ভয় পাচ্ছেন? এস আই আর এর শুনানিতে ডাকা হয়েছে বলে। নিশ্চিন্তে থাকুন, জানুন আপনাকে ডেকে কী কী জানতে চাওয়া হচ্ছে (SIR Hearing Process)? প্রথম দফায় ৩২ লক্ষ ভোটারকে ডাকা হয়েছে। জানুন কেন শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, কারা পড়েছেন তালিকায়, আর শুনানিতে কী করতে হবে।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: এস আই আর এর খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছেন নির্বাচন কমিশন। প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যজুড়ে হইচই পড়ে গেছে — কারণ বহু মানুষই খসড়া লিস্টে নিজের নাম খুঁজে পাচ্ছেন না। কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফায় ৩২ লক্ষ ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হবে। যাদের নাম ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে ছিল না, অথবা তাদের কোন আত্মীয়ের নাম ২০০২ সালের লিস্টে নেই, তাদেরই প্রথম দফায় ডাকা হচ্ছে। ম্যাপিংয়ে যাদের তথ্য অসম্পূর্ণ রয়েছে প্রথমে তাদের ডাকা হচ্ছে, যারা ভুল তথ্য দিয়েছেন সেগুলি নির্বাচন কমিশন খতিয়ে দেখছে। তাদেরও শুনানিতে ডাকা হবে বলে সূত্রের খবর। এই শুনানিই হতে চলেছে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ — যেখানে ভুল তথ্য, অসম্পূর্ণ ডকুমেন্টেশন বা ডেটা ম্যাপিংয়ের সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা হবে। এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানুন।
আরও পড়ুন : SIR শুনানিতে কী কী নথি নিয়ে যাবেন? SIR Hearing Documents
নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত সূত্র অনুযায়ী, তিনটি মূল শ্রেণিতে ভোটারদের ডাকা হচ্ছে:
- ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই এমন ব্যক্তিরা।
- যাদের পারিবারিক রেফারেন্স (আত্মীয়ের নাম) ২০০২ সালের লিস্টে পাওয়া যায়নি।
- ডেটা মিসম্যাচ বা তথ্য বিভ্রান্তির শিকার ভোটাররা।
প্রথম দফায় মোট ৩২ লক্ষ নাগরিককে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। শুনানি প্রক্রিয়ায় প্রতিটি ভোটারকে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র, বসবাসের প্রমাণপত্র, এবং জন্মতারিখ সম্পর্কিত নথি উপস্থাপন করতে হবে।
প্রথম দফায় শুনানিতে ডেকে প্রথমে ছবি এবং স্বাক্ষর (সই বা সিগনেচার) ভোটারদের থেকে নেওয়া হচ্ছে। তারপর তা স্ক্যান করে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে জেলাশাসকের দপ্তরে। জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা এগুলি যাচাই করবেন এবং পাঁচ দিনের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট নির্বাচন কমিশন কে জানাবেন।
শুনানির জন্য প্রতিটি জেলার প্রশাসনিক দফতরে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিমে আছেন নির্বাচন দফতরের কর্মী, ব্লক অফিসার এবং প্রশাসনিক পর্যবেক্ষকরা। তারা প্রত্যেক আবেদনকারীর নথি যাচাই করছেন — যেমন:
- ভোটার আইডি বা EPIC কার্ড,
- জন্ম ও নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র,
- স্থায়ী ঠিকানার নথি (ration card, electricity bill ইত্যাদি)।
যেখানে তথ্য মিলছে না, সেখানে অতিরিক্ত নথি চাওয়া হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের তরফে এও জানানো হয়েছে বয়স্কদের শুনানি তাদের বাড়িতেই হবে। তাদের কোন সেন্টারে যাবার প্রয়োজন নেই। শুনানিতে অবশ্যই হাজির থাকতে হবে। যদি কেউ হাজির না থাকতে পারেন, তার জন্য তাকে সঠিক প্রমাণ দেখাতে হবে, সঠিক কারণ নির্দেশ করতে হবে। তাহলে নির্বাচন কমিশন তাকে পুনরায় সুযোগ দেবেন। শুনানির সময় উপস্থিত হয়ে সঠিক তথ্য দিতে হবে। যাদের নাম উঠবে না তাদের ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করতে হবে। শুনানি প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে চলবে — প্রথম দফা শেষ হলে আরও দুইটি ধাপ নির্ধারিত আছে। কমিশনের যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য ধীরে ধীরে প্রকাশ করা হবে, একথা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে।
Most Viewed Posts
- ২০২৬-এ মেষ রাশির জন্য আসছে বড় মোড় │ Aries Horoscope 2026 Full Prediction
- মোটা হবেন না, মিষ্টি খান নিশ্চিন্তে │ Guilt-Free Sweets for Diwali Delight
- ‘মায়া ভরা রাতি’ আবার ফিরছে—অরিজিৎ সিং-এর কণ্ঠে নতুন করে জেগে উঠবে এক চিরন্তন গান
- বাড়িতে রাখুন এই নয় গাছ, সৌভাগ্য ফিরবেই
- Dharmendra death: ধর্মেন্দ্রর জীবনের এই ১১টি তথ্য অনেকেই জানেন না │ 11 Untold Facts About Dharmendra

