Kolkata Airport Flight Cancellations: ইজরায়েল-ইরান সংঘাতের পর এবার পরমাণু শক্তিধর দুই প্রতিবেশী পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যেও শুরু হয়েছে যুদ্ধ। জোড়া যুদ্ধের কোপে কার্যত অচল দক্ষিণ এশিয়ার আকাশসীমা। কলকাতা থেকে বাতিল ২০টির বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, ভারত জুড়ে সংখ্যাটা ৪৫০ ছাড়িয়েছে। ইরান নামিয়ে দিয়েছে আমেরিকার যাত্রীবাহী বিমান, সিরিয়াও ‘নো-ফ্লাই জোন’। দুবাই, কাতার, ওমানের আকাশপথ অবরুদ্ধ। কেন এই বিপর্যয়? কতদিন চলবে এই অচলাবস্থা? জানুন বিস্তারিত বিশ্লেষণ।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি হয়তো বহু দিন ধরে প্ল্যান করে রেখেছেন ইউরোপের কোনো শহরে ছুটি কাটাবেন, অথবা কর্মসূত্রে দুবাই পাড়ি দেবেন। ব্যাগ গোছানো শেষ, টিকিটের প্রিন্টআউট হাতে। কিন্তু এয়ারপোর্টে পৌঁছানোর আগেই আপনার ফোনে মেসেজ এল—’আপনার ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়েছে!’ হ্যাঁ, ঠিক এমনটাই ঘটছে হাজার হাজার ভারতীয় যাত্রীর সঙ্গে। মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব এবার এসে পড়েছে আমাদের আকাশপথে।
মধ্যপ্রাচ্যে এখন আক্ষরিক অর্থেই বারুদের গন্ধ। মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনীর হামলায় ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর গোটা অঞ্চল জুড়ে এক চরম সামরিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি আমাদের একদম দোরগোড়ায়, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যেও পরমাণু যুদ্ধের আবহে সংঘাত শুরু হয়েছে। এই জোড়া যুদ্ধের ভূ-রাজনৈতিক কোপে আক্ষরিক অর্থেই অচল হয়ে পড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশসীমা। আর এই পরিস্থিতির সরাসরি শিকার হচ্ছে বিশ্বের অসামরিক বিমান পরিবহণ শিল্প (Civil Aviation Industry)। নিরাপত্তার স্বার্থে ইরান, দুবাই, দোহা, কাতার এবং কুয়েতের আকাশসীমাকে ‘নো-ফ্লাই জোন’ (No-Fly Zone) বা উড্ডয়ন-নিষিদ্ধ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলেই ভারত থেকে আন্তর্জাতিক উড়ানগুলোর রুট কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমান পরিস্থিতির জেরে ভারত থেকে আজ ৪৫০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এই বাতিলের তালিকায় শুধু রাজধানী দিল্লি বা মুম্বই আটকে নেই, এর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে কলকাতাতেও। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিগত ২৪ ঘণ্টায় ২০টির বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল, আজ সেই সংখ্যাটা ২০ ছাড়িয়েছে। কলকাতা থেকে যারা মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত, অথবা যারা দুবাই বা দোহাকে কানেক্টিং হাব হিসেবে ব্যবহার করে পশ্চিমা দেশগুলোতে যান, তারা এই মুহূর্তে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
কলকাতা থেকে কোন কোন ফ্লাইট বাতিল? (Kolkata Airport Flight Cancellations)
কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেন। এদের মধ্যে একটা বড় অংশ হলেন প্রবাসী কর্মী, যারা দুবাই, কাতার বা কুয়েতে চাকরি করেন। এছাড়া এমিরেটস বা কাতার এয়ারওয়েজ-এর মতো বিমান সংস্থাগুলোর ফ্লাইটে কলকাতা থেকে দোহা বা দুবাই হয়ে ইউরোপ ও আমেরিকায় যাতায়াত করেন বহু বাঙালি। এই ২০টির বেশি ফ্লাইট বাতিলের ফলে বাংলার বহু মানুষের রুটিরুজিতে এবং বিদেশে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের কেরিয়ারে একটা বড়সড় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমিরেটস (Emirates) এবং কাতার এয়ারওয়েজ (Qatar Airways)-এর পরিষেবা। কলকাতা থেকে দুবাই (EK570/571) এবং দোহা (QR540/541) রুটের অধিকাংশ উড়ান বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ইতিহাদ (Etihad) আবুধাবি রুটের ফ্লাইটও বাতিল করেছে। কুয়েত এয়ারওয়েজ (Kuwait Airways) এবং ইন্ডিগো (IndiGo)-র মধ্যপ্রাচ্যগামী বিমানগুলোও এই বাতিলের তালিকায় রয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, ওমান এয়ারওয়েজ (Oman Air)-এর পরিষেবা আগে বাতিল ছিল না, কিন্তু আজ ওমানগামী ফ্লাইটগুলোও বাতিলের তালিকায় যুক্ত হয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে যুদ্ধের আঁচ এখন আরব উপদ্বীপের দক্ষিণেও ছড়িয়ে পড়ছে। অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে বা অফিসে যোগ দেওয়ার তাড়া রয়েছে, কিন্তু টিকিট কনফার্ম না হওয়ায় তারা চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। সাধারণ যাত্রীদের জন্য এটি এক চরম মানসিক চাপের সময়।
নো-ফ্লাই জোন: কেন বন্ধ হলো আকাশের সিল্ক রুট?
