নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোর আগে পড়ুয়াদের জন্য বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের। তপশিলি জাতি ও উপজাতির যে সমস্ত পড়ুয়া হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করেন, তাঁদের জন্য বরাদ্দ ভাতা বাড়ানো হয়েছে। এতদিন যে ভাতা দেওয়া হতো, এবার অক্টোবর মাস থেকে সেই টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আগে মাসে ১,৮০০ টাকা করে দেওয়া হলেও এবার থেকে সেই বরাদ্দ বেড়ে হচ্ছে ৩,৩০০ টাকা। অর্থাৎ হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করা সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াদের জন্য এক ধাক্কায় বেশ কিছুটা বাড়ল আর্থিক সহায়তা।
শুধু এখানেই শেষ নয়। একই সঙ্গে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ভগিনী নিবেদিতা প্রকল্পের। চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে যে সমস্ত ছাত্রী ভর্তি হয়েছেন, তাঁরা চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই প্রকল্পের টাকা পাবেন। প্রথম বছরে দেওয়া হবে ১৭ হাজার টাকা। পরের বছর থেকে মিলবে ১৬ হাজার টাকা করে। তবে এই সুবিধা শুধুমাত্র অবিবাহিত ছাত্রীরাই পাবেন বলে জানানো হয়েছে। ফলে পুজোর আগে পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বাড়ল।
হোস্টেলে থাকা পড়ুয়াদের ভাতা এবার ৩,৩০০ টাকা
তপশিলি জাতি ও উপজাতির যে সমস্ত পড়ুয়া হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করেন, তাঁদের জন্য ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত এই পড়ুয়াদের মাসে ১,৮০০ টাকা করে দেওয়া হতো। এবার সেই বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩,৩০০ টাকা করা হয়েছে।
অর্থাৎ অক্টোবর মাস থেকেই বাড়তি হারে এই ভাতা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করার ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের দৈনন্দিন বিভিন্ন খরচের সঙ্গে এই আর্থিক সহায়তা যুক্ত থাকে। সেই ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ অর্থের পরিমাণও বাড়ল।
এই ঘোষণায় মূলত তপশিলি জাতি ও উপজাতির সেই সমস্ত পড়ুয়ার কথা বলা হয়েছে, যাঁরা হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করছেন। তাঁদের জন্য আগে নির্ধারিত ১,৮০০ টাকার পরিবর্তে এবার ৩,৩০০ টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ পুজোর আগে এই পড়ুয়াদের জন্য সরাসরি ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সামনে এল। অক্টোবর থেকেই নতুন হারে টাকা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এই সুবিধার আওতায় রয়েছেন, তাঁদের জন্য নতুন বরাদ্দ কার্যকর হবে অক্টোবর মাস থেকেই।
প্রথম বর্ষের ছাত্রীরা পাবেন ১৭ হাজার টাকা
পড়াশোনার ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে ভগিনী নিবেদিতা প্রকল্প নিয়ে। জানানো হয়েছে, এই প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে যে সমস্ত ছাত্রীরা ভর্তি হয়েছেন, তাঁরা চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই প্রকল্পের টাকা পাবেন।
প্রথম বছরে প্রত্যেক যোগ্য ছাত্রীকে ১৭ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এরপর পরের বছর থেকে ১৬ হাজার টাকা করে পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ প্রথম বর্ষেই টাকার পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকছে। পরবর্তী বছরে সেই পরিমাণ হবে ১৬ হাজার টাকা।
তবে এই প্রকল্পের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট শর্তের কথাও স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে। শুধুমাত্র অবিবাহিত ছাত্রীরাই এই টাকা পাবেন। অর্থাৎ প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অবিবাহিত থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া ছাত্রীরা তাই এই প্রকল্পের আওতায় টাকা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রথম বছর ১৭ হাজার এবং পরের বছর ১৬ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
কারা কত টাকা পাবেন, এক নজরে
নতুন ঘোষণায় মূলত দুটি ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের জন্য আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর কথা সামনে এসেছে। প্রথম ক্ষেত্রে রয়েছেন তপশিলি জাতি ও উপজাতির হোস্টেলে থাকা পড়ুয়ারা। তাঁদের ভাতা ১,৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩,৩০০ টাকা করা হয়েছে। এই নতুন বরাদ্দ অক্টোবর মাস থেকে কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে ভগিনী নিবেদিতা প্রকল্পের ক্ষেত্রে চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া ছাত্রীরা সুবিধা পাবেন। প্রথম বছরে দেওয়া হবে ১৭ হাজার টাকা। পরের বছর দেওয়া হবে ১৬ হাজার টাকা। তবে এই টাকা শুধুমাত্র অবিবাহিত ছাত্রীরাই পাবেন বলে জানানো হয়েছে।
