Doctor to IAS success story in India: চিকিৎসা পেশা ছেড়ে কেন প্রশাসনিক পরিষেবার পথে হাঁটছেন বহু তরুণ ডাক্তার? অনুজ অগ্নিহোত্রী থেকে শুরু করে আরও অনেক চিকিৎসকের সাফল্যের গল্প দেখাচ্ছে—মানুষের সেবা করার লক্ষ্য একই থাকলেও পথ বদলে এখন অনেকেই বেছে নিচ্ছেন সর্বভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবা।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের অন্যতম কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা -২০২৫ এর ফল প্রকাশ হওয়ার পরই দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এক তরুণ—অনুজ অগ্নিহোত্রী। তিনি এই বছরের পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। আরও অবাক করার বিষয়, পেশায় তিনি একজন চিকিৎসক। রাজস্থানের যোধপুরে অবস্থিত এআইআইএমএস জোধপুর থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করার পর তিনি চিকিৎসা পেশায় যাওয়ার পরিবর্তে প্রশাসনিক পরিষেবাকে নিজের ভবিষ্যৎ হিসেবে বেছে নেন।
ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই অনুজ অগ্নিহোত্রীর সাফল্যের গল্প সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তবে তিনি একা নন—সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেখা যাচ্ছে অনেক তরুণ চিকিৎসক চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি বা সেই পথ ছেড়ে ইউপিএসসি -এর মাধ্যমে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। চিকিৎসা শিক্ষার মতো কঠিন এবং দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার পর তিনি চাইলে সহজেই একজন সফল ডাক্তার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারতেন। কিন্তু তিনি অন্য এক স্বপ্ন দেখেছিলেন—দেশের প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ হয়ে বৃহত্তর সমাজে পরিবর্তন আনার। এই লক্ষ্য নিয়েই তিনি পরীক্ষা ইউপিএসসি র প্রস্তুতি শুরু করেন এবং ২০২৫ সালের পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করে সারা দেশের তরুণদের কাছে এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠেন। চিকিৎসক এবং প্রশাসক—এই দুই পেশাই সমাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই ক্ষেত্রেই মানুষের সেবা করা এবং মানুষের জীবনকে উন্নত করা প্রধান লক্ষ্য।
আরও পড়ুন : যুদ্ধের আবহে এখনই এই কাজ না করলে গায়েব হতে পারে অ্যাকাউন্টের সব টাকা!
আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা বিশ্লেষণ করে দেখব—কেন অনেক MBBS ডাক্তার চিকিৎসা পেশা ছেড়ে UPSC-এর মতো প্রশাসনিক পরিষেবাকে তাদের ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিচ্ছেন, যদিও এই দুই পেশাই সমাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দায়িত্বপূর্ণ।
নতুন ট্রেন্ডে ডাক্তারির মত প্রশাসক স্বপ্নের পেশা
একজন ডাক্তার সরাসরি রোগীর চিকিৎসা করে মানুষের জীবন রক্ষা করেন। অন্যদিকে একজন প্রশাসক বা IAS অফিসার নীতি নির্ধারণ, উন্নয়ন প্রকল্প এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারেন। এই কারণেই অনেক চিকিৎসক মনে করেন, প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দিলে তারা বৃহত্তর পরিসরে মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পাবেন।
চিকিৎসা শিক্ষার শেষে প্রতিটি ডাক্তারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শপথ নিতে হয়—মানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার শপথ। এই শপথের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের জীবন রক্ষা করা এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করা। অনেক চিকিৎসক মনে করেন, প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দিয়েও সেই একই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব—শুধু পদ্ধতিটা ভিন্ন।
অনুজ অগ্নিহোত্রীর মতো সাফল্যের গল্প তরুণ প্রজন্মের কাছে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠছে। এটি প্রমাণ করে যে একজন ব্যক্তি যদি দৃঢ় সংকল্প এবং কঠোর পরিশ্রম করেন, তাহলে তিনি নিজের স্বপ্নের পথে এগিয়ে যেতে পারেন—সেটি যত কঠিনই হোক না কেন। আজকের দিনে অনেক মেডিক্যাল ছাত্রই ভাবছেন, চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও তারা বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। ফলে “Doctor to IAS” ট্রেন্ড ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। অনুজ অগ্নিহোত্রী অবশ্যই সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ। কিন্তু তার আগেও বহু চিকিৎসক প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দিয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

ডাক্তার থেকে IAS: বাস্তব উদাহরণ (Doctor to IAS success story in India)
