Ayushman Card | ঘরে বসেই পরিবারের নতুন সদস্যের নাম যোগ করার নিয়ম, প্রয়োজনীয় নথি ও যাচাইয়ের ধাপ জানুন
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: পরিবারে নতুন সদস্য এসেছেন, কিন্তু আয়ুষ্মান কার্ডের তালিকায় তাঁর নাম নেই? চিকিৎসার প্রয়োজনের সময় এই ছোট্ট তথ্যের ঘাটতিই বড় সমস্যায় ফেলতে পারে পরিবারকে। তাই আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার আওতায় যোগ্য পরিবারের সদস্যদের তথ্য সঠিকভাবে নথিভুক্ত রয়েছে কি না, তা আগে থেকেই দেখে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রকল্পে যোগ্য পরিবারকে বছরে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসার সুবিধা দেওয়া হয়। জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে নতুন সদস্যকে পরিবারের নথিতে যুক্ত করার ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার—যে কোনও আত্মীয়কে ইচ্ছেমতো কার্ডে যোগ করা যায় না। জন্ম, বিবাহ বা দত্তক গ্রহণের মতো নির্দিষ্ট কারণে সদস্য সংযোজনের নিয়ম রয়েছে।
এই প্রতিবেদনে জানুন, পরিবারের কার নাম যোগ করা যেতে পারে, কী কী নথি লাগতে পারে, অনলাইনে কীভাবে আবেদন করবেন, মোবাইলের মাধ্যমে কীভাবে যাচাই হতে পারে এবং আবেদন করার পরে কীভাবে পরবর্তী ধাপ সম্পর্কে নিশ্চিত হবেন।
আয়ুষ্মান কার্ডে পরিবারের সদস্যের নাম যোগ করার আগে যে বিষয়টি জানা জরুরি
আয়ুষ্মান কার্ডে সদস্য সংযোজন নিয়ে অনেকের মধ্যেই একটি ধারণা রয়েছে যে পরিবারের যে কোনও সদস্যের নাম অনলাইনে বসিয়ে দিলেই তা অনুমোদিত হয়ে যাবে। বাস্তবে বিষয়টি এতটা সহজ নয়। জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যোগ্য প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা পরিবারের ক্ষেত্রে নতুন সদস্য সংযোজনের সুযোগ মূলত জন্ম, বিবাহ অথবা আইনগত দত্তক গ্রহণের মতো পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত। নতুন সদস্যকে পরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের উপযুক্ত নথিও দিতে হয়।
অর্থাৎ পরিবারের তালিকায় আগে থেকেই থাকা কোনও সদস্যের পরিচয় যাচাই করা থাকা গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, বিদ্যমান পরিবারের অন্তত একজন সদস্যের আধারভিত্তিক পরিচয় যাচাই সম্পন্ন থাকা দরকার। নতুন সদস্যের ক্ষেত্রে জন্ম সনদ, বিবাহ সনদ অথবা দত্তক গ্রহণের সনদের মতো সম্পর্কের প্রমাণ চাওয়া হতে পারে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, পরিবারের সদস্য সংযোজনের নিয়ম সবার জন্য একইভাবে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। বিশেষ করে সাধারণ প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা পরিবার এবং ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিকদের জন্য অনলাইন নথিভুক্তির ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ আলাদা করে অনলাইন পোর্টাল ও আয়ুষ্মান অ্যাপের মাধ্যমে নথিভুক্তির সুযোগ দিয়েছে।
কার নাম যোগ করা যেতে পারে, আর কোন নথি লাগবে?
পরিবারে সন্তান জন্মালে, বিয়ের মাধ্যমে নতুন সদস্য যুক্ত হলে অথবা আইনগত দত্তক গ্রহণের মাধ্যমে পরিবারের সদস্য বাড়লে সদস্য সংযোজনের আবেদন করা যেতে পারে। জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক নির্দেশনায় এই তিনটি কারণকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এক্ষেত্রে নথির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সদস্যের সঙ্গে পরিবারের সম্পর্ক প্রমাণ করার জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী জন্ম শংসাপত্র , বিবাহ শংসাপত্র অথবা দত্তক গ্রহণের শংসাপত্র প্রয়োজন হতে পারে। পাশাপাশি বিদ্যমান পরিবারের সদস্যের আধারভিত্তিক পরিচয় যাচাইও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
তবে আপনি যে ধরনের নথি জমা দেবেন, তা আপনার পরিবারের পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যবস্থায় প্রদর্শিত প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই শুধু রেশন কার্ড বা অন্য কোনও পরিচয়পত্র থাকলেই নাম নিশ্চিতভাবে যুক্ত হবে—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।
বিশেষ করে পুরনো বা অসম্পূর্ণ পরিবারের তথ্য থাকলে আবেদন করার আগে পরিবারের বর্তমান তালিকা পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো। কারও নাম আগে থেকেই অন্য কোনও পরিবারে নথিভুক্ত থাকলে নতুন করে যুক্ত করার সময় সমস্যা তৈরি হতে পারে। প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে অবশ্য আলাদা নিয়ম রয়েছে; ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী যোগ্য নাগরিকরা আধারভিত্তিক ই-পরিচয় যাচাইয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন এবং একই পরিবারের অন্য যোগ্য প্রবীণ সদস্যদেরও সংযোজনের সুযোগ রয়েছে।
ঘরে বসে অনলাইনে কীভাবে পরিবারের সদস্যের নাম যোগ করার চেষ্টা করবেন?
