Ritabrata Trinamool Congress: ঋতব্রত-পন্থী হিসেবে পরিচিত তিন বিধায়ককে কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের কর্মসূচিতে দেখা যেতেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তাঁরা কি পুরনো শিবিরে ফিরছেন, নাকি শুধুই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন—এই প্রশ্নেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: সই জাল-কাণ্ডের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন প্রকাশ্যে এসেছে, তা এবার যেন নতুন মোড় নিল। বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন জানিয়ে চিঠিতে সই করা তিন বিধায়ককেই দেখা গেল কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মসূচিতে। শুধু কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকাই নয়, বিধানসভার বাইরে প্রতিবাদে পা মেলানো থেকে শুরু করে সাংবাদিক সম্মেলনেও তাঁদের উপস্থিতি নজর কেড়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—দুই মাসের ব্যবধানে কি রাজনৈতিক অবস্থান বদলাচ্ছে ওই তিন বিধায়কের? তাঁরা কি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির থেকে ধীরে ধীরে সরে এসে আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের দিকে ফিরছেন? নাকি বিষয়টি শুধুই নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে? বিধায়কদের বক্তব্যে অবশ্য মিলেছে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা। আর সেই ব্যাখ্যাই এখন নতুন করে জল্পনা বাড়াচ্ছে।
সই জাল-কাণ্ডের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে দুই শিবিরের টানাপোড়েন
সই জাল-কাণ্ডের পর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বিরোধী দলনেতার প্রশ্নকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের কথা সামনে আসে। একাধিক বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে সমর্থন জানিয়ে চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তী সময়ে তাঁদের একটি পৃথক গোষ্ঠী বা ব্লক হিসেবেও সক্রিয় হতে দেখা যায়।
এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবিরের তরফে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিজেদের পক্ষে নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে বলেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। এর ফলে দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ আর শুধুমাত্র নেতৃত্বের প্রশ্নে আটকে থাকেনি; দলের সাংগঠনিক পরিচয়, নাম এবং প্রতীক নিয়েও তা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াইয়ের রূপ নিতে শুরু করে।
একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী গোষ্ঠী—এই দুই অবস্থানকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছিল। এমন পরিস্থিতিতেই আচমকা তিন বিধায়কের কালীঘাটপন্থী কর্মসূচিতে উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
কারা এলেন কালীঘাটপন্থী কর্মসূচিতে?
যে তিন বিধায়ককে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, তাঁরা হলেন বিভাস সর্দার, তৌসিফুর রহমান এবং আবদুল খালেক মোল্লা। তাঁদের তিনজনকেই এর আগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন জানানো শিবিরের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এমনকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে সমর্থন জানিয়ে যে চিঠিতে বিধায়কদের স্বাক্ষর ছিল, সেখানেও তাঁদের নাম ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, নিউটাউনের একটি অভিজাত হোটেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী গোষ্ঠীর তরফে নতুন তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের বৈঠকেও এই তিন বিধায়কের উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল। ফলে তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন ওঠা নতুন কিছু নয়।
কিন্তু এবার ছবিটা সম্পূর্ণ আলাদা। বিধানসভার অভ্যন্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে হওয়া প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখা গেল। তাঁরা শুধু দূর থেকে দাঁড়িয়ে ছিলেন না। হাতে পোস্টার নিয়ে স্লোগান দিয়েছেন, বিধানসভার বাইরের গেট পর্যন্ত হেঁটে গিয়েছেন এবং পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন।
ফলে রাজনৈতিক মহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি কেবল একটি নির্দিষ্ট ঘটনার প্রতিবাদ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক বার্তা?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে প্রতিবাদেই কি তিন বিধায়কের এক মঞ্চ?
এই দিনের কর্মসূচির মূল কারণ ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ। অভিযোগ, হালিশহরে মৃত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ও কাদা ছোড়া হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের কালীঘাটপন্থী শিবির এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানায়।
বিধানসভায় সেই প্রতিবাদের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একাধিক বিধায়ক। তাঁদের মধ্যে ছিলেন শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, পুলক রায়, হিনা মণ্ডল, কুণাল ঘোষ, আলিপুর আলি আহমেদ, বাবর আলি-সহ আরও অনেকে।
এই কর্মসূচির মধ্যেই বিভাস সর্দার, তসিফুর রহমান এবং আবদুল খালেক মোল্লার উপস্থিতি নজরে আসে। তাঁরা কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হওয়া হামলার নিন্দা জানান।
এখানেই তৈরি হয় মূল রাজনৈতিক প্রশ্ন। কারণ যাঁদের আগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে দেখা গিয়েছিল, তাঁরাই এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে প্রকাশ্য কর্মসূচিতে। ফলে তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা আরও তীব্র হওয়াই স্বাভাবিক।
বিভাস সর্দারের বক্তব্যে মিলল আইনি লড়াইয়ের প্রসঙ্গ
তিন বিধায়কের মধ্যে বিভাস সর্দারের বক্তব্য ছিল কিছুটা ভিন্ন। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কোন শিবিরে রয়েছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে, নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে?
