঘটনা। অভিযোগ, সরকারি বোরিং থেকে সাধারণ মানুষের জন্য সরবরাহ করা জলের কল বারবার ভেঙে দিচ্ছে কিছু অজ্ঞাত অসামাজিক ব্যক্তি। এই ঘটনায় চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুধু তাই নয়, এলাকার শিব মন্দিরের নিত্য পূজা, পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজেও দেখা দিয়েছে জল সংকট।
জনস্বার্থে নিজের খরচে বসানো হয়েছিল কল
অশোক বিহারের বাসিন্দা রমেশ কুমার রাওয়াতের অভিযোগ অনুযায়ী, জলদায় বিভাগের নির্দেশ মেনে তিনি নিজের অর্থ ব্যয় করে সরকারি বোরিংয়ে একটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য জলের কল বসান। এলাকার বহু পরিবারের কাছে এই কলই ছিল পানীয় জলের প্রধান ভরসা।
কিন্তু কল বসানোর কিছুদিনের মধ্যেই অজ্ঞাত দুষ্কৃতীরা সেটি ভেঙে দেয়। এরপর রমেশ কুমার রাওয়াতের পরিবারের সদস্যরা আবার নিজেদের খরচে নতুন কল বসান। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দ্বিতীয়বার বসানো সেই কলটিও একইভাবে ভেঙে দেওয়া হয়। পরে সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা ভেবে তৃতীয়বারের মতো আবারও কল বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জল সংগ্রহে বাড়ছে দুর্ভোগ, ট্যাঙ্কারের ওপর নির্ভরতা
কলটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অশোক বিহারের বহু পরিবার চরম সমস্যায় পড়েছে। যেসব বাড়িতে নিয়মিত জল সরবরাহ পৌঁছায় না, তাঁদের জন্য এই সরকারি বোরিং ছিল একমাত্র ভরসা। পাশাপাশি স্থানীয় শিব মন্দিরেও পূজা-অর্চনা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং দৈনন্দিন কাজের জন্য এই জল ব্যবহার করা হতো।
বর্তমানে প্রয়োজনের সময় অনেক বাসিন্দাকে ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে জল আনাতে হচ্ছে, যার ফলে তাঁদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
প্রশাসনের কাছে কঠোর পদক্ষেপের দাবি
বর্তমানে সিকিমের গ্যাংটকে কর্মরত রমেশ কুমার রাওয়াত ই-মেলের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি এলাকায় রাতের টহল বাড়ানোর আবেদন করেছেন।
ঘটনার তদন্তে পুলিশ স্থানীয় এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখলেও বোরিংয়ের স্থানটি ক্যামেরার আওতার বাইরে থাকায় এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের পরিচয় জানা যায়নি।
স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় অশোক বিহার
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এটি শুধু একটি কল ভাঙচুরের ঘটনা নয়, বরং এলাকার দীর্ঘদিনের জল সমস্যাকে আরও গভীর করে তুলেছে। বারবার মেরামত বা নতুন কল বসানোর পরিবর্তে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।
এলাকাবাসীদের আশা, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং অশোক বিহারের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের জলের সংকটের স্থায়ী সমাধান করবে।
সাম্প্রতিক পোস্ট
নিয়োগ দুর্নীতি কি আগামী দিনে কমবে? জানুন, চাকরির নিয়মে এই পরিবর্তনে আসবে কি স্বচ্ছতা?
এক্সপোজড! ককরোচ জনতা পার্টির নেপথ্যে কোন চক্রান্তের গন্ধ? সত্যিটা জানলে চমকে উঠবেন
মহিলাদের বাসে টিকিট কাটতে হবে না! জানুন, এই কার্ড থাকলেই দিঘা থেকে দার্জিলিং সফর ফ্রী তে
কলেজে ভর্তি নিয়ে বড় খবর, এক নজরে দেখে নিন স্নাতকে ভর্তির আবেদন কবে

