Suvendu Adhikari First Actions as CM: উৎসবের রেশ মেলাতে না মেলাতেই কড়া প্রশাসকের ভূমিকায় অবতীর্ণ রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী। দায়িত্ব নিয়েই বুঝিয়ে দিলেন, অন্যের সমালোচনার সময় নেই, এবার শুধু কাজের পালা।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: শপথ গ্রহণের জাঁকজমক, পুষ্পবৃষ্টি আর বাঁধভাঙা উৎসবের রেশ তখনও পুরোপুরি কাটেনি কলকাতার রাস্তাঘাট থেকে। দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের পর বাংলায় প্রথমবার ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই মেগাসিটি তিলোত্তমা সেজে উঠেছিল এক অভিনব সাজে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের (Brigade Parade Ground) বিশাল মঞ্চে যখন শপথবাক্য পাঠ করছেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, তখন গোটা রাজ্য এক নতুন ভোরের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে শপথ গ্রহণের ঠিক পরের মুহূর্তগুলো। সাধারণত এত বড় রাজনৈতিক জয়ের পর কয়েকদিন ধরে বিজয়োৎসব চলে, কিন্তু বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সেই পথে হাঁটলেন না। শপথ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নিজস্ব দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে পা রাখার আগেই, কার্যত ঝড়ের গতিতে (Suvendu Adhikari First Actions as CM) নিজের ঘর গোছানোর কাজ শুরু করে দিলেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister of West Bengal) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই নিজের লক্ষ্য একেবারে জলের মতো স্পষ্ট করে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, এখন তাঁর কাছে বা তাঁর সরকারের কাছে বিরোধীদের সমালোচনা করার মতো কোনো উদ্বৃত্ত সময় নেই। এখন শুধুই দায়িত্ব পূরণের পালা। আসুন, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, শপথ নেওয়ার প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঠিক কী কী অভাবনীয় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ করে ফেললেন রাজ্যের নতুন প্রশাসনিক প্রধান।
শপথের জমকালো মঞ্চ এবং জনতার কাছে মোদীর নতজানু প্রণাম
শনিবারের ব্রিগেড ছিল আক্ষরিক অর্থেই চাঁদের হাট। বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ জয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বোঝাতে শপথ পর্বে উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। এছাড়াও যোগী আদিত্যনাথ, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, মানিক সাহা, রেখা গুপ্তা, সম্রাট চৌধরি-সহ বিজেপিশাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং এনডিএ (NDA) জোটের শীর্ষ নেতারাও এই সমারোহে উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চে শুভেন্দু অধিকারীর পোশাক-প্রস্তুতিও ছিল একেবারে নজরকাড়া। হাফ হাতা গেরুয়া ফতুয়া, সরু দুধে আলতা পাড়ের সাদা ধুতি, এবং কপালে গেরুয়া তিলক কেটে শপথবাক্য পাঠ করেন তিনি। নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে পরম স্নেহে গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
তবে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি বিশেষ পদক্ষেপ। শনিবার ছিল রবীন্দ্রজয়ন্তী (Rabindra Jayanti)। ব্রিগেডের মঞ্চে উঠে প্রথমেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে ফুল দিয়ে হাতজোড় করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এর ঠিক পরেই তিনি মঞ্চের একেবারে সামনে গিয়ে উপস্থিত লক্ষ লক্ষ জনতার দিকে মুখ করে হাঁটু মুড়ে বসে পড়েন। তারপর মাথা নিচু করে মঞ্চে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম সারেন। এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং লিখেছেন, ‘‘আমি পশ্চিমবঙ্গের জনশক্তির কাছে মাথা নত করছি।’’
শুভেন্দুর সাথে আরও পাঁচজন আদিবাসী, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি— দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং নিশীথ প্রামাণিক নতুন মন্ত্রিসভার (Cabinet) সদস্য হিসেবে শপথ নেন। তবে শনিবার তাঁদের দপ্তর বণ্টন হয়নি। আগামী সোমবার, ১১ মে মন্ত্রিসভার বাকি সদস্যদের শপথগ্রহণের দিনই দপ্তর বণ্টন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
