এস আই আর এর শুনানি প্রক্রিয়ার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্দেশ (SIR Documents)। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ইতিমধ্যেই শুনানির প্রক্রিয়া সংক্রান্ত তথ্য জানাচ্ছেন বিএল ওরা। তারই মধ্যে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড আর প্রামাণ্য নীতি হিসেবে পেশ করা যাবে না। তার বদলে কোন নথি দিতে হবে, জানতে বিস্তারিত পড়ুন প্রতিবেদনটি।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এস আই আরের শুনানি চলছে। ২০০২ সালে যাদের ভোটার লিস্টে নাম নেই তাদের ডাকা হচ্ছে, ম্যাপিং হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখ পর্যন্ত এই কাজ চলবে। যাদের ভোটার তালিকায় নাম নেই তাদের নতুন করে নাম তুলতে হবে ভোটার লিস্টে। সেই জন্য বেশ কিছু প্রামাণ্য নথি তাদের পেশ করতে হবে কমিশনের কাছে। এবার কমিশন জানিয়েছে সেই প্রামাণ্য নথি হিসাবে আর মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড বৈধ নয়। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে যত দ্রুত নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজটি শেষ করতে চাইছে। সেই কারণেই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত। এর বিকল্প হিসাবে কোন নথি দেওয়া যাবে তা প্রতিবেদনটি থেকে জেনে নিন।
SIRএমন এক প্রক্রিয়া যেখানে ভোটার তালিকায় সন্দেহভাজন বা বাদপড়া নাগরিকদের পরিচয় যাচাই করা হয়।
২০০২ সালের ভোটার লিস্টের পর যাদের নাম যুক্ত হয়নি বা ভুলবশত বাদ পড়েছে, তাদের ডেকে নেওয়া হচ্ছে পুনঃতদন্তের জন্য। এই শুনানিতে প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজের নাগরিকত্ব, বয়স ও ঠিকানা সংক্রান্ত প্রমাণ দেখাতে বলা হচ্ছে।
এবার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, মাধ্যমিক (Class 10) পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড আর বৈধ প্রমাণপত্র নয়(SIR Documents)। আগে বহু মানুষ এই অ্যাডমিট কার্ডকেই জন্মতারিখ ও পরিচয়পত্র হিসেবে ব্যবহার করতেন, কিন্তু কমিশন বলছে—অ্যাডমিট কার্ডে যথাযথ সরকারি যাচাইকরণ থাকে না, তাই এটি আর আইনি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলের বহু সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়েছে, কারণ তাদের অনেকেরই অন্য সরকারি পরিচয়পত্র নেই।
নির্বাচন কমিশনের আন্ডার সেক্রেটারি শক্তি শর্মা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। যেখানে স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে কোন কোন নথি গ্রহণযোগ্য হবে। তার একটি তালিকাও আছে। সেই তালিকায় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডের উল্লেখ নেই। তার বদলে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক বা উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে (SIR Documents)। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল অ্যাডমিট কার্ডে সম্মতি দেবার বিষয়ে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সেই বিষয়ে মান্যতা দেয়নি। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য সারাদেশে একটি মাত্র নিয়ম থাকা বাঞ্ছনীয়। যারা নতুন ভোটার হবে, তাদের আধার কার্ড, ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট এবং পাসপোর্ট এর মত গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রদান করতে হবে । নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে ২০২৬ এর আগে সম্পূর্ণ নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য।
#Electioncommission, #Stateelectioncommission, #SIR, #Voterlist, #SIRhearingdocuments

