নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: “রেজিনগরের ফল আজই জানা হয়ে গিয়েছে। ৯ অক্টোবর গণনাকেন্দ্রে যাব না।” ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগেই এমনই ঘোষণা করলেন আমজনতা উন্নয়ন প্রার্থী তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের পুত্র গোলাম নবী আজাদ রবিন। রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া প্রায় শেষের পথে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেখানে ৭৮ দশমিক ৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। আগামী ৯ অক্টোবর বহরমপুরে ইভিএমের ভোট গণনার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা হওয়ার কথা। কিন্তু তার আগেই নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়ে দিলেন রবিন। তাঁর দাবি, রেজিনগরের মানুষ এদিন যে ভোট দিয়েছেন, তাতেই তাঁর সমস্ত উৎকণ্ঠা কেটে গিয়েছে। তাঁর কথায়, রেজিনগরের মানুষের মতো তিনিও জেনে গিয়েছেন এই নির্বাচনের ফলাফল কী হতে চলেছে। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, গণনার দিন বহরমপুরের গণনাকেন্দ্রে তিনি উপস্থিত থাকবেন না।
“রেজিনগরের ফল আজই জানা হয়ে গিয়েছে”
ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগেই রেজিনগর উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন গোলাম নবী আজাদ রবিন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আগামী ৯ অক্টোবর বহরমপুরে যখন ইভিএমের ভোট গণনা হবে, সেই গণনাকেন্দ্রে তিনি উপস্থিত থাকবেন না। তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রে রয়েছে রেজিনগরের মানুষের ভোট এবং সেই ভোটের মধ্যেই তিনি নির্বাচনের ফলাফলের ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন।
রবিনের বক্তব্য, “রেজিনগরের ফল আজই জানা হয়ে গিয়েছে।” তিনি মনে করছেন, এদিন রেজিনগরের মানুষ যে ভোট দিয়েছেন, তাতেই তাঁর সমস্ত উৎকণ্ঠা কেটে গিয়েছে। তাঁর কথায়, রেজিনগরের মানুষের মতো তিনিও জেনে গিয়েছেন এই নির্বাচনের ফলাফল কী হতে চলেছে। সরকারি ভাবে ফলাফল ঘোষণা হবে ৯ অক্টোবর ভোট গণনার পর। তার আগেই নিজের রাজনৈতিক অবস্থান এবং গণনাকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন তিনি।
এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের কথাও তুলে ধরেছেন রবিন। তাঁর বক্তব্য, তিনি এমন কোনও রাজনীতি করতে চান না, যার ফলে তাঁর সঙ্গে থাকা কোনও মানুষ কিংবা তাঁর দলের সমর্থকদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
“আমার সঙ্গে থাকা মানুষ বা দলের সমর্থকদের ক্ষতি হোক, তা চাই না”
গণনাকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রবিন তাঁর সঙ্গে থাকা মানুষ এবং দলের সমর্থকদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলেছেন। তিনি বলেন, “আমি এমন কোনো রাজনীতি করতে চাই না যার ফলে আমার সঙ্গে থাকা কোনো মানুষ বা আমার দলের সমর্থকদের ক্ষতি হবে বা তাদেরকে পুলিশের হয়রানির মুখে পড়তে হবে বা গাড়ি ভাঙচুর হবে।”
রবিনের দাবি, উপনির্বাচনের প্রচারে যে সমস্ত মানুষ তাঁর পাশে ছিলেন, তাঁদের অনেকেরই বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখেই তিনি এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি করতে চান না, যাতে তাঁর সঙ্গে থাকা মানুষ কিংবা দলের সমর্থকদের আবারও কোনও ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে এই আশঙ্কার কথা। তিনি জানিয়েছেন, রাজনীতির কারণে তাঁর সঙ্গে থাকা মানুষজন যাতে পুলিশের হয়রানির মুখে না পড়েন এবং গাড়ি ভাঙচুরের মতো পরিস্থিতির শিকার না হন, সেটিই তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই ৯ অক্টোবর ভোট গণনার দিন বহরমপুরের গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত না থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।
তবে একইসঙ্গে তিনি এদিনের ভোটকে কেন্দ্র করে নিজের উৎকণ্ঠা কেটে যাওয়ার কথাও বলেছেন। তাঁর বক্তব্য, রেজিনগরের মানুষ আজ যে ভোট দিয়েছেন, তাতেই তাঁর সমস্ত দুশ্চিন্তা দূর হয়েছে। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ যে রায় দিয়েছেন, সেই রায় থেকেই তিনি নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে নিজের ধারণা তৈরি করে নিয়েছেন।
৩১৫টি বুথের মধ্যে ২৫০টির বেশি বুথ নিয়ে রবিনের দাবি
রেজিনগর উপনির্বাচনে বুথে এজেন্ট বসানো নিয়েও নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন রবিন। তিনি বলেন, “কৌশলগত কারণেই আমরা আমজনতা উন্নয়ন প্রার্থীকে একাধিক বুথে আমাদের এজেন্টকে বসাইনি। তার পরিবর্তে নির্দল প্রার্থী হয়ে আমাদের এজেন্টরা বসেছিলেন।”
