Falta Re Poll on 21 May 2026 | রাজ্যের ভোট গণনা ৪ মে, কিন্তু ফালতার ভাগ্য নির্ধারণ হবে ২৪ মে! ইভিএমে কারচুপি এবং সিসিটিভি বন্ধ রাখার মারাত্মক অভিযোগে গোটা বিধানসভার ভোট বাতিল করল নির্বাচন কমিশন। নেপথ্যে কোন রহস্য?
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ। আগামী ৪ মে গোটা পশ্চিমবঙ্গের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ বা ভোটগণনা হওয়ার কথা। রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ— সকলেই যখন টানটান উত্তেজনায় ফলাফলের প্রহর গুনছেন, ঠিক তখনই নির্বাচন কমিশনের একটি বিজ্ঞপ্তি রাজ্য রাজনীতিতে রীতিমতো বোম ফাটাল। গত বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফালতা (Falta) বিধানসভা কেন্দ্রে যে ভোটগ্রহণ হয়েছিল, তা সম্পূর্ণভাবে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ, আগামী ২১ মে ফালতার ২৮৫টি ভোটকেন্দ্রে ফের নির্বাচন (Falta Re-election 2026) অনুষ্ঠিত হবে এবং এই নির্দিষ্ট কেন্দ্রটির ভোটগণনা হবে আগামী ২৪ মে।
অর্থাৎ, গোটা রাজ্যের কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন তা ৪ মে জানা গেলেও, ফালতার বিধায়ক কে হবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও ২০ দিন! কিন্তু কেন এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন? শুধুমাত্র বিরোধীদের অভিযোগ, নাকি এর নেপথ্যে লুকিয়ে রয়েছে এমন কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেয়? আসুন, তদন্তের রিপোর্ট এবং গ্রাউন্ড জিরোর বাস্তব চিত্রটা একটু খতিয়ে দেখা যাক।
পুলিশ পর্যবেক্ষক বনাম তৃণমূল প্রার্থীর ‘ঠান্ডা লড়াই’
ফালতা বিধানসভা কেন্দ্রটি দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে থেকেই খবরের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছিল। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক (Police Observer) অজয়পাল শর্মার সঙ্গে ফালতার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের মধ্যে একটি প্রচ্ছন্ন ‘ঠান্ডা লড়াই’ শুরু হয়েছিল ভোটের কয়েকদিন আগে থেকেই। পুলিশ প্রশাসন কড়া হাতে এলাকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে স্থানীয় শাসকদলের সঙ্গে তাদের বারবার সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ভোটের দিন সকাল থেকেই ফালতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তি এবং ইভিএম (Electronic Voting Machine) কারচুপির ভুরি ভুরি অভিযোগ আসতে শুরু করে কমিশনের কন্ট্রোল রুমে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি, বিশেষ করে বিজেপি সরাসরি অভিযোগ তোলে যে ফালতায় কোনো গণতান্ত্রিক ভোটই হয়নি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফালতার একাধিক বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জমা পড়তে শুরু করে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকেই সবচেয়ে বেশি পুনর্নির্বাচনের আবেদন জমা পড়ে, যার শীর্ষে ছিল ফালতার নাম।
ইভিএমে টেপ এবং বন্ধ ক্যামেরা: স্ক্রুটিনিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য
ফালতা, মগরাহাট এবং ডায়মন্ড হারবার থেকে আসা এই পাহাড়প্রমাণ অভিযোগের ভিত্তিতে নড়েচড়ে বসে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সরাসরি নির্দেশে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই এলাকাগুলোতে স্ক্রুটিনি বা পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে যান কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক (Special Observer) সুব্রত গুপ্ত। তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দিল্লিতে যে রিপোর্ট পাঠান, তা রীতিমতো শিহরণ জাগানো।
সূত্রের খবর, সুব্রত গুপ্তের পাঠানো স্ক্রুটিনি রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য ধরা পড়ে। জানা যায়, ফালতার একাধিক বুথে ভোটের দিন ওয়েবকাস্টিং ক্যামেরাগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল! স্থানীয় প্রশাসন ও ভোটকর্মীদের তরফ থেকে দাবি করা হয় যে ‘নেটওয়ার্কের সমস্যার’ কারণে কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির ফুটেজ পৌঁছায়নি। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ক্যামেরা বন্ধ থাকার সুযোগেই বেশ কয়েকটি বুথে ইভিএমের ওপর সেলোটেপ লাগিয়ে বিরোধী দলগুলোর প্রতীক সম্পূর্ণ ঢেকে দেওয়া হয়। দুপুর ১টা নাগাদ যখন প্রিসাইডিং অফিসাররা ইভিএম থেকে সেই টেপ তুলে দেন, ততক্ষণে ওই বুথগুলোতে প্রায় ৫৮ শতাংশ ভোট পড়ে গিয়েছিল! একজন ভোটার ইভিএমের প্রতীক দেখতে না পেয়ে কীভাবে ভোট দিলেন, তা নিয়ে মারাত্মক প্রশ্ন ওঠে।
কমিশনের কড়া পদক্ষেপ এবং ২৮৫ বুথে পুনর্নির্বাচন
বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত তাঁর প্রাথমিক রিপোর্টে ফালতার প্রায় ৩০টি বুথে ব্যাপক কারচুপির প্রমাণ পান এবং সেখানে পুনর্নির্বাচনের প্রস্তাব দেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে। কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়, ফালতার বহু ভোটকেন্দ্রে গুরুতর নির্বাচনী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া (Democratic Process) চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে।
যেকোনো নির্বাচনে নিরপেক্ষতাই হলো শেষ কথা। তাই আংশিক কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে, গোটা ফালতা বিধানসভা কেন্দ্রেরই গত বুধবারের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। জানিয়ে দেওয়া হয়, আগামী ২১ মে কড়া কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় ফালতার ২৮৫টি ভোটকেন্দ্রে পুনরায় ভোট নেওয়া হবে।
অশান্ত ফালতা: হাশিমনগরে মারধর ও পথ অবরোধ
ভোটের দিন তো বটেই, ভোটের পরেও বারবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ফালতা। গত শুক্রবার থেকে ফালতার হাশিমনগর এলাকায় নতুন করে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ এবং বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, গত বুধবার তাঁদের বুথে গিয়ে ভোটই দিতে দেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদ করায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতী তাঁদের ওপর ব্যাপক হামলা চালায়। বহু বিজেপি কর্মী এবং সমর্থককে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্র এবং শনিবার— টানা দু’দিন জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ও বিরোধী দলের কর্মীরা। তাঁরা অবিলম্বে ফালতায় পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলার পাশাপাশি তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতার দ্রুত গ্রেফতারির দাবি জানান। এই পথ অবরোধের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ডায়মন্ড হারবার সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকার যান চলাচল।
জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ
ফালতার এই বেলাগাম আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখে শেষ পর্যন্ত চরম কড়া অবস্থান নিতে বাধ্য হয় নির্বাচন কমিশন। বিরোধী ভোটারদের হুমকি দেওয়া এবং মারধরের অভিযোগে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ‘ঘনিষ্ঠ’দের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিশনের তরফ থেকে স্থানীয় পুলিশকে কড়া ভাষায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ইসরাফুল এবং অপর এক জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ সুজাদ্দিন শেখের নামোল্লেখ করে তাঁদের এবং তাঁদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে যেন দ্রুত এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়। পুলিশ যদি এই নির্দেশ পালনে টালবাহানা করে বা ব্যর্থ হয়, তবে খোদ পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেই কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে বলে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন। এই মুহূর্তে ফালতার আইনশৃঙ্খলার ওপর চব্বিশ ঘণ্টা নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে।
রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে: সজল ঘোষের স্বস্তি, অরূপ চক্রবর্তীর কটাক্ষ
কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পর রাজ্য রাজনীতিতে আক্ষরিক অর্থেই ঝড় উঠেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “দেরিতে হলেও নির্বাচন কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফালতায় ভোটের দিন যেভাবে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছিল, এটা তারই জবাব। আমরা প্রথম থেকেই বলছিলাম যে ওখানে কোনো ভোট হয়নি, পুরোটাই প্রহসন হয়েছে। এই পুনর্নির্বাচন সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার একটা বড় জয়।”
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই গোটা বিষয়টিকে কমিশনের চরম গাফিলতি এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত বলে তোপ দেগেছে। শাসকদলের নেতা অরূপ চক্রবর্তী অত্যন্ত কড়া ভাষায় নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে বলেন, “এটি নির্বাচন কমিশনের চরম ব্যর্থতা। ভোটের দিন তো ওনারাই সব নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। কোথায় গেল সেই ‘দাবাং’, ‘সিংঘম’ পর্যবেক্ষক (Observer) যাঁকে নিয়ে এত মাতামাতি হলো? তিনি তখন কী করছিলেন? ফল ঘোষণার এতদিন পর হঠাৎ করে বিজেপির কথায় গোটা একটা বিধানসভায় ফের ভোট করানোটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং জনমতের পরিপন্থী। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এখন এরা এসব নাটক করছে।”
ফল ঘোষণার পর ভোট! ফলাফলের কী হবে?
সাধারণ মানুষের মনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, গোটা রাজ্যের ফল যেখানে ৪ মে ঘোষণা হয়ে গেছে এবং সরকার গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু হওয়ার পথে, সেখানে ২১ মে ফালতার এই পুনর্নির্বাচন কীভাবে কাজ করবে?
নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, যেহেতু কমিশন ফালতার আগের ভোট প্রক্রিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল ঘোষণা করেছে, তাই ৪ মে-র গণনায় ফালতা থেকে যে প্রার্থীর নাম বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল, তা আর বৈধ থাকছে না। অর্থাৎ, ফালতা বিধানসভা আসনটির ফলাফল আপাতত ‘স্থগিত’ বা ‘শূন্য’ বলে বিবেচিত হবে। আগামী ২১ মে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ফের ভোটগ্রহণ হবে এবং তারপর একটি নির্দিষ্ট দিনে শুধুমাত্র ফালতার ভোট গণনা করে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। রাজ্যের সামগ্রিক আসন সংখ্যার নিরিখে যদি ফালতার এই একটি আসন সরকার গড়া বা ভাঙার ক্ষেত্রে নির্ণায়ক না হয়, তবে সরকার গঠনে কোনো বাধা থাকবে না। কিন্তু ফলাফলের এই ‘পোস্ট-মর্টেম’ নির্বাচন নিঃসন্দেহে রাজ্য রাজনীতির ইতিহাসে একটি অদ্ভুত অধ্যায় হয়ে থেকে যাবে।
কোন দলের কী সুবিধা বা অসুবিধা?
শাসকদলের মনে যারা এই নির্বাচনে জিতবে তাদের কাছে এই নির্বাচন সম্পূর্ণ মর্যাদার লড়াই। গোটা রাজ্যের ফলাফল সামনে এসে যাওয়ার পর, শাসকদল চাইবে যেকোনো মূল্যে এই আসনটি নিজেদের দখলে রাখতে, যাতে প্রমাণ করা যায় যে পুনর্নির্বাচন হলেও মানুষ তাঁদের পাশেই আছে।
অন্যদিকে বিরোধীদের কাছে এটি হারানো জমি পুনরুদ্ধারের সুবর্ণ সুযোগ। যেহেতু এখন রাজ্যের অন্যান্য জায়গায় কোনো ভোট নেই, তাই কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সম্পূর্ণ ফোকাস থাকবে ফালতার ওপর। এই কড়া নিরাপত্তায় অবাধ ভোট আশা করা যায়।
তবে সাধারণ ভোটারের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে, নির্বাচনের এই দীর্ঘস্থায়ী টানাপোড়েন এবং ফল ঘোষণার পরও ফের বুথমুখী হওয়াটা যথেষ্ট ক্লান্তিকর। আগামী ২১ মে ফালতার মানুষ কী রায় দেন এবং সেই রায় ৪ মে-র ফলাফলের সঙ্গে মেলে কিনা, সেটাই এখন দেখার।
সব মিলিয়ে, ৪ মে গোটা রাজ্যের নির্বাচনী উত্তাপ যখন শান্ত হবে, ফালতা তখন নতুন করে রাজনৈতিক কুরুক্ষেত্রে পরিণত হবে। ২১ মে ফালতার সাধারণ মানুষ কি স্বাধীনভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন? নাকি ফের কোনো নতুন বিতর্কের জন্ম দেবে এই কেন্দ্র? আপনার মতামত আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। রাজ্য রাজনীতি ও পুনর্নির্বাচনের প্রতিটি লাইভ আপডেট পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন NewsOffBeat-এ।
Most Viewed Posts
- ‘মায়া ভরা রাতি’ আবার ফিরছে—অরিজিৎ সিং-এর কণ্ঠে নতুন করে জেগে উঠবে এক চিরন্তন গান
- ২০২৬-এ মেষ রাশির জন্য আসছে বড় মোড় │ Aries Horoscope 2026 Full Prediction
- পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে তরুণ তুর্কিদের ঝড়! ভোটের ময়দানে কতটা প্রভাব ফেলছে যুব মুখ?
- বিতর্ক পিছু ছাড়েনি, মামলা মাথায় নিয়েই ভোটের ময়দানে! তৃণমূল-বিজেপির হেভিওয়েটদের ভোটযুদ্ধ ঘিরে উত্তাপ
- বাড়িতে রাখুন এই নয় গাছ, সৌভাগ্য ফিরবেই

