কলকাতা: দুর্গাপুজোর আগে শহরের রাস্তা ও উড়ালপুলে রামধনুর রং। কোথাও লাল-গোলাপি, কোথাও হলুদ-কমলার নকশা। কিন্তু সেই সাজের মধ্যেই মোটরসাইকেল পিছলে পড়ার দৃশ্য ছড়িয়ে পড়ায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রঙের আবরণ কি ভেজা রাস্তাকে পিচ্ছিল করেছে, নাকি দুর্ঘটনার অন্য কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার, ১৪ অক্টোবর নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আধিকারিকদের ঘটনাস্থলে গিয়ে পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন। গাড়ি চালানোর সময় রং চোখে চাপ ফেলছে কি না, সেই অভিযোগও বিবেচনা করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।
প্রশাসনের দাবি, ব্যবহার হয়েছে পিছলন প্রতিরোধী রং
অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, পুজোর জন্য অস্থায়ীভাবে রাস্তা রাঙানো হয়েছে। সাধারণ চকচকে রং ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, পিছলন প্রতিরোধী রং ব্যবহার করা হয়েছে। আলপনাকে বাংলার ঐতিহ্যের অংশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অন্যদিকে, ওই প্রতিবেদনে পরিবেশপ্রযুক্তিবিদ সোমেন্দ্রমোহন ঘোষ ব্যবহৃত আবরণ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তবে তাঁর পর্যবেক্ষণ কিংবা প্রশাসনের দাবি—কোনওটিই ঘটনাস্থলের পরীক্ষার বিকল্প নয়।
মন্ত্রী আরও দাবি করেন, সরকারি অর্থের পরিবর্তে সংস্থার সামাজিক দায়বদ্ধতার তহবিল থেকে এই কাজ হয়েছে।
এখনও প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বলা যাচ্ছে না, রঙের কারণেই মোটরসাইকেল পিছলেছে। দুর্ঘটনার সঙ্গে রঙিন রাস্তার উপস্থিতি দেখা যাওয়া এবং রংকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে প্রমাণ করা আলাদা বিষয়।
ভেজা রাস্তায় চাকা পিছলায় কেন?
গাড়ি চলা, থামা এবং বাঁক নেওয়ার জন্য টায়ার ও রাস্তার মধ্যে পর্যাপ্ত ঘর্ষণ প্রয়োজন। পথচারীর ক্ষেত্রেও জুতোর তলা ও মাটির মধ্যে ঘর্ষণই পা স্থির রাখতে সাহায্য করে।
রাস্তায় জল জমলে পৃষ্ঠের খসখসে অংশের কার্যকারিতা বদলে যেতে পারে। টায়ারের অবস্থা, গতি, জলের গভীরতা, রাস্তার ঢাল এবং আবরণের গঠন—সব মিলিয়ে চাকার ধরে থাকার ক্ষমতা নির্ধারিত হয়। তার সঙ্গে তেল, জ্বালানি বা ময়লা মিশলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
তাই রাস্তার রং শুধু দেখতে কেমন, তা দিয়ে নিরাপত্তা বোঝা যায় না। রঙের আবরণ শুকনো ও ভেজা অবস্থায় কতটা ঘর্ষণ বজায় রাখছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
রঙিন মানেই বিপজ্জনক নয়, বিশেষ উপাদান মানেই নিরাপদও নয়
একই রঙের দুটি রাস্তার আবরণ সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারে। একটিতে সাধারণ মসৃণ রং থাকতে পারে; অন্যটিতে রাস্তার জন্য তৈরি বন্ধনকারী উপাদান ও খসখসে খনিজকণা থাকতে পারে।
আবার নির্দিষ্ট রাস্তার উপযোগী উপাদান ব্যবহার করলেও ভুল প্রয়োগ, অতিরিক্ত পুরু আবরণ, অপরিষ্কার পৃষ্ঠ কিংবা যথেষ্ট সময় না দিয়ে যানবাহন চালু করলে প্রত্যাশিত ফল নাও মিলতে পারে।
সুতরাং ‘পিছলন প্রতিরোধী’ লেখা পাত্র দেখানোই যথেষ্ট নয়। রাস্তায় প্রয়োগের পরে সেই আবরণ কী ফল দিচ্ছে, তার পরীক্ষাও দরকার।
কীভাবে পিছলন প্রতিরোধী আবরণ তৈরি হয়?
