Shuvendu Adhikari Teachers Day-তে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক বড় ঘোষণা। ‘সিএম শ্রী স্কুল’, বিদ্যাসাগর মেরিট স্কলারশিপ, স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক নিয়োগ ও পড়ুয়াদের সুযোগ বাড়াতে কী পরিকল্পনার কথা জানালেন তিনি, জানুন বিস্তারিত।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: শিক্ষক দিবসে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক ঘোষণা ও পরিকল্পনার কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্যে শুধু শিক্ষক নিয়োগ বা বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো নয়, পড়ুয়াদের জন্য নতুন বৃত্তি, বিদ্যালয়ভিত্তিক বিশেষ প্রকল্প, খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং সরকারি স্কুলের পরিবেশ উন্নয়নের মতো একাধিক বিষয় উঠে এসেছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে দুটি নতুন প্রকল্পের কথা—প্রতি জেলায় দুটি করে ‘সিএম শ্রী স্কুল’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা এবং বিদ্যাসাগর মেরিট স্কলারশিপের সূচনা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই বিশেষ বিদ্যালয়গুলি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের ধাঁচে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে মেধাবী পড়ুয়াদের উৎসাহ দিতে বিদ্যাসাগরের নামে বৃত্তি চালুর কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ৬০৯টি বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা, মধ্যাহ্নভোজের আওতা বাড়ানো, বিদ্যালয়ে সৌর প্যানেল, জল পরিশোধন ব্যবস্থা, আলাদা শৌচালয়, স্বাস্থ্যবিধির ব্যবস্থা, গ্রন্থাগার ও খেলার মাঠ উন্নয়নের কথাও বলেন তিনি।
বিদ্যাসাগর মেরিট স্কলারশিপ, মেধাবী পড়ুয়াদের জন্য নতুন উদ্যোগ
শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানেই বিদ্যাসাগর মেরিট স্কলারশিপের সূচনা হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্যে এই বৃত্তিকে শিক্ষা ব্যবস্থায় মেধার স্বীকৃতি দেওয়ার একটি উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নামের সঙ্গে নারীশিক্ষা, সামাজিক সংস্কার এবং শিক্ষার প্রসঙ্গ জড়িয়ে রয়েছে—এই বিষয়টি উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, আজও বিদ্যাসাগর প্রাসঙ্গিক। তাঁর নামে মেধাবী পড়ুয়াদের জন্য বৃত্তি চালুর বিষয়টিও সেই শিক্ষাভাবনার সঙ্গে যুক্ত বলে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।
শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য না রাখার কথাও বলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কোনও সম্প্রদায়ের পড়ুয়াদের শুধুমাত্র বৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থা তিনি বন্ধ করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল বার্তা ছিল—পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে বৈষম্য নয়, সমান সুযোগ থাকা উচিত।
মাদ্রাসা বোর্ডের কৃতী পড়ুয়াদের সম্মানিত করার কথাও জানান তিনি। অর্থাৎ বিভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থার কৃতী পড়ুয়াদের সম্মান দেওয়ার উদ্যোগের কথাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।
‘সিএম শ্রী স্কুল’, প্রতি জেলায় দুটি করে বিশেষ বিদ্যালয়ের পরিকল্পনা
শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উঠে আসে ‘সিএম শ্রী স্কুল’-এর কথা। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি জেলায় দুটি করে এই ধরনের বিদ্যালয় তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
এই বিদ্যালয়গুলিকে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের মতো পরিচালনার পরিকল্পনার কথা বলেন তিনি। অর্থাৎ নির্দিষ্ট কিছু বিদ্যালয়কে উন্নত পরিকাঠামো ও শিক্ষার পরিবেশের মাধ্যমে বিশেষভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে বলে তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত মেলে।
তবে এই প্রকল্পের সম্পূর্ণ কাঠামো, নির্দিষ্ট অর্থবরাদ্দ বা কোন কোন বিদ্যালয় এই ব্যবস্থার আওতায় আসবে, সে বিষয়ে তাঁর দেওয়া বক্তব্যে বিস্তারিত তথ্য নেই। তাই আপাতত প্রতি জেলায় দুটি করে বিশেষ বিদ্যালয় তৈরির পরিকল্পনাটিই মূল ঘোষণা হিসেবে উঠে এসেছে।
এর পাশাপাশি বিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশকে আরও সুন্দর করার উপরও জোর দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু পড়াশোনা নয়, বিদ্যালয়ে খেলাধুলা, সংস্কৃতি, শরীরচর্চা এবং মূল্যবোধের চর্চাও থাকা দরকার।
