Trinamool MP Defection জল্পনায় সরগরম রাজনৈতিক মহল। দিল্লিতে একাধিক সাংসদের বৈঠক, দলীয় অন্দরে অসন্তোষ এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের গুঞ্জনের মাঝে সংসদে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ শক্তি নিয়ে বাড়ছে নানা প্রশ্ন।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লির রাজনৈতিক মহলে সোমবার নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের একদল বিক্ষুব্ধ সাংসদকে ঘিরে। সূত্রের দাবি, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে প্রায় কুড়িজন সাংসদ লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি পাঠিয়ে NDA জোটের শরিক হিসেবে কাজ করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন।
সূত্রের খবর, দিল্লিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি গোপন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুখেন্দু শেখর রায়, শর্মিলা সরকার, প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী, অসিত মাল এবং জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া-সহ একাধিক সাংসদ। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এঁদের অনেককেই তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবিরের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দাবি করা হচ্ছে, সরাসরি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ না দিয়ে এই সাংসদদের একটি অংশ জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের শরিক হিসেবে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করতে চাইছেন। সেই লক্ষ্যেই স্পিকারের দফতরে চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
এই ঘটনায় বিশেষভাবে উঠে আসছে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম। একসময় তিনি লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক ছিলেন। পরে দলীয় সিদ্ধান্তে সেই দায়িত্ব কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অসন্তোষ বাড়তে থাকে।
সূত্রের দাবি, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার দফতরে ইতিমধ্যেই চিঠি জমা পড়েছে। যদিও স্পিকার বর্তমানে দিল্লিতে নেই। তিনি চণ্ডীগড়ে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে আরও একটি সূত্রের দাবি, অভিনেতা ও সাংসদ দেবও নাকি ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি।
অন্যদিকে, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনেও তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের একটি বৈঠক হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সূত্রের দাবি, সেখানে উপস্থিত ছিলেন শতাব্দী রায়, অসিত মাল, বাপি হালদার, জুন মালিয়া, জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী, পার্থ ভৌমিক এবং শর্মিলা সরকার-সহ একাধিক সাংসদ।
এছাড়াও ওই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবও উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে। যদিও এই বৈঠকের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনও সামনে আসেনি।
সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলে কি সত্যিই বড় ভাঙনের সূচনা হয়েছে? নাকি এটি কেবল চাপ সৃষ্টির রাজনৈতিক কৌশল? আপাতত রাজনৈতিক মহলের নজর স্পিকারের দফতরের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিক্ষুব্ধ সাংসদদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে।
#TrinamoolCongress #TrinamoolMPDefection #MamataBanerjee #NDAPolitics #ParliamentNews #WestBengalPolitics
সাম্প্রতিক পোস্ট
নিয়োগ দুর্নীতি কি আগামী দিনে কমবে? জানুন, চাকরির নিয়মে এই পরিবর্তনে আসবে কি স্বচ্ছতা?
এক্সপোজড! ককরোচ জনতা পার্টির নেপথ্যে কোন চক্রান্তের গন্ধ? সত্যিটা জানলে চমকে উঠবেন
মহিলাদের বাসে টিকিট কাটতে হবে না! জানুন, এই কার্ড থাকলেই দিঘা থেকে দার্জিলিং সফর ফ্রী তে
কলেজে ভর্তি নিয়ে বড় খবর, এক নজরে দেখে নিন স্নাতকে ভর্তির আবেদন কবে