সড়কচিহ্ন প্রস্তুতকারক সংস্থা স্বারকোর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, পিছলন প্রতিরোধ বাড়াতে আবরণে বা তার উপরে বালি, কাচের দানাদার উপাদান, কোরান্ডাম কিংবা বক্সাইটের মতো কণা ব্যবহার করা যায়। এগুলি উপরিভাগে সূক্ষ্ম খসখসে গঠন তৈরি করে।
রাতে গাড়ির আলোয় সড়কচিহ্ন দৃশ্যমান করতে ব্যবহৃত ক্ষুদ্র কাচের গোলকের প্রধান কাজ আলোকপ্রতিফলন। পিছলন প্রতিরোধী খনিজকণার কাজ আলাদা। তাই কাচের গোলক রয়েছে বলেই কোনও আবরণকে যথেষ্ট পিছলন প্রতিরোধী ধরে নেওয়া যায় না।
সমতল আবরণের পরিবর্তে উঁচুনিচু গঠনের সড়কচিহ্ন কখনও জল সরে যাওয়া ও ভেজা অবস্থায় দৃশ্যমানতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। তবে ফল নির্ভর করে সম্পূর্ণ ব্যবস্থার নকশা ও প্রয়োগের উপর।
পিছলন প্রতিরোধ কীভাবে মাপা হয়?
একটি প্রচলিত পরীক্ষায় দোলকযন্ত্রের নির্দিষ্ট রবারের অংশ ভেজা পৃষ্ঠের উপর দিয়ে চালানো হয়। ঘর্ষণের কারণে কত শক্তি ক্ষয় হচ্ছে, তা থেকে পৃষ্ঠের পিছলন প্রতিরোধের মান নির্ণয় করা হয়।
এই পরীক্ষার পদ্ধতি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক নথির মধ্যে রয়েছে ইউরোপীয় ১৩০৩৬-৪ এবং মার্কিন ই ৩০৩-২২ মান। সাধারণভাবে বেশি মান সংশ্লিষ্ট পরীক্ষায় বেশি ঘর্ষণ নির্দেশ করে। কিন্তু পরীক্ষার রবার, পদ্ধতি, পৃষ্ঠের অবস্থা ও প্রয়োগক্ষেত্র না জেনে দুটি ফল সরাসরি তুলনা করা ঠিক নয়। SWARCO
‘৫০-এর বেশি হলেই সব রাস্তা নিরাপদ’—এমন সর্বজনীন সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়। পথচারীর জুতো, সাইকেলের চাকা এবং দ্রুতগতির মোটরগাড়ির আচরণ এক নয়। দোলক পরীক্ষার একটি মান থেকেও সরাসরি কোনও নির্দিষ্ট গতিতে গাড়ির থামার দূরত্ব হিসাব করা যায় না।
ক্রোয়েশিয়ার পরীক্ষায় কী দেখা গিয়েছিল?
স্বারকো ক্রোয়েশিয়ায় কয়েক ধরনের পৃষ্ঠের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে। সেখানে ভেজা পৃষ্ঠে দোলক পরীক্ষায় পাওয়া মান ছিল—
| পরীক্ষিত পৃষ্ঠ | প্রকাশিত পরীক্ষামান |
|---|---|
| পিচের রাস্তা | ৪২–৬৪ |
| সড়কচিহ্নের রং ও কাচের গোলক | ৪০–৪৫ |
| একই ব্যবস্থায় ২০ শতাংশ পিছলন প্রতিরোধী কণা | ৪৪–৪৯ |
| তাপে প্রয়োগযোগ্য আবরণ ও কাচের গোলক | ৫৮–৬৩ |
| সাইকেলপথের তাপে প্রয়োগযোগ্য আবরণ ও পিছলন প্রতিরোধী কণা | ৭৫–৭৮ |
এগুলি একটি প্রস্তুতকারক সংস্থার প্রকাশিত নির্দিষ্ট পরীক্ষার ফল। কলকাতার রাস্তার ফল নয়, কিংবা প্রত্যেক পণ্যের নিশ্চিত কার্যকারিতার প্রমাণও নয়। তুলনাটি দেখায়, উপাদান ও গঠন বদলালে ঘর্ষণের ফল অনেকটা বদলাতে পারে।
কার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা দরকার?
মোটরসাইকেল ও সাইকেলচালক: ভারসাম্য বজায় রেখে বাঁক নেওয়া ও থামার সময় পর্যাপ্ত ঘর্ষণ জরুরি। বিশেষত রঙিন অংশ থেকে সাধারণ পিচে ওঠানামার সময় ঘর্ষণের পার্থক্য থাকলে চালক অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন।
বয়স্ক পথচারী: ভেজা আবরণে জুতোর তলা বা লাঠির প্রান্ত ঠিকমতো না আটকালে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে।
প্রতিবন্ধী ও স্বল্পদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষ: চলাচলের দিকনির্দেশ, পথ পারাপারের দাগ কিংবা স্পর্শনির্ভর নির্দেশক ঢেকে গেলে পথ বোঝা কঠিন হতে পারে। নকশার রং ও বৈপরীত্য বাছাইয়েও তাঁদের প্রয়োজন বিবেচনা করা জরুরি।
বাস, গাড়ি ও পণ্যবাহী যান: উড়ালপুলের ঢাল, বাঁক, মোড় এবং থামার জায়গায় চাকার ধরে থাকার ক্ষমতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বিদেশেও কি সৌন্দর্যের জন্য রাস্তা রাঙানো হয়?
বিদেশে সরাসরি রাস্তার উপর ফুল, প্রাণী, জ্যামিতিক নকশা ও বর্ণিল চিত্র আঁকার সরকারি কর্মসূচি রয়েছে। তবে পাড়ার ধীরগতির রাস্তা, শুধু পথচারীদের জন্য নির্ধারিত এলাকা এবং ব্যস্ত উড়ালপুলকে একই ধরনের জায়গা হিসেবে তুলনা করা যায় না।
পোর্টল্যান্ডে পাড়ার রাস্তা জুড়ে চিত্র
যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ড শহরে সরাসরি রাস্তার উপর বড় নকশা আঁকার ব্যবস্থা রয়েছে। কখনও একটি মোড়, কখনও একটি সম্পূর্ণ রাস্তার অংশজুড়ে ফুল, গাছ, প্রাণী বা জ্যামিতিক নকশা আঁকা হয়।
শহর কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত উদাহরণে নীল, সবুজ, লালসহ একাধিক রঙের ব্যবহার দেখা যায়। উদ্দেশ্য পাড়ার সৌন্দর্য বাড়ানো এবং প্রতিবেশীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ তৈরি করা।
সেখানে দুটি অনুমতি লাগে—একটি চিত্র আঁকার জন্য, অন্যটি নিরাপদে কাজ করতে সাময়িকভাবে রাস্তা বন্ধ রাখার জন্য। নকশা ও রাস্তা বন্ধ রাখার বিবরণ কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়। অর্থাৎ, শুধু শিল্পীর সিদ্ধান্তে চলন্ত রাস্তায় কাজ শুরু হয় না।
নিউ ইয়র্কে পথচারীদের জায়গায় বর্ণিল চিত্র
নিউ ইয়র্কের পরিবহণ বিভাগের উদ্যোগে পিচঢালা পথচারী চত্বরেও রঙিন চিত্র আঁকা হয়। অডুবন চত্বর এবং বেভারলি রোডের পথচারী এলাকায় এমন আয়োজনের সরকারি বিবরণ রয়েছে।
এই কর্মসূচিতে স্থান নির্বাচন, জননিরাপত্তা, শিল্পমান এবং স্থায়িত্ব বিবেচনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশিকায় সাময়িক শিল্পকর্মের জন্য সম্পূর্ণ পথচারীনির্ভর জায়গাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই এই উদাহরণকে সরাসরি দ্রুতগতির যান চলাচলকারী উড়ালপুল রাঙানোর সমর্থন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
লাল বাসপথ ও সবুজ সাইকেলপথ
নিউ ইয়র্কে বাসের জন্য নির্দিষ্ট পথে লাল এবং সাইকেলের পথে সবুজ রঙের ব্যবহার রয়েছে। এখানে রং নিছক সৌন্দর্যের জন্য নয়; কোন অংশ কার ব্যবহারের জন্য, তা বোঝানোর কাজও করে।
শহরের সড়ক নকশার নির্দেশিকায় পথচারীদের স্থান, বাসপথ ও সাইকেলপথ চিহ্নিত করতে রঙিন পৃষ্ঠ ব্যবহারের কথা রয়েছে। পথচারী এলাকায় শিল্পচিত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রেও প্রকৌশল পর্যালোচনার উল্লেখ রয়েছে। portal.311.nyc.gov
বিদেশি নিয়মে গুরুত্বপূর্ণ কী?
