Abhishek Banerjee Foreign Trip ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশযাত্রায় সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি পাওয়ার পরেই দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ। বিদেশযাত্রা, আইনি সুরক্ষা এবং কথিত কুড়িটি সুটকেস নিয়ে তাঁর মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে ফের শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি মিলেছে বিদেশযাত্রায়। চোখের চিকিৎসার জন্য সেপ্টেম্বর মাসে তিন সপ্তাহ বিদেশে যাওয়ার ছাড়পত্র পেয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে আদালতের এই অনুমতির পরই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিষেকের বিদেশযাত্রা নিয়ে এবার সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রে রয়েছে ‘কুড়িটি সুটকেস’। যদিও এই সুটকেস নিয়ে দিলীপ ঘোষ যে প্রশ্ন তুলেছেন, তা তাঁর রাজনৈতিক মন্তব্য ও অভিযোগের অংশ—এর কোনও স্বাধীন প্রমাণ তিনি প্রকাশ্যে পেশ করেছেন বলে এই বক্তব্যে উল্লেখ নেই।
অভিষেকের বিদেশযাত্রার অনুমতি নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের পাশাপাশি উঠে এসেছে তদন্ত, আদালতের আইনি সুরক্ষা এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রসঙ্গও। দিলীপ ঘোষের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সহকারী বিভিন্ন মামলায় আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আইনি সুরক্ষা চাইছেন। তাঁর অভিযোগ, তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত এড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। যদিও এগুলি দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক বক্তব্য ও অভিযোগ, কোনও আদালতের রায় বা প্রমাণিত তথ্য হিসেবে এগুলিকে দেখা যায় না।
বিদেশযাত্রায় সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি, চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন অভিষেক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশযাত্রা নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া বেশ কিছুদিন ধরেই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। এবার সুপ্রিম কোর্টের কাছ থেকে তিনি সেপ্টেম্বর মাসে তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার অনুমতি পেয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। মূলত চোখের চিকিৎসার প্রয়োজনেই তাঁর এই বিদেশযাত্রা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে আদালতের অনুমতির সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু শর্তও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অর্থাৎ বিদেশ যাওয়ার অনুমতি পাওয়া মানেই কোনও ধরনের শর্তহীন ছাড়পত্র নয়। আদালতের নির্দেশ এবং নির্ধারিত শর্ত মেনেই তাঁকে বিদেশে যেতে হবে।
এই অনুমতি পাওয়ার পর তৃণমূল শিবিরে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তির আবহ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী শিবির এই বিদেশযাত্রাকে কেন্দ্র করে নতুন করে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। বিশেষ করে অভিষেকের বিরুদ্ধে চলা বিভিন্ন তদন্ত ও মামলা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই বিদেশযাত্রার অনুমতি পাওয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
দিলীপ ঘোষ সেই প্রসঙ্গেই সরব হয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে বিদেশযাত্রার আইনি অনুমতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত লাগেজ বা সুটকেসের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
‘কুড়িটি সুটকেস’ নিয়ে কী বললেন দিলীপ ঘোষ?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশযাত্রা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ একটি তীব্র রাজনৈতিক মন্তব্য করেছেন। তাঁর দাবি, অভিষেক বিদেশ যাওয়ার সময় কুড়িটি সুটকেস নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরপরই তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এতগুলি সুটকেসে কী রয়েছে?
