নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলার রাজনীতিতে পালাবদলের পর এবার সরকারি ভবনের রং নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় দুই মাসের মধ্যেই রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন নবান্নের মূল কাঠামোর মাথায় থাকা ‘নবান্ন’ ফলকের রং বদলে নীল থেকে গেরুয়া করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও পুরো নবান্ন ভবনের রং এখনও পরিবর্তন করা হয়নি, তবু এই ছোট্ট পরিবর্তনই রাজনৈতিক মহলে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে—তবে কি ধীরে ধীরে বদলে যাবে সরকারি ভবনগুলির পরিচিত নীল-সাদা রঙের ছাপ? গত প্রায় ১৫ বছর ধরে বাংলার সরকারি ভবন ও বিভিন্ন সরকারি পরিকাঠামোর সঙ্গে নীল-সাদা রঙের একটি বিশেষ পরিচিতি তৈরি হয়েছিল। এবার পালাবদলের পর সেই পরিচিত ছবিতে গেরুয়ার নতুন উপস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। একই সঙ্গে সরকারি স্কুলের ইউনিফর্মের রং নিয়েও পরিবর্তনের ঘোষণা সামনে আসায় বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নবান্নের ফলকে নীলের বদলে গেরুয়া, নজরে প্রশাসনিক ভবন
রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্ন দীর্ঘদিন ধরেই বাংলার সরকারি পরিকাঠামোর অন্যতম পরিচিত প্রতীক। রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই ভবনকে ঘিরে নানা পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চললেও এবার সরাসরি নজরে এসেছে ভবনের নামের ফলক। জানা যাচ্ছে, নবান্ন ভবনের মাথায় থাকা ‘নবান্ন’ লেখা ফলকের রং বদলে নীলের পরিবর্তে গেরুয়া করা হয়েছে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। এখনও পর্যন্ত পুরো প্রশাসনিক ভবনটির রং পরিবর্তন করা হয়নি। অর্থাৎ নবান্নের মূল ভবনটি সম্পূর্ণভাবে নীল-সাদা থেকে গেরুয়া হয়ে গিয়েছে—এমনটা বলা যাচ্ছে না। পরিবর্তন আপাতত সীমাবদ্ধ রয়েছে ভবনের মাথায় থাকা নামের ফলকের রঙে। কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রশাসনিক ভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপত্যে এই ধরনের দৃশ্যমান পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে।
গত প্রায় ১৫ বছর ধরে রাজ্যের সরকারি ভবনগুলিতে নীল-সাদা রঙের ব্যবহার একটি স্বতন্ত্র প্রশাসনিক পরিচিতি তৈরি করেছিল। ফলে সেই পরিচিত রঙের জায়গায় গেরুয়ার উপস্থিতি অনেকের কাছেই নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতীক হিসেবে ধরা পড়ছে।
পালাবদলের পর সরকারি ভবনে রঙের পরিবর্তন নিয়ে জল্পনা
রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ভবন ও সরকারি পরিকাঠামোর চেহারায় পরিবর্তন আসতে পারে—এমন আলোচনা নতুন নয়। প্রশাসনিক ভবন, রাজভবন, বিধানসভা ভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপত্যকে ঘিরে নতুন সরকারের ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।
পালাবদলের পর নবান্নকে গেরুয়া আলোয় সাজানোর ছবিও সামনে এসেছিল। এবার সেই আবহের মধ্যেই প্রশাসনিক ভবনের নামের ফলকে গেরুয়া রঙের ব্যবহার নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে নবান্নের সম্পূর্ণ ভবন গেরুয়া রঙে রাঙানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে কোনও স্পষ্ট ঘোষণা সামনে আসেনি।
ফলে আপাতত এই পরিবর্তনকে একটি সীমিত রঙের পরিবর্তন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। কিন্তু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, সরকারি ভবনের রং অনেক সময় শুধুমাত্র নান্দনিকতার বিষয় নয়, এর সঙ্গে প্রশাসনিক সংস্কৃতি, সরকারের ভাবমূর্তি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি প্রতীকী সম্পর্কও তৈরি হয়। সেই কারণেই নবান্নের ফলকের রং পরিবর্তনকে ঘিরে এতটা আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
নীল-সাদা থেকে গেরুয়া—শুধু রং বদল, নাকি নতুন প্রশাসনিক পরিচয়ের ইঙ্গিত?