রবিনের দাবি, রেজিনগরে মোট ৩১৫টি বুথের মধ্যে ২৫০টির বেশি বুথে সকাল ৮টার মধ্যেই তাঁদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ওই এজেন্টদের বসতেই দেওয়া হয়নি।
এই প্রসঙ্গে রবিন বলেন, নির্বাচনের সময় বুথে তাঁদের এজেন্টদের উপস্থিতি নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, সকাল ৮টার মধ্যেই ২৫০টির বেশি বুথ থেকে তাঁদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। অর্থাৎ, তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁরা সেখানে বসার সুযোগই পাননি।
এজেন্টদের বসতে না দেওয়ার এই অভিযোগকে সামনে রেখেই রবিন রেজিনগরের ভোটগ্রহণের পরিস্থিতি নিয়ে নিজের বক্তব্য রেখেছেন। তবে তিনি কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নাম নিয়ে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক বাড়াতে চাননি বলেও স্পষ্ট করেছেন।
“রেজিনগরের মানুষও জেনে গিয়েছেন কোন রাজনৈতিক দল কীভাবে এখানে ভোট করাচ্ছে”
রবিনের বক্তব্যে উঠে এসেছে রেজিনগরের ভোটারদের ভূমিকার কথাও। তিনি বলেন, “রেজিনগরের মানুষও জেনে গিয়েছেন কোন রাজনৈতিক দল কীভাবে এখানে ভোট করাচ্ছে।” তাঁর দাবি, নির্বাচনের সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা রেজিনগরের মানুষও দেখেছেন এবং তাঁরা নিজেরাও বিষয়টি বুঝে গিয়েছেন।
তবে এই বক্তব্যের পরেও কোনও রাজনৈতিক দলের নাম নিয়ে সরাসরি বিতর্কে যেতে চাননি রবিন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমি কোনো দলের নাম নিয়ে কারও বিতর্ক বাড়াতে চাইছি না।”
অর্থাৎ, নিজের অভিযোগ ও বক্তব্য তুলে ধরলেও নির্দিষ্ট কোনও রাজনৈতিক দলের নাম প্রকাশ্যে নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে তিনি আগ্রহী নন। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় রেজিনগরের ভোটগ্রহণের অভিজ্ঞতা, বুথে এজেন্টদের উপস্থিতি এবং ভোটারদের দেওয়া রায় নিয়ে তাঁর নিজের উপলব্ধি।
একদিকে তিনি দাবি করেছেন, ৩১৫টি বুথের মধ্যে ২৫০টির বেশি বুথে সকাল ৮টার মধ্যেই তাঁদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে তিনি জানিয়েছেন, রেজিনগরের মানুষও বুঝে গিয়েছেন কোন রাজনৈতিক দল কীভাবে এখানে ভোট করাচ্ছে। কিন্তু কোনও দলের নাম না নিয়ে বিতর্ক এড়িয়ে যাওয়ার অবস্থানই নিয়েছেন তিনি।
৯ অক্টোবর গণনা, তার আগেই ফল নিয়ে রবিনের ঘোষণা
রেজিনগর উপনির্বাচনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৭৮ দশমিক ৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। আগামী ৯ অক্টোবর বহরমপুরে ইভিএমের ভোট গণনার পর সরকারি ভাবে নির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে। কিন্তু সেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই গোলাম নবী আজাদ রবিন নিজের কাছে নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন।
তাঁর কথায়, রেজিনগরের মানুষ যে ভোট দিয়েছেন, তাতেই তাঁর সমস্ত উৎকণ্ঠা কেটে গিয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, রেজিনগরের মানুষের মতো তিনিও জেনে গিয়েছেন এই নির্বাচনের ফলাফল কী হতে চলেছে। সেই কারণেই গণনার দিন বহরমপুরের গণনাকেন্দ্রে তিনি উপস্থিত থাকবেন না বলে জানিয়েছেন।
একইসঙ্গে নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণও তিনি ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এমন কোনও রাজনীতি তিনি করতে চান না, যার ফলে তাঁর সঙ্গে থাকা মানুষ বা তাঁর দলের সমর্থকদের ক্ষতি হয়, তাঁরা পুলিশের হয়রানির মুখে পড়েন কিংবা গাড়ি ভাঙচুরের মতো পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন।
তাই সরকারি ফল ঘোষণার আগে রবিনের এই ঘোষণা এখন রেজিনগর উপনির্বাচনের শেষ পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য হিসেবে সামনে এসেছে। তবে সরকারি ভাবে নির্বাচনের ফল জানা যাবে আগামী ৯ অক্টোবর বহরমপুরের গণনাকেন্দ্রে ইভিএমের ভোট গণনার পর।
সাম্প্রতিক পোস্ট
স্কুলের শৌচাগারে সাপ! নামী বেসরকারি স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন, কী বলছে কর্তৃপক্ষ
নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণ কী? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিজিৎ দীপকে কি তবে এবার বিজেপিতে? রাজনৈতিক প্রস্তাব ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা
ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, হাইকোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পদক্ষেপ কী?