কেন হঠাৎ করে এত ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছে এয়ারলাইন্সগুলো? এর পেছনের এভিয়েশন স্ট্র্যাটেজিটা একটু বুঝে নেওয়া যাক। ভারত থেকে ইউরোপ বা পশ্চিমের দেশগুলোতে যাওয়ার জন্য যে ‘এয়ার করিডর’ বা আকাশপথ ব্যবহার করা হয়, তার একটা বড় অংশ যায় ইরান এবং আরব সাগর সংলগ্ন মধ্যপ্রাচ্যের ওপর দিয়ে। এভিয়েশনের ভাষায় একে বলা যায় আকাশের ‘সিল্ক রুট’। কিন্তু এই রুট এখন মিসাইল এবং এয়ারস্ট্রাইকের কারণে চরম ঝুঁকিপূর্ণ। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস করতে রাজি নয় বিমান সংস্থাগুলো। সিরিয়ার আকাশসীমাও এখন সম্পূর্ণ ‘নো-ফ্লাই জোন’।
এই আকাশসীমা এড়িয়ে যাওয়ার কি কোনো বিকল্প নেই? বিকল্প পথ অবশ্যই আছে, কিন্তু তা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল। মধ্যপ্রাচ্য এড়িয়ে ইউরোপে যেতে গেলে বিমানগুলোকে সেন্ট্রাল এশিয়া (Central Asia) বা আফ্রিকার ওপর দিয়ে এক বিশাল ঘুরপথ (Detour) নিতে হবে। একদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার আকাশসীমা এমনিতেই এড়িয়ে চলতে হয়, তার ওপর এই নতুন সংকট। এত দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত জ্বালানি এবং পরিকাঠামো সব ফ্লাইটের থাকে না। এছাড়া, পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধের কারণে পাকিস্তানের আকাশপথ ব্যবহার করাও অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। তাই ভারত থেকে পশ্চিমা দেশগুলোতে যাওয়ার পথ কার্যত সবদিক থেকেই অবরুদ্ধ। বাধ্য হয়েই ফ্লাইট বাতিল করাকে শ্রেয় মনে করছে সংস্থাগুলো।
ভূ-রাজনৈতিক দাবা খেলা: কার পাশে কে?
