Firhad Hakim on Abhishek Banerjee Notice ঘিরে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। পুরসভার নোটিস নিয়ে ফিরহাদ হাকিমের মন্তব্য ঘিরে এখন তৃণমূলের অন্দরেই বাড়ছে নানা প্রশ্ন ও চর্চা।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পুরসভার নোটিস পাঠানো নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হলেও, এই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানান, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক আওতাধীন এবং এ নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগতভাবে কিছু জানার কথাও নয়। ফিরহাদের বক্তব্য, নতুন বিল্ডিংয়ের অনুমোদন, নোটিস পাঠানো বা দৈনন্দিন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কোনও সরাসরি ভূমিকা থাকে না।
তিনি আরও বলেন, জনপ্রতিনিধিরা মূলত নীতি নির্ধারণ এবং এলাকার উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করেন। বড় চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব হল কাউন্সিলরদের বক্তব্য ও এলাকার সমস্যা কর্পোরেশনের সামনে তুলে ধরা, তারপর সংশ্লিষ্ট বিভাগ সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়। কাকে নোটিস দেওয়া হবে বা হবে না, তা সম্পূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বলেই দাবি করেন তিনি।
ফিরহাদ হাকিম স্পষ্ট ভাষায় জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংক্রান্ত যে নোটিসের খবর প্রকাশ্যে এসেছে, সেই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন দলের আরেক নেতা কুণাল ঘোষ। সেখানেই বিস্তারিতভাবে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তাঁরা।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে পুরসভার নোটিস বিতর্ক এবং সেই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিমের দূরত্ব বজায় রাখা মন্তব্য নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। যদিও প্রকাশ্যে কোনও বিরোধের ইঙ্গিত মেলেনি, তবুও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, দলের অন্দরেই মতপার্থক্য বা প্রশাসনিক অবস্থান নিয়ে সূক্ষ্ম দূরত্ব তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ফিরহাদ হাকিমের “এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক বিষয়” মন্তব্য ঘিরে এখন রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা উঠে আসছে। তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও নেতাই সম্পর্কের অবনতি বা বিরোধের বিষয়টি স্বীকার করেননি।