বাংলার সরকারি ভবনগুলির সঙ্গে নীল-সাদা রঙের সম্পর্ক গত দেড় দশকে এতটাই দৃঢ় হয়েছে যে, এই রং রাজ্যের প্রশাসনিক পরিসরের একটি পরিচিত দৃশ্য হয়ে উঠেছিল। সরকারি ভবন থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরিকাঠামোতে নীল-সাদা রঙের ব্যবহার নিয়ে একসময় বিস্তর আলোচনা হয়েছে।
এখন রাজনৈতিক পালাবদলের পর সেই রঙের পরিবর্তন যদি ধীরে ধীরে আরও সরকারি ভবনে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে প্রশাসনিক পরিসরের দৃশ্যমান চেহারাতেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এই মুহূর্তে এমন কোনও সরকারি নির্দেশের কথা জানা যায়নি, যেখানে বলা হয়েছে যে নবান্ন বা রাজ্যের সমস্ত সরকারি ভবনকে সম্পূর্ণভাবে গেরুয়া রঙে রাঙানো হবে।
তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে নিশ্চিত করে বলা যায়, নবান্নের মূল ভবনের সম্পূর্ণ রং বদলে যায়নি। পরিবর্তন হয়েছে ভবনের মাথায় থাকা নামের ফলকের রঙে। আগামী দিনে এই পরিবর্তন আরও বিস্তৃত হবে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। কারণ প্রশাসনিক ভবনের রং পরিবর্তন হলে তা শুধুমাত্র স্থাপত্যগত বদল নয়, রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন সরকারের দৃশ্যমান প্রশাসনিক পরিচয়ের অংশ হিসেবেও আলোচনায় আসতে পারে।
সরকারি স্কুলের ইউনিফর্মেও বদল, ফিরতে পারে পুরনো রঙের পরিচয়
নবান্নের রঙের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সরকারি স্কুলের ইউনিফর্ম নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। জানা যাচ্ছে, ২০২২ সালে তৎকালীন সরকারের সময় সরকারি স্কুলগুলির ইউনিফর্মে নীল-সাদা রঙের একটি নির্দিষ্ট পরিচয় তৈরি করা হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি স্কুলের পোশাকে নীল-সাদা রঙের ব্যবহার চালু হয়।
এবার রাজনৈতিক পালাবদলের পর সেই সিদ্ধান্তেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। নতুন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নীল-সাদা ইউনিফর্মের পরিবর্তে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি স্কুলগুলিকে ২০২২ সালের আগের নিজস্ব ইউনিফর্মের রঙে ফিরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অর্থাৎ, যে স্কুলগুলির নিজস্ব নির্দিষ্ট ইউনিফর্মের রং ছিল, সেই পুরনো পরিচয়ই আবার ফিরতে পারে। এর ফলে প্রতিটি স্কুলের নিজস্ব পোশাকের ঐতিহ্য এবং পরিচিতি পুনরায় সামনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে নীল-সাদা রঙের একটি অভিন্ন সরকারি স্কুল-পরিচয়ের পরিবর্তে বিভিন্ন স্কুলে আবার আলাদা আলাদা রঙের ইউনিফর্ম দেখা যেতে পারে।
বাংলার সরকারি পরিসরে কি আসছে নতুন রঙের অধ্যায়?
নবান্নের নামের ফলকে গেরুয়া রঙের ব্যবহার এবং সরকারি স্কুলের ইউনিফর্মে পরিবর্তনের ঘোষণা—এই দুটি ঘটনাকে পাশাপাশি রেখে দেখলে রাজ্যের সরকারি পরিসরে একটি নতুন দৃশ্যমান পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে দুটির মধ্যে সরাসরি কোনও সরকারি সংযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবান্নের পুরো ভবন গেরুয়া করা হবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত। একইভাবে, রাজ্যের অন্যান্য সরকারি ভবনেও ভবিষ্যতে একই ধরনের রঙের পরিবর্তন হবে কি না, সেটিও এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সরকারি ভবন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের দৃশ্যমান পরিচয়ে পরিবর্তনের যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।
একদিকে নবান্নের নামের ফলকে গেরুয়া রঙের নতুন উপস্থিতি, অন্যদিকে সরকারি স্কুলের ইউনিফর্মে পুরনো রঙের পরিচয় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ—দুই ঘটনাই রাজ্যের প্রশাসনিক ও সরকারি পরিসরে পরিবর্তনের ধারাকে সামনে আনছে। আগামী দিনে এই পরিবর্তন কতটা বিস্তৃত হয়, নবান্নের পুরো ভবনের রঙে আদৌ কোনও বদল আসে কি না এবং রাজ্যের অন্যান্য সরকারি ভবনেও নতুন রঙের ব্যবহার শুরু হয় কি না—এখন সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক:
