Live Budget Update 2026: বিধানসভা নির্বাচনের আবহে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যাশা তুঙ্গে। কৃষক সহায়তা, গ্রামীণ পরিকাঠামো, কর্মসংস্থান, শিল্প বিনিয়োগ, রেল ও সড়ক উন্নয়ন—এই সব খাতে রাজ্যের জন্য কি বিশেষ বরাদ্দ বা নতুন প্রকল্পের ঘোষণা আসছে? মধ্যবিত্ত, যুব সমাজ ও প্রান্তিক মানুষের স্বার্থে বাজেট কতটা জনদরদী হচ্ছে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের। ভোটের আগে কেন্দ্র কি বাংলার জন্য আলাদা বার্তা দিতে চাইছে? এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬-এর লাইভ আপডেট ও বিশদ বিশ্লেষণে।
লাইভ বাজেট আপডেট ২০২৬
- আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে বরাদ্দ ২০০০ কোটি টাকা।
- মহাকাশ ক্ষেত্রে বরাদ্দ ১৬৯০ কোটি টাকা।
- MSME সেক্টরের জন্য দশ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ।
- রাজ্য গুলির জন্য বরাদ্দ ১.৪ লক্ষ কোটি টাকা।
- কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য দশ হাজার কোটির বিশেষ বরাদ্দ।
বাজেট ২০২৬-এ ভারতের প্রতিরক্ষা (Defence) এবং বিমান চলাচল (Aviation) খাতের জন্য অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বেশ কিছু বৈপ্লবিক ঘোষণা করেছেন।
বিমান ও প্রতিরক্ষা শিল্পে বড় ছাড়: সস্তা হবে পার্টস এবং সি-প্লেন
১. বিমান যন্ত্রাংশ নির্মাণে শুল্ক ছাড়: প্রতিরক্ষা এবং অসামরিক (Civilian) বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে ভারতের স্বনির্ভরতা বাড়াতে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে, এখন থেকে বিমানের যন্ত্রাংশ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির ওপর কোনো বেসিক কাস্টমস ডিউটি (শুল্ক) দিতে হবে না। এর ফলে দেশে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ (Maintenance) এবং মেরামত (Repair) শিল্পের ব্যাপক উন্নতি ঘটবে।
২. সি-প্লেন (Seaplane) বা জলবিমানে বিশেষ জোর: ভারতের পর্যটন এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে সরকার সি-প্লেন তৈরির ওপর বিশেষ নজর দিয়েছে।
- সি-প্লেন তৈরির জন্য দেশীয় শিল্পকে আর্থিক উৎসাহ (Incentives) দেওয়া হবে।
- সাধারণ মানুষের জন্য সি-প্লেন সফর সাশ্রয়ী করতে টিকিটের ওপর ভর্তুকি (Subsidy) দেওয়ার ঘোষণাও করেছেন অর্থমন্ত্রী।
৩. অসামরিক বিমানের যন্ত্রাংশে ছাড়: অসামরিক এবং অন্যান্য বিমানের যন্ত্রাংশ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্ট বা পার্টস আমদানির ক্ষেত্রেও আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বাজেটে দাম কমলো কোন কোন দ্রব্যের?
মোবাইল ফোন, চামড়ার জুতো, কাপড়, বিড়ি, বায়োগ্যাস, সামুদ্রিক পণ্য, ওয়াশিং মেশিন, ক্যান্সারের ওষুধ, সোলার প্যানেল, মাইক্রোওয়েভ, বিদেশে পড়াশোনা, ব্যাটারি, সোনা, সিএনজি।
বাজেটে কোন দ্রব্যের দাম বাড়লো?
