EVM Tampering Controversy: ভাইরাল ভিডিও ঘিরে ইভিএম কারচুপি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক চাপানউতোর, নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা এবং প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক জটিল ও সংবেদনশীল পরিস্থিতি।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: ভোট শেষ, কিন্তু বিতর্কের আগুন যেন আরও জ্বলছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পরের দিনই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভাইরাল ভিডিও—যেখানে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন মানুষ স্ট্রং রুমে ঢুকে ইভিএম মেশিনের কাছে কিছু করছেন। এই ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। প্রশ্ন উঠেছে—ভোট কি নিরাপদ? ইভিএম কি সত্যিই হ্যাক বা ম্যানিপুলেট করা সম্ভব?
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন সম্ভাব্য কারচুপির এবং দলীয় কর্মীদের স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে—ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং AI-জেনারেটেড। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ ভোটারের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগছে—সত্যি কী? ইভিএম কতটা নিরাপদ? এই প্রতিবেদনেই থাকছে সেই সব প্রশ্নের বিশদ বিশ্লেষণ।
ভোট পরবর্তী সময়ে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে। ভিডিওতে দেখা যায় কিছু ব্যক্তি স্ট্রং রুমে ঢুকে ইভিএম মেশিনের আশেপাশে কাজ করছেন। দাবি করা হয়—এটি ভোটে কারচুপির প্রমাণ।
কিন্তু নির্বাচন কমিশন দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে জানায়, ভিডিওটি AI-নির্মিত (Deepfake)। তাদের মতে—
- ভিডিওতে ভিজ্যুয়াল অসঙ্গতি রয়েছে
- টাইমস্ট্যাম্প ও লোকেশন মিলছে না
- অফিসিয়াল নজরদারি ফুটেজের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই
এই ধরনের ভুয়ো ভিডিও বর্তমানে রাজনৈতিক বিভ্রান্তি ছড়ানোর অন্যতম বড় হাতিয়ার হয়ে উঠছে। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে Deepfake কনটেন্ট এতটাই বাস্তবসম্মত হচ্ছে যে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা বোঝা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরই তৎপর হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান—ভবানীপুর কেন্দ্রের স্ট্রং রুমে। তিনি অভিযোগ করেন—
- ইভিএম নিয়ে কারচুপির সম্ভাবনা রয়েছে
- স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে
- বিরোধীরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে পারে
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন:
“ভোট গণনা না হওয়া পর্যন্ত কেউ স্ট্রং রুম ছেড়ে যাবে না”
রাতভর পাহারা দেওয়ার নির্দেশ
এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
ইভিএম কীভাবে কাজ করে?
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম আসলে একটি বিশেষ ধরনের ভোট গ্রহণের যন্ত্র, যা সম্পূর্ণভাবে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কাজ করে। এই যন্ত্রটি মূলত তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে তৈরি, এবং প্রতিটি অংশের কাজ আলাদা হলেও তারা একসঙ্গে একটি সুরক্ষিত ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
প্রথম অংশটি হল ব্যালট ইউনিট। এটি সেই অংশ, যেখানে ভোটার নিজের পছন্দের প্রার্থীর সামনে থাকা বোতাম চাপেন। ভোটার যখন বোতামটি চাপেন, তখন একটি সংকেত পরবর্তী অংশে চলে যায়। এই অংশটি সাধারণত ভোটারের সামনে থাকে এবং এটিই পুরো প্রক্রিয়ার দৃশ্যমান অংশ।
দ্বিতীয় অংশটি হল কন্ট্রোল ইউনিট। এই ইউনিটটি সাধারণত ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণে থাকে। ব্যালট ইউনিট থেকে যে সংকেত আসে, তা এখানে সংরক্ষিত হয়। অর্থাৎ, কোন ভোটার কোন প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিলেন, সেই তথ্য এই কন্ট্রোল ইউনিটেই জমা থাকে। এটি অত্যন্ত সুরক্ষিতভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে বাইরের কোনো হস্তক্ষেপ না ঘটে।
তৃতীয় অংশটি হল ভিভি প্যাট (ভোটার যাচাইকরণ কাগজ নিরীক্ষণ ব্যবস্থা)। এখানে ভোটার তার দেওয়া ভোটের একটি প্রিন্টেড স্লিপ কয়েক সেকেন্ডের জন্য দেখতে পান। এতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি যাকে ভোট দিয়েছেন, সেটিই সঠিকভাবে রেকর্ড হয়েছে। পরে এই স্লিপগুলি একটি সিল করা বাক্সে জমা থাকে, যা প্রয়োজনে যাচাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—এই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন কোনোভাবেই ইন্টারনেট বা অন্য কোনো তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত নয়। এটি একটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র বা স্বনির্ভর যন্ত্র। অর্থাৎ, এর মধ্যে যে তথ্য সংরক্ষিত হয়, তা বাইরের কোনো সার্ভার বা নেটওয়ার্কে পাঠানো হয় না। এই কারণেই প্রযুক্তিগত দিক থেকে দূর থেকে হ্যাকিং করা প্রায় অসম্ভব বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
তবে প্রশ্ন থেকে যায়—তাহলে কি একেবারেই কারচুপির সম্ভাবনা নেই?
সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করা যায় না। কিছু সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়, যেমন—
প্রথমত, যদি কোনোভাবে যন্ত্রটির ভেতরের সফটওয়্যার তৈরি করার সময়ই ত্রুটি বা ইচ্ছাকৃত পরিবর্তন রাখা হয়, তাহলে সেটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও এই সফটওয়্যার একাধিক স্তরে পরীক্ষা করা হয়, তবুও এই নিয়ে বিতর্ক আছে।
দ্বিতীয়ত, যদি যন্ত্রটি সংরক্ষণ বা পরিবহনের সময় যথাযথ নিরাপত্তা না থাকে এবং কেউ শারীরিকভাবে এতে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ পায়, তাহলে তাত্ত্বিকভাবে সমস্যা তৈরি হতে পারে। তবে বাস্তবে এই যন্ত্রগুলি সিল করা থাকে এবং বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে রক্ষা করা হয়।
তৃতীয়ত, ভিভি প্যাট স্লিপের সঙ্গে ইলেকট্রনিক ডেটা মিলিয়ে না দেখলে সন্দেহ তৈরি হতে পারে। অনেকেই দাবি করেন, সব ক্ষেত্রে এই মিলিয়ে দেখা বাধ্যতামূলক করা উচিত।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং আধুনিক। কিন্তু গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হলে শুধু প্রযুক্তি নয়, মানুষের আস্থা ও নজরদারিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিতর্ক থাকলেও, তথ্যভিত্তিক আলোচনা এবং সঠিক যাচাই-প্রক্রিয়াই হতে পারে একমাত্র সমাধান।
ইভিএমে কারচুপি সম্ভব?
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত সুরক্ষিত বলে দাবি করা হলেও, এটি নিয়ে বিতর্ক এবং সম্ভাব্য কারচুপির আশঙ্কা বারবার সামনে এসেছে। বিষয়টি বুঝতে হলে একদিকে যেমন প্রযুক্তিগত বাস্তবতা জানা জরুরি, তেমনই সম্ভাব্য ঝুঁকির দিকগুলিও পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার।
প্রথমেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করা দরকার—বিশেষজ্ঞদের মতে ইভিএমে দূর থেকে হ্যাকিং বা রিমোট হ্যাকিং কার্যত সম্ভব নয়। কারণ এই যন্ত্র কোনোভাবেই ইন্টারনেট বা তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত নয়। এটি সম্পূর্ণ স্বনির্ভর একটি যন্ত্র, যার ডেটা বাইরে কোথাও পাঠানো হয় না। ফলে অনলাইন আক্রমণের সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।
তবে এর পরেও কিছু তাত্ত্বিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়, যেগুলি নিয়ে সমালোচকরা প্রশ্ন তোলেন।
প্রথমত, পরীক্ষা বা টেস্টিং পর্যায়ে হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা। ইভিএম মেশিন নির্বাচন শুরুর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা করা হয় এবং অনেক সময় তা বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সময়ে যদি কোনো আউটসোর্স কর্মী বা প্রযুক্তিগতভাবে যুক্ত ব্যক্তি অসাধু উদ্দেশ্যে সফটওয়্যারে পরিবর্তন করে দেন, তাহলে তা ভবিষ্যতে ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
দ্বিতীয়ত, প্রার্থী ঘোষণার পর রিসেট প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ। প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত হওয়ার পর রিটার্নিং অফিসারের তত্ত্বাবধানে মেশিনগুলি রিসেট করা হয়। এই পর্যায়ে যদি কেউ কোডে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন, তাহলে তাত্ত্বিকভাবে ভোট এক প্রার্থীর পক্ষে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হতে পারে বলে অভিযোগ ওঠে।
