NCPI Rebel MPs: এনসিপিআইয়ের ভবিষ্যৎ ঘিরে জোর জল্পনা। মুর্শিদাবাদের তিন বিক্ষুব্ধ সাংসদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বাড়ছে কৌতূহল। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের পরই স্পষ্ট হতে পারে তাঁদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যাওয়া বিদ্রোহী সাংসদদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে। তাঁরা কি সাংসদ পদ ধরে রাখতে পারবেন? নাকি স্বীকৃতি-সংক্রান্ত জটিলতায় পড়বেন? আবার শেষ পর্যন্ত কি তাঁরা সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেবেন? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতেই এখন নজর দিল্লির রাজনৈতিক বৈঠকগুলির দিকে।
সূত্রের খবর, এনসিপিআইয়ের স্বীকৃতি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে আলোচনা করেছেন তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, দলের বর্তমান অবস্থান এবং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হওয়া বৈঠকের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। এই আলোচনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।
মঙ্গলবার দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়া বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বৈঠকে আগামী দিনের রাজনৈতিক কৌশল, দলের সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক এবং এনসিপিআইয়ের পরবর্তী অবস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। সেই কারণেই এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে নতুন করে জল্পনা উসকে দিয়েছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, এনসিপিআইয়ে যাওয়া ছয়জনেরও বেশি বিদ্রোহী সাংসদ ইতিমধ্যেই কালীঘাটের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। শুধু তাই নয়, প্রায় তিরিশজনেরও বেশি বিধায়কও কালীঘাটের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে তাঁর দাবি।
কুণাল ঘোষের অভিযোগ, বিভিন্ন পরিস্থিতির চাপে অনেকেই দল ছেড়েছিলেন। কিন্তু পরে জনমত ও ভোটারদের প্রতিক্রিয়া দেখে তাঁদের অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে। সেই কারণেই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন করে উল্টো স্রোত তৈরি হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেছেন।
তবে এই দাবিগুলির স্বাধীনভাবে সরকারি বা নিরপেক্ষ সূত্রে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা উসকে দিয়েছেন মুর্শিদাবাদের তিন বিক্ষুব্ধ সাংসদ—আবু তাহের খান, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠান। তাঁরা বর্তমানে এনসিপিআইয়ের সঙ্গে থাকলেও, তাঁদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তাঁরা কি এনসিপিআইতেই থাকবেন, নাকি আবার তৃণমূলে ফিরে যাবেন?
সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন আবু তাহের খান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এনডিএর বৈঠকে তিনি যোগ দেবেন না। তবে একই সঙ্গে তিনি এও বলেছেন যে, তিনি এখনও এনসিপিআইতেই রয়েছেন এবং দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চান।
এই অবস্থান ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। কারণ, দিল্লিতে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে এনসিপিআইয়ের সাংসদদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের দিকে এখন নজর সবার। মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠকের পরই অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যাবে মুর্শিদাবাদের এই তিন বিক্ষুব্ধ সাংসদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই বৈঠকের ফলাফলের উপরই নির্ভর করতে পারে তাঁরা এনসিপিআইয়ের সঙ্গেই থাকবেন, নাকি আবার তৃণমূল কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তনের পথ বেছে নেবেন। ফলে আজকের বৈঠক রাজ্য রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, মঙ্গলবারের বৈঠক এবং প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হওয়া রাজনৈতিক আলোচনা এনসিপিআইয়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এনসিপিআই কি এনডিএ-র শরিক হিসেবেই থাকবে, নাকি বিদ্রোহী সাংসদদের একাংশ শেষ পর্যন্ত সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেবেন? সেই উত্তর মিলতে পারে আগামী কয়েক দিনের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহেই।
#NCPI #WestBengalPolitics #SuvenduAdhikari #AbuTaherKhan #YusufPathan #KhalilurRahaman #TMC #PoliticalNews #Murshidabad #IndiaPolitics
সাম্প্রতিক পোস্ট
‘সাথীরা, প্রশ্নফাঁস মাফিয়াদের রেয়াত নয়’– সংসদে বিল পাসের পর প্রথমবার কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?
সিলেবাসে বড় পরিবর্তন কবে থেকে? শিক্ষক নিয়োগেও সুখবর? কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী?
আবার কি বদলে যাবে নোট? দেশে আসছে প্লাস্টিকের নোট,জানুন, কী বদল আসছে?
১লা আগস্ট থেকে স্কুলের খাবারের দায়িত্ব ইস্কনের, ডিম বিতরণ, ও শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা

