Humayun Kabir Suvendu Adhikari Sajal Ghosh Mosque: নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক। তাঁকে কটাক্ষ করে বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের মন্তব্য, ‘কেউ খেয়ে মাতাল, কেউ না খেয়ে মাতাল।’ অন্যদিকে, ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণের নামে জাতীয় সড়ক অবরোধ করা যাবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণ সংক্রান্ত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। হুমায়ুনের মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর মন্তব্য, ‘কেউ খেয়ে মাতাল, কেউ না খেয়ে মাতাল।’
অন্যদিকে, হুমায়ুন কবীরের উদ্দেশে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণে আপত্তি না থাকলেও তার জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ কিংবা সাধারণ মানুষের যাতায়াতে বাধা সৃষ্টি করা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।
হুমায়ুন কবীরকে কী হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু?
হুমায়ুন কবীরের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘একটা নয়, একশোটা মসজিদ বানান। ধর্মীয় কাজ যা করার করুন। কিন্তু জাতীয় সড়ক আটকে কোনও কিছু করা যাবে না।’
তিনি আরও জানান, ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে আইন মেনে প্রয়োজনীয় অনুমতি নিতে হবে। অনুমোদন ছাড়া কোনও নির্মাণকাজ কিংবা রাস্তা অবরোধ করা যাবে না। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বাবরের নামে স্থাপনা নির্মাণের প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘বাবর ভারতীয় নন, তিনি লুটেরা। এই লুটেরার নাম লিখতে দেব না।’
একই সঙ্গে তাঁর বার্তা, ধর্মীয় কর্মসূচির নামে রাস্তা বন্ধ করে সাধারণ মানুষকে সমস্যায় ফেলার অধিকার কারও নেই।
কী বলেছিলেন হুমায়ুন কবীর?
হুমায়ুন কবীরের বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণের বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে মসজিদ নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির প্রসঙ্গ উঠে আসার পরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানান বিজেপি নেতৃত্ব। বিশেষ করে জাতীয় সড়ক ব্যবহার বা অবরোধের সম্ভাবনা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
সজল ঘোষের তীব্র কটাক্ষ
হুমায়ুন কবীরের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, ‘কেউ খেয়ে মাতাল, কেউ না খেয়ে মাতাল।’
এই মন্তব্যের মাধ্যমে হুমায়ুন কবীরের বক্তব্যকে কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করেও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণের প্রসঙ্গ, জাতীয় সড়ক অবরোধ নিয়ে আপত্তি এবং বিজেপি নেতৃত্বের পাল্টা মন্তব্যে হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।
সাম্প্রতিক পোস্ট
নিয়োগ দুর্নীতি কি আগামী দিনে কমবে? জানুন, চাকরির নিয়মে এই পরিবর্তনে আসবে কি স্বচ্ছতা?
এক্সপোজড! ককরোচ জনতা পার্টির নেপথ্যে কোন চক্রান্তের গন্ধ? সত্যিটা জানলে চমকে উঠবেন
মহিলাদের বাসে টিকিট কাটতে হবে না! জানুন, এই কার্ড থাকলেই দিঘা থেকে দার্জিলিং সফর ফ্রী তে