বাংলার রাজনীতিতে পালাবদলের পর এবার সরকারি ভবনের রং নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় দুই মাসের মধ্যেই রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন নবান্নের মূল কাঠামোর মাথায় থাকা ‘নবান্ন’ ফলকের রং বদলে নীল থেকে গেরুয়া করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও পুরো নবান্ন ভবনের রং এখনও পরিবর্তন করা হয়নি, তবু এই ছোট্ট পরিবর্তনই রাজনৈতিক মহলে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে—তবে কি ধীরে ধীরে বদলে যাবে সরকারি ভবনগুলির পরিচিত নীল-সাদা রঙের ছাপ? গত প্রায় ১৫ বছর ধরে বাংলার সরকারি ভবন ও বিভিন্ন সরকারি পরিকাঠামোর সঙ্গে নীল-সাদা রঙের একটি বিশেষ পরিচিতি তৈরি হয়েছিল। এবার পালাবদলের পর সেই পরিচিত ছবিতে গেরুয়ার নতুন উপস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। একই সঙ্গে সরকারি স্কুলের ইউনিফর্মের রং নিয়েও পরিবর্তনের ঘোষণা সামনে আসায় বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নবান্নের ফলকে নীলের বদলে গেরুয়া, নজরে প্রশাসনিক ভবন
রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্ন দীর্ঘদিন ধরেই বাংলার সরকারি পরিকাঠামোর অন্যতম পরিচিত প্রতীক। রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই ভবনকে ঘিরে নানা পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চললেও এবার সরাসরি নজরে এসেছে ভবনের নামের ফলক। জানা যাচ্ছে, নবান্ন ভবনের মাথায় থাকা ‘নবান্ন’ লেখা ফলকের রং বদলে নীলের পরিবর্তে গেরুয়া করা হয়েছে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। এখনও পর্যন্ত পুরো প্রশাসনিক ভবনটির রং পরিবর্তন করা হয়নি। অর্থাৎ নবান্নের মূল ভবনটি সম্পূর্ণভাবে নীল-সাদা থেকে গেরুয়া হয়ে গিয়েছে—এমনটা বলা যাচ্ছে না। পরিবর্তন আপাতত সীমাবদ্ধ রয়েছে ভবনের মাথায় থাকা নামের ফলকের রঙে। কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রশাসনিক ভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপত্যে এই ধরনের দৃশ্যমান পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে।
গত প্রায় ১৫ বছর ধরে রাজ্যের সরকারি ভবনগুলিতে নীল-সাদা রঙের ব্যবহার একটি স্বতন্ত্র প্রশাসনিক পরিচিতি তৈরি করেছিল। ফলে সেই পরিচিত রঙের জায়গায় গেরুয়ার উপস্থিতি অনেকের কাছেই নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতীক হিসেবে ধরা পড়ছে।
পালাবদলের পর সরকারি ভবনে রঙের পরিবর্তন নিয়ে জল্পনা
রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ভবন ও সরকারি পরিকাঠামোর চেহারায় পরিবর্তন আসতে পারে—এমন আলোচনা নতুন নয়। প্রশাসনিক ভবন, রাজভবন, বিধানসভা ভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপত্যকে ঘিরে নতুন সরকারের ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।
পালাবদলের পর নবান্নকে গেরুয়া আলোয় সাজানোর ছবিও সামনে এসেছিল। এবার সেই আবহের মধ্যেই প্রশাসনিক ভবনের নামের ফলকে গেরুয়া রঙের ব্যবহার নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে নবান্নের সম্পূর্ণ ভবন গেরুয়া রঙে রাঙানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে কোনও স্পষ্ট ঘোষণা সামনে আসেনি।
ফলে আপাতত এই পরিবর্তনকে একটি সীমিত রঙের পরিবর্তন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। কিন্তু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, সরকারি ভবনের রং অনেক সময় শুধুমাত্র নান্দনিকতার বিষয় নয়, এর সঙ্গে প্রশাসনিক সংস্কৃতি, সরকারের ভাবমূর্তি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি প্রতীকী সম্পর্কও তৈরি হয়। সেই কারণেই নবান্নের ফলকের রং পরিবর্তনকে ঘিরে এতটা আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
নীল-সাদা থেকে গেরুয়া—শুধু রং বদল, নাকি নতুন প্রশাসনিক পরিচয়ের ইঙ্গিত?
