Suvendu Adhikari-র বক্তব্যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার থেকে আবাস যোজনা, জনকল্যাণমূলক প্রকল্প থেকে শিল্প বিনিয়োগ—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ উঠে এল। রাজ্যের উন্নয়ন, সরকারি পরিষেবা, যোগ্য উপভোক্তা এবং নতুন প্রকল্প নিয়ে তাঁর বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জোরদার আলোচনা ও বিতর্ক।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্য সরকারের একাধিক সিদ্ধান্ত, সামাজিক প্রকল্প, শিল্প বিনিয়োগ, স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প নিয়ে একসঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্যে যেমন উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ মেইনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার রুলস, ২০১৮-এর সংশোধিত নিয়ম কার্যকর হওয়ার প্রসঙ্গ, তেমনই নিউটাউনে আদানি গোষ্ঠীর প্রস্তাবিত ২০০০ শয্যার হাসপাতাল নিয়েও বড় ঘোষণা করেছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ওই হাসপাতালের অর্ধেক শয্যা আর্থিকভাবে দুর্বল ও দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। একইসঙ্গে শিল্পক্ষেত্রে এলঅ্যান্ডটি এবং হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসকে ঘিরে সম্ভাব্য উদ্বোধনী কর্মসূচির কথাও জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, আবাসন, সাংবাদিকদের পেনশন, বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বণ্টন নিয়েও বিরোধীদের অভিযোগের জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সব মিলিয়ে তাঁর বক্তব্যে উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত—তিনটি ক্ষেত্রই একসঙ্গে উঠে এসেছে। জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা বণ্টন নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল দীর্ঘ। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের প্রসঙ্গ উঠে আসে। বিরোধীদের বিভিন্ন অভিযোগের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতাই মূল বিষয়।
তিনি বলেন, “অন্নপূর্ণাতে পাবেন আস্তে আস্তে পাবেন। যারা যোগ্য পাবেন।”
এরপর সুবিধাভোগীদের সংখ্যা নিয়েও একটি হিসাব তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪৭২ জনের অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, সুবিধাভোগীদের মধ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও রয়েছেন এবং যোগ্যতার ভিত্তিতেই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, “যারা যোগ্য তারা হিন্দু কি মুসলিম কি, বিজেপি কি তৃণমূল কি—পেয়েছে।”
এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক পরিচয় বা ধর্মের ভিত্তিতে সুবিধা বণ্টনের অভিযোগ অস্বীকার করার চেষ্টা করেছেন। একইসঙ্গে নন্দীগ্রামের একটি গ্রামের উদাহরণ দিয়ে তিনি আবাসন প্রকল্পের সুবিধা বণ্টন নিয়েও বিরোধীদের প্রশ্নের জবাব দেন।
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, একটি গ্রামে ৮৬ শতাংশ হিন্দু জনসংখ্যা থাকা সত্ত্বেও আবাসনের সুবিধা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মুসলিমদের সংখ্যা বেশি ছিল। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট হিসাব তাঁর কাছে রয়েছে এবং প্রয়োজনে সেই তালিকা প্রকাশ করা হবে।
#SuvenduAdhikari #AnnapurnaBhandar #AwasYojana #WestBengalPolitics #BengalPolitics #WestBengalGovernment #WelfareSchemes #AdaniHospital #NewTownHospital #PoliticalNews
সাম্প্রতিক পোস্ট
স্কুলের শৌচাগারে সাপ! নামী বেসরকারি স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন, কী বলছে কর্তৃপক্ষ
নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণ কী? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিজিৎ দীপকে কি তবে এবার বিজেপিতে? রাজনৈতিক প্রস্তাব ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা
ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, হাইকোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পদক্ষেপ কী?