৬০৯ বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা
শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরাতে পরিকাঠামোকে প্রথম ধাপ হিসেবে দেখেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে ৬০৯টি বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা। পাশাপাশি ১৯ হাজার বিদ্যালয়ে পরিকাঠামোগত সমস্যা থাকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকা, পরিশ্রুত পানীয় জলের সমস্যা, রান্নার ব্যবস্থা এবং পড়ুয়াদের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধার ঘাটতির কথা বলেন তিনি। এই পরিস্থিতি বদলাতে বিদ্যালয়গুলিতে সৌর প্যানেল বসানো এবং জল পরিশোধনের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার কথা জানান।
ছাত্রছাত্রীদের জন্য আলাদা শৌচালয় এবং মেয়েদের স্বাস্থ্যবিধির জন্য স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা বসানোর কথাও বলেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
শুধু ভবন তৈরি করলেই যে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি হবে না, তাঁর বক্তব্যে সেই ধারণাটিও স্পষ্ট। বিদ্যালয়ের পরিবেশকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন এবং পড়াশোনার উপযোগী করে তোলার উপর জোর দেন তিনি।
মধ্যাহ্নভোজ, পোশাক ও স্কুলে পড়ুয়াদের ধরে রাখার পরিকল্পনা
সরকারি বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের সংখ্যা ও আগ্রহ ধরে রাখার জন্য শুধু বই বা শিক্ষক যথেষ্ট নয়—বিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্যে সরকারি স্কুলে ভালো মধ্যাহ্নভোজ এবং ভালো পোশাক দেওয়ার প্রসঙ্গ উঠে আসে।
মধ্যাহ্নভোজের বরাদ্দ বাড়ানোর কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে এই খাবারের আওতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও বলেন। সপ্তাহে দু’দিন সিদ্ধ ডিম দেওয়ার কথা তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে।
মধ্যাহ্নভোজকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ সাত্ত্বিক আহার চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন বলেও জানান তিনি। অর্থাৎ খাদ্যব্যবস্থা নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গও তাঁর বক্তব্যে ছিল।
বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক চাপ কমানোর মতো উদ্যোগও যে সরকারি স্কুলের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে পারে, তাঁর বক্তব্যে সেই দিকটি গুরুত্ব পেয়েছে।
খেলাধুলা ফিরবে, খোখো-হাডুডুর উপরেও জোর
দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিক হল বিদ্যালয়ে খেলাধুলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা। শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে যে স্কুলে খেলাধুলার উপর যথেষ্ট নজর দেওয়া হয়নি।
ব্রতচারীর মতো শরীরচর্চার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষার্থী বাহিনীর চর্চা ফিরিয়ে আনার কথাও জানান। খোখো ও হাডুডুর মতো খেলাকে বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনার উপর জোর দেন।
তাঁর বক্তব্যে বিদ্যালয়ের মাঠের উন্নয়নের কথাও রয়েছে। মেদিনীপুরের কিছু বিদ্যালয়ের বড় মাঠ, পুকুর এবং প্রার্থনার জায়গার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, এই ধরনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা দরকার।
বিদ্যালয়ে সংগীতচর্চার সুযোগ তৈরির জন্য তবলা, সেটার, হারমোনিয়াম, একতারা ও খঞ্জনির মতো বাদ্যযন্ত্র রাখার কথাও বলেন তিনি। অর্থাৎ তাঁর পরিকল্পনায় শিক্ষা শুধু শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ নয়; খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সংস্কৃতিও তার অংশ।
গ্রন্থাগার থেকে সংস্কৃতি, বিদ্যালয়কে ‘পবিত্র সুন্দর পরিবেশে’ গড়ার লক্ষ্য
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে বিদ্যালয়ের পরিবেশের প্রসঙ্গ বারবার এসেছে। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারগুলি ভালোভাবে সাজানো দরকার। খেলার মাঠও সুন্দর করে গড়ে তুলতে হবে।
রামকৃষ্ণ মিশনের মতো পবিত্র ও সুন্দর পরিবেশ বিদ্যালয়ে তৈরি করার কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি স্বামী বিবেকানন্দ, বিদ্যাসাগর ও মাতঙ্গিনী হাজরার মতো ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যুক্ত স্মৃতি ও প্রতীক বিদ্যালয়ের পরিবেশে ফিরিয়ে আনার কথাও বলেন।