বাংলার সরকারি ভবনগুলির সঙ্গে নীল-সাদা রঙের সম্পর্ক গত দেড় দশকে এতটাই দৃঢ় হয়েছে যে, এই রং রাজ্যের প্রশাসনিক পরিসরের একটি পরিচিত দৃশ্য হয়ে উঠেছিল। সরকারি ভবন থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরিকাঠামোতে নীল-সাদা রঙের ব্যবহার নিয়ে একসময় বিস্তর আলোচনা হয়েছে।
এখন রাজনৈতিক পালাবদলের পর সেই রঙের পরিবর্তন যদি ধীরে ধীরে আরও সরকারি ভবনে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে প্রশাসনিক পরিসরের দৃশ্যমান চেহারাতেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এই মুহূর্তে এমন কোনও সরকারি নির্দেশের কথা জানা যায়নি, যেখানে বলা হয়েছে যে নবান্ন বা রাজ্যের সমস্ত সরকারি ভবনকে সম্পূর্ণভাবে গেরুয়া রঙে রাঙানো হবে।
তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে নিশ্চিত করে বলা যায়, নবান্নের মূল ভবনের সম্পূর্ণ রং বদলে যায়নি। পরিবর্তন হয়েছে ভবনের মাথায় থাকা নামের ফলকের রঙে। আগামী দিনে এই পরিবর্তন আরও বিস্তৃত হবে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। কারণ প্রশাসনিক ভবনের রং পরিবর্তন হলে তা শুধুমাত্র স্থাপত্যগত বদল নয়, রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন সরকারের দৃশ্যমান প্রশাসনিক পরিচয়ের অংশ হিসেবেও আলোচনায় আসতে পারে।
সরকারি স্কুলের ইউনিফর্মেও বদল, ফিরতে পারে পুরনো রঙের পরিচয়
নবান্নের রঙের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সরকারি স্কুলের ইউনিফর্ম নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। জানা যাচ্ছে, ২০২২ সালে তৎকালীন সরকারের সময় সরকারি স্কুলগুলির ইউনিফর্মে নীল-সাদা রঙের একটি নির্দিষ্ট পরিচয় তৈরি করা হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি স্কুলের পোশাকে নীল-সাদা রঙের ব্যবহার চালু হয়।
এবার রাজনৈতিক পালাবদলের পর সেই সিদ্ধান্তেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। নতুন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নীল-সাদা ইউনিফর্মের পরিবর্তে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি স্কুলগুলিকে ২০২২ সালের আগের নিজস্ব ইউনিফর্মের রঙে ফিরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অর্থাৎ, যে স্কুলগুলির নিজস্ব নির্দিষ্ট ইউনিফর্মের রং ছিল, সেই পুরনো পরিচয়ই আবার ফিরতে পারে। এর ফলে প্রতিটি স্কুলের নিজস্ব পোশাকের ঐতিহ্য এবং পরিচিতি পুনরায় সামনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে নীল-সাদা রঙের একটি অভিন্ন সরকারি স্কুল-পরিচয়ের পরিবর্তে বিভিন্ন স্কুলে আবার আলাদা আলাদা রঙের ইউনিফর্ম দেখা যেতে পারে।
বাংলার সরকারি পরিসরে কি আসছে নতুন রঙের অধ্যায়?
নবান্নের নামের ফলকে গেরুয়া রঙের ব্যবহার এবং সরকারি স্কুলের ইউনিফর্মে পরিবর্তনের ঘোষণা—এই দুটি ঘটনাকে পাশাপাশি রেখে দেখলে রাজ্যের সরকারি পরিসরে একটি নতুন দৃশ্যমান পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে দুটির মধ্যে সরাসরি কোনও সরকারি সংযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবান্নের পুরো ভবন গেরুয়া করা হবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত। একইভাবে, রাজ্যের অন্যান্য সরকারি ভবনেও ভবিষ্যতে একই ধরনের রঙের পরিবর্তন হবে কি না, সেটিও এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সরকারি ভবন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের দৃশ্যমান পরিচয়ে পরিবর্তনের যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।
একদিকে নবান্নের নামের ফলকে গেরুয়া রঙের নতুন উপস্থিতি, অন্যদিকে সরকারি স্কুলের ইউনিফর্মে পুরনো রঙের পরিচয় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ—দুই ঘটনাই রাজ্যের প্রশাসনিক ও সরকারি পরিসরে পরিবর্তনের ধারাকে সামনে আনছে। আগামী দিনে এই পরিবর্তন কতটা বিস্তৃত হয়, নবান্নের পুরো ভবনের রঙে আদৌ কোনও বদল আসে কি না এবং রাজ্যের অন্যান্য সরকারি ভবনেও নতুন রঙের ব্যবহার শুরু হয় কি না—এখন সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।
#NabannaColorChange #Nabanna #WestBengalPolitics #WestBengalGovernment #BengalPolitics #WestBengalNews #PoliticalChange #GovernmentBuilding #NabannaNews #SchoolUniformChange
সাম্প্রতিক পোস্ট
রাত পেরিয়েও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা এল না? এবার কী করতে হবে জেনে নিন, মিস করবেন না
রাজ্যে চালু প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা, ১১ হাজার টাকা পাবেন কারা? জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন?
মহিলাদের বাসে টিকিট কাটতে হবে না! জানুন, এই কার্ড থাকলেই দিঘা থেকে দার্জিলিং সফর ফ্রী তে
আপনার এলাকায় কি মিলবে ১২৫ দিনের কাজ? আজ থেকেই চালু নতুন প্রকল্প, জানুন কারা পাবেন এই সুবিধা

