Government Scheme Forms: সরকারি প্রকল্পের ফর্ম নিয়ে আর ঝক্কি নয়! পুজোর মণ্ডপেই ফর্ম বিতরণ ও জমা নেওয়ার উদ্যোগের কথা ভাবছে পুরদপ্তর। পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, নিজের বিধানসভা এলাকা থেকেই এই উদ্যোগের সূচনা করতে চান তিনি।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতে ফর্ম সংগ্রহ, পূরণ এবং জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের যে ঝক্কি থাকে, তা কমাতে এবার পুজোর মণ্ডপকেই কাজে লাগানোর উদ্যোগের কথা ভাবছে পুরদপ্তর। পুজোর সময় শহরের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে বিশেষ শিবির করে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের ফর্ম বিতরণ এবং জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। নিজের বিধানসভা এলাকা থেকেই এই উদ্যোগের সূচনা করতে চান তিনি। ইতিমধ্যেই আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার হিরাপুর থানার পুজো সমন্বয় বৈঠকে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগ্রহী ক্লাবগুলির নামও নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
পুজোর মণ্ডপেই সরকারি প্রকল্পের ফর্ম দেওয়ার ভাবনা
সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য কোথা থেকে ফর্ম মিলবে, কখন মিলবে এবং কোথায় সেই ফর্ম জমা দিতে হবে—এই বিষয়গুলি নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে। সেই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই পুজোর সময় সরকারি প্রকল্পের ফর্ম বিতরণ ও জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করার কথা ভাবছে পুরদপ্তর।
এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, শহরের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে পুরদপ্তরের বিশেষ শিবির করা হতে পারে। সেই শিবির থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ফর্ম সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার পাশাপাশি পূরণ করা ফর্ম জমা নেওয়ার ব্যবস্থাও রাখার কথা ভাবা হচ্ছে।
পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, পুজোর সময়েও যাতে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের ফর্ম বিতরণ এবং ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ করা যায়, সেই উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছে পুরদপ্তর। অর্থাৎ, পুজোর মণ্ডপে আসা মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়াকে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাই এই উদ্যোগের মূল বিষয়।
অগ্নিমিত্রা পাল নিজের বিধানসভা এলাকা থেকেই শুরু করতে চান
পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এই উদ্যোগ নিজের বিধানসভা এলাকা থেকেই শুরু করতে চাইছেন বলে জানানো হয়েছে। সেই উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যেই আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার হিরাপুর থানার পুজো সমন্বয় বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
সেখানে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে এই উদ্যোগ নিয়ে কথা বলা হয়েছে। কোন কোন পুজো কমিটি এই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহী, সেই বিষয়েও তথ্য নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই আগ্রহী ক্লাবগুলির নাম গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
অর্থাৎ, পরিকল্পনাটি শুধু ভাবনার স্তরে সীমাবদ্ধ নেই। নিজের বিধানসভা এলাকার পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে আগ্রহী ক্লাবগুলির নাম সংগ্রহের কাজও হয়েছে বলে দেওয়া তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে।
কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ
পুরদপ্তরের ভাবনায় থাকা এই বিশেষ শিবিরগুলিতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের মানুষ কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা এবং বিশ্বকর্মা যোজনার মতো প্রকল্পের সুবিধা পেতে শুরু করেছেন। একইসঙ্গে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প নিয়েও মানুষের আগ্রহ রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনা এবং যুবশক্তির মতো প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্যও অনেকে আগ্রহী বলে জানানো হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন প্রকল্পের ফর্ম কোথায় পাওয়া যাবে এবং কীভাবে তা জমা দেওয়া হবে, সেই প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়টিকেই সামনে রাখা হয়েছে পুরদপ্তরের এই পরিকল্পনায়।
পুজোর সময়েও চলবে ফর্ম বিতরণ ও জমা নেওয়ার ভাবনা
পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, পুজোর সময়েও যাতে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের ফর্ম বিতরণ ও জমা নেওয়ার কাজ করা যায়, তেমন উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছে পুরদপ্তর।
পরিকল্পনাটি কার্যকর হলে শহরের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে বিশেষ শিবির করার কথা রয়েছে। সেই শিবিরে সরকারি প্রকল্প সংক্রান্ত ফর্ম সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং পূরণ করা ফর্ম গ্রহণের ব্যবস্থা রাখার ভাবনা রয়েছে।
তবে প্রদত্ত তথ্যে এই শিবিরগুলি ঠিক কোন কোন পুজো মণ্ডপে হবে, কত দিন চলবে বা কোন কোন প্রকল্পের জন্য নির্দিষ্টভাবে ফর্ম নেওয়া হবে—সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। বর্তমানে যে বিষয়টি জানানো হয়েছে, তা হল পুজোর সময় সরকারি প্রকল্পের ফর্ম বিতরণ ও জমা নেওয়ার কাজ পুজো মণ্ডপের মাধ্যমে করার উদ্যোগের কথা ভাবছে পুরদপ্তর।
হিরাপুরে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে আলোচনা
এই উদ্যোগের বিষয়ে ইতিমধ্যেই আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার হিরাপুর থানার পুজো সমন্বয় বৈঠকে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সেখানে আগ্রহী ক্লাবগুলির নামও গ্রহণ করা হয়েছে।
অর্থাৎ, পুজো কমিটিগুলিকে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে উদ্যোগটি শুরু করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। সেই অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা এবং আগ্রহী ক্লাবগুলির নাম সংগ্রহের কাজ হয়েছে বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
পুরদপ্তরের এই ভাবনার মূল লক্ষ্য হিসেবে সামনে রয়েছে সরকারি প্রকল্পের ফর্ম পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সমস্যাকে কমানো। কোথায় ফর্ম পাওয়া যাবে, কখন পাওয়া যাবে এবং কীভাবে জমা দিতে হবে—এই বিষয়গুলির ঝক্কি কমাতেই পুজোর মণ্ডপে বিশেষ শিবির করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
#GovernmentSchemeForms #GovernmentScheme #SchemeApplicationForm #WestBengalGovernmentScheme #GovernmentBenefits #SchemeFormFillUp #GovernmentSchemeApplication
সাম্প্রতিক পোস্ট
স্কুলের শৌচাগারে সাপ! নামী বেসরকারি স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন, কী বলছে কর্তৃপক্ষ
নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণ কী? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিজিৎ দীপকে কি তবে এবার বিজেপিতে? রাজনৈতিক প্রস্তাব ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা
ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, হাইকোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পদক্ষেপ কী?

