নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: হঠাৎ আপনার মোবাইলে বেজে উঠল ফোন। পর্দায় ভেসে উঠল সম্পূর্ণ অচেনা একটি নম্বর। কে ফোন করছেন? কোনও পরিচিত ব্যক্তি, জরুরি কোনও খবর, নাকি প্রতারণার ফাঁদ? ফোন ধরার আগে এমন প্রশ্ন কমবেশি প্রত্যেকের মনেই আসে। বিশেষ করে বর্তমানে ভুয়ো ফোন, আর্থিক প্রতারণা এবং অপরিচিত নম্বর থেকে বিরক্তিকর কলের ঘটনা সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এবার সেই সমস্যার মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ বিভাগ।
প্রকাশিত নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে দেশের মোবাইল ব্যবহারকারীরা অচেনা ভারতীয় নম্বর থেকে ফোন এলে নম্বরের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংযোগের নিবন্ধিত গ্রাহকের নামও দেখতে পাবেন। অর্থাৎ কোনও নম্বর আপনার মোবাইলে সংরক্ষিত না থাকলেও সেই নম্বরটি কার নামে নথিভুক্ত রয়েছে, তা ফোনের পর্দায় দেখানোর ব্যবস্থা চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এই ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, পর্দায় যে নাম দেখা যাবে, সেটি টেলিযোগাযোগ সংস্থার নথিতে থাকা গ্রাহকের নাম। প্রকৃতপক্ষে ফোনটি কে করছেন, তা সব ক্ষেত্রে নিশ্চিত হওয়া যাবে না।
কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ বিভাগের ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখের সংশোধিত নির্দেশকে কেন্দ্র করে তাই নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। কীভাবে কাজ করবে এই ব্যবস্থা? কোন ফোনে সুবিধা পাওয়া যাবে? বিদেশ থেকে ফোন এলে কী দেখাবে? আর এই নতুন নিয়ম কি সত্যিই প্রতারণামূলক ফোন বন্ধ করতে পারবে? জেনে নিন বিস্তারিত।
১ নভেম্বর থেকে অচেনা নম্বরে ফোন এলেই দেখা যাবে নাম, কীভাবে কাজ করবে নতুন ব্যবস্থা?
এতদিন সাধারণ মোবাইল পরিষেবায় ফোন আসার সময় মূলত কলকারীর নম্বর শনাক্ত করার ব্যবস্থা চালু ছিল। ফলে কোনও নম্বর মোবাইলে সংরক্ষিত না থাকলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শুধু নম্বরটি দেখা যেত। সেই নম্বর কার নামে নথিভুক্ত, তা সাধারণ ব্যবহারকারীর পক্ষে সরাসরি জানা সম্ভব হত না।
নতুন ব্যবস্থায় এই নিয়মে পরিবর্তন আনার কথা জানানো হয়েছে।
টেলিযোগাযোগ বিভাগের নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও অচেনা ভারতীয় মোবাইল নম্বর থেকে ফোন এলে সংশ্লিষ্ট টেলিযোগাযোগ সংস্থার গ্রাহকতালিকায় নথিভুক্ত নামটি ফোনের পর্দায় দেখানো হবে।
ধরা যাক, আপনার মোবাইলে একটি নম্বর থেকে ফোন এল। নম্বরটি আগে কখনও সংরক্ষণ করেননি। এতদিন শুধু নম্বর দেখে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হত ফোন ধরবেন কি না। নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলে নম্বরটির পাশাপাশি সেটি যে ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত, তাঁর নামও দেখতে পাওয়ার কথা।
তবে আপনার মোবাইলে কোনও ব্যক্তির নম্বর আগে থেকেই সংরক্ষিত থাকলে সেই সংরক্ষিত নামই দেখানো হবে। অর্থাৎ নিজের মোবাইলে আপনি যে নামে নম্বরটি রেখেছেন, সেটি পরিবর্তিত হয়ে টেলিযোগাযোগ সংস্থার নথিভুক্ত নাম দেখাবে না।
এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হল অচেনা নম্বর সম্পর্কে গ্রাহককে অতিরিক্ত পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া, যাতে ফোন ধরার আগে কিছুটা সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
টেলিযোগাযোগ বিভাগের নির্দেশে কী বদলেছে? কোন কোন মোবাইলে মিলবে সুবিধা?
কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ বিভাগ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে একটি সংশোধনী নির্দেশ জারি করেছে বলে প্রদত্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। নির্দেশটির পরিচিতি নম্বরের শেষাংশ ২০২৬ এবং এটি টেলিযোগাযোগ পরিষেবার অনুমতিপত্র-সংক্রান্ত নীতির সঙ্গে যুক্ত।
এতদিন টেলিযোগাযোগ সংস্থাগুলির জন্য প্রযোজ্য সমন্বিত পরিষেবা অনুমতিপত্রে কলকারীর পরিচয় শনাক্তকরণের সংজ্ঞা মূলত ফোন নম্বরকে কেন্দ্র করে নির্ধারিত ছিল।
সংশোধিত সংজ্ঞায় তিনটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রথমত, টেলিযোগাযোগ সংস্থা সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে যে পরিচয়সূচক নম্বর বা চিহ্ন দিয়েছে।
দ্বিতীয়ত, টেলিযোগাযোগ সংস্থার গ্রাহক নথিতে সংরক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম।
তৃতীয়ত, ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোনও পরিচয়সূচক তথ্য নির্ধারণ করলে সেটিও এই ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে।
টেলিযোগাযোগ বিভাগ জানিয়েছে, জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করেই এই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান অনুমতিপত্রের এমন একটি বিধান ব্যবহার করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষেবার শর্ত সংশোধন করতে পারে।
তবে সংশ্লিষ্ট অনুমতিপত্রের অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কে এই পরিষেবা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু থাকার কথা। অর্থাৎ ব্যবহারকারীকে আলাদা করে কোনও বিশেষ ব্যবস্থা সক্রিয় করতে হবে না বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
তবে পুরোনো প্রজন্মের নেটওয়ার্ক, সব ধরনের মোবাইল যন্ত্র এবং সব টেলিযোগাযোগ সংস্থায় একই সময়ে পরিষেবাটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে কি না, সে বিষয়ে প্রদত্ত তথ্যে বিস্তারিত ব্যাখ্যা নেই।
বিদেশ থেকে ফোন এলে কী দেখাবে? কার নাম গোপন থাকবে?
নতুন ব্যবস্থায় দেশের ভিতর থেকে আসা অচেনা ফোন এবং বিদেশ থেকে আসা ফোনের মধ্যে পার্থক্য রাখা হয়েছে।
কোনও আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে ফোন এলে পর্দায় সেটিকে ‘আন্তর্জাতিক কল’ হিসেবে চিহ্নিত করার কথা বলা হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারী বুঝতে পারবেন, ফোনটি আন্তর্জাতিক সংযোগের মাধ্যমে আসছে।
অন্যদিকে কিছু গ্রাহকের ক্ষেত্রে নাম প্রকাশ না করার বিশেষ সুবিধাও প্রযোজ্য হতে পারে।
টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় আগে থেকেই এমন একটি পরিচয় গোপন রাখার সুবিধা রয়েছে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্তে কলকারীর নম্বর প্রকাশ সীমাবদ্ধ করা যায়।
এই সুবিধা সক্রিয় থাকা সংযোগের ক্ষেত্রে নতুন ব্যবস্থাতেও কলকারীর নাম প্রদর্শিত হবে না বলে জানানো হয়েছে।
অর্থাৎ ১ নভেম্বর থেকে প্রতিটি অচেনা ফোনের ক্ষেত্রেই নাম দেখা যাবে, এমন নয়। পরিচয় গোপন রাখার অনুমোদিত সুবিধা চালু থাকলে সংশ্লিষ্ট সংযোগের নাম দেখানোর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম থাকবে।
এছাড়াও গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেলিযোগাযোগ সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ফোন আসার সময় নাম শনাক্ত করার জন্য যে তথ্য আদানপ্রদান করা হবে, ফোন শেষ হয়ে গেলে সেই সাময়িক তথ্য মুছে ফেলতে হবে।
এর উদ্দেশ্য হল অপ্রয়োজনীয়ভাবে গ্রাহকের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য জমা রাখা থেকে বিরত থাকা।
২০২৫ সালে ভারতীয় টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষও এই ধরনের পরিচয় প্রদর্শন পরিষেবা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু রাখার সুপারিশ করেছিল। পাশাপাশি গ্রাহকের অনুরোধে পরিষেবাটি বন্ধ করার বিকল্প রাখার কথাও বলা হয়েছিল।
তবে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সুপারিশ এবং চূড়ান্ত সরকারি নির্দেশ এক বিষয় নয়। পরিষেবা বন্ধ করার বিকল্পটি কীভাবে কার্যকর হবে, তা সংশ্লিষ্ট চূড়ান্ত বিধান ও টেলিযোগাযোগ সংস্থার ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করবে।
অচেনা নম্বরের নাম দেখা গেলেই কি বন্ধ হবে প্রতারণামূলক ফোন?
