Celebrity election campaign West Bengal: রাজ্যের নির্বাচনে তারকা প্রচারকদের সক্রিয় উপস্থিতিতে জমে উঠেছে প্রচারপর্ব, যেখানে তারা জনসংযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক বার্তা তুলে ধরছেন এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই একটি নির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে আসছে—তারা বারবার তারকা প্রার্থীদের সামনে এনে ভোটের ময়দানে নামাচ্ছে। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং পরিচিত মুখদের রাজনৈতিক মঞ্চে তুলে এনে প্রচারের কাজে লাগানো হচ্ছে। এই তারকারা কখনও সরাসরি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, আবার কখনও দলীয় মঞ্চে উপস্থিত থেকে বা জনসভায় অংশগ্রহণ করে প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, এই তারকারা শাসকদলের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নিয়েছেন এবং দলীয় বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।
তবে এই প্রবণতা যে শুধুমাত্র শাসকদলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, এমনটা নয়। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলগুলির ক্ষেত্রেও একই চিত্র স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে বিজেপি এবং সিপিএমের প্রচারেও একাধিক তারকা প্রার্থী ও তারকা প্রচারকদের সক্রিয় ভূমিকা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা সরাসরি প্রার্থী না হলেও, বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রার্থীদের সমর্থনে সভা-মিছিল, প্রচারসভা এবং জনসংযোগে অংশ নিচ্ছেন।
এই তারকা প্রচারকদের বক্তব্যও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। তারা সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে নিজেদের সমর্থিত দল এবং প্রার্থীদের পক্ষে বার্তা তুলে ধরছেন। উন্নয়ন, পরিবর্তন, স্বচ্ছ প্রশাসন কিংবা গণতান্ত্রিক অধিকার—এই সমস্ত বিষয়কে সামনে রেখে তারা ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে নিজেদের জনপ্রিয়তা এবং পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের সঙ্গে আবেগের সংযোগ তৈরি করার দিকেও জোর দিচ্ছেন।
আজকের প্রতিবেদনে আমরা তুলে ধরব—এই তারকা প্রার্থীরা ও প্রচারকরা ভোটের প্রসঙ্গে কী বলছেন, তারা সাধারণ মানুষের সামনে কী বার্তা দিচ্ছেন, এবং কীভাবে তারা তাদের সমর্থিত দল ও প্রার্থীদের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন।
রাজ্যের রাজনৈতিক ময়দানে এবারের নির্বাচনে তারকা প্রচারকদের ভূমিকা বিশেষভাবে চোখে পড়ছে। শাসক দলের পক্ষ থেকে একাধিক জনপ্রিয় মুখকে প্রচারের ময়দানে নামানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যেই অন্যতম হলেন বাংলা সিনেমার সুপারস্টার দেব, যার আসল নাম দীপক অধিকারী।
তবে দেব শুধুমাত্র তারকা প্রচারক নন, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ। ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্র থেকে টানা তিনবার নির্বাচিত হয়ে তিনি ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও নিজের জায়গা মজবুত করেছেন। দুহাজার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন এবং বিভিন্ন প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নেমেছেন।
দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ—রাজ্যের একাধিক জেলায় দেবকে প্রচারে দেখা গিয়েছে। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর ও সোনামুখী, পুরুলিয়ার পারা, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, মহিষাদল ও নন্দকুমার, উত্তরবঙ্গের ইসলামপুর ও করণদিঘি—প্রায় সর্বত্রই তিনি জনসভা ও প্রচারে অংশ নিয়েছেন। এমনকি মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ, রানীনগর এবং বহরমপুরের বেলডাঙ্গাতেও তাঁর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বহরমপুরে তিনি রোড শো-তেও অংশ নেন, যেখানে সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছিল।
প্রচারের ময়দানে দেবকে ঘিরে কার্যত জনসমুদ্রের সৃষ্টি হয়েছে। ভক্তদের উচ্ছ্বাসও ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রচারের পাশাপাশি তিনি ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, অটোগ্রাফ দিয়েছেন—সব মিলিয়ে জনসংযোগের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়।
তবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দেব তাঁর বক্তব্যে সরাসরি কোনও নির্দিষ্ট প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাননি। বরং তিনি মানুষের উপরই ভরসা রেখেছেন। তাঁর কথায়, “মানুষ বোকা নয়, তারা যথেষ্ট সচেতন এবং তারা জানে কাকে ভোট দিতে হবে।”
এছাড়াও তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে কোনও দেশ বা রাজ্যের উন্নয়ন সম্ভব নয়। একটি উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, একসময় স্কুলে পাশাপাশি বসে পড়া দুই শিশু জানত না কে কোন ধর্মের—তাদের পরিচয় ছিল বন্ধুত্ব। কিন্তু এখন সেই সহজ ভাবনা বদলে যাচ্ছে, যা সমাজের জন্য উদ্বেগজনক।
এই প্রেক্ষিতে দেব বার্তা দিয়েছেন—ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে যে দল সব ধর্মকে সম্মান করবে, মানুষের পাশে থাকবে এবং সারাবছর কাজ করবে, মানুষ শেষ পর্যন্ত সেই দলকেই বেছে নেবে। তাঁর এই বক্তব্যেই স্পষ্ট, উন্নয়ন ও সম্প্রীতিকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে রাজনীতিতে নতুন মুখ হিসেবে যোগ দিয়েছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। সদ্য তিনি রাজ্যসভার সাংসদ পদে নির্বাচিত হয়েছেন, যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
রাজনীতিতে প্রবেশের পর থেকেই কোয়েল স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি মানুষের জন্য কাজ করতে চান এবং সমাজের উন্নয়নে নিজেকে যুক্ত করতে চান। সেই লক্ষ্যেই তিনি ইতিমধ্যেই সক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক প্রচারে অংশ নিতে শুরু করেছেন।
সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের মানিকতলা কেন্দ্রের প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে একটি রোড শো-তে অংশগ্রহণ করেন কোয়েল মল্লিক। এই রোড শো-এ তাঁর উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস তৈরি করে। তিনি জনসংযোগ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন।
এই প্রচার কর্মসূচি থেকে কোয়েল আবারও সেই একই বার্তা দিয়েছেন—তিনি রাজনীতিতে এসেছেন মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং তাঁদের জন্য কাজ করতে। তাঁর কথাবার্তা ও উপস্থিতি থেকে স্পষ্ট, তিনি ধীরে ধীরে নিজেকে একজন দায়িত্বশীল জননেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন।
রাজ্যের নির্বাচনী প্রচারে এবার অন্যতম পরিচিত মুখ হিসেবে দেখা যাচ্ছে গায়ক-রাজনীতিবিদ বাবুল সুপ্রিয়কে। যদিও তিনি একসময় অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, বর্তমানে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় নেতা। বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক হিসেবে তিনি ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এবারের নির্বাচনী প্রচারেও বাবুল সুপ্রিয় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে তিনি প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার চালাচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করছেন।
তাঁর প্রচারের একটি বিশেষ দিক হল—মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা। কোথাও তিনি ভক্তদের অনুরোধে গান গেয়ে শোনাচ্ছেন, আবার কোথাও স্থানীয় দোকানে ঢুকে নিজে কিছু বানিয়ে খাওয়াচ্ছেন। এই ধরনের মুহূর্তগুলি সাধারণ মানুষের মধ্যে আলাদা এক উষ্ণতা এবং ঘনিষ্ঠতা তৈরি করছে।
এর পাশাপাশি তিনি তাঁর দলের বার্তাও মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। কথোপকথনের মাধ্যমে, গান কিংবা হালকা আড্ডার মধ্য দিয়েই তিনি দলীয় ভাবনা এবং প্রার্থীদের সমর্থনে বার্তা তুলে ধরছেন।
সব মিলিয়ে, বাবুল সুপ্রিয়ের এই স্বতঃস্ফূর্ত এবং মানবিক প্রচারভঙ্গি ভোটের ময়দানে এক আলাদা মাত্রা যোগ করছে।
যেখানে শাসকদলের তারকা প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয়, সেখানে প্রধান বিরোধী দল বিজেপিও এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই। তাদের পক্ষ থেকেও একাধিক তারকা মুখকে প্রচারের ময়দানে দেখা যাচ্ছে।