সিএমও (CMO) পুনর্গঠন: অভিজ্ঞতার কদর ও নতুন টিমের জন্ম
মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে বা নবান্নে (Nabanna) পৌঁছনোর আগেই প্রশাসনকে ঢেলে সাজানোর নির্দেশিকা জারি করে দেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে সবচেয়ে বড় চমকটি ছিল নতুন মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা (Advisor to the Chief Minister) নিয়োগ। নবান্নের পার্সোনেল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্ত দুঁদে আইএএস অফিসার ডঃ সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। সুব্রতবাবু ১৯৯০ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস (IAS) অফিসার এবং আইআইটি খড়্গপুরের প্রাক্তনী। পাশাপাশি লন্ডন থেকে তাঁর এমবিএ (MBA) ডিগ্রিও রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত স্পেশাল পোল অবজার্ভার হিসেবে বিধানসভা ভোটের দায়িত্ব অত্যন্ত কড়া হাতে সামলেছিলেন ডঃ গুপ্ত। গত বছরের অক্টোবরে রাজ্যে যখন বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) শুরু হয়, তখন তাঁর ভূমিকা নিয়ে তৎকালীন তৃণমূল সরকার এবং খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রবল অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাঁকে সরায়নি। আজ সেই সুব্রত গুপ্তকেই নিজের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে বেছে নিলেন শুভেন্দু। এর পাশাপাশি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রাক্তন অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং ২০১৭ ব্যাচের তরুণ আইএএস অফিসার শান্তনু বালাকে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব (Private Secretary) হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
এই আমলাতান্ত্রিক রদবদল নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর স্পষ্ট বক্তব্য, ‘‘যাঁরা বাংলার অত্যন্ত মেধাবী আইএএস অফিসার, তাঁদের পূর্বতন সরকার ব্যবহার করেনি। এতই দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসন ছিল যে সৎ অফিসারদের বাংলা ছাড়তে হয়েছে বা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে হয়েছে। আমরা হলাম পলিসি মেকার (Policy Maker), ক্যাবিনেটে সিদ্ধান্ত নেব। কিন্তু সেটা কার্যকরী করার ব্যাপারটা তো ব্যুরোক্রেসির (Bureaucracy) হাতে। সুব্রত গুপ্ত মহোদয়ের মতো লোকেদের সাহায্য আমাদের নিতেই হবে।’’
শপথের দিনই পূর্ত দপ্তরের তাঁবুতে হাই-ভোল্টেজ প্রশাসনিক বৈঠক
সাধারণত শপথের দিন মুখ্যমন্ত্রীরা উৎসবে বা শুভেচ্ছাবার্তা গ্রহণেই ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী শপথের দিনই ধর্মতলায় পূর্ত দপ্তরের (PWD) তাঁবুতে একপ্রস্ত কড়া প্রশাসনিক বৈঠক সেরে ফেলেন। রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তের সঙ্গে বৈঠক করেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম দিন থেকেই কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আগামী সোমবার কার্যভার গ্রহণের দিনই নবান্নে আরও একটি বড় প্রশাসনিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। রাজ্যের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ডিজি, সিপি (Commissioner of Police) এবং সমস্ত জেলার এসপি-দের (Superintendent of Police) নিয়ে সেই হাই-প্রোফাইল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দলদাসত্ব মুক্ত করে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করার স্পষ্ট বার্তা যে তিনি দিতে চলেছেন, তা প্রথম দিনের এই তৎপরতা থেকেই স্পষ্ট।
আরও পড়ুন: আধার নিয়ে বড় ঘোষণা, সময় হাতে মাত্র কয়েকদিন, এই কাজ না করলে বন্ধ হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা
জোড়াসাঁকো থেকে শ্যামাপ্রসাদ ভবন: সংস্কৃতির নবজাগরণ
শপথের পর একাধিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতেও যোগ দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। যেহেতু শনিবার রবীন্দ্রজয়ন্তী ছিল, তাই তিনি সোজা পৌঁছে যান জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। সেখানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রণাম জানানোর পরে তিনি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “পশ্চিমবাংলার অনেক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, শিক্ষা হারিয়ে গিয়েছে। আমরা পশ্চিমবাংলাকে নবনির্মাণ করব। অনেক দায়িত্ব, এখন একে অপরের সমালোচনার সময় নেই।” কবিগুরুর ‘চরৈবেতি, চরৈবেতি’ মন্ত্রকে পাথেয় করেই যে তাঁর সরকার এগোবে, সে কথা স্পষ্ট করে দেন তিনি।