দিলীপ ঘোষের বক্তব্য অনুযায়ী, আদালত বিদেশযাত্রার অনুমতি দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু কুড়িটি সুটকেস নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তিনি তুলেছেন। তাঁর বক্তব্যের সুর ছিল স্পষ্টতই রাজনৈতিক এবং আক্রমণাত্মক। তিনি সাধারণ মানুষের বিদেশযাত্রার সঙ্গে এই বিপুল সংখ্যক সুটকেসের তুলনা টেনে সন্দেহ প্রকাশ করেন।
তবে এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলা প্রয়োজন—কুড়িটি সুটকেসে কী রয়েছে, কিংবা আদৌ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কুড়িটি সুটকেস নিয়ে বিদেশ যাচ্ছেন কি না, সে বিষয়ে কোনও প্রমাণ এই বক্তব্যে দেওয়া হয়নি। ফলে এটি দিলীপ ঘোষের করা একটি রাজনৈতিক দাবি ও প্রশ্ন হিসেবেই দেখা উচিত।
এই মন্তব্যের মাধ্যমে দিলীপ ঘোষ মূলত অভিষেকের বিদেশযাত্রাকে রাজনৈতিক বিতর্কের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তাঁর বক্তব্যে পুরনো একটি রাজনৈতিক ঘটনার প্রসঙ্গও উঠে আসে।
‘আঠাশটি সুটকেস’-এর প্রসঙ্গ টেনে দিলীপের কটাক্ষ
দিলীপ ঘোষ তাঁর বক্তব্যে দেশের অতীতের একটি বহুল আলোচিত রাজনৈতিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, একসময় এক ‘আম্মা’ আঠাশটি সুটকেস নিয়ে দেশ ছেড়েছিলেন এবং সেই সুটকেসের রহস্য নিয়েও প্রশ্ন থেকে গিয়েছিল।
এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিষেকের কথিত কুড়িটি সুটকেস নিয়েও একই ধরনের প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর হল—বিদেশযাত্রা নিয়ে আদালতের অনুমতি থাকলেও বিপুল সংখ্যক সুটকেস নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আলাদা করে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
তবে এই মন্তব্যের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বক্তব্য এবং প্রমাণিত তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রাখা জরুরি। কোনও ব্যক্তির লাগেজের সংখ্যা বা তার ভিতরে কী রয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না। দিলীপ ঘোষও তাঁর বক্তব্যে মূলত প্রশ্ন ও রাজনৈতিক অভিযোগই তুলেছেন।
এই মন্তব্যের ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশযাত্রা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কারণ, ইতিমধ্যেই অভিষেককে ঘিরে একাধিক তদন্ত ও মামলা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে চাপানউতোর চলছে।
আদালতের ‘রক্ষাকবচ’ নিয়েও অভিষেককে নিশানা
দিলীপ ঘোষ শুধু বিদেশযাত্রা নিয়েই প্রশ্ন তোলেননি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সহকারীর বিভিন্ন মামলায় আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার বিষয়টিও তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে।
দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, অভিষেক এবং তাঁর সহকারী বারবার আদালতের কাছে আইনি সুরক্ষা চাইছেন। তাঁর দাবি, তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্যই তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আগামী দিনে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রকে ঘিরে আরও বহু দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসতে পারে। তাঁর দাবি, ওই এলাকায় যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে, তার পিছনে অভিষেকের প্রভাব বা প্রেরণা রয়েছে।
তবে এই অভিযোগগুলিও দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা প্রয়োজন। কোনও ব্যক্তি বা জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে কি না, তা নির্ধারণ করার ক্ষমতা আদালত ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত প্রক্রিয়ার। রাজনৈতিক নেতার বক্তব্যকে আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে ধরে নেওয়া যায় না।
এই কারণেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলির ক্ষেত্রে তদন্তের ফলাফল এবং আদালতের নির্দেশই চূড়ান্ত বিবেচ্য হবে।
‘যারা আদালত মানতেন না, তারাই এখন সুপ্রিম কোর্টে কেন?’ প্রশ্ন দিলীপের
দিলীপ ঘোষ তাঁর বক্তব্যে তৃণমূল নেতৃত্বের আদালতকেন্দ্রিক আইনি পদক্ষেপ নিয়েও কটাক্ষ করেছেন। তাঁর প্রশ্ন, যারা একসময় আদালত এবং বিচারব্যবস্থার সমালোচনা করতেন, তারাই এখন কেন বারবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন?
এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দিলীপ ঘোষ রাজনৈতিক বিরোধিতার একটি বড় প্রশ্ন সামনে এনেছেন। তাঁর দাবি, যখন কোনও রাজনৈতিক নেতা বা দলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়, তখন তাঁরা আদালতের কাছ থেকে আইনি সুরক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি এই প্রবণতাকে তদন্ত এড়ানোর চেষ্টা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
অন্যদিকে আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া একজন নাগরিক বা রাজনৈতিক নেতার সাংবিধানিক অধিকার। কোনও তদন্ত বা প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কেউ আদালতের কাছে গেলে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে আদালতের কাছে যাওয়া নিজে কোনও অপরাধের প্রমাণ নয়।
এই জায়গাতেই রাজনৈতিক বক্তব্য এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। দিলীপ ঘোষ তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান থেকে অভিষেককে আক্রমণ করেছেন, কিন্তু সেই মন্তব্যের সত্যতা নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট তদন্ত, নথি এবং আদালতের সিদ্ধান্ত।
তদন্তে সত্য প্রকাশ পেলে ‘রক্ষাকবচ’ থাকবে না, দাবি দিলীপের
দিলীপ ঘোষের বক্তব্যের শেষ অংশেও ছিল তদন্ত প্রসঙ্গ। তাঁর দাবি, আদালতের আইনি সুরক্ষা চেয়ে তদন্ত দীর্ঘদিন এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তদন্তে যদি কোনও সত্য সামনে আসে, তাহলে কোনও ধরনের আইনি সুরক্ষা স্থায়ী হবে না বলেই তাঁর বক্তব্য।
তিনি কার্যত বলতে চেয়েছেন, আদালত সাময়িকভাবে কোনও ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট আইনি সুরক্ষা দিলেও তদন্তের মূল বিষয় থেকে তা কাউকে চিরস্থায়ীভাবে মুক্তি দেয় না। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই হতে পারে এবং প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশযাত্রার অনুমতির ক্ষেত্রেও একইভাবে আদালতের নির্ধারিত শর্ত মানা গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশে চিকিৎসার জন্য যাওয়ার অনুমতি এবং দেশে চলতে থাকা কোনও তদন্ত বা মামলার আইনি প্রক্রিয়া—দুটি বিষয়কে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।
ফলে সুপ্রিম কোর্টের অনুমতিতে অভিষেকের বিদেশযাত্রা আপাতত আইনি পথে এগোলেও তাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক থামছে না। বরং বিদেশযাত্রাকে কেন্দ্র করে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।
বিদেশযাত্রা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর কতদূর গড়ায়, নজর সেদিকেই
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশযাত্রায় সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি পাওয়ার পর যে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে, তার কেন্দ্রে এখন একদিকে আদালতের নির্দেশ, অন্যদিকে বিরোধীদের রাজনৈতিক অভিযোগ।
দিলীপ ঘোষের ‘কুড়িটি সুটকেস’ মন্তব্য ইতিমধ্যেই আলোচনার নতুন বিষয় তৈরি করেছে। পাশাপাশি অভিষেক ও তাঁর সহকারীর আদালতে আইনি সুরক্ষা চাওয়ার বিষয়টিও তিনি রাজনৈতিক আক্রমণের হাতিয়ার করেছেন। তবে তাঁর সমস্ত বক্তব্যই রাজনৈতিক অভিযোগ বা প্রশ্ন হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে; এগুলিকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
এখন নজর থাকবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশযাত্রার পরবর্তী পরিস্থিতি, আদালতের নির্ধারিত শর্ত এবং তাঁর বিরুদ্ধে চলা বিভিন্ন মামলার আইনি অগ্রগতির দিকে। একই সঙ্গে দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের জবাবে তৃণমূল কংগ্রেস কী প্রতিক্রিয়া জানায়, সেটিও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
#AbhishekBanerjee #AbhishekBanerjeeNews #AbhishekBanerjeeForeignTrip #SupremeCourt #DilipGhosh #TMC #TrinamoolCongress #WestBengalPolitics #BengalPolitics #DiamondHarbour #PoliticalNews #IndiaPolitics #WestBengalNews #LatestNews #NewsUpdate
সাম্প্রতিক পোস্ট
‘সাথীরা, প্রশ্নফাঁস মাফিয়াদের রেয়াত নয়’– সংসদে বিল পাসের পর প্রথমবার কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?
সিলেবাসে বড় পরিবর্তন কবে থেকে? শিক্ষক নিয়োগেও সুখবর? কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী?
আবার কি বদলে যাবে নোট? দেশে আসছে প্লাস্টিকের নোট,জানুন, কী বদল আসছে?
১লা আগস্ট থেকে স্কুলের খাবারের দায়িত্ব ইস্কনের, ডিম বিতরণ, ও শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা

