Abhishek Banerjee West Midnapore SP: পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূল কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পুলিশকে ব্যবহারের অভিযোগ তুলে ভবিষ্যতে জবাবদিহির হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। ঠিক কী বলেছেন অভিষেক?
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: তৃণমূল কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, পুলিশ আধিকারিকদের পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রশাসনকে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলে সরব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা কে ঘিরেও একাধিক গুরুতর অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোনও পুলিশ আধিকারিক বেআইনি কাজের জন্য ছাড় পাবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। এমনকি কিছু পুলিশ আধিকারিককে ভালো পদে নিয়োগ ও পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেআইনি কাজ করানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। পুলিশ প্রশাসনের একাংশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিষেক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভবিষ্যতে বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিককে ছাড় দেওয়া হবে না।
পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে নিয়ে কী অভিযোগ অভিষেকের?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে আসে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারের প্রসঙ্গ। তাঁর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারের সঙ্গে এক আইনজীবীর সম্পর্কের বিষয়টি সর্বজনবিদিত। রাতের অন্ধকারে বৈঠক করে কীভাবে রাজনৈতিক কর্মীদের মামলায় ফাঁসানো যায়, তা নিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
অভিষেকের অভিযোগ, আইন মেনে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে কিছু পুলিশ আধিকারিক রাজনৈতিক স্বার্থে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগের দিন তাঁকে বার্তা পাঠিয়ে তৃণমূলের বিপুল জয়ের পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফল প্রকাশের পর পরিস্থিতি বদলে যায়।
তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগও। তবে এই অভিযোগের পক্ষে তিনি কী প্রমাণ দিয়েছেন, তা সরবরাহ করা বক্তব্য থেকে স্পষ্ট নয়।
তৃণমূল কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
অভিষেকের দাবি, হাজার হাজার তৃণমূল কর্মীকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পথ বেছে নেওয়া হচ্ছে।
নিজের এক সহায়কের প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক দাবি করেন, তাঁকেও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আড়াই মাসের বেশি সময় ধরে হেফাজতে রাখা হয়েছে।
তাঁর অভিযোগ, কিছু পুলিশ আধিকারিককে পুরস্কৃত করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করার পরিবর্তে রাজনৈতিক নির্দেশ মেনে চলছেন বলে দাবি অভিষেকের।
পুলিশ প্রশাসনের এই ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ সব দেখছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে যা চলছে, তা কার্যত প্রহসন।
‘কেউ ছাড় পাবে না’, পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশে তাঁর সতর্কবার্তা।
তিনি দাবি করেন, যাঁরা রাজনৈতিক নেতাদের খুশি করে ভালো পদে নিয়োগ পাওয়ার আশায় বেআইনি কাজ করছেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভূমিকা চিহ্নিত করে রাখা হচ্ছে।
ভবিষ্যতে সরকার পরিবর্তন হলে আইনবহির্ভূত কাজের সঙ্গে যুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
অভিষেকের বক্তব্যের মূল সুর ছিল, রাজনৈতিক ক্ষমতা স্থায়ী নয় এবং প্রশাসনিক পদে থেকে বেআইনি কাজ করলে তার জবাবদিহি করতে হবে।
সাম্প্রতিক পোস্ট
নিয়োগ দুর্নীতি কি আগামী দিনে কমবে? জানুন, চাকরির নিয়মে এই পরিবর্তনে আসবে কি স্বচ্ছতা?
এক্সপোজড! ককরোচ জনতা পার্টির নেপথ্যে কোন চক্রান্তের গন্ধ? সত্যিটা জানলে চমকে উঠবেন
মহিলাদের বাসে টিকিট কাটতে হবে না! জানুন, এই কার্ড থাকলেই দিঘা থেকে দার্জিলিং সফর ফ্রী তে
