Suvendu Adhikari Saffron Remarks: গেরুয়া সম্মান যাত্রা থেকে ‘গেরুয়া তাণ্ডব’ লেখা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন শুভেন্দু অধিকারী। নাম না করে আনন্দবাজার পত্রিকাকে কটাক্ষ করার পাশাপাশি এমন লেখা যারা লিখেছেন, তাঁদের শিকড়সহ তুলে ফেলার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: গেরুয়া সম্মান যাত্রা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে উঠে এল একাধিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রসঙ্গ। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রসঙ্গ তোলেন। একইসঙ্গে গেরুয়া নিয়ে যারা বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে কমিউনিস্টদের সরানোর প্রসঙ্গ, জামাতি সরকারকে সরানোর দাবি এবং সেই রাজনৈতিক পরিবর্তনে সাধারণ মানুষের সহযোগিতার কথাও।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে গেরুয়ার প্রসঙ্গ। তিনি নিজেকে বিবেকানন্দের পার্টির সঙ্গে যুক্ত করে এবং শ্রীচৈতন্যদেব ও স্বামী প্রণবানন্দের ভূমির কথা উল্লেখ করে বলেন, এই ভূমিতে গেরুয়ার প্রাধান্য থাকবে। একই বক্তব্যে তিনি সমর্থকদের ধৈর্য ধরার এবং পাশে থাকার আহ্বান জানান।
এর পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল আসার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক বিল আগামীকাল বিধানসভায় আনা হবে। রাজ্যপাল ইতিমধ্যেই সেই বিলে অনুমোদন দিয়েছেন বলেও তিনি জানান।
বক্তব্যে উঠে এল কমিউনিস্ট ও জামাতি সরকার সরানোর দাবি
তিনি দাবি করেন, একসময় কমিউনিস্টদের সরানোর যে পরিকল্পনা করেছিলেন, তা বাস্তবায়িত হয়েছে। একইভাবে জামাতি সরকার সরানোর কথাও তিনি উল্লেখ করেন এবং এই পরিবর্তনের পিছনে মানুষের সহযোগিতার কথা বলেন।
সমর্থকদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা ছিল, তাঁরা যেন ধৈর্য ধরেন এবং তাঁর সঙ্গে থাকেন। অর্থাৎ বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিকভাবে নিজের সমর্থকদের আরও সংগঠিত ও সক্রিয় থাকার বার্তা দিয়েছেন।
গেরুয়া নিয়ে কড়া বার্তা
বক্তব্যে গেরুয়া প্রসঙ্গটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। গেরুয়া নিয়ে যারা তাণ্ডবের মতো শব্দ ব্যবহার করেছেন বা বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন, তাঁদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত কড়া ভাষা ব্যবহার করেন। তিনি বলেন, তাঁদের শিকড় উপড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে।
এরপর তিনি বিবেকানন্দ, শ্রীচৈতন্যদেব এবং স্বামী প্রণবানন্দের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই ভূমিতে গেরুয়ার প্রাধান্য থাকবে। একই বক্তব্যে তিনি গেরুয়া শব্দটি একাধিকবার উচ্চারণ করেন।
শিক্ষাক্ষেত্রে আসছে গুরুত্বপূর্ণ বিল
রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীদের নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁদের জন্য একটি ঐতিহাসিক বিল আগামীকাল বিধানসভায় আনা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ওই বিলে রাজ্যপাল ইতিমধ্যেই সম্মতি দিয়েছেন। ফলে বিধানসভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়ার পর পরবর্তী প্রক্রিয়া এগোবে। তবে বিলটির নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু বা কী কী পরিবর্তন আনা হবে, তা এই বক্তব্যে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়নি।
কাশ্মীর, কিষেনজি এবং সংবাদমাধ্যম নিয়েও মন্তব্য
বক্তব্যের শেষাংশে কাশ্মীরকে ঘিরে স্লোগান এবং কিষেনজিকে স্যালুট করার প্রসঙ্গও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। যাঁরা কিষেনজিকে স্যালুট করেছেন, তাঁদের নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন।
এর পাশাপাশি আনন্দবাজারের নাম উল্লেখ করে সংবাদমাধ্যমটির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন তিনি।
“গেরুয়া তাণ্ডব যারা লিখেছেন তাদের শিকড়সহ তুলে ফেলবো”- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
নাম না করে আবার আনন্দবাজার পত্রিকা কে কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর গেরুয়ার সম্মান যাত্রা থেকে।
ফলে তাঁর বক্তব্যে একদিকে যেমন রাজনৈতিক বিরোধীদের উদ্দেশে বার্তা ছিল, তেমনই সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ পায়।
#SuvenduAdhikari #SaffronRemarks #SaffronHonourMarch #AnandabazarPatrika #WestBengalPolitics #SuvenduAdhikariNews #PoliticalNews
সাম্প্রতিক পোস্ট
স্কুলের শৌচাগারে সাপ! নামী বেসরকারি স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন, কী বলছে কর্তৃপক্ষ
নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আসল কারণ কী? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিজিৎ দীপকে কি তবে এবার বিজেপিতে? রাজনৈতিক প্রস্তাব ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা
ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, হাইকোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পদক্ষেপ কী?