ভারতীয় পরম্পরা ও মূল্যবোধকে শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করার উপরও জোর দেন তিনি। সংস্কৃত শেখার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। বন্দেমাতরমের প্রতিটি শব্দের মধ্যে গভীর তাৎপর্য রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।
পাঠ্যক্রমে পশ্চিমবঙ্গের সৃষ্টি, স্বামী প্রণবানন্দ এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে পড়ুয়াদের জানার সুযোগ থাকা দরকার বলে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।
শিক্ষক নিয়োগেও বদলের ইঙ্গিত
শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে শিক্ষক নিয়োগের প্রসঙ্গও উঠে আসে। শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে শিক্ষক নিয়োগ করা উচিত নয়। লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের কথা বলেন তিনি।
মৌখিক পরীক্ষায় বেশি নম্বর রাখা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন। সংরক্ষণ নীতি মেনে নিয়োগের কথা জানান। অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির ক্ষেত্রে অন্যায়ভাবে কাউকে বাদ দেওয়া যাবে না বলেও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।
শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করার কথাও বলেন তিনি। তবে নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে সবিস্তার পরিকল্পনা সেই অনুষ্ঠানে প্রকাশ করেননি।
একই সঙ্গে শিক্ষককে শিক্ষাদানের বাইরে অতিরিক্ত প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত না রাখার কথাও বলেন। মধ্যাহ্নভোজ পরিচালনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সহায়ক কাজের জন্য শিক্ষা সহায়ক কর্মী নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান তিনি।
আর্থিক নিরাপত্তা ও শিক্ষক-পড়ুয়ার স্বার্থকে গুরুত্ব
শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে। সপ্তম বেতন কমিশন করার কথা জানান শুভেন্দু। পুজোর আগে অগ্রিম বেতন দেওয়ার কথাও বলেন।
তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, শিক্ষার উন্নয়ন শুধু পড়ুয়াদের সুযোগ বাড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষককে আর্থিকভাবে নিরাপদ রাখা এবং তাঁর কাজের পরিবেশ উন্নত করাও জরুরি।
শিক্ষকদের মর্যাদা ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গও বলেন তিনি। এখনও শিক্ষককে দেখলে অনেকে জুতো খুলে প্রণাম করেন—এই কথা উল্লেখ করে শিক্ষকের সামাজিক মর্যাদার দিকে ইঙ্গিত করেন তিনি।
অন্যদিকে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা, খাবার, পোশাক, শৌচালয়, পানীয় জল এবং স্বাস্থ্যবিধির মতো মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করার কথাও তাঁর বক্তব্যে রয়েছে।
‘তিন বছরে’ শিক্ষায় বদলের লক্ষ্য
শিক্ষক দিবসের বক্তব্যে শুভেন্দু অধিকারী শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনের একটি বিস্তৃত ছবি তুলে ধরেছেন। একদিকে রয়েছে বিদ্যাসাগর মেরিট স্কলারশিপ এবং ‘সিএম শ্রী স্কুল’-এর মতো নতুন উদ্যোগ, অন্যদিকে রয়েছে বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়ন, মধ্যাহ্নভোজ, শিক্ষক নিয়োগ, খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের উপর জোর।
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে শিক্ষায় দেশের সেরা দশের মধ্যে নিয়ে যেতে তিন বছর সময় লাগতে পারে। অর্থাৎ তাঁর বক্তব্যে তাৎক্ষণিক ঘোষণার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের লক্ষ্যও উঠে এসেছে।
#ShuvenduAdhikariTeachersDay #ShuvenduAdhikari #TeachersDay #ShuvenduAdhikariSpeech #WestBengalEducation #WestBengalEducationReform #CMShreeSchool #VidyasagarMeritScholarship #SchoolEducation #TeacherRecruitment #SchoolInfrastructure #GovernmentSchools #EducationReform #WestBengalSchools #TeachersDaySpeech
সাম্প্রতিক পোস্ট
স্কুলের শৌচাগারে সাপ! নামী বেসরকারি স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন, কী বলছে কর্তৃপক্ষ
নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণ কী? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিজিৎ দীপকে কি তবে এবার বিজেপিতে? রাজনৈতিক প্রস্তাব ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা
ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, হাইকোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পদক্ষেপ কী?

