Journalists Attacked in Kolkata Protest: নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে কলকাতার বিক্ষোভ কর্মসূচিতে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে একাধিক সাংবাদিক আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ধর্মতলায় হেনস্থা ও মারধরের ঘটনায় আহত সংবাদকর্মীদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে সাংবাদিক সংগঠনও।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের প্রতিবাদে কলকাতায় আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে শুক্রবার উত্তেজনা ছড়াল। শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের পর আয়োজিত সমাবেশে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে একাধিক সাংবাদিক ও চিত্রগ্রাহক হেনস্থার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন সংবাদকর্মীকে ঘিরে ধরে কটূক্তি, দুর্ব্যবহার এবং মারধরের অভিযোগও সামনে এসেছে। আক্রান্তদের কয়েকজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করে ঘটনার নিন্দা করেছেন। কলকাতা প্রেস ক্লাবও এই ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে। যদিও বিক্ষোভকারীদের একাংশের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি ছিল শান্তিপূর্ণ এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার সঙ্গে তাঁদের আন্দোলনের কোনও যোগ নেই। ফলে নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে আয়োজিত এই কর্মসূচিকে ঘিরে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
ধর্মতলায় সরাসরি সম্প্রচারের সময় সাংবাদিকদের ঘিরে হেনস্থার অভিযোগ
নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে শুক্রবার কলকাতায় বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের পর সেখানে সমাবেশও হয়। আন্দোলনের খবর সংগ্রহ করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক এবং চিত্রগ্রাহকরা।
অভিযোগ, ধর্মতলা এলাকায় সরাসরি সম্প্রচারের সময় একদল বিক্ষোভকারী কয়েকজন সাংবাদিককে ঘিরে ধরেন। তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার পাশাপাশি বিভিন্ন কটূক্তি করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন সাংবাদিককে শারীরিকভাবে হেনস্থা এবং মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
আক্রান্ত এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধির অভিযোগ, প্রায় দশ মিনিট ধরে তাঁদের হেনস্থা করা হয়। এমনকি ক্যামেরা নিয়ে দায়িত্ব পালন করা কর্মীকেও মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের কেন এভাবে নিশানা করা হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন আক্রান্ত সংবাদকর্মীরা।
তাঁদের বক্তব্য, তাঁরা সেখানে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাননি। নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। সেই অবস্থায় তাঁদের ঘিরে ধরে হেনস্থা করা হলে তা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কাজ করার অধিকারকে প্রশ্নের মুখে ফেলে।
‘গোদী সংবাদমাধ্যম’ বলে কটূক্তির অভিযোগ, আহত একাধিক সংবাদকর্মী
ঘটনার সময় কয়েকজন বিক্ষোভকারী সাংবাদিকদের ‘গোদী সংবাদমাধ্যম’ বলে কটূক্তি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের লক্ষ্য করেও স্লোগান দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের একাংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, কোনও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বা সম্প্রচারের সঙ্গে কারও মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কোনও নির্দিষ্ট সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার প্রতিবাদ জানানোর গণতান্ত্রিক পথও রয়েছে। কিন্তু সেই মতপার্থক্যের কারণে সাংবাদিকদের শারীরিকভাবে হেনস্থা করা বা তাঁদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনায় একাধিক সাংবাদিক আহত হন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে চিকিৎসার জন্য কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে বিক্ষোভ কর্মসূচির খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আহত সাংবাদিকদের দেখতে হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী, হামলার নিন্দা
ঘটনার খবর পাওয়ার পর রাতেই আহত সাংবাদিকদের দেখতে হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তাঁদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকরা অনেক সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের ওপর কোনও ধরনের হামলা বা হেনস্থা মেনে নেওয়া যায় না। সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন। ফলে হামলার অভিযোগে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেও নজর রয়েছে।
এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ সংযমের পরিচয় দিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য প্রশাসনের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা।
সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগে কলকাতা প্রেস ক্লাবের প্রতিবাদ
সাংবাদিকদের হেনস্থার অভিযোগের ঘটনায় কলকাতা প্রেস ক্লাবের তরফেও তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। সংগঠনের বক্তব্য, কোনও আন্দোলনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরাই যদি হামলার প্রধান লক্ষ্য হয়ে ওঠেন, তাহলে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
প্রেস ক্লাবের তরফে এই ঘটনাকে বিপজ্জনক প্রবণতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ সাংবাদিকরা কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী হিসেবে নয়, বরং পেশাগত দায়িত্ব পালন করার জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকেন। তাঁদের কাজ হল ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা।
কোনও সংবাদমাধ্যমের খবর বা সম্প্রচারের সঙ্গে মতপার্থক্য থাকলে তার বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়ে প্রতিবাদ জানানো যেতে পারে। কিন্তু সাংবাদিকদের ওপর হামলা বা তাঁদের কাজের ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করছে সাংবাদিক সংগঠনগুলি।
এই ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে কোনও উত্তেজনাপূর্ণ রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মসূচিতে সাংবাদিকরা কীভাবে নিরাপদে তাঁদের দায়িত্ব পালন করবেন, সেই বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, হামলাকারীরা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নন
অন্যদিকে, বিক্ষোভকারীদের একাংশ সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ছিল এবং সাংবাদিকদের ওপর যারা হামলা চালিয়েছেন, তাঁরা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
এই দাবি সামনে আসার পর ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। যদি হামলাকারীরা সত্যিই আন্দোলনের অংশ না হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁরা কারা ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছিলেন, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।
আবার আক্রান্ত সাংবাদিকদের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁরা আন্দোলনস্থলেই নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় হেনস্থার শিকার হয়েছেন। ফলে হামলাকারীদের সঙ্গে আন্দোলনের কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক ছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে কোনও পক্ষের বক্তব্যকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরে না নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনার দাবি উঠেছে।
নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে আন্দোলন, এবার সামনে সাংবাদিক নিরাপত্তার প্রশ্ন
নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, কলকাতার বিক্ষোভ কর্মসূচিও তারই অংশ। কিন্তু সেই আন্দোলনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের হেনস্থার অভিযোগ সামনে আসায় আন্দোলনের মূল দাবি ছাপিয়ে এখন সংবাদমাধ্যমের নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে।
একটি গণতান্ত্রিক দেশে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার অধিকার যেমন মানুষের রয়েছে, তেমনই সেই প্রতিবাদের খবর সংগ্রহ করার অধিকার সংবাদমাধ্যমেরও রয়েছে। কোনও আন্দোলনের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের মতপার্থক্য থাকতে পারে, কোনও প্রতিবেদনের সঙ্গে কেউ একমত নাও হতে পারেন। কিন্তু সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনওভাবেই প্রতিবাদের গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হতে পারে না।
একইভাবে, সংবাদমাধ্যমেরও দায়িত্ব রয়েছে ঘটনাকে নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরার। আন্দোলনের খবর করতে গিয়ে সাংবাদিকদের অবশ্যই তথ্যের যথার্থতা বজায় রাখতে হবে। কিন্তু কোনও ভুল বা মতপার্থক্য থাকলে তার সমাধান আলোচনার মাধ্যমে হওয়াই গণতান্ত্রিক পথ।
তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে হামলার নেপথ্যে কারা
কলকাতার এই ঘটনায় এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে প্রশাসনিক তদন্ত। হামলার সঙ্গে কারা যুক্ত ছিলেন, তাঁরা বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ ছিলেন কি না এবং সাংবাদিকদের কেন নিশানা করা হয়েছিল—এই প্রশ্নগুলির উত্তর তদন্তের মাধ্যমেই সামনে আসতে পারে।
যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল, তাহলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে, যদি হামলাকারীরা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত না হয়ে থাকেন, তাহলে সেই বিষয়টিও স্পষ্টভাবে জানানো দরকার।
কারণ এই ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে না এলে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে। একদিকে আন্দোলনকারীদের একটি অংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠবে, অন্যদিকে আন্দোলনকারীরা দাবি করতে পারেন যে তাঁদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে।
তাই নিরপেক্ষ তদন্তই এই বিতর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমাধান হতে পারে।
সব মিলিয়ে, নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে কলকাতায় আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে সাংবাদিক হেনস্থার অভিযোগ নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। আক্রান্ত সংবাদকর্মীরা তাঁদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন, অন্যদিকে বিক্ষোভকারীদের একাংশ দাবি করেছেন, হামলাকারীরা তাঁদের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নন। প্রশাসনের তরফে ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের চিহ্নিত করার কথা জানানো হয়েছে।
এখন তদন্তের ফলাফলের দিকেই নজর। তবে এই ঘটনার মধ্য দিয়ে একটি বিষয় স্পষ্ট—গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, দুটিই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কোনও আন্দোলনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা আক্রান্ত হলে শুধু তাঁদের নিরাপত্তাই প্রশ্নের মুখে পড়ে না, গোটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়। তাই নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে আন্দোলনের পাশাপাশি কলকাতার এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার বিষয়টিও এখন সমান গুরুত্ব পাচ্ছে।
#KolkataProtest #JournalistAttack #JournalistSafety #PressFreedom #MediaAttack #JournalistAssault #ProtestNews #NEETProtest #NEETQuestionPaperLeak #StudentProtest #KolkataNews
সাম্প্রতিক পোস্ট
রাত পেরিয়েও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা এল না? এবার কী করতে হবে জেনে নিন, মিস করবেন না
রাজ্যে চালু প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা, ১১ হাজার টাকা পাবেন কারা? জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন?
মহিলাদের বাসে টিকিট কাটতে হবে না! জানুন, এই কার্ড থাকলেই দিঘা থেকে দার্জিলিং সফর ফ্রী তে
আপনার এলাকায় কি মিলবে ১২৫ দিনের কাজ? আজ থেকেই চালু নতুন প্রকল্প, জানুন কারা পাবেন এই সুবিধা