এই আকাশপথের অচলাবস্থা শুধু নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, এর পেছনে রয়েছে এক গভীর ভূ-রাজনৈতিক দাবা খেলা। মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনীর হামলায় ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর, ইরান চরম প্রতিশোধের অঙ্গীকার করেছে। খবর পাওয়া গেছে, ইরান ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ৮টি দেশে হামলা চালিয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এই যুদ্ধ এক আঞ্চলিক বিস্ফোরণের রূপ নিচ্ছে। এর পাশাপাশি, ইরান-মার্কিন সংঘাত নতুন মাত্রা যোগ করেছে যখন খবর পাওয়া গেছে যে ইরান একটি মার্কিন যাত্রীবাহী বিমানকে জোরপূর্বক নামিয়ে দিয়েছে। এই ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহণ আইনের চরম লঙ্ঘন এবং এটি প্রমাণ করে যে অসামরিক বিমানগুলো এখন আর নিরাপদ নয়। সিরিয়ার আকাশপথও এখন সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ।
এই পরিস্থিতিতে অন্যান্য গ্লোবাল পাওয়ারদের ভূমিকাও খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সৌদি আরব বরাবরই সুন্নি মুসলিম বিশ্বের অঘোষিত নেতা। পাকিস্তানের অর্থনীতি অনেকটাই সৌদি অনুদান এবং তেলের ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে, আফগানিস্তানের তালিবান সরকারও কট্টর ইসলামি মতাদর্শে বিশ্বাসী। তাই এই দুই ইসলামিক দেশের সংঘাতে সৌদি আরব অত্যন্ত সতর্ক পা ফেলছে। রিয়াদ তলায় তলায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করবে, কারণ এই অঞ্চল অস্থিতিশীল হলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে তেলের বাজারে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, আবুধাবি বা সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এই বিষয়ে অনেকটা মৌনব্রত অবলম্বন করেছে, যদিও দুবাই থেকে কিছু প্রাইভেট ফ্লাইট অত্যন্ত সতর্কতা এবং সতর্কবার্তা মেনে চলছে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি রহস্যজনক। যদিও তারা সরাসরি যুদ্ধের অংশ নয়, কিন্তু খবর পাওয়া গেছে যে রাশিয়ার বিমানগুলো মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে নামছে এবং কোনো একটি পক্ষকে পরোক্ষভাবে সামরিক বা লজিস্টিক সাপোর্ট দিচ্ছে। এটি আমেরিকার মতো পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য এক বিরাট বড় ধাক্কা, কারণ এর মানে হলো রাশিয়া তলায় তলায় তালিবান বা ইরানকে সাহায্য করতে পারে। আমেরিকার এই পদক্ষেপে দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে। কারণ, পাকিস্তান যদি আমেরিকার মদত পেয়ে আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠে, তবে আফগানিস্তানও চুপ করে বসে থাকবে না। তারা হয়তো রাশিয়া বা চিনের মতো পরাশক্তিগুলোর দ্বারস্থ হতে পারে। আর ঠিক তখনই একটি আঞ্চলিক সংঘাত গ্লোবাল ওয়ার বা বিশ্বযুদ্ধের চেহারা নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। সব মিলিয়ে, ইসলামিক দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এই যুদ্ধের ফলে এক নতুন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছে।
কতদিন চলবে এই অচলাবস্থা? এভিয়েশন ক্রাইসিসের অর্থনৈতিক ক্ষত
এই প্রশ্নটাই এখন সবার মনে। একযোগে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ায় যুদ্ধ চলায় অনেকেই একে ‘মিনি ওয়ার্ল্ড ওয়ার’ বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রিক্যুয়েল বলে মনে করছেন। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা এখনই এতটাও হতাশ হতে রাজি নন। তাঁদের মতে, এটি কোনো প্রথাগত বিশ্বযুদ্ধ নয়, বরং এটি হলো ‘মাল্টিপোলার ওয়ার্ল্ড’ বা বহুমেরু বিশ্বের এক নতুন ধরনের সংঘাত। আমেরিকা বা রাশিয়ার মতো সুপারপাওয়াররা এখন আর সরাসরি যুদ্ধে জড়ায় না। তারা ছোট দেশগুলোকে ব্যবহার করে છায়াযুদ্ধ লড়ে। আফগান-পাক যুদ্ধও তেমনই একটি ছায়াযুদ্ধ। এটি পারমাণবিক যুদ্ধে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। কিন্তু এই যুদ্ধগুলো বিশ্ব অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়ছে, মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে। তাই সরাসরি বোমা না পড়লেও, এই বিশ্বযুদ্ধের অর্থনৈতিক আঁচ আপনার-আমার রান্নাঘর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে।
এই অচলাবস্থা কতদিন চলবে, তার কোনো নির্দিষ্ট টাইমলাইন কেউ দিতে পারছে না। এটি পুরোপুরি নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্য এবং পাক-আফগান সীমান্তে যুদ্ধ থামার ওপর। বিমান সংস্থাগুলোর মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের পরিষেবা স্বাভাবিক করতে পারবে না। আবহাওয়া যেমনই হোক, আগামী কয়েকদিন এমনকি কয়েক সপ্তাহ ধরে এই ফ্লাইট বাতিলের ধারা চলতে পারে। এর ফলে শুধু ভারত নয়, গোটা বিশ্বের বিমান পরিবহণ শিল্প চরম ক্ষতির মুখে পড়ছে। এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের (ATF) খরচ বৃদ্ধি এবং দীর্ঘ ঘুরপথের কারণে আগামী দিনে টিকিটের দামও আকাশছোঁয়া হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এয়ার ইন্ডিয়া বাতিল করেছে লন্ডন, আমস্টারডাম, ফ্রাঙ্কফুর্টের মতো একাধিক ইউরোপগামী উড়ান। যাদের এই রুটগুলোতে টিকিট কাটা ছিল, তাদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে। সাধারণ যাত্রীদের জন্য এটি এক চরম মানসিক চাপের সময়।
যাত্রীদের জন্য নির্দেশিকা: এখন আপনার কী করণীয়?
