নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা যায়, যেখানে একসময় একই রাজনৈতিক পরিবারের অংশ থাকা দুই শিবিরের সম্পর্ক হঠাৎ করে আবার পুরনো দরজার দিকে ফিরে তাকায়। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় তিন দশক আগে কংগ্রেস ছেড়ে নিজের রাজনৈতিক দল গড়ে তুলেছিলেন। সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই এবার প্রকাশ্যেই কংগ্রেসে ফিরে আসার আহ্বান জানালেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। শুধু ফিরে আসার আহ্বান নয়, পশ্চিমবঙ্গে তাঁর নেতৃত্ব মেনে নিয়ে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
এই বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলের পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠছে। নির্বাচনে তৃণমূল ২৯৪ আসনের বিধানসভায় ৮০টি আসন পেয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর দলের বিধানসভা শাখায় বিদ্রোহ দেখা দেয় এবং ৫৮ জন বিধায়ক বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে সমর্থন করেন। বিধানসভার অধ্যক্ষও সেই প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেন।
অধীরের বক্তব্য তাই শুধুমাত্র একজন নেতাকে দেওয়া রাজনৈতিক আহ্বান হিসেবে দেখলে পুরো ঘটনাটির গুরুত্ব ধরা পড়ে না। এর মধ্যে রয়েছে কংগ্রেসের পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্ক, তৃণমূলের বর্তমান অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন। এই প্রতিবেদনে সেই ঘটনাপ্রবাহের পটভূমি, অধীরের বক্তব্য এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের ধারাটি সহজভাবে তুলে ধরা হল।
মমতাকে সরাসরি কংগ্রেসে ফেরার আহ্বান অধীরের
অধীর রঞ্জন চৌধুরী বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ীকে তাঁর অবশিষ্ট বিধায়ক ও সাংসদদের নিয়ে কংগ্রেসে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে আলাদা রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের থাকার প্রয়োজন নেই এবং পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব মেনে নিয়ে কংগ্রেস কাজ করতে প্রস্তুত।
অধীরের বক্তব্যের তাৎপর্য আরও বেড়ে যায় কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের একটি বড় অধ্যায় শুরু হয়েছিল কংগ্রেসের মধ্য দিয়েই। প্রায় তিন দশক আগে তিনি কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করেন। দীর্ঘ সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তৃণমূল এবং কংগ্রেস আলাদা রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের জায়গা তৈরি করেছে। ফলে একজন প্রাক্তন কংগ্রেস নেত্রীকে আবার সেই দলে ফিরে আসার আহ্বান নিছক রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি পুরনো অধ্যায়ের দিকে ফিরে তাকানোর মতো ঘটনা।
অধীর স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি তাঁর সঙ্গে থাকা বিধায়ক ও সাংসদদের নিয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন, তাহলে বাংলায় তাঁর নেতৃত্ব মেনে নিয়ে কাজ করতে কংগ্রেস প্রস্তুত। এই বক্তব্যে একটি বিষয় পরিষ্কার—অধীরের প্রস্তাবের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মমতার নেতৃত্বকে গ্রহণ করার ঘোষণা। তবে এই আহ্বান বাস্তবে কোনও আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে পরিণত হয়েছে, এমন তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে তৃণমূলের পক্ষ থেকেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব এলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
রাজনৈতিক বক্তব্য এবং বাস্তব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এক জিনিস নয়। তাই অধীরের এই আহ্বানকে আপাতত কংগ্রেসের একটি প্রকাশ্য রাজনৈতিক প্রস্তাব হিসেবেই দেখা যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই আহ্বান গ্রহণ করে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয়েছে বলে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।
তৃণমূলের বিধানসভা শাখায় ৫৮ বিধায়কের বিদ্রোহ
তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান সংকটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয় বিধানসভায়। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে দলের ৮০ জন নির্বাচিত বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে অবস্থান নেন বলে একাধিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। সেই গোষ্ঠী বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত করে এবং বিধানসভার অধ্যক্ষ সেই গোষ্ঠীর দাবি স্বীকার করেন।
এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি কেবল কয়েকজন বিধায়কের অসন্তোষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তৃণমূলের বিধানসভা দলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েই প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। বিদ্রোহী বিধায়কদের গোষ্ঠী নিজেদের বিধানসভায় তৃণমূলের প্রকৃত প্রতিনিধিত্বকারী অংশ হিসেবে তুলে ধরেছিল। একই সময়ে তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে পুরোপুরি অস্বীকার করেনি। বরং প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মমতাকে নবগঠিত বিধানসভা দলের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
অর্থাৎ সংকটের চরিত্রটি একেবারে সরল ছিল না। একদিকে দলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিদ্রোহ, অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ঘিরে আলাদা অবস্থান—এই দুই প্রবণতা একই সময়ে দেখা যায়। ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধী দলনেতা হওয়া এবং বিধানসভার অধ্যক্ষের স্বীকৃতি এই সংঘাতকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।
এর ফলে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য আর শুধুমাত্র দলের বৈঠক বা নেতৃত্বের স্তরে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিধানসভার আনুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যেই তার প্রতিফলন দেখা যায়। আর এই পরিস্থিতিই অধীর রঞ্জন চৌধুরীর মতো বিরোধী শিবিরের নেতাদের সামনে নতুন রাজনৈতিক সম্ভাবনার কথা বলার সুযোগ তৈরি করেছে।
বিধানসভা থেকে সংসদেও ছড়িয়ে পড়ল অস্থিরতা
তৃণমূলের সংকটের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, অস্থিরতা শুধু বিধানসভা শাখাতেই থেমে থাকেনি। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দলের সংসদীয় শাখাতেও নেতৃত্ব নিয়ে বিদ্রোহের কথা উঠে এসেছে। অর্থাৎ দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দুই গুরুত্বপূর্ণ স্তর—বিধানসভা এবং সংসদ—দুই জায়গাতেই নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতি তৃণমূলের জন্য সাংগঠনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ একটি রাজনৈতিক দলের ভিত কতটা স্থিতিশীল, তা বোঝার ক্ষেত্রে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অবস্থান একটি বড় সূচক। বিধানসভায় ৫৮ জন বিধায়কের বিদ্রোহের পরে সংসদীয় শাখাতেও নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠা দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণকে আরও জটিল করেছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিদ্রোহী বিধায়কদের গোষ্ঠী নিজেদের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছে। অন্যদিকে সংসদীয় স্তরে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর রাজনৈতিক অবস্থান আলাদা পথে এগিয়েছে এবং তারা একটি অপেক্ষাকৃত অল্পপরিচিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটকে সমর্থন করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়—একই রাজনৈতিক দলের ভেতরের বিদ্রোহী অংশগুলি সবসময় একই রাজনৈতিক পথ অনুসরণ করছে না। বিধানসভায় তাদের লক্ষ্য বিরোধী রাজনীতির কাঠামোর মধ্যে জায়গা তৈরি করা, আর সংসদীয় স্তরে তাদের অবস্থান অন্য রাজনৈতিক সমীকরণের দিকে যাচ্ছে। ফলে তৃণমূলের সংকটকে কেবল নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি বোঝা কঠিন।
এই কারণেই অধীরের কংগ্রেসে ফেরার আহ্বান নতুন মাত্রা পেয়েছে। কারণ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ যত প্রকাশ্যে আসছে, ততই বাংলার রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক, নেতৃত্ব এবং বিরোধী রাজনীতির কাঠামো নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।
মমতার সামনে কি পুরনো রাজনৈতিক ঘরে ফেরার প্রশ্ন?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসে ফিরে আসার প্রসঙ্গটি রাজনৈতিক ইতিহাসের দিক থেকেও ব্যতিক্রমী। তিনি কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকার পর আলাদা দল গড়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নিজের শক্তিশালী সংগঠন তৈরি করেছিলেন। সেই সংগঠন পরবর্তীকালে রাজ্যের ক্ষমতায় আসে এবং দীর্ঘ সময় সরকার পরিচালনা করে। তাই তাঁকে আবার কংগ্রেসে ফিরে আসার আহ্বান একটি রাজনৈতিক বৃত্ত সম্পূর্ণ হওয়ার মতো প্রতীকী তাৎপর্য তৈরি করেছে।
তবে রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতীকী দিক এবং বাস্তব রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে আলাদা করে দেখা জরুরি। অধীর রঞ্জন চৌধুরী যে আহ্বান জানিয়েছেন, সেটি তাঁর প্রকাশ্য রাজনৈতিক অবস্থান। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন, এমন কোনও ঘোষণা বর্তমান যাচাই করা প্রতিবেদনে নেই। একইভাবে তৃণমূলের সমস্ত বিধায়ক ও সাংসদ কংগ্রেসে চলে আসবেন—এমন কোনও নিশ্চিত তথ্যও পাওয়া যায়নি।
বরং বর্তমানে যে তথ্য স্পষ্ট, তা হল তৃণমূলের অভ্যন্তরে বড় ধরনের সাংগঠনিক টানাপোড়েন চলছে। বিধানসভায় ৫৮ জন বিধায়কের বিদ্রোহ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি এবং সংসদীয় শাখাতেও নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ—এই ঘটনাগুলি দলের সামনে কঠিন সাংগঠনিক প্রশ্ন তৈরি করেছে।
অন্যদিকে কংগ্রেস এই পরিস্থিতিতে নিজেদের রাজনৈতিক জায়গা পুনর্গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে সক্রিয় হয়েছে বলেও সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। জুন মাসে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসকে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ফলে অধীরের সাম্প্রতিক আহ্বানকে বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিবর্তনের একটি অংশ হিসেবেও দেখা যেতে পারে, যদিও ভবিষ্যতে কী ধরনের সাংগঠনিক পরিবর্তন হবে, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
বাংলার রাজনীতিতে এখন নজর মমতার পরবর্তী পদক্ষেপে
অন্যদিকে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকটও এখনও সম্পূর্ণভাবে মিটে যায়নি। বিধানসভা শাখায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর উত্থান এবং সংসদীয় শাখায় নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ দলটির সামনে সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ২০২৬ সালের নির্বাচনের ফলের পর এই ঘটনাগুলি দ্রুত পরপর সামনে আসায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে পরিবর্তনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
অধীর রঞ্জন চৌধুরীর আহ্বানের পরে স্বাভাবিকভাবেই নজর এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরবর্তী অবস্থানের দিকে। তবে কোনও রাজনৈতিক নেতার বক্তব্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। বর্তমানে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মমতাকে প্রকাশ্যে দলে ফেরার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গে তাঁর নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
#adhirranjanchowdhury #mamatabanerjee #congress #tmc #westbengalpolitics #tmccrisis #ritabratabanerjee #bengalpolitics
সাম্প্রতিক পোস্ট
স্কুলের শৌচাগারে সাপ! নামী বেসরকারি স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন, কী বলছে কর্তৃপক্ষ
নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণ কী? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিজিৎ দীপকে কি তবে এবার বিজেপিতে? রাজনৈতিক প্রস্তাব ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা
ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, হাইকোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পদক্ষেপ কী?