বিভাস সর্দার সরাসরি সেই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর দেননি। তাঁর বক্তব্য, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক জোড়াফুল চিহ্নে নির্বাচিত হয়ে বিধানসভায় এসেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি মনে করেছেন, এই পরিস্থিতিতে পাশে থাকা তাঁর কর্তব্য।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও ঘটনার প্রতিবাদে তাঁকে ডাকা হলে তিনি সেই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন। অর্থাৎ কোনও নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর অবস্থান নিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা না করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার বিষয়টি তিনি পরিষ্কার করেছেন।
বিরোধী দলনেতা হিসেবে তিনি কাকে মানছেন—এই প্রশ্নের উত্তরেও তিনি সরাসরি অবস্থান জানাননি। তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রে ছিল আইনি লড়াই। অর্থাৎ নেতৃত্ব ও দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলার কারণে তিনি এই মুহূর্তে স্পষ্ট মন্তব্য করতে চাইছেন না।
আবদুল খালেক মোল্লা বললেন, “আমি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীতেই আছি”
অন্যদিকে আবদুল খালেক মোল্লা তাঁর অবস্থান তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি জানান, তিনি এখনও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীতেই রয়েছেন। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে কোনও আক্রমণের প্রতিবাদ করবেন না।
তাঁর যুক্তি, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া প্রতীকেই নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় এসেছেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটলে তার প্রতিবাদ করা তাঁর কাছে স্বাভাবিক এবং প্রয়োজনীয় বলেই মনে হয়েছে।
এই বক্তব্য রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ একই ব্যক্তি একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীতে থাকার কথা জানাচ্ছেন, অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও অংশ নিচ্ছেন। ফলে তাঁর অবস্থানকে আপাতত গোষ্ঠীগত রাজনীতির বাইরে একটি নির্দিষ্ট ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
আর একটি বিষয়ও রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে। আবদুল খালেক মোল্লার বিধানসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বলে এই উপস্থিতি ঘিরে বাড়তি আলোচনা শুরু হয়েছে।
তৌসিফুর রহমানের বক্তব্যেও উঠে এল মমতা-নির্ভর রাজনৈতিক সমীকরণ
তৃতীয় বিধায়ক তৌসিফুর রহমানও তাঁর উপস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর ছিল—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বসিরহাটের রাজনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছাড়া বসিরহাটের মানুষকে রাজনৈতিকভাবে আলাদা করে দেখা কঠিন।
এই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে যে ঘটনা ঘটেছে, তার প্রতিবাদে তিনি উপস্থিত থাকা জরুরি বলে মনে করেছেন।
তৌসিফুর রহমানও অবশ্য এই কর্মসূচিতে তাঁর উপস্থিতিকে কোনও ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ বা কারও নির্দেশ পালন হিসেবে দেখাতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, পরিস্থিতি বিচার করে তিনি মনে করেছেন এই কর্মসূচিতে থাকা দরকার, তাই তিনি এসেছেন।
তবে তাঁকেও যখন প্রশ্ন করা হয়, আগে কেন রীতপ্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, কেন তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে সমর্থন জানিয়ে চিঠিতে সই করেছিলেন—সেই প্রশ্নের সরাসরি রাজনৈতিক উত্তর মেলেনি।
তাহলে কি ঋতব্রত শিবির ছাড়ছেন তিন বিধায়ক?
এই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি ঘুরছে। তিন বিধায়কের বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট—তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে প্রতিবাদের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়াকে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের সঙ্গে এক করে দেখতে চাইছেন না।
বিভাস সর্দার আইনি লড়াইয়ের কথা বলেছেন। আবদুল খালেক মোল্লা স্পষ্ট করেছেন যে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীতেই রয়েছেন। তসিফুর রহমানও নিজের উপস্থিতিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবেই ব্যাখ্যা করেছেন।
তবে রাজনীতিতে দৃশ্যমান উপস্থিতিরও একটি আলাদা তাৎপর্য থাকে। যাঁরা আগে একটি নির্দিষ্ট শিবিরের সঙ্গে প্রকাশ্যে ছিলেন, তাঁদের অন্য শিবিরের কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা গেলে তা নিয়ে আলোচনা হবেই।
এই মুহূর্তে তাই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না যে তাঁরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠী ছেড়ে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে যাচ্ছেন। তাঁদের বক্তব্য অন্তত এখনই এমন কোনও সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করছে না। বরং তাঁরা যে নিজেদের অবস্থানকে আলাদা করে ব্যাখ্যা করছেন, সেটাই এই মুহূর্তের রাজনৈতিক ছবিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ লড়াইয়ে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?
সই জাল-কাণ্ডের পর তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে যে বিভাজনের ছবি সামনে এসেছে, সেখানে এই তিন বিধায়কের সাম্প্রতিক ভূমিকা নিঃসন্দেহে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে যখন দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করার বিষয়টিও রাজনৈতিক আলোচনার অংশ হয়ে উঠেছে, তখন বিধায়কদের অবস্থান আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
তবে এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়। কারণ তিন বিধায়কের কেউই সরাসরি বলেননি যে তাঁরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে ফিরে যাচ্ছেন।
বরং তাঁদের বক্তব্য থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আক্রমণের প্রতিবাদ এবং দলের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের প্রশ্নকে তাঁরা আলাদা বিষয় হিসেবে দেখছেন।
ফলে আগামী দিনে তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান আরও স্পষ্ট হয় কি না, সেটাই এখন নজরে থাকবে। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশনে দলের নাম ও প্রতীক সংক্রান্ত প্রক্রিয়া এগোলে এবং আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী ধাপ সামনে এলে এই তিন বিধায়ক কোন দিকে থাকেন, তা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
#RitabrataTrinamoolCongress #RitabrataBanerjee #TrinamoolCongress #WestBengalPolitics #KalighatTrinamool #TMCMLAs #BengalPolitics
সাম্প্রতিক পোস্ট
‘সাথীরা, প্রশ্নফাঁস মাফিয়াদের রেয়াত নয়’– সংসদে বিল পাসের পর প্রথমবার কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?
সিলেবাসে বড় পরিবর্তন কবে থেকে? শিক্ষক নিয়োগেও সুখবর? কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী?
আবার কি বদলে যাবে নোট? দেশে আসছে প্লাস্টিকের নোট,জানুন, কী বদল আসছে?
১লা আগস্ট থেকে স্কুলের খাবারের দায়িত্ব ইস্কনের, ডিম বিতরণ, ও শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা

