Girls Self Defense Training -এর মাধ্যমে রাজ্যের সরকারি স্কুলের ছাত্রীদের আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তার পাঠ দেওয়ার উদ্যোগ। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা হয়েছে। প্রতি শনিবার ক্লাসের পর এই বিশেষ প্রশিক্ষণে আত্মরক্ষা, সচেতনতা এবং বিপদের সময়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কৌশল শেখানো হবে।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: একজন মেয়ে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছে। রাস্তা পরিচিত, চারপাশও চেনা। তবু নিরাপত্তার প্রশ্নটা অনেক সময় মাথার মধ্যে থেকেই যায়—কোনও বিপদ সামনে এলে কীভাবে নিজেকে সামলাবে সে? সাহায্য আসার অপেক্ষা না করে নিজের নিরাপত্তার জন্য প্রথম পদক্ষেপটাই বা কী হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই রাজ্যের সরকারি স্কুলের ছাত্রীদের জন্য শুরু হতে চলেছে বিশেষ আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ।
রানি লক্ষ্মীবাইয়ের নামে এই উদ্যোগে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের আত্মরক্ষার বিভিন্ন কৌশল শেখানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের ১৫ হাজার ২১১টি স্কুলকে এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনার জন্য ৭ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতি শনিবার ক্লাসের পর ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ এটি শুধুমাত্র শরীরচর্চা নয়, বিপদের সময়ে নিজের উপস্থিত বুদ্ধি, আত্মবিশ্বাস এবং শারীরিক সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর একটি প্রয়াস হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
এই উদ্যোগের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও। ১৯৪৩ সালে আজাদ হিন্দ ফৌজের মহিলা ব্রিগেড হিসেবে গড়ে ওঠা ‘ঝাঁসির রানী রেজিমেন্ট’-এর নামের সঙ্গে রানি লক্ষ্মীবাইয়ের সাহস ও সংগ্রামের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। এবার সেই নামেই স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নতুন করে আলোচনায়।
রানি লক্ষ্মীবাইয়ের নামেই কেন আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ?
১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের ইতিহাসে ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাই একটি প্রতীকী নাম। তাঁর নেতৃত্ব, সাহস এবং প্রতিরোধের কাহিনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মেয়েদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে। বহু বছর পর সেই ঐতিহাসিক নামকেই সামনে রেখে স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ১৯৪৩ সালে জার্মানি থেকে জাপানে যাওয়ার পথে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী আবিদ হাসানকে ঝাঁসির রানী বাহিনী গঠনের পরিকল্পনার কথা লিখিয়ে দিয়েছিলেন। সেই বছরই আজাদ হিন্দ ফৌজের মহিলা ব্রিগেড হিসেবে গড়ে ওঠে ঝাঁসির রানী রেজিমেন্ট। ফলে নামটির সঙ্গে শুধু ইতিহাস নয়, নারীর সাহস, নেতৃত্ব এবং আত্মনির্ভরতার একটি দীর্ঘ স্মৃতিও জড়িয়ে রয়েছে।
বর্তমান উদ্যোগের লক্ষ্য অবশ্য সম্পূর্ণ আলাদা এবং সমকালীন। স্কুলের মেয়েরা যাতে বিপদের সময়ে নিজেদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কৌশল প্রয়োগ করতে পারে, সেই আত্মবিশ্বাস তৈরি করাই এর মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শুধু শারীরিক সক্ষমতা নয়, পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিক প্রস্তুতিও তৈরি হতে পারে।
আজকের সময়ে এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ নিরাপত্তা শুধু কোনও একটি নির্দিষ্ট জায়গার বিষয় নয়। স্কুলে যাওয়া-আসার রাস্তা, গণপরিবহণ, জনবহুল এলাকা কিংবা কোনও নির্জন জায়গা—বিভিন্ন পরিস্থিতিতে একজন কিশোরীর সামনে নানা ধরনের অস্বস্তিকর বা বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সেই মুহূর্তে নিজের সুরক্ষার জন্য কী করা সম্ভব, তা জানা থাকলে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়তে পারে।
১৫ হাজার ২১১ স্কুলে প্রশিক্ষণ, বরাদ্দ ৭ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা
এই প্রকল্পের পরিধিই এর সবচেয়ে বড় দিকগুলির একটি। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের মোট ১৫ হাজার ২১১টি স্কুলে রানি লক্ষ্মীবাই আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণের জন্য ৭ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রশিক্ষণের সময় নিয়েও নির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। প্রতি শনিবার ক্লাস শেষ হওয়ার পর ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে উল্লেখ রয়েছে। ফলে নিয়মিত পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিন আত্মরক্ষার অনুশীলনের জন্য রাখা হচ্ছে।
জেলা ধরে দেখলে বরাদ্দের পরিমাণেও পার্থক্য রয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি স্কুল এই উদ্যোগের আওতায় রয়েছে বলে দেওয়া তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে। সেখানে ১ হাজার ১৯৬টি স্কুলের জন্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১ হাজার ১৩৬টি স্কুলের জন্য ৫৬ লক্ষ টাকা, পূর্ব মেদিনীপুরে ১ হাজার ৫৭টি স্কুলের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ১ হাজার ৮৫টি স্কুলের জন্য ৫৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দের কথা জানানো হয়েছে।
বর্ধমানের ১ হাজার ৪৭টি স্কুলের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা, কলকাতার ৫২১টি স্কুলের জন্য ২৬ লক্ষ টাকা এবং হাওড়ার ৬১৬টি স্কুলের জন্য ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। এত বড় সংখ্যক স্কুলকে একসঙ্গে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের বিপুল সংখ্যক ছাত্রী এই উদ্যোগের সুবিধা পেতে পারেন।
তবে এই ধরনের প্রকল্পের সাফল্য শুধু বরাদ্দ অর্থ বা স্কুলের সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যায় না। প্রশিক্ষক কতটা দক্ষ, প্রশিক্ষণ কতটা নিয়মিত হচ্ছে, ছাত্রীদের অংশগ্রহণ কেমন এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে শেখানো কৌশল কতটা কাজে লাগছে—এই বিষয়গুলিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
প্রশিক্ষক নিয়োগেও থাকছে বিশেষ নজর
স্কুলে প্রশিক্ষণ চালু করার জন্য শুধু ঘোষণা করলেই হবে না, প্রয়োজন দক্ষ প্রশিক্ষকের। সেই কারণেই প্রশিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে।
স্কুলে স্কুলে প্রশিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। প্রশিক্ষক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পুলিশ সুপার এবং ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করার কথা রয়েছে। অর্থাৎ প্রশিক্ষকদের যোগ্যতা এবং তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সক্ষমতার বিষয়টি যাচাই করেই নিয়োগের প্রক্রিয়া এগোনোর পরিকল্পনা রয়েছে।
এ জন্য জেলাভিত্তিক বিশেষ কমিটি তৈরির কথাও বলা হয়েছে। সেই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে শিক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা শাসক থাকবেন বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে প্রশিক্ষক বাছাই এবং পুরো প্রক্রিয়ার উপর প্রশাসনিক নজরদারি রাখার একটি কাঠামো তৈরি হতে পারে।
আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণকে শুধুমাত্র কয়েকটি শারীরিক কৌশল শেখানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে তার প্রভাব সীমিত হতে পারে। একজন ছাত্রীকে কখন পরিস্থিতি এড়িয়ে যেতে হবে, কখন সাহায্য চাইতে হবে, কীভাবে আশপাশের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে এবং কখন নিজের সুরক্ষার জন্য প্রতিরোধ করতে হবে—এই সচেতনতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশিক্ষণের মান এবং বিষয়বস্তুর বাস্তব প্রয়োগের দিকে নজর দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।
মেয়েদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোই কি সবচেয়ে বড় লক্ষ্য?
এই উদ্যোগ নিয়ে ছাত্রীদের প্রতিক্রিয়াতেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে—আত্মবিশ্বাস। অনেকের বক্তব্য, মেয়েরা যদি আত্মরক্ষার কৌশল জানে, তাহলে বিপদের সময়ে ভয় না পেয়ে পরিস্থিতি সামলানোর মানসিক শক্তি তৈরি হতে পারে।
একজন ছাত্রী যেমন জানিয়েছেন, মেয়েদের ক্ষেত্রে আত্মরক্ষা শেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কেউ খারাপ আচরণ করলে বা কোনও বিপদ তৈরি হলে নিজেকে রক্ষা করতে পারব—এই বিশ্বাসটা থাকা দরকার। অন্য এক প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়েছে, এই ধরনের প্রশিক্ষণ মেয়েদের শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসও বাড়াতে পারে।
এই জায়গাটিই প্রকল্পটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দিক। কারণ আত্মরক্ষা মানে শুধু আক্রমণের জবাব দেওয়া নয়। বরং নিজের শরীর, নিজের সীমা এবং নিজের নিরাপত্তার অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া। একটি মেয়ে যদি ছোটবেলা থেকেই বুঝতে শেখে যে তার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ এবং বিপদের সময়ে সাহায্য চাওয়া তার অধিকার, তাহলে সেই সচেতনতা ভবিষ্যতের জীবনেও প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে একই সঙ্গে মনে রাখা জরুরি, নারী নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব কখনও মেয়েদের উপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না। আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ একটি সহায়ক ব্যবস্থা। নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা, অপরাধ প্রতিরোধ করা, দ্রুত পুলিশি সাহায্য নিশ্চিত করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া—এসবও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
নিরাপত্তার প্রশ্নে সরকারের অন্যান্য ব্যবস্থার কথাও সামনে
আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে আরও কিছু ব্যবস্থার কথা তুলে ধরা হয়েছে। পুলিশ সহায়তা কেন্দ্র, বিভিন্ন থানায় মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা, মহিলাদের জন্য স্কুটি, গোলাপি টহল গাড়ি এবং সহায়তার জন্য হেল্পলাইন নম্বরের মতো উদ্যোগের উল্লেখ রয়েছে।
এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সরকারের নারী নিরাপত্তা নিয়ে সমালোচনা করেছেন। বিভিন্ন নারী নির্যাতনের ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, আগে থেকেই যদি নিরাপত্তা নিয়ে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হত, তাহলে কিছু ঘটনা এড়ানো সম্ভব হত কি না। তাঁর বক্তব্যকে অবশ্য রাজনৈতিক সমালোচনা হিসেবেই দেখা উচিত; কোনও নির্দিষ্ট ঘটনার দায় বা কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার বিষয়।
অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মেয়েদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকারের জায়গায় রাখা হয়েছে এবং সেই কারণেই স্কুল স্তর থেকেই আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণের মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ নিরাপত্তার প্রশ্নে প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং ব্যক্তিগত আত্মবিশ্বাস—দুই দিকেই একসঙ্গে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
রানি লক্ষ্মীবাইয়ের নামে স্কুলে স্কুলে আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ নিঃসন্দেহে একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ। ১৫ হাজারের বেশি স্কুলকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা সংখ্যার বিচারে বড়। কিন্তু এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, তার উত্তর মিলবে মাঠে। প্রশিক্ষণ কতটা নিয়মিত হয়, প্রশিক্ষকরা কতটা দক্ষ হন, ছাত্রীরা কতটা আগ্রহ নিয়ে অংশ নেয় এবং বাস্তব জীবনের পরিস্থিতিতে এই শিক্ষা কতটা কাজে লাগে—সেদিকেই নজর থাকবে।
#GirlsSelfDefenseTraining #GirlsSafety #SelfDefense #SchoolGirls #RaniLakshmibai #WomenEmpowerment #StudentSafety #WestBengalSchools #SchoolSafety #GirlsEmpowerment
সাম্প্রতিক পোস্ট
‘সাথীরা, প্রশ্নফাঁস মাফিয়াদের রেয়াত নয়’– সংসদে বিল পাসের পর প্রথমবার কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?
সিলেবাসে বড় পরিবর্তন কবে থেকে? শিক্ষক নিয়োগেও সুখবর? কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী?
আবার কি বদলে যাবে নোট? দেশে আসছে প্লাস্টিকের নোট,জানুন, কী বদল আসছে?
১লা আগস্ট থেকে স্কুলের খাবারের দায়িত্ব ইস্কনের, ডিম বিতরণ, ও শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা

