Abhishek Banerjee Airport Arrest Speculation: তিনবার সমন এড়ানোর পর বাড়ছে রাজনৈতিক জল্পনা। আদালতের নির্দেশের অপেক্ষায় রাজ্য রাজনীতি। বিমানবন্দরে ফেরার সময় কি বড় পদক্ষেপ নিতে পারে তদন্তকারী সংস্থা, নাকি মিলবে আইনি সুরক্ষা? নজর এখন আগামী শুনানি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের দিকে।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: বিধায়কদের সই জালিয়াতি কাণ্ডে ক্রমশ বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। এই মামলায় বারবার তলব করা হলেও এখনও পর্যন্ত একবারের জন্যও সিআইডির সামনে হাজির হননি তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই তাঁকে তিনবার নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। কিন্তু প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি।
এবার সেই সিআইডির সমনকেই সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন, সমন প্রত্যাহার করা হোক এবং তদন্তের ক্ষেত্রে তাঁকে আইনি সুরক্ষা বা রক্ষাকবচ দেওয়া হোক। আগামীকাল বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।
সিআইডির তল্লাশি ঘিরে নতুন বিতর্ক
এরই মধ্যে সিআইডির পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সিআইডি সম্প্রতি ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তল্লাশি চালায়। ওই ঠিকানাতেই রয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন। যদিও তল্লাশি চালালেও সেখান থেকে কোনও সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে।
এছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালায় সিআইডি। আর সেই তল্লাশি নিয়েই এবার সরব হয়েছে শাসকদল।
সিআইডির বিরুদ্ধে ‘অতিসক্রিয়তার’ অভিযোগ
বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে সিআইডির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মামলা দায়েরের আবেদন করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। তাঁর অভিযোগ, কোনও ওয়ারেন্ট ছাড়াই দলীয় কার্যালয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, তল্লাশির সময় কোনও স্বাধীন সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন না বলেও দাবি করেন তিনি।
অভিযোগ আরও গুরুতর। কিশোর দত্তের বক্তব্য, দলীয় নথিপত্র স্ক্যান করে নিয়ে গিয়েছে সিআইডি। বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদনও জানান তিনি।
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন।
রক্ষাকবচ না মিললে বাড়তে পারে চাপ
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, হাইকোর্ট যদি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা না দেয়, তাহলে তাঁর আইনি জটিলতা আরও বাড়তে পারে।
সিআইডির দাবি, তিনবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও হাজিরা না দিয়ে তদন্তে অসহযোগিতা করেছেন অভিষেক। তাঁর অনুপস্থিতির কারণও তদন্তকারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়নি। ফলে তদন্ত এড়াতেই এই আইনি কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।
সূত্রের খবর, এবার চতুর্থবার নোটিস না পাঠিয়ে সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে সিআইডি। এমনকি প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদনও করা হতে পারে বলে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।
নজর হাইকোর্টের দিকে
ফলে আগামীকাল বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে কী নির্দেশ আসে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল। হাইকোর্ট কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রক্ষাকবচ দেবে, নাকি সিআইডির তদন্তে সহযোগিতার নির্দেশ দেবে—তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
সব মিলিয়ে বিধায়ক সই জালিয়াতি কাণ্ডকে ঘিরে রাজ্যের রাজনীতিতে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।
সাম্প্রতিক পোস্ট
নিয়োগ দুর্নীতি কি আগামী দিনে কমবে? জানুন, চাকরির নিয়মে এই পরিবর্তনে আসবে কি স্বচ্ছতা?
এক্সপোজড! ককরোচ জনতা পার্টির নেপথ্যে কোন চক্রান্তের গন্ধ? সত্যিটা জানলে চমকে উঠবেন
মহিলাদের বাসে টিকিট কাটতে হবে না! জানুন, এই কার্ড থাকলেই দিঘা থেকে দার্জিলিং সফর ফ্রী তে
কলেজে ভর্তি নিয়ে বড় খবর, এক নজরে দেখে নিন স্নাতকে ভর্তির আবেদন কবে