এই নতুন ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হল, অচেনা নম্বর থেকে আসা প্রতারণামূলক ফোন শনাক্ত করা সহজ হবে।
বর্তমানে বহু মানুষ এমন ফোন পান, যেখানে কলকারী নিজেকে ব্যাঙ্ককর্মী, সরকারি আধিকারিক, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিনিধি কিংবা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানের কর্মী বলে পরিচয় দেন।
অনেক ক্ষেত্রে ফোনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাঙ্কের গোপন তথ্য কিংবা একবার ব্যবহারযোগ্য গোপন সংকেত জানতে চাওয়া হয়। কখনও আবার ভয় দেখিয়ে দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়।
এই পরিস্থিতিতে অচেনা নম্বরের সঙ্গে একটি নিবন্ধিত নাম দেখা গেলে গ্রাহক অতিরিক্ত একটি তথ্য পাবেন। কিন্তু শুধু নাম দেখা যাওয়ার অর্থ এই নয় যে ফোনটি নিরাপদ।
কারণ নতুন ব্যবস্থায় যে নাম দেখানো হবে, সেটি মূলত সংশ্লিষ্ট মোবাইল সংযোগের নথিভুক্ত গ্রাহকের নাম।
ধরা যাক, একটি মোবাইল সংযোগ কোনও ব্যক্তির নামে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই নম্বর ব্যবহার করছেন তাঁর পরিবারের অন্য সদস্য। সে ক্ষেত্রে ফোনের পর্দায় প্রকৃত কলকারীর পরিবর্তে সংযোগের মালিকের নাম দেখা যেতে পারে।
একইভাবে কোনও সংস্থার নামে নেওয়া সংযোগ থেকে কোনও কর্মী ফোন করলে সংস্থার নথিভুক্ত পরিচয় দেখা যেতে পারে।
আরও উদ্বেগের বিষয় হল, যদি কোনও মোবাইল সংযোগ ভুয়ো পরিচয়পত্র বা প্রতারণামূলক নথি ব্যবহার করে নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সেই সংযোগের নথিতে থাকা নামও বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
অর্থাৎ প্রতারণাকারী চাইলে অন্যের নামে নেওয়া সংযোগ ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ফোনের পর্দায় নাম দেখা গেলেও প্রকৃত কলকারীর পরিচয় নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।
এখানেই টেলিযোগাযোগ সংস্থাগুলির গ্রাহকতালিকার নির্ভুলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সংস্থাগুলিকে গ্রাহকদের নথিভুক্ত তথ্য সঠিক ও হালনাগাদ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য কতটা নির্ভুলভাবে সংরক্ষিত হচ্ছে, তার ওপর নতুন ব্যবস্থার কার্যকারিতা অনেকাংশে নির্ভর করবে।
ফলে এই পরিষেবা প্রতারণা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু প্রতারণামূলক ফোন সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেবে—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।
সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারীদের কী কী বিষয় মনে রাখা জরুরি?
১ নভেম্বর থেকে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলে মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য অচেনা ফোন সম্পর্কে কিছু অতিরিক্ত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। তবে সতর্ক থাকার প্রয়োজন আগের মতোই থাকবে।
প্রথমত, কোনও অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলে পর্দায় পরিচিত নাম দেখালেও সেই ব্যক্তির পরিচয় আলাদাভাবে নিশ্চিত করা উচিত।
দ্বিতীয়ত, ব্যাঙ্ক, সরকারি দপ্তর কিংবা কোনও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি পরিচয়ে ফোন এলে শুধু প্রদর্শিত নামের ওপর নির্ভর করে ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য জানানো উচিত নয়।
তৃতীয়ত, ফোনের মাধ্যমে ব্যাঙ্কের গোপন সংকেত, ব্যক্তিগত শনাক্তকরণ সংখ্যা কিংবা একবার ব্যবহারযোগ্য গোপন সংকেত চাওয়া হলে সতর্ক থাকতে হবে।
চতুর্থত, কোনও ব্যক্তি জরুরি পরিস্থিতির কথা বলে টাকা পাঠাতে বললে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সরকারি যোগাযোগ নম্বর বা পরিচিত নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা উচিত।
পঞ্চমত, নিজের মোবাইল সংযোগের নথিভুক্ত নাম ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট টেলিযোগাযোগ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে সংশোধনের পদ্ধতি জানতে হবে।
কারণ নতুন ব্যবস্থায় গ্রাহক নথিতে থাকা নামই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
সবচেয়ে বড় কথা, অচেনা নম্বরের পাশে একটি নাম দেখা যাওয়া মানে সেই ফোনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত হওয়া নয়।
১ নভেম্বর থেকে অচেনা নম্বরের সঙ্গে নিবন্ধিত নাম দেখানোর এই উদ্যোগ মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। এতদিন যেখানে অজানা নম্বর দেখে ফোন ধরার সিদ্ধান্ত নিতে হত, সেখানে নতুন ব্যবস্থায় অতিরিক্ত পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
তবে এই পরিবর্তন কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে টেলিযোগাযোগ সংস্থাগুলির প্রস্তুতি, গ্রাহক নথির নির্ভুলতা, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা এবং পরিষেবার বাস্তব প্রয়োগের ওপর।
সাম্প্রতিক পোস্ট
নিয়োগ দুর্নীতি কি আগামী দিনে কমবে? জানুন, চাকরির নিয়মে এই পরিবর্তনে আসবে কি স্বচ্ছতা?
এক্সপোজড! ককরোচ জনতা পার্টির নেপথ্যে কোন চক্রান্তের গন্ধ? সত্যিটা জানলে চমকে উঠবেন
মহিলাদের বাসে টিকিট কাটতে হবে না! জানুন, এই কার্ড থাকলেই দিঘা থেকে দার্জিলিং সফর ফ্রী তে