সিগারেট, খনিজ পদার্থ, মদ
সকাল এগারোটায় বাজেট শুরু হয়েছে অর্থমন্ত্রীর। দুপুর বারোটা পর্যন্ত বাংলার জন্য মাত্র দুটি বরাদ্দ। ভোটের আগে নিরাশ পশ্চিমবঙ্গবাসী। শেয়ারবাজারে পতন, হতাশ করদাতারা। বাংলার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারল না নির্মলা সীতারমানের বাজেট।
১২:৩৮: ক্যানসার চিকিৎসায় বিশেষ ছাড়: ১৭টি ওষুধ করমুক্ত
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছেন যে, ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসার খরচ কমাতে এবং তাঁদের আর্থিক স্বস্তি দিতে সরকার বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে:
- ১৭টি জীবনদায়ী ওষুধের ওপর কাস্টমস ডিউটি প্রত্যাহার: ক্যানসার চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ১৭টি ওষুধের ওপর থেকে বেসিক কাস্টমস ডিউটি (আমদানি শুল্ক) সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ক্যানসার চিকিৎসার খরচ সরাসরি অনেকটাই কমে আসবে।
- বিরল রোগের ওষুধের ওপর ছাড়: ক্যানসার চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত এবং বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজনে ব্যক্তিগতভাবে আমদানি করা ওষুধ ও খাবারের ক্ষেত্রে আরও ৭টি বিরল রোগকে (Rare Diseases) শুল্ক ছাড়ের আওতায় আনা হয়েছে।
১২:২৫: ২০৩৫ সাল পর্যন্ত পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের যন্ত্রপাতিতে আমদানি শুল্ক ছাড়
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছেন যে, পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির আমদানির ওপর বেসিক কাস্টমস ডিউটি (BCD) বা আমদানি শুল্ক থেকে যে ছাড় দেওয়া হতো, তার মেয়াদ বাড়িয়ে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে।
১২:২৪: অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছেন যে, সোলার গ্লাস (Solar Glass) তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত সোডিয়াম অ্যান্টিমোনিয়েটের (Sodium Antimonate) ওপর এখন থেকে আর কোনো আমদানি শুল্ক (Customs Duty) দিতে হবে না।
সেনসেক্স (Sensex) প্রায় ৮০০ পয়েন্ট নিচে নেমে গেছে।
MAT হার ১৫% থেকে কমিয়ে ১৪% করার ঘোষণা
এটি এমন একটি কর যা কোম্পানিগুলোকে দিতে হয় যদি তাদের সাধারণ আয়করের পরিমাণ তাদের বুক প্রফিট বা বইয়ের মুনাফার একটি নির্দিষ্ট শতাংশের নিচে থাকে। মূলত জিরো-ট্যাক্স কোম্পানিগুলোকে করের আওতায় আনতেই এই MAT চালু করা হয়েছিল।
১২:১৯: অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছেন যে, এখন থেকে ন্যূনতম বিকল্প কর বা MAT-এর হার বর্তমানের ১৫% থেকে কমিয়ে ১৪% করা হবে।
১২:১৮: অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছেন যে, এখন থেকে সব ধরনের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মূলধনী লাভের ওপর কর দিতে হবে। এর প্রধান পয়েন্টগুলো হলো:
১২:১৬: সামুদ্রিক পণ্যের দাম কমানো হবে। চামড়ার শিল্পকে ছাড় দেওয়া হবে। পারমাণবিক বিদ্যুতের দাম কমবে।
১২:০৯: অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন যে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে সরকারের ঋণবিহীন মোট প্রাপ্তির (Non-Debt Receipts) পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা।
১২:০৪: রাজকোষ ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা: ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য রাজকোষ ঘাটতি জিডিপির ৪.৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজেটে ঘোষিত এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলো নিচে বাংলাতে দেওয়া হলো:
- ক্ষুদ্র কৃষকদের বিশেষ গুরুত্ব প্রদান: ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের আয় বৃদ্ধি এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।
- মানসিক স্বাস্থ্য ও ট্রমা কেয়ার: অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিদের মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং ট্রমা কেয়ার বা আঘাত-পরবর্তী চিকিৎসার সুযোগ সহজলভ্য করার মাধ্যমে তাঁদের ক্ষমতায়ন করা।
- ৫০০টি জলাশয় উন্নয়ন: জল সংরক্ষণ এবং সেচ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য সারা দেশে ৫০০টি জলাশয় তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ।