অনলাইনে কাজ শুরু করার আগে মোবাইল ফোনটি হাতের কাছে রাখুন এবং পরিবারের সংশ্লিষ্ট সদস্যদের পরিচয় ও সম্পর্কের নথি প্রস্তুত রাখুন। জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের উপভোক্তা পোর্টাল থেকে যোগ্যতার তথ্য দেখা এবং সংশ্লিষ্ট পরিষেবায় প্রবেশের ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রথমে সরকারি উপভোক্তা পোর্টালে প্রবেশ করে মোবাইল নম্বর ও প্রয়োজনীয় যাচাইয়ের মাধ্যমে নিজের পরিবার খুঁজে নিতে হবে। পরিবারের তথ্য সামনে এলে আগে দেখে নিন কার কার নাম ইতিমধ্যে তালিকায় রয়েছে। তারপর আপনার ক্ষেত্রে সদস্য সংযোজনের সুযোগ দেখানো হচ্ছে কি না, তা পরীক্ষা করুন।
যদি সদস্য সংযোজনের ব্যবস্থা সক্রিয় থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ এবং পরিবারের প্রধানের সঙ্গে সম্পর্কের মতো তথ্য দিতে হতে পারে। এরপর প্রয়োজনীয় সম্পর্কের নথি এবং পরিচয় যাচাইয়ের তথ্য জমা দিতে হবে।
জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থায় পরিচয় যাচাইয়ের জন্য আধারভিত্তিক যাচাই ব্যবহার করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি নিয়ে এককালীন পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে যাচাইয়ের ধাপ সম্পন্ন হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে পরিচয় যাচাইয়ের পর নতুন সদস্যের ছবি বা ই-পরিচয় যাচাই সম্পন্ন করার ব্যবস্থাও থাকে।
সব তথ্য দেওয়ার পর আবেদন জমা দেওয়া হলে সেটি যাচাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় যেতে পারে। তাই আবেদন জমা দেওয়া মানেই সঙ্গে সঙ্গে নতুন সদস্যের নাম অনুমোদিত হয়ে গেল—এমনটা ধরে নেওয়া উচিত নয়।
মোবাইলের আয়ুষ্মান অ্যাপ থেকেও কি সদস্যের নাম যোগ করা যায়?
আয়ুষ্মান অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে পরিষেবা ব্যবহারের ব্যবস্থা রয়েছে। বিশেষ করে ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী যোগ্য প্রবীণ নাগরিকদের জন্য জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে আয়ুষ্মান অ্যাপ এবং উপভোক্তা পোর্টালের মাধ্যমে নথিভুক্তি করা যায়। একই পরিবারের অন্য যোগ্য প্রবীণ সদস্যদেরও ‘সদস্য যোগ’ ব্যবস্থার মাধ্যমে নথিভুক্ত করা সম্ভব।
অ্যাপ ব্যবহার করতে প্রথমে সরকারি আয়ুষ্মান অ্যাপ ইনস্টল করে মোবাইল নম্বর ও এককালীন পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী রাজ্য, প্রকল্প ও জেলা নির্বাচন করে পরিবারের তথ্য খুঁজে নিতে হবে।
পরিবারের তালিকা সামনে এলে সদস্য সংযোজনের সুযোগ থাকলে সেটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর নতুন সদস্যের পরিচয়, সম্পর্ক এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। আধারভিত্তিক যাচাইয়ের সময় এককালীন পাসওয়ার্ড বা নির্ধারিত অন্য যাচাই পদ্ধতি ব্যবহার হতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে নতুন সদস্যের সরাসরি ছবি নেওয়া বা পরিচয় যাচাইয়ের ধাপ থাকতে পারে। আবেদন জমা দেওয়ার আগে নাম, জন্মতারিখ, সম্পর্ক এবং পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য একবার ভালোভাবে মিলিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করলে পরে সংশোধন বা অনুমোদনের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
আবেদন করার পর কী করবেন? রেফারেন্স নম্বর ও অনুমোদন ভুলবেন না
সদস্যের নাম যোগ করার আবেদন জমা দেওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল আবেদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নম্বর বা আবেদন-সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করা। পরবর্তী সময়ে আবেদনটির অবস্থা জানতে এই তথ্য কাজে লাগতে পারে।
অনলাইনে আবেদন করার ক্ষেত্রে সব ধাপ সম্পূর্ণ হয়েছে কি না, তা যাচাই করুন। আবেদন অসম্পূর্ণ থাকলে বা কোনও নথি সঠিকভাবে জমা না হলে প্রক্রিয়া আটকে যেতে পারে। তাই আবেদন জমা দেওয়ার পরে পরিবারের তালিকায় নতুন সদস্যের তথ্য দেখা যাচ্ছে কি না, সেটিও পরে পরীক্ষা করে নেওয়া দরকার।
যদি আবেদন অনুমোদিত না হয়, তাহলে কারণটি বোঝার চেষ্টা করুন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সহায়তা ব্যবস্থার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন। কোনও অননুমোদিত ব্যক্তি বা দালালকে আধার নম্বর, এককালীন পাসওয়ার্ড বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য দেওয়া উচিত নয়।
জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, উপভোক্তারা যোগ্যতা যাচাই, কার্ড তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট পরিষেবা সম্পর্কে সরকারি পোর্টাল, অনুমোদিত হাসপাতাল বা নির্ধারিত সহায়তা কেন্দ্রের সাহায্য নিতে পারেন।
৫ লক্ষ টাকার সুবিধা মানেই যে সবাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্য, তা নয়
আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় পরিবারের জন্য বছরে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসার সুবিধার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এই সুবিধা পেতে পরিবারের যোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যের সরকারি নথিভুক্তি গুরুত্বপূর্ণ।
তাই পরিবারের কোনও সদস্যের নাম তালিকায় নেই দেখেই ধরে নেওয়া ঠিক নয় যে তাঁকে যেকোনও সময় নিজের ইচ্ছেমতো যুক্ত করা যাবে। নতুন সদস্য সংযোজনের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম এবং সম্পর্কের প্রমাণ রয়েছে। সাম্প্রতিক জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী জন্ম, বিবাহ ও দত্তক গ্রহণের মতো নির্দিষ্ট পরিস্থিতির ভিত্তিতেই সদস্য সংযোজনের ব্যবস্থা প্রযোজ্য।
বিশেষ করে যাঁরা প্রবীণ নাগরিকের সুবিধা নিতে চাইছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সের যোগ্য নাগরিকদের জন্য পৃথক নথিভুক্তির ব্যবস্থা রয়েছে। জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই শ্রেণির যোগ্য নাগরিকদের আধারভিত্তিক ই-পরিচয় যাচাই বাধ্যতামূলক এবং তাঁদের জন্য আলাদা আয়ুষ্মান কার্ড দেওয়া হয়।
পরিবারের সদস্যের নাম আয়ুষ্মান কার্ডের তালিকায় রয়েছে কি না, তা আগে যাচাই করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ। নাম না থাকলে সরাসরি অনলাইনে সদস্য সংযোজনের সুযোগ আছে কি না দেখুন এবং আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী জন্ম, বিবাহ বা দত্তক গ্রহণের প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখুন। আধারভিত্তিক যাচাইয়ের সময় নিজের মোবাইল নম্বর সক্রিয় রাখুন এবং আবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদন-সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করুন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সরকারি পোর্টাল বা সরকারি অ্যাপ ছাড়া অন্য কোনও অচেনা ওয়েবসাইটে আধার নম্বর বা এককালীন পাসওয়ার্ড দেবেন না। নিয়মের পরিবর্তন হতে পারে, তাই আবেদন করার সময় সরকারি ব্যবস্থায় প্রদর্শিত সর্বশেষ নির্দেশনাই চূড়ান্ত হিসেবে অনুসরণ করা উচিত।
জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা সম্পর্কে সহায়তার জন্য সরকারি পোর্টাল, অনুমোদিত হাসপাতাল এবং নির্ধারিত সহায়তা ব্যবস্থার সাহায্য নেওয়া যায়।
#ayushmancard #ayushmanbharat #pmjay #healthscheme #governmenthealthscheme #newsoffbeat
সাম্প্রতিক পোস্ট
স্কুলের শৌচাগারে সাপ! নামী বেসরকারি স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন, কী বলছে কর্তৃপক্ষ
নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণ কী? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিজিৎ দীপকে কি তবে এবার বিজেপিতে? রাজনৈতিক প্রস্তাব ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা
ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, হাইকোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পদক্ষেপ কী?

