Debraj Chakraborty Arrest: নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে রাজনীতির শীর্ষে ওঠা দেবরাজ চক্রবর্তীর উত্থান যেমন ছিল আলোচিত, তেমনই একের পর এক দুর্নীতি, তোলাবাজি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত অভিযোগও তাঁকে ঘিরে বিতর্ক বাড়িয়েছে। শেষ পর্যন্ত গ্রেফতারের পর ফের সামনে এসেছে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অজানা অধ্যায়।
বারবার বিতর্ক, বারবার অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার হতে হল বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীকে। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি, তোলাবাজি, সম্পত্তি সংক্রান্ত অনিয়ম এবং একাধিক নারী-সংক্রান্ত অভিযোগ ওঠে। যদিও এই অভিযোগগুলির অধিকাংশই আদালতে বিচারাধীন বা তদন্তাধীন।
দেবরাজ চক্রবর্তীর রাজনৈতিক উত্থানের গল্পও যথেষ্ট আলোচিত। এক নিম্নবিত্ত পরিবারে জন্ম তাঁর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাঁর পরিবারের সদস্যরা একসময় কংগ্রেসের সমর্থক ছিলেন। রাজনীতিতে তাঁর হাতেখড়ি হয় রাজ্যের প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর আত্মসহায়ক হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে রাজনৈতিক পরিসরে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন তিনি।
২০১৫ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দেবরাজ চক্রবর্তী। সেই নির্বাচনে তিনি জয়ী হন। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে তাঁকে কিছুদিন জেলেও থাকতে হয়। পরে তিনি আবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন এবং রাজারহাট-গোপালপুর যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হন।
পরবর্তীকালে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে পরিচিতি পান দেবরাজ। পরে তাঁর বিয়ে হয় জনপ্রিয় কীর্তন শিল্পী ও রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির সঙ্গে।
এরপর থেকেই দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে বিপুল সম্পত্তি অর্জন, আত্মীয়দের নামে সম্পত্তি স্থানান্তর, বিধাননগর এলাকায় তোলাবাজি এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, তাঁদের আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন বিপুল সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।
সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পর থেকেই দেবরাজ চক্রবর্তীর খোঁজ শুরু করে তদন্তকারী সংস্থা। শেষ পর্যন্ত পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় সংলগ্ন একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। সূত্রের দাবি, সেই সময় তিনি ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
এই গ্রেফতারের পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে দেবরাজ চক্রবর্তীর রাজনৈতিক উত্থান, প্রভাব বিস্তার এবং তাঁকে ঘিরে দীর্ঘদিনের নানা বিতর্ক।
পূর্ণেন্দু বসু রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই তাঁর আপ্তসহায়ক হিসেবে কাজ শুরু করেন দেবরাজ চক্রবর্তী। সেই সূত্রে রাজারহাট-গোপালপুর বিধানসভা এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সরকারি ও সাংগঠনিক কাজে মানুষের পাশে থাকার কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই এলাকায় নিজের একটি পরিচিতি এবং গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেন তিনি। ধীরে ধীরে জনসংযোগই হয়ে ওঠে তাঁর রাজনৈতিক উত্থানের প্রধান ভিত্তি।
এই জনপ্রিয়তার জেরেই ২০১৩ সালে বিধাননগর পুরনিগমের একটি উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিট চেয়েছিলেন দেবরাজ। তবে সেই সময় তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। এরপর ২০১৫ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনের আগে, রাজারহাট-গোপালপুর বিধাননগর পুরনিগমের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর আবারও তৃণমূলের টিকিট দাবি করেন তিনি। কিন্তু এবারও টিকিট না মেলায় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশেষ করে পূর্ণেন্দু বসু এবং রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেনের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ তৈরি হয়।
এরপর কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে বিধাননগর পুরনিগমের ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনে লড়েন দেবরাজ চক্রবর্তী। নির্বাচনে জয়ী হলেও ভোটের দিনই তাঁকে বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ গ্রেফতার করে। ফলে কার্যত বন্দি অবস্থাতেই তিনি নির্বাচনে অংশ নেন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে বিধাননগর পুরনিগমের কাউন্সিলর হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
তবে সেই অধ্যায় দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। প্রায় ছয় মাসের মধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে তিনি আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন। ২০১৫ সালে তৃণমূল ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের পতাকা হাতে তুলে নেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এরপর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তাঁর প্রভাব দ্রুত বাড়তে শুরু করে। পরবর্তীকালে উত্তর ২৪ পরগনা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি করা হয় তাঁকে। দমদম-ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
পরবর্তী সময়ে পূর্ণেন্দু বসুকে সরিয়ে বিধাননগরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী করা হয় দেবরাজ চক্রবর্তীকে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থন ছিল। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিধাননগর পুরনিগম নির্বাচনে দ্বিতীয়বার কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মেয়র পারিষদও হন।
তবে রাজনৈতিক সাফল্যের পাশাপাশি একের পর এক বিতর্কও তাঁকে ঘিরে তৈরি হতে থাকে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিজেপি কর্মী বলে দাবি করা প্রসেনজিৎ দাসের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। ওই মামলার তদন্তভার পরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে যায়।