- উপকূলীয় মৎস্য চাষের পরিকাঠামো শক্তিশালীকরণ: উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্য চাষের ভ্যালু চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করা, যাতে মৎস্যজীবীরা সঠিক দাম পান।
- পশুপালনে ভর্তুকি ও ঋণ সহায়তা: একটি ক্রেডিট-লিঙ্কড (ঋণ সংক্রান্ত) ভর্তুকি কর্মসূচির মাধ্যমে পশুপালন খাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
- পশুপালক উৎপাদক সংস্থা (LFPO) তৈরিতে উৎসাহ: পশুপালকদের নিয়ে সমবায় বা উৎপাদক গোষ্ঠী (Farmer Producer Organisations) গড়ে তুলতে উৎসাহ দেওয়া, যাতে তাঁরা সম্মিলিতভাবে লাভবান হতে পারেন।
১১:৫৯: নতুন আয়কর আইন কার্যকর হবে ১লা এপ্রিল থেকে।
১১:৫৭: বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৪.৩ শতাংশ থাকবে।
১১:৫৩: বাংলার জন্য থাকছে দ্বিতীয় ঘোষণা। দুর্গাপুরে গড়ে তোলা হবে শিল্প-করিডোর।
১১:৫২: “গত ১০ বছরে সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টা এবং সংস্কারমুখী পদক্ষেপের ফলে দেশের প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমুখী দারিদ্র্য (Multidimensional Poverty) থেকে মুক্তি পেয়েছেন।”
১১:৪৪: কর্পোরেট বাজার কে উৎসাহিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নতুন কাঠামো তৈরির কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী।
১১:৪৩: দেশে চাকরির ওপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কতটা প্রভাব বিস্তার করছে সেই বিষয়ে কমিটি গঠন করা হবে।
১১:৩৯: সারা দেশের নতুন ষোল হাজার সেকেন্ডারী স্কুল তৈরি করা হবে। প্রত্যেক জেলায় তৈরি হবে মহিলাদের হোস্টেল।
১১:৩৮: পাঁচ বছরে ২০টি নতুন জাতীয় জলপথ চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। জাহাজ মেরামতির জন্য পাটনা এবং বারাণসীতে পরিবেশ বান্ধব বাস্তু তন্ত্র তৈরি করা হবে।
১১:৩৫: পরিষেবা ক্ষেত্রে বিশেষ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে বাজেটে। এই ক্ষেত্রে বিশ্বের ১০ শতাংশ বাজার দখল করার লক্ষ্যমাত্রাও স্থির করা হয়েছে।
১১:৩২: মূলধনী ব্যয় এর লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ১২.২ লক্ষ কোটি টাকা। জানালেন নির্মলা সীতারামন।
১১:২৬: ২০২৬-২৭ আর্থিক বছরের বাজেট ঘাটতি ৪.৪ শতাংশ।
১১:২৫: এবারের বাজেটে বাংলার জন্য প্রথম বড় ঘোষণা। ডানকুনি থেকে কারগো, ফ্রেড করিডোর নির্মাণ করা হবে। পণ্য পরিবহনে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। হাইস্পিড রেল করিডোর তৈরি করা হবে শিলিগুড়িতে।
১১:২০: ভারতে ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশনের কথা বলা হয়েছে। গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলি গড়ে তোলার বিষয়ে জোড় দেওয়া হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থাৎ এআইয়ের প্রয়োগের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
১১:১৮: খেলাধুলার সরঞ্জাম বেশি করে কেনার প্রতি জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
১১:১৫: খনিজ শিল্পে জোর দেওয়ার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী। বস্ত্র শিল্পে বিশেষ নজর থাকবে সরকারের। সেই উদ্দেশ্যে মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ প্রকল্প চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১১:১৩:বায়ো ফার্মা প্রকল্পে হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
১১:১১: দেশের যুব শক্তির উপর তিনি জোর দিয়েছেন। দক্ষতার উপর জোর দিয়েছেন।
১১:১৩:বায়ো ফার্মা প্রকল্পে হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
১১:০৩: মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে তিনি জোর দিয়েছেন।
১১:০৩: বাজেট পেশ করতে শুরু করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন টানা নবমবারের মতো ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন। সকাল নটায় তিনি সংসদ ভবনে প্রবেশ করেছেন। মন্ত্রিসভার অনুমতি নিয়েই বাজেট পেশ হতে চলেছে সকাল ১১ টায়। এবছর বিশেষত্ব হলো, এই দিনটি রবিবার, ফলে ভারতের ইতিহাসে এই প্রথমবার রবিবার কেন্দ্রীয় বাজেট উপস্থাপিত হচ্ছে। অনেকের মনেই প্রশ্ন—রবিবারেই বা কেন বাজেট?