অর্থাৎ একদিকে হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করা তপশিলি জাতি ও উপজাতির পড়ুয়াদের মাসিক ভাতা বাড়ল, অন্যদিকে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া ছাত্রীদের জন্য ভগিনী নিবেদিতা প্রকল্পে নির্দিষ্ট আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করা হল।
দুটি ঘোষণার ক্ষেত্রেই পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত পড়ুয়াদের আর্থিক সহায়তার বিষয়টি সামনে এসেছে। পুজোর আগে এই ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণাই তাই সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই মিলবে প্রকল্পের টাকা
ভগিনী নিবেদিতা প্রকল্পের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হল, চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া ছাত্রীরা চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই টাকা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। অর্থাৎ নতুন করে ভর্তি হওয়া ছাত্রীদের এই সুবিধার জন্য পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না বলে জানানো হয়েছে।
প্রথম বর্ষে ১৭ হাজার টাকা এবং পরের বছর ১৬ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অবিবাহিত থাকার শর্তটি প্রযোজ্য হবে। মুখ্যমন্ত্রীর তরফে এই বিষয়টি স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে বলে দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
ফলে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া যোগ্য ছাত্রীরা এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই টাকা দেওয়ার ঘোষণাটি নতুন ভর্তি হওয়া ছাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে তপশিলি জাতি ও উপজাতির হোস্টেলে থাকা পড়ুয়াদের ক্ষেত্রেও অক্টোবর থেকে বাড়তি ভাতা কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে। আগে যেখানে ১,৮০০ টাকা দেওয়া হতো, সেখানে এখন ৩,৩০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
পুজোর আগে পড়ুয়াদের জন্য বাড়ল আর্থিক সহায়তা
সব মিলিয়ে পুজোর আগে পড়ুয়াদের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সহায়তার ঘোষণা সামনে এসেছে। তপশিলি জাতি ও উপজাতির হোস্টেলে থাকা পড়ুয়াদের ভাতা ১,৮০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩,৩০০ টাকা হয়েছে। এই নতুন বরাদ্দ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
অন্যদিকে ভগিনী নিবেদিতা প্রকল্প অনুমোদন পাওয়ায় চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া ছাত্রীরা প্রথম বছর ১৭ হাজার টাকা এবং পরের বছর ১৬ হাজার টাকা করে পাবেন। তবে এই সুবিধা শুধুমাত্র অবিবাহিত ছাত্রীদের জন্য বলে জানানো হয়েছে।
অর্থাৎ পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত পড়ুয়াদের জন্য আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে নতুন করে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। একদিকে হোস্টেলে থাকা নির্দিষ্ট শ্রেণির পড়ুয়াদের মাসিক ভাতা বাড়ানো হয়েছে, অন্যদিকে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া ছাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তার কথা জানানো হয়েছে।
পুজোর আগে এই ঘোষণা তাই সংশ্লিষ্ট পড়ুয়া ও তাঁদের পরিবারের কাছে আর্থিক সহায়তার একটি নতুন বার্তা নিয়ে এল। বিশেষ করে অক্টোবর থেকেই বাড়তি হারে হোস্টেল ভাতা পাওয়ার কথা এবং চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই ভগিনী নিবেদিতা প্রকল্পের টাকা পাওয়ার ঘোষণাই এই সিদ্ধান্তের মূল বিষয়।
সাম্প্রতিক পোস্ট
স্কুলের শৌচাগারে সাপ! নামী বেসরকারি স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন, কী বলছে কর্তৃপক্ষ
নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণ কী? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিজিৎ দীপকে কি তবে এবার বিজেপিতে? রাজনৈতিক প্রস্তাব ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা
ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, হাইকোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পদক্ষেপ কী?