মার্কিন সড়কচিহ্ন নির্দেশিকার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, পথ পারাপারের সাদা রেখার মধ্যবর্তী রঙিন সাজ যেন সেই রেখার সঙ্গে বৈপরীত্য কমিয়ে না দেয়। আবার সাজসজ্জাকে চালক যেন ভুল করে কোনও নির্দেশ, সতর্কতা বা চলাচল নিয়ন্ত্রণের সংকেত মনে না করেন।
অর্থাৎ, আলপনা যত আকর্ষণীয়ই হোক, তা থামার রেখা, পথ পারাপারের চিহ্ন বা অন্যান্য নির্দেশকে অস্পষ্ট করতে পারে না।
ইউরোপীয় ১৪৩৬ সড়কচিহ্নের কার্যকারিতা সম্পর্কিত মান। কিন্তু কোনও সাধারণ রং দিয়ে সম্পূর্ণ রাস্তা ঢেকে দেওয়া নিরাপদ কি না, তার উত্তর শুধু ওই মানের নাম বললেই পাওয়া যায় না। প্রকল্পে কোন শ্রেণির কার্যকারিতা চাওয়া হয়েছে এবং বাস্তবে তা অর্জিত হয়েছে কি না, সেটি দেখতে হবে।
ভারতীয় বিধিতে কী যাচাই করা দরকার?
ভারতীয় সড়ক কংগ্রেসের সড়কচিহ্নবিষয়ক ৩৫ নম্বর নির্দেশিকায় সড়কচিহ্নের উপাদান, দৃশ্যমানতা ও কার্যকারিতা মূল্যায়নের কাঠামো রয়েছে। সংস্থার প্রকাশিত মূল্যায়ন-খসড়াতেও ওই নির্দেশিকা অনুযায়ী পিছলন প্রতিরোধ ও শুকনো-ভেজা অবস্থায় আলোকপ্রতিফলন পরীক্ষার উল্লেখ রয়েছে। irc.nic.in
তবে এই অনুসন্ধানে মূল নির্দেশিকার পূর্ণ প্রামাণ্য পাঠ যাচাই করা যায়নি। ফলে কলকাতার প্রকল্পে নির্দিষ্ট কোন ধারা প্রযোজ্য, কিংবা কোনও নির্দিষ্ট মান লঙ্ঘিত হয়েছে—তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
এখানে আরও একটি সতর্কতা জরুরি। ভারতীয় সড়ক কংগ্রেসের নিজস্ব পাতায় পিছলন প্রতিরোধবিষয়ক ২০২২ সালের ১৩৪ নম্বর নির্দেশিকা ১৭ জুলাই ২০২৪ থেকে স্থগিত রাখার বিজ্ঞপ্তি রয়েছে। তাই সেটিকে হালনাগাদ কার্যকর নির্দেশিকা ধরে উদ্ধৃত করা ঠিক হবে না।
কলকাতায় এখন কোন পরীক্ষাগুলি জরুরি?
দুর্ঘটনার কারণ জানতে শুধু রঙের নমুনা নয়, ঘটনাস্থলের পুরো পরিস্থিতি পরীক্ষা করা প্রয়োজন—
- ব্যবহৃত পণ্য: প্রস্তুতকারক, উপাদানের বিবরণ এবং রাস্তার জন্য নির্ধারিত ব্যবহার।
- প্রয়োগের পদ্ধতি: আবরণের পুরুত্ব, পৃষ্ঠ পরিষ্কার করা এবং পিছলন প্রতিরোধী কণা ব্যবহারের তথ্য।
- ভেজা অবস্থার পরীক্ষা: রঙিন অংশ ও পাশের সাধারণ পিচ—দুই জায়গায় একই পদ্ধতিতে তুলনামূলক পরীক্ষা।
- যান চলাচল চালুর সময়: আবরণ যথেষ্ট শুকিয়েছিল কি না এবং প্রস্তুতকারকের নির্দেশ মানা হয়েছিল কি না।
- দুর্ঘটনার পরিস্থিতি: গতি, বাঁক, থামার চেষ্টা, টায়ারের অবস্থা, বৃষ্টি ও জলনিকাশি।
- রাস্তার নির্দেশ: থামার রেখা, পথ পারাপারের দাগ ও অন্যান্য চিহ্ন স্পষ্ট রয়েছে কি না।
- পরবর্তী অবস্থা: যানবাহনের ঘর্ষণে আবরণ মসৃণ হচ্ছে কি না এবং বৃষ্টির পরে ফল বদলাচ্ছে কি না।
সাম্প্রতিক পোস্ট
নিয়োগ দুর্নীতি কি আগামী দিনে কমবে? জানুন, চাকরির নিয়মে এই পরিবর্তনে আসবে কি স্বচ্ছতা?
এক্সপোজড! ককরোচ জনতা পার্টির নেপথ্যে কোন চক্রান্তের গন্ধ? সত্যিটা জানলে চমকে উঠবেন
মহিলাদের বাসে টিকিট কাটতে হবে না! জানুন, এই কার্ড থাকলেই দিঘা থেকে দার্জিলিং সফর ফ্রী তে

