Seema Khanna ECI voter roll row: ভোটার তালিকা সংক্রান্ত নতুন সফটওয়্যারের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষেত্রপর্যায়ের আধিকারিকদের আইনি ক্ষমতা সংকুচিত করার অভিযোগ ঘিরে ভারতের নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রধান সীমা খান্নাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নবনির্মিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভোটর তালিকা সংক্রান্ত তথ্যের ওপর অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ তৈরি করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী প্রশ্ন তুলেছেন যে, মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নির্ধারিত আইনি ক্ষমতা এই সফটওয়্যারের কারণে সীমিত হচ্ছে কি না। ১৯৬০ সালের নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের নাম যোগ, পরিবর্তন বা বাদ দেওয়ার আইনি ক্ষমতা রয়েছে। কমিশনারদের বক্তব্য অনুযায়ী, তথ্যপ্রযুক্তি প্রধানের এই ক্ষমতা সংকুচিত করার কোনো আইনি অধিকার নেই।
গোয়ায় আইনসম্মতভাবে অন্তর্ভুক্তির জন্য অনুমোদিত ৯৭ জন ভোটারের তথ্য ব্যবস্থার প্রবেশাধিকারের জটিলতার কারণে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যুক্ত করা যায়নি। বিরোধী দলগুলি এই কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। সীমা খান্না নির্বাচন কমিশনের প্রযুক্তি কর্মকর্তা এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রধান (মহানির্দেশিকা)। কমিশনের নিজস্ব ডিরেক্টরিতে ডক্টর সীমা খান্নাকে এই বিভাগের সর্বোচ্চ পদে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ব্যবহৃত নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থা ও পোর্টালগুলির (যেমন ‘ইসিআইনেট’) মূল পরিকাঠামো তাঁর পর্যবেক্ষণে এবং নিয়ন্ত্রণাধীনে তৈরি। অভিযোগ উঠেছে যে, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নকশা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যার ফলে স্থানীয় বা ক্ষেত্রপর্যায়ের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের (ইআরও) আইনি ক্ষমতা সংকুচিত হয়ে প্রযুক্তি বিভাগের হাতে চলে গেছে। কমিশনের নথিপত্রে দেখা গেছে যে, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিক এবং নির্বাচন কমিশনারগণ এই ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের মতে, একজন তথ্যপ্রযুক্তি প্রধানের নকশা করা সিস্টেমের কারণে ক্ষেত্রপর্যায়ের আধিকারিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছিলেন না, যা আইনের পরিপন্থী।