আপনার যদি এই সময়ে কোনো আন্তর্জাতিক যাত্রার টিকিট কাটা থাকে, তবে এখন আপনার কী করণীয়? প্রথমেই বলি, প্যানিক বা আতঙ্কিত হবেন না। বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের তারা সবরকমভাবে সাহায্য করতে প্রস্তুত। যাত্রীদের রেজিস্টার্ড ফোন নম্বর বা ইমেলে ক্রমাগত আপডেট পাঠানো হচ্ছে। তারা রি-বুকিং (Re-booking) এবং বিকল্প যাত্রার সুযোগ দিচ্ছে। অর্থাৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিনা খরচে আপনি টিকিট রিশিডিউল করতে পারবেন।
বাড়ি থেকে এয়ারপোর্টের দিকে রওনা হওয়ার আগে একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন। নিজের ফ্লাইটের ‘লাইভ স্ট্যাটাস’ এয়ারলাইন্সের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে চেক করে নেবেন। কোনো গুজবে কান দেবেন না। এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীরা যেকোনো মুহূর্তে তাদের ২৪x৭ কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন। হেল্পলাইন নম্বরগুলো হলো +৯১ ১১৬৯৩২৯৩৩৩ এবং +৯১ ১১৬৯৩২৯৯৯৯। এখানে কল করে আপনি আপনার টিকিটের রিফান্ড বা রি-বুকিং সংক্রান্ত সমস্ত সঠিক তথ্য পেয়ে যাবেন। কলকাতার যাত্রীদের জন্য নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিজস্ব হেল্পলাইনও চালু রয়েছে।
যুদ্ধ কোনোদিন কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না। ইতিহাস সাক্ষী, অস্ত্রের ঝনঝনানি শুধু নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরায় আর শিশুদের ভবিষ্যৎ কেড়ে নেয়। ভারত একটি দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে কখনোই চাইবে না তার প্রতিবেশী দেশগুলো ধ্বংসের মুখে পড়ুক। কারণ আগুন যখন একবার লাগে, তখন তা শুধুমাত্র একটি ঘরে সীমাবদ্ধ থাকে না, পাশের ঘরেও ছড়িয়ে পড়ার ভয় থাকে। বিশ্ব বিমান পরিবহণ শিল্প এখন এক ভয়াবহ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। আপাতত আমাদের প্রার্থনা একটাই—খুব দ্রুত পরিস্থিতি শান্ত হোক এবং সাধারণ যাত্রীরা নিরাপদে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছান।
সাম্প্রতিক পোস্ট
- খামেনেইয়ের মৃত্যু ও ৪০ দিনের শোক! পহলভি রাজবংশের পতন থেকে কীভাবে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছলেন তিনি?
- খামেনেয়ের মৃত্যু! মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি কোন দিকে, ভারতের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
- রাতের শহরে মহিলাদের সুরক্ষায় বিশেষ বাহিনী রাজ্য সরকারের │ জানুন, কী সেই উদ্যোগ
- আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা! তিন ধাপে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, কীভাবে জানবেন আপনার নাম আছে কি না?
- লাদাখে বরফের ওপর ম্যারাথন! আফগান-পাক যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগেই চিনের সীমান্তে ভারতের এই পদক্ষেপ কেন মাস্টারস্ট্রোক?