এর কারণ মূলত তারিখ-নির্দিষ্ট নীতি। ২০১৭ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রতিবছরই ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করা হবে, যাতে ১ এপ্রিল নতুন অর্থবছর শুরুর আগেই বাজেট সংক্রান্ত সংসদীয় অনুমোদন সম্পন্ন করা যায়। ২০২৬ সালে ১ ফেব্রুয়ারি পড়েছে রবিবারে, তাই দিন বদলানো হয়নি।
২০১৭ সালের আগে ব্রিটিশ আমলের রীতি অনুযায়ী বাজেট ফেব্রুয়ারির শেষ কর্মদিবসে পেশ করা হত, যার ফলে নতুন অর্থবছর শুরুর আগে প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হতো। সেই সমস্যা দূর করতেই তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বাজেটের তারিখ এগিয়ে আনেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজেট পেশে কোনও সাংবিধানিক বাধা নেই। সংসদ প্রয়োজনে বিশেষ অধিবেশন বসাতে পারে। যদিও রবিবার এই প্রথম, এর আগেও শনিবার বাজেট পেশ হয়েছে—যেমন ২০১৫ ও ২০২৫ সালে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হয়েছিল বাজেট উপস্থাপনের সময় নিয়ে। আগে বিকেল ৫টায় বাজেট পেশ করা হতো, যা ছিল ব্রিটিশ সময়ের সুবিধার জন্য। ১৯৯৯ সালে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা সেই প্রথা বদলে সকাল ১১টা সময় নির্ধারণ করেন, যাতে সংসদে আলোচনার জন্য বেশি সময় পাওয়া যায়। সেই নিয়ম এখনও চলছে।
রবিবার বাজেট হলেও শেয়ার বাজার খোলা থাকবে। ওই দিন প্রাক-লেনদেন পর্ব সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে নিয়মিত লেনদেন চলবে সকাল ৯টা ১৫ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। সংক্ষেপে বলা যায়, রবিবার বাজেট হওয়া ব্যতিক্রমী হলেও এটি পরিকল্পিত ও প্রশাসনিক সুবিধার দিক থেকেই নেওয়া সিদ্ধান্ত।
#UnionBudget2026 #Budget2026 #LiveBudgetUpdate2026 #NirmalaSitharaman #BudgetDay
(আরও গুরুত্বপূর্ণ খবর ও রাশিফল আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল WhatsApp চ্যানেলে যোগ দিন! সবচেয়ে আগে পান জ্যোতিষ, অফবিট নিউজ, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি, বিনোদন, জীবনধারা ও অফবিট এক্সক্লুসিভ আপডেট —আমাদের WhatsApp Channel-এ যোগ দিন)
সাম্প্রতিক পোস্ট
- Gen Z-এর প্রেমের নতুন শব্দভান্ডার জানেন? ভালোবাসার নতুন ব্যাকরণ শিখুন | Gen Z Love Trends 2026
- ব্যস্ত সকালে এই ৫টি Tiffin Recipe রাখুন রোজের তালিকায় | Easy Tiffin Recipes
- ঠাকুর, দেবতা, ভগবান ও ঈশ্বর কি একই? গুলিয়ে ফেলার আগে জেনে নিন আসল তফাৎ | God vs Deity Meaning in Bengali
- জানুন, ব্যক্তি সুভাষের অনন্য প্রেমকাহিনী: সুভাষ ও এমিলি
- গান্ধী বনাম নেতাজি—মূল পার্থক্যটা কোথায়? | Gandhi vs Netaji