এরপর তিনি কালীঘাট মন্দির, চেতলার শীতলা মন্দির এবং বালিগঞ্জের ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘেও দর্শন করেন। তবে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ ছিল শনিবার সন্ধ্যায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে তাঁর উপস্থিতি।
২০ জুন: পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে কড়া বার্তা
পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস (West Bengal Foundation Day) নিয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির সংঘাত চলছিল। ২০২৩ সালে বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করিয়ে পয়লা বৈশাখকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে চিহ্নিত করেছিল তৎকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কিন্তু বিজেপি প্রথম থেকেই দাবি করে আসছিল যে ২০ জুনকেই প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে মান্যতা দিতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই বিতর্কিত বিষয়টি নিয়ে কড়া অবস্থান স্পষ্ট করেন শুভেন্দু। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘‘১৯৪৭ সালের ২০ জুন, যদি পশ্চিমবঙ্গ ভারতে যুক্ত না হত, তবে আজ আমরা এখানে দাঁড়াতে পারতাম না। ইতিহাসকে বদলে দেওয়া যায় না।’’ তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে খুব শীঘ্রই ক্যাবিনেট এবং বিধানসভায় বিষয়টি উত্থাপন করে ২০ জুনকেই সরকারিভাবে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
“কথা কম, কাজ বেশি” – নবান্নে নতুন ওয়ার্ক কালচার
সবশেষে, গণমাধ্যমের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর যোগাযোগ নিয়ে এক অভূতপূর্ব ও নতুন নিয়মের কথা ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিগত সরকারের আমলে প্রায় প্রতিটি বিষয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে মন্তব্য করতে দেখা যেত। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়েছেন, “মুখ্যমন্ত্রীর কথা কম বলা উচিত, কাজ বেশি করা উচিত। সব জায়গায় সব কথা প্রেসকে বলতে হবে, এটা ঠিক নয়।”
তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে মন্ত্রিসভার হয়ে বা সরকারের হয়ে কে কথা বলবেন, তা তিনি নির্দিষ্ট করে দেবেন। দলের মুখপাত্ররা নির্দিষ্ট বিষয়ে কথা বলবেন। সংবিধানের চারটি স্তম্ভকে যে পূর্বতন সরকার ধ্বংস করেছিল এবং সংবাদমাধ্যমকে মেরুদণ্ডহীন করে রেখেছিল, সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে এক সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে একজন মুখ্যমন্ত্রীর এই ঝড়ের গতির কর্মপদ্ধতি বাংলার রাজনীতিতে সত্যিই বিরল। উৎসবের আনন্দে গা না ভাসিয়ে যেভাবে তিনি প্রথম দিনেই প্রশাসনিক খোলনলচে বদলাতে শুরু করেছেন, তা রাজ্যবাসীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আগামী দিনে এই কড়া প্রশাসনের হাত ধরে বাংলার আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
নতুন মুখ্যমন্ত্রীর এই “কথা কম, কাজ বেশি” নীতি এবং প্রথম দিনেই প্রশাসনিক রদবদলের এই সিদ্ধান্তকে আপনি কীভাবে দেখছেন? আপনার কি মনে হয়, এভাবেই কড়া হাতে রাশ ধরলে রাজ্যে দীর্ঘদিনের জমে থাকা জঞ্জাল পরিষ্কার হবে? আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। নতুন সরকারের প্রতিটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ এবং রাজ্য রাজনীতির সমস্ত এক্সক্লুসিভ খবরাখবর সবার আগে পেতে চোখ রাখুন NewsOffBeat-এ।
Most Viewed Posts
- ‘মায়া ভরা রাতি’ আবার ফিরছে—অরিজিৎ সিং-এর কণ্ঠে নতুন করে জেগে উঠবে এক চিরন্তন গান
- ২০২৬-এ মেষ রাশির জন্য আসছে বড় মোড় │ Aries Horoscope 2026 Full Prediction
- পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে তরুণ তুর্কিদের ঝড়! ভোটের ময়দানে কতটা প্রভাব ফেলছে যুব মুখ?
- বিতর্ক পিছু ছাড়েনি, মামলা মাথায় নিয়েই ভোটের ময়দানে! তৃণমূল-বিজেপির হেভিওয়েটদের ভোটযুদ্ধ ঘিরে উত্তাপ
- বাড়িতে রাখুন এই নয় গাছ, সৌভাগ্য ফিরবেই