তাদের মধ্যেই অন্যতম বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে সম্প্রতি তিনি কলকাতায় আসেন। প্রচার শুরুর আগে তিনি কালীঘাট মন্দিরে পুজো দেন, যা দিয়ে তাঁর নির্বাচনী কর্মসূচির সূচনা হয়।
এরপর একাধিক সভা ও রোড শো-তে অংশ নিয়ে তিনি সরাসরি শাসকদলকে নিশানা করেন। বিশেষ করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি তীব্র কটাক্ষ করেন।
কঙ্গনার বক্তব্যে উঠে আসে, তৃণমূল কংগ্রেস যখনই নির্বাচনে পরাজয়ের মুখে পড়ে, তখনই তারা ইভিএমকে দোষারোপ করে। তাঁর দাবি, এটি একটি অজুহাত তৈরি করার প্রবণতা এবং এটিই নাকি তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ।
বিজেপির প্রচারে অংশ নিয়ে কঙ্গনা রানাওয়াত এই বার্তাই বিভিন্ন জনসভা ও প্রচার কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন।
রাজ্যের নির্বাচনী প্রচারে বাম ফ্রন্টও পিছিয়ে নেই। বিভিন্ন কেন্দ্রে তাদের প্রার্থীদের সমর্থনে সাংস্কৃতিক জগতের পরিচিত মুখদেরও দেখা যাচ্ছে প্রচারে অংশ নিতে।
উত্তরপাড়া কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের প্রচারে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে বালিগঞ্জ কেন্দ্রের বামফ্রন্ট প্রার্থী আফরিন বেগমের প্রচারেও দেখা গেছে অভিনেতা সুপ্রিয় দত্তকে।
মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবং আফরিন বেগম—দুজনেই বামফ্রন্টের তরুণ প্রার্থী হিসেবে এই নির্বাচনে লড়ছেন। তাঁদের সমর্থনে যারা প্রচারে অংশ নিচ্ছেন, তারাও জোর দিচ্ছেন যুব প্রজন্মের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর।
তাদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনতে হলে তরুণ প্রজন্মকেই এগিয়ে আসতে হবে। নতুন চিন্তাভাবনা এবং উদ্যমই আগামী দিনের রাজনীতিকে আরও সুস্থ ও গণমুখী করতে পারে।
এছাড়াও তাঁরা মনে করছেন, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াই এবং সেই অধিকার ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে এই ধরনের তরুণ প্রার্থীরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবেন। সেই কারণেই মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও আফরিন বেগমের মতো প্রার্থীদের সমর্থনে তারা সরব হয়েছেন এবং সাধারণ মানুষের কাছেও তাঁদের পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন।
সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনী প্রচারে একটি বিষয় স্পষ্ট—রাজনীতির মঞ্চে তারকাদের উপস্থিতি এখন আর নতুন কিছু নয়, বরং তা ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। শাসক দল হোক বা বিরোধী দল, প্রত্যেকেই জনপ্রিয় মুখদের ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছে।
তবে শুধু জনপ্রিয়তা নয়, এই তারকা প্রার্থী ও প্রচারকদের বক্তব্যেও উঠে আসছে নানা গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—উন্নয়ন, সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক অধিকার কিংবা পরিবর্তনের দাবি। কেউ জোর দিচ্ছেন ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যের উপর, আবার কেউ বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে আক্রমণ করছেন বা তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন।
সবশেষে সিদ্ধান্ত কিন্তু সাধারণ মানুষের হাতেই। ভোটাররাই ঠিক করবেন, কার বক্তব্য তাঁদের বেশি প্রভাবিত করছে এবং কে তাঁদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম। তাই বলা যায়, তারকারা আলো ছড়ালেও, গণতন্ত্রের আসল শক্তি রয়ে গেছে সাধারণ মানুষের হাতেই।
সাম্প্রতিক পোস্ট
- দিনের ২৪ ঘণ্টা বদলে দিতে পারে আপনার জীবন! জানুন, সময় ব্যবহারের এই সহজ কৌশল
- পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে তরুণ তুর্কিদের ঝড়! ভোটের ময়দানে কতটা প্রভাব ফেলছে যুব মুখ?
- শালিমার বাগের ভবিষ্যৎ রহস্য: প্রেম, স্মৃতি আর সময়কে ছাপিয়ে ভবিষ্যৎ কি বদলে দেবে ইতিহাস?
- বিতর্ক পিছু ছাড়েনি, মামলা মাথায় নিয়েই ভোটের ময়দানে! তৃণমূল-বিজেপির হেভিওয়েটদের ভোটযুদ্ধ ঘিরে উত্তাপ
- গ্যাস সিলিন্ডার দ্রুত শেষ হয়ে যায়? এই ৬টি সহজ টিপস জানলে সিলিন্ডার চলবে বেশি দিন