এছাড়াও নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে সিবিআই বিধাননগরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর এবং তাঁর স্ত্রী, কীর্তন শিল্পী ও প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে বিপুল সম্পত্তি, আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও সামনে আসে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি অনুযায়ী, প্রায় ২০০ কোটি টাকার সম্পত্তির তথ্য উঠে আসে, যদিও এই অভিযোগগুলি বিচারাধীন।
দেবরাজ চক্রবর্তীর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিল অনেকটাই ব্যতিক্রমী। শান্ত, নম্র ও সদাহাস্যময় মুখের জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন। এলাকার বহু যুবকের কাছে তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। সংগঠন গড়ে তোলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যকর ব্যবহার এবং কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে অল্প সময়েই তিনি জেলার অন্যতম প্রভাবশালী যুবনেতায় পরিণত হন। রাজনৈতিক মহলে তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই দেখা হতো।
রাজনীতির বাইরেও তিনি আলোচনায় এসেছিলেন ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে যাওয়ার কারণে। স্ত্রী অদিতি মুন্সির সঙ্গে আর্জেন্টিনার জার্সি পরে গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার ছবি সে সময় সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়।
পরবর্তীকালে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করে। ২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অদিতি মুন্সি দ্বিতীয়বার তৃণমূলের প্রার্থী হলেও পরাজিত হন। এরপর দেবরাজ রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু ততদিনে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা জমা হতে থাকে। ভোট-পরবর্তী হিংসা, নিয়োগ দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, সম্পত্তি সংক্রান্ত অভিযোগ-সহ মোট প্রায় ১১টি মামলায় তাঁর নাম জড়ায় বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পর পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় সংলগ্ন একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে (Debraj Chakraborty Arrest) তদন্তকারী সংস্থা। সেই গ্রেফতারের মধ্য দিয়েই আপাতত থেমে যায় একসময়ের দ্রুত উত্থান ঘটানো এই রাজনৈতিক নেতার যাত্রাপথ।
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পর থেকেই আত্মগোপনে চলে যান দেবরাজ চক্রবর্তী। প্রথমদিকে তিনি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ডেরা বদল করেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। সূত্রের খবর, কালিম্পং সংলগ্ন একটি হোটেলেও তিনি কিছুদিন আত্মগোপন করে ছিলেন। তদন্তকারীদের অনুমান, সেখান থেকে সুযোগ বুঝে অন্য রাজ্যে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও ছিল তাঁর।
পরে তিনি পুরুলিয়ায় চলে আসেন। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছাকাছি এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ওই ব্যবসায়ীর একটি রিসর্টে দেবরাজ চক্রবর্তীর কয়েক কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে বলেও অভিযোগ। সেই ঘনিষ্ঠতার সূত্র ধরেই তিনি পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় সংলগ্ন একটি হোটেলে আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের দাবি, টানা প্রায় দশ দিন ওই হোটেলেই আত্মগোপন করে ছিলেন দেবরাজ (Debraj Chakraborty Arrest)। এই সময়ে তিনি বারবার নিজের অবস্থান বদল করেন, যাতে তদন্তকারী সংস্থার নজর এড়ানো যায়। বাড়ির সদস্যদের সঙ্গেও তিনি সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করতেন না বলেই তদন্তকারীদের দাবি। এমনকি গ্রেফতারের আগের দিন তিনি নিজের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে নতুন সিম কার্ডও ব্যবহার শুরু করেন।
তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, নিজের মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে এক ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বন্ধুর মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন দেবরাজ। ওই ব্যবসায়ীর একটি মোবাইল নম্বর থেকেই প্রয়োজনীয় ফোন করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই যোগাযোগের সূত্র ধরেই তদন্তকারীরা তাঁর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হন।
সূত্রের খবর, দেবরাজের সঙ্গে ওই হোটেলের কক্ষে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ যুবকও ছিলেন। সেই ব্যক্তির গতিবিধি ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করেই রাজ্য পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) দেবরাজ চক্রবর্তীর অবস্থান চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় সংলগ্ন হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
বর্তমানে দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, আর্থিক অনিয়ম, আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পত্তি এবং নিয়োগ দুর্নীতি-সহ একাধিক মামলার তদন্ত চলছে। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনের আওতায় তদন্ত করছে প্রয়োগকারী সংস্থা (ইডি), অন্যদিকে নিয়োগ দুর্নীতি-সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, আর্থিক লেনদেন ও দুর্নীতির অভিযোগের অঙ্ক অত্যন্ত বড় হওয়ায় মামলাটি ইডির তদন্তাধীন। বিভিন্ন সূত্রে প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
#DebrajChakraborty #DebrajChakrabortyArrest #WestBengalPolitics #TMC #Bidhannagar #PoliticalNews #BreakingNews #BengalNews #CorruptionCase #IndiaNews
সাম্প্রতিক পোস্ট
নিয়োগ দুর্নীতি কি আগামী দিনে কমবে? জানুন, চাকরির নিয়মে এই পরিবর্তনে আসবে কি স্বচ্ছতা?
এক্সপোজড! ককরোচ জনতা পার্টির নেপথ্যে কোন চক্রান্তের গন্ধ? সত্যিটা জানলে চমকে উঠবেন
মহিলাদের বাসে টিকিট কাটতে হবে না! জানুন, এই কার্ড থাকলেই দিঘা থেকে দার্জিলিং সফর ফ্রী তে
কলেজে ভর্তি নিয়ে বড় খবর, এক নজরে দেখে নিন স্নাতকে ভর্তির আবেদন কবে