ড. নেহা রাজপুত: ডক্টর নেহা রাজপুতও চিকিৎসক থেকে প্রশাসনিক পরিষেবায় আসার এক উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। তিনি মুম্বাইয়ের কেএম হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। চিকিৎসা শিক্ষার পর তিনি প্রায় ছয় বছর ফরেনসিক চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেছেন এবং এই সময়ে চিকিৎসা পেশায় গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। পরবর্তীকালে তিনি প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং ২০২৩ সালে সর্বভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। সেই পরীক্ষায় তিনি সফলভাবে উত্তীর্ণ হন এবং তার সর্বভারতীয় স্থান হয় একান্ন।
মহারাষ্ট্রের জলগাঁও থেকে তিনি এই পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন এবং পরীক্ষায় নৃতত্ত্ব বিষয়টিকে ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। কঠোর পরিশ্রম ও দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে চিকিৎসা পেশার অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায়ও সফল হওয়া সম্ভব।
ড. শেনা অগরওয়াল: ডক্টর শেনা আগরওয়ালও চিকিৎসক থেকে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেওয়ার এক উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। তিনি দিল্লির সর্বভারতীয় চিকিৎসাবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০৯ সালে চিকিৎসাবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। চিকিৎসা শিক্ষার মতো কঠিন পথ অতিক্রম করার পর তিনি প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরবর্তীকালে ২০১১ সালে সর্বভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার পরীক্ষায় তিনি সফলভাবে উত্তীর্ণ হন। সেই পরীক্ষায় তিনি অত্যন্ত ভালো ফল করেন এবং সর্বভারতীয় তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেন।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ ডক্টর ই রমেশ। বেঙ্গালুরুর একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি উনিশশো নিরানব্বই সালে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন। বর্তমানে তিনি মধ্যপ্রদেশ ক্যাডারের একজন অভিজ্ঞ প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন।
সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণগুলোর একটি হলো রোমান সাইনি। তিনি দিল্লির সর্বভারতীয় চিকিৎসাবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান থেকে চিকিৎসাবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এরপর দুই হাজার তেরো সালে মাত্র বাইশ বছর বয়সে তিনি সর্বভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার পরীক্ষায় সফল হন। এর ফলে তিনি ভারতের অন্যতম কনিষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। পরে তিনি প্রশাসনিক চাকরি থেকে সরে এসে শিক্ষাক্ষেত্রে কাজ শুরু করেন এবং একটি অনলাইন শিক্ষামাধ্যমের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে যুক্ত হন।
ডক্টর কে বিজয় কার্তিকিয়ান। তিনি চিকিৎসাবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর সর্বভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রশাসনিক দক্ষতা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগের জন্য তিনি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন। তিনি সর্বভারতীয় ২০১০ সালে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগদান করেন। এরপর তামিলনাড়ুর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি তামিলনাড়ু রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের সচিব পদে দায়িত্ব পালন করছেন এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরকে পেশা হিসাবে বেছে নেবার কারণ কী?
অনেক চিকিৎসক কেন চিকিৎসা পেশা ছেড়ে প্রশাসনিক উচ্চপদে কাজ করতে চান—তার পিছনে বেশ কিছু বাস্তব কারণ রয়েছে। চিকিৎসা পেশায় সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হয় এবং দায়িত্বও অত্যন্ত বেশি। একজন চিকিৎসককে প্রায়ই দীর্ঘ সময় ধরে হাসপাতালের দায়িত্ব পালন করতে হয়। বিশেষ করে রাত্রিকালীন পালা অনেকের কাছেই খুবই ক্লান্তিকর ও কঠিন হয়ে ওঠে। দীর্ঘ সময়ের এই চাপপূর্ণ কাজের পরিবেশ অনেক সময় কিছু চিকিৎসককে ভিন্ন ধরনের পেশা সম্পর্কে ভাবতে বাধ্য করে। এই বিষয়টি নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডক্টর অঞ্জলি গর্গ। তিনি আগে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। তার মতে, প্রতি বছর প্রায় লক্ষাধিক পরীক্ষার্থী সর্বভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। সেই বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীর মধ্যেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চিকিৎসকও এই পরীক্ষায় বসেন এবং প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন।
তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন এবং চিকিৎসা শিক্ষার পথেও এগিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি প্রশাসনিক পরিষেবার পথে আসার সিদ্ধান্ত নেন। এর কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, চিকিৎসা পেশায় দীর্ঘ সময় ধরে অত্যন্ত ব্যস্ত ও চাপপূর্ণ কর্মসূচির মধ্যে কাজ করতে হয়। সেই তুলনায় প্রশাসনিক পরিষেবায় থেকেও মানুষের সেবা করা সম্ভব এবং বৃহত্তর পরিসরে সমাজের জন্য কাজ করার সুযোগ রয়েছে। তার কথায়, মানুষের সেবা করার লক্ষ্য চিকিৎসা পেশা এবং প্রশাসনিক পরিষেবা—দুই ক্ষেত্রেই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই অনেকেই মনে করেন, প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা যায়। এই কারণেই কিছু চিকিৎসক পরবর্তীকালে প্রশাসনিক পরিষেবাকে নিজেদের পেশা হিসেবে বেছে নেন।
তবে শুধু কাজের চাপ বা দীর্ঘ সময় ডিউটির বিষয়টিই নয়, চিকিৎসা পেশা ছেড়ে অনেকের প্রশাসনিক পরিষেবায় আসার পিছনে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। অনেকের মতে, প্রশাসনিক পরিষেবায় চাকরির স্থিতিশীলতা তুলনামূলকভাবে বেশি। এখানে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সরকারি দায়িত্ব পালন করতে হয় এবং চাকরির নিরাপত্তাও যথেষ্ট দৃঢ় থাকে।
এছাড়াও প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দিলে অনেক সময় ক্ষমতাসম্পন্ন ও দায়িত্বপূর্ণ পদে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়। এর ফলে বৃহত্তর পরিসরে মানুষের জন্য কাজ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ পাওয়া যায়। অনেক তরুণের ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সমাজের জন্য বড় কিছু করার স্বপ্নও এই পেশার মাধ্যমে অনেকটাই পূরণ হয়।
আরেকটি বড় দিক হলো জাতীয় উন্নয়নের কাজে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ। প্রশাসনের উচ্চস্তরে কাজ করার ফলে নীতি নির্ধারণ, উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা যায়। এর মাধ্যমে সমাজের বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করাও সম্ভব হয়। অবশ্য এই পথ মোটেই সহজ নয়। প্রশাসনিক পরিষেবার পরীক্ষা অত্যন্ত কঠিন এবং প্রতিযোগিতাও খুব বেশি। অনেক চিকিৎসক চিকিৎসাবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর এক থেকে দুই বছর সময় নিয়ে সর্বভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন। আবার কেউ কেউ চিকিৎসা শিক্ষার ইন্টার্নশিপ চলাকালীনই এই পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা শুরু করেন। এই পরীক্ষাটি সাধারণত তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়—প্রাথমিক পরীক্ষা, মূল পরীক্ষা এবং সাক্ষাৎকার। এই তিনটি ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করতে পারলেই একজন প্রার্থী প্রশাসনিক পরিষেবা বা অন্যান্য কেন্দ্রীয় সরকারি পরিষেবায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পান। ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে অনেক চিকিৎসকই চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়টিকে বেছে নেন, কারণ এটি তাদের নিজের পড়াশোনার বিষয়। তবে অনেক প্রার্থী আবার নৃতত্ত্ব, জনপ্রশাসন বা সমাজতত্ত্ব–এর মতো বিষয়কেও ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে নির্বাচন করেন। তবু এই পথকে অত্যন্ত সম্মানজনক বলে মনে করা হয়।
এই সমস্ত কারণেই দেখা যাচ্ছে, বহু চিকিৎসক তাদের চিকিৎসা পেশার অভিজ্ঞতা নিয়ে পরবর্তীকালে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দিয়ে (Doctor to IAS success story in India) একজন উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দেশের সেবা করার পথ বেছে নিচ্ছেন। উচ্চ দায়িত্বপূর্ণ পদে কাজ করার সুযোগ, সমাজে সম্মান এবং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা—এই সবকিছু মিলিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবা অনেকের কাছে একটি স্বপ্নের পেশা হয়ে ওঠে।
#DoctorToIAS #UPSCSuccess #MBBSDoctor #IASStory #CareerChange #CivilServices #IndiaNews #NewsOffBeat #UPSC 2025 topper, #Anuj Agnihotri
সাম্প্রতিক পোস্ট
- ঘরশত্রু বিভীষণ কি ইরানের সংকটের কারণ হল? আমেরিকা কোন বিশেষ বাহিনীকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে?
- বই পড়লে কি মন শান্ত হয়? জানুন, স্ট্রেস কমাতে কীভাবে এই বিশেষ থেরাপি কাজ করে
- গোলাপি মণীশ মলহোত্রা শাড়িতে নজর কাড়লেন সারা তেন্ডুলকর! অর্জুন-সানিয়ার রাজকীয় বিয়েতে চাঁদের হাট, জানুন অন্দরমহলের অজানা গল্প
- কে এই নতুন রাজ্যপাল আর. এন. রবি? জানুন তাঁকে নিয়ে তামিলনাড়ুর সমস্ত বিতর্ক ও যাবতীয় তথ্য
- কেন পদত্যাগ রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের? কারণ জানলে চমকে উঠবেন!