তৃতীয়ত, ফার্মওয়্যার বা অভ্যন্তরীণ প্রোগ্রামে কারচুপির ধারণা। সমালোচকদের দাবি, যদি মেশিনের ভেতরের প্রোগ্রামে এমন কোনো নির্দেশ বা কম্যান্ড বসানো থাকে, যা নির্দিষ্ট অনুপাতে ভোট অন্য প্রার্থীর পক্ষে ঘুরিয়ে দেয়—যেমন পাঁচটি ভোটের মধ্যে তিনটি একটি নির্দিষ্ট প্রার্থীর দিকে চলে যায়—তাহলে তা ধরা কঠিন হতে পারে। যদিও এই ধরনের অভিযোগের কোনো প্রমাণিত উদাহরণ এখনো সরকারি ভাবে সামনে আসেনি।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মানবীয় অ্যাকসেস বা শারীরিক প্রবেশাধিকার। ইভিএম সাধারণত সিল করা থাকে এবং ইন্টারনেটবিহীন, কিন্তু যদি কোনোভাবে কেউ সরাসরি যন্ত্রের কাছে পৌঁছাতে পারে এবং তাতে হস্তক্ষেপ করে, তাহলে তাত্ত্বিকভাবে ফলাফল প্রভাবিত হতে পারে—এই আশঙ্কা থেকেই যায়।
এছাড়া, অনেকের মতে ভোটার যাচাই ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও একটি বড় প্রশ্ন। যদিও ভোটার যাচাইকরণ কাগজ নিরীক্ষণ ব্যবস্থা রয়েছে, তা সব ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গভাবে মিলিয়ে দেখা হয় না। ফলে কিছু ক্ষেত্রে ফলাফল যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে সমালোচকরা মনে করেন।
এই সমস্ত অভিযোগ ও আশঙ্কার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। তারা জানিয়েছে—
- কোনো কারচুপির প্রমাণ পাওয়া গেলে পুনর্নির্বাচন করা হবে
- দোষীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পদক্ষেপ নেওয়া হবে
- আইনি প্রক্রিয়ায় জেলও হতে পারে
অন্যদিকে সমালোচকদের বক্তব্য, ভোটার যাচাইকরণ কাগজ নিরীক্ষণ ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার ছাড়া ইভিএম পুরোপুরি নির্ভরযোগ্য বলে ধরা কঠিন।
এবার আসা যাক স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থায়। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ইভিএম মেশিনগুলি যে স্থানে সংরক্ষণ করা হয়, তাকে স্ট্রংরুম বলা হয়। গণনার দিন পর্যন্ত এই মেশিনগুলি সেখানে সুরক্ষিতভাবে রাখা হয়।
স্ট্রংরুমে নিরাপত্তার জন্য নেওয়া হয় একাধিক ব্যবস্থা:
- চব্বিশ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারি
- কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারা
- বহুস্তরীয় তালা বা লক ব্যবস্থা
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি
এই সব ব্যবস্থার লক্ষ্য হল যাতে কোনোভাবেই অননুমোদিত ব্যক্তি সেখানে প্রবেশ করতে না পারেন এবং মেশিনের নিরাপত্তা অটুট থাকে।
সবশেষে বলা যায়, ইভিএম নিয়ে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। প্রায় প্রত্যেক নির্বাচনের সময়ই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি বিভিন্নভাবে প্রশ্ন তোলে এবং কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করে। এর ফলে জনমানসে সন্দেহ তৈরি হয়, যা গণতন্ত্রের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
তবে গণতন্ত্রে প্রশ্ন থাকা স্বাভাবিক। গুরুত্বপূর্ণ হল—সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা। আর তার জন্য প্রয়োজন সঠিক তথ্য, স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা এবং একটি নিরপেক্ষ প্রশাসনিক ভূমিকা। এই ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের মতো বড় পরিসরের নির্বাচনে।
সচেতনতা, নজরদারি এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার—এই তিনের সমন্বয়েই ভোটব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা আরও মজবুত করা সম্ভব।
সাম্প্রতিক পোস্ট
- বিজেপিতে যোগ দিয়েই সোজা ভবানীপুরে রাঘব? মমতার গড়েই কি বড় চমকের প্রস্তুতি?
- ভোট দিতে গিয়ে ছবি তুলবেন? ভোটের বুথে এবার দেখা মিলবে বিশেষ চরিত্রের, জানুন কেন এই নতুন ব্যবস্থা
- ৬ সাংসদকে নিয়ে হঠাৎ বিজেপিতে রাঘব চাড্ডা! জাতীয় রাজনীতিতে এ কোন বড় পালাবদলের ইঙ্গিত?
- নস্টালজিয়ার টানে ভিড় শহরে! কেন সবাই ছুটছে আইকনিক সেটে ছবি তুলতে? জানুন বিস্তারিত
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নামী কলেজে কমছে আসন! কোন বিষয়ের দিকে ঝুঁকছে এখন ছাত্রছাত্রীরা?

