৪০ ডিগ্রির দাবদাহকে বুড়ো আঙুল! Voter Selfie Zone WB এবং ব্রেস্ট ফিডিং রুমের মতো মানবিক উদ্যোগে বাংলায় ৯২% রেকর্ড ভোট।
নিউজ অফবিট ডিজিটাল ডেস্ক: গনগনে রোদ, মাথার ওপর যেন আক্ষরিক অর্থেই আগুন ঝরছে আকাশ থেকে। দক্ষিণবঙ্গের পারদ ছুঁয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, লু বইছে পথেঘাটে। সাধারণ দিনে এমন প্রখর দাবদাহে মানুষ বাড়ির বাইরে পা রাখতেও দু’বার ভাবেন। কিন্তু গতকাল, ২৩শে এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections 2026) প্রথম দফায় যে ছবিটা সামনে এল, তা দেখে রীতিমতো বিস্মিত গোটা দেশ। সমস্ত ক্লান্তি, ঘাম আর তাপপ্রবাহকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে বুথমুখী হলেন আঠারো থেকে আশি। আর শুধু বুথমুখী হওয়াই নয়, রীতিমতো রেকর্ড গড়ে ফেলল বাংলা। নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, ভোটদানের হার পার করেছে ৯২ শতাংশ, যা সর্বকালীন সেরা! কিন্তু কীভাবে সম্ভব হলো এই অসাধ্য সাধন? কড়া রোদের চোখরাঙানিকে উপেক্ষা করে কীভাবে সাধারণ মানুষ এই দিনটিকে একটি সর্বজনীন উৎসবে পরিণত করলেন?
এর নেপথ্যে রয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ECI) নেওয়া কিছু যুগান্তকারী এবং অত্যন্ত মানবিক উদ্যোগ। ভোট মানেই যে শুধু লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে বোতাম টেপা নয়, ভোট যে আসলে গণতন্ত্রের এক বিশাল আনন্দোৎসব, সেই বার্তাটি এবার একদম তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আধুনিক প্রজন্মের তরুণ-তরুণী বা ‘জেন-জি’ (Gen Z)-কে বুথমুখী করতে এবার রাজ্যজুড়ে তৈরি করা হয়েছিল আকর্ষণীয় সব ‘ভোটার সেলফি জোন’ (Voter Selfie Zone)। আর সেই সেলফি জোনেই দেখা গেল এক অভূতপূর্ব দৃশ্য—তরুণদের পাশাপাশি সমান উৎসাহে পোজ দিয়ে ছবি তুলছেন অশীতিপর বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও! শুধু তাই নয়, মায়েদের সুবিধার্থে ‘ব্রেস্ট ফিডিং রুম’ বা স্তন্যপানের কক্ষ তৈরি করে নির্বাচন কমিশন প্রমাণ করেছে যে, এই উৎসব প্রতিটি মানুষের, প্রতিটি মায়ের।
৪০ ডিগ্রির চোখরাঙানি ম্লান! ৯২ শতাংশের রেকর্ড ভোটে নতুন ইতিহাস বাংলার
এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল আবহাওয়া। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে যেভাবে তাপপ্রবাহ চলছিল, তাতে অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন যে হয়তো ভোটের হার একধাক্কায় অনেকটা কমে যাবে। দুপুরের কড়া রোদে মানুষ হয়তো বুথে আসতে চাইবেন না। কিন্তু বাংলার সাধারণ ভোটাররা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো প্রাকৃতিক প্রতিকূলতাই বাধা হতে পারে না।
সকাল থেকেই বুথগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে প্রতিটি বুথে ভোটারদের জন্য পর্যাপ্ত পানীয় জল, ওআরএস (ORS), বসার জায়গা এবং মাথার ওপর বিশাল শামিয়ানার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বয়স্ক মানুষদের জন্য ছিল হুইলচেয়ার এবং স্বেচ্ছাসেবক। সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলেই ৯২ শতাংশের বেশি ভোটদানের এক নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ ভোটদান আসলে প্রমাণ করে যে, মানুষ তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে কতটা সচেতন এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর তাঁদের কতখানি আস্থা রয়েছে।
জেন-জি থেকে অশীতিপর বৃদ্ধা: ‘সেলফি জোন’-এ মিশে গেল সব প্রজন্ম
সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে তরুণ প্রজন্ম যেকোনো সেলিব্রেশন বা উৎসবের মুহূর্ত ফ্রেমবন্দি করে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করতে ভালোবাসেন। তাঁদের এই মনস্তত্ত্বকে মাথায় রেখেই নির্বাচন কমিশন এবার অভিনব কৌশল নিয়েছিল। নতুন ভোটার বা ‘জেন-জি’দের ভোটদানে উৎসাহিত করতে প্রতিটি মডেল বুথের বাইরে তৈরি করা হয়েছিল আকর্ষণীয় ‘ভোটার সেলফি জোন’। উদ্দেশ্য ছিল, তরুণরা ভোট দিয়ে বেরিয়ে সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করবেন এবং তাঁদের দেখে বাকিরাও অনুপ্রাণিত হবেন।
কিন্তু বাস্তবের ছবিটা শুধু তরুণদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বুথের বাইরের এই সেলফি পয়েন্টগুলো যেন এক লহমায় মুছে দিয়েছিল সমস্ত প্রজন্মের ব্যবধান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, কোচবিহারের একটি বুথে নির্বাচন কমিশনের ‘সুইপ’ (SVEEP) কর্মসূচির অন্তর্গত একটি বিশাল কচ্ছপের কাটআউট রাখা হয়েছে, যেখানে লেখা— “ভোটার পর্ব কোচবিহারের গর্ব”। আর সেই কচ্ছপের কাটআউটের ভেতর দিয়ে হাসিমুখে নিজের ভোটার কার্ড দেখাচ্ছেন এক বয়স্কা বৃদ্ধা! তাঁর মুখের সেই অনাবিল হাসি আর ভোট দেওয়ার গর্ব প্রমাণ করে যে, সেলফি তোলার শখ শুধু তরুণদের একচেটিয়া নয়।
একইভাবে বাঁকুড়ার শালতোড়াতেও (Saltora, Bankura) দেখা গেল এক দারুণ ছবি। সেখানে আস্ত একটি ফেসবুক পোস্টের ফ্রেম তৈরি করে সেলফি জোন বানানো হয়েছিল। সেই ফ্রেমে বাঁকুড়া জেলার নির্বাচনের ম্যাসকট ‘ঘোটকনাথ’-এর ছবির পাশাপাশি লেখা ছিল— “ঘোটকনাথ নামে জয় জয়, ভোট সে তো যুদ্ধ নয়”। আর এই ‘পিঙ্ক বুথ’ বা গোলাপি বুথের (Pink Booth) সেই ফেসবুক ফ্রেমের ভেতর দাঁড়িয়ে পরম উৎসাহে পোজ দিচ্ছেন এক প্রবীণ ভোটার! পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর ২ নম্বর ব্লকের বুথেও দেখা গিয়েছে নীল রঙের বিশাল সেলফি ফ্রেম, যেখানে লেখা “আমরা দাঁড়াবো ভোটার লাইনে”। গ্রামের সাদাসিধে গৃহবধূরা লাইন দিয়ে সেই ফ্রেমে দাঁড়িয়ে ক্যামেরার দিকে কালির দাগ লাগা আঙুল উঁচিয়ে ধরেছেন। এই দৃশ্যগুলো বুঝিয়ে দেয় যে, ভোটদান এবার আর কোনো নীরস সরকারি প্রক্রিয়া নেই, তা আক্ষরিক অর্থেই এক সামাজিক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
বিদেশি অতিথিদের ফ্রেমবন্দি হওয়ার হিড়িক ও রাঙামাটির সংস্কৃতি
এবারের নির্বাচনের আরেকটি বিশেষ দিক ছিল ‘ইন্টারন্যাশনাল ইলেকশন ভিজিটরস প্রোগ্রাম’ বা IEVP ২০২৬। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা বাংলার নির্বাচন চাক্ষুষ করতে এসেছিলেন। মজার বিষয় হলো, বাংলার ভোটারদের এই উৎসবের আমেজ ছুঁয়ে গিয়েছে বিদেশি অতিথিদেরও। তাঁরাও নিজেদের আটকে রাখতে পারেননি।
দার্জিলিঙের একটি বুথে পাহাড়ের নিজস্ব প্রাণী ‘রেড পান্ডা’-র একটি চমৎকার কাটআউট তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে ইংরেজিতে লেখা ছিল— “আমি ২৩শে এপ্রিল ভোট দেব। আপনি দেবেন তো?” (I will vote on 23rd April. Will you?)। দেখা গেল, সুদূর কেনিয়া এবং অন্যান্য দেশ থেকে আসা আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা হাসিমুখে সেই রেড পান্ডার ফ্রেমের ভেতর মাথা গলিয়ে সেলফি তুলছেন! এছাড়া “মাই ভোট মাই ফিউচার” (My Vote My Future) লেখা সেলফি জোনগুলোতেও সানগ্লাস পরা বিদেশি পরিদর্শকদের কালির দাগ লাগা আঙুল দেখিয়ে ছবি তুলতে দেখা গিয়েছে।
এর পাশাপাশি ছিল বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতির ছোঁয়া। বীরভূমের রাজনগর ডেভলপমেন্ট ব্লকের (Rajnagar, Birbhum) সেলফি পয়েন্টে লেখা ছিল— “রাঙামাটির রাখতে মান, আনন্দে করুন ভোটদান” এবং “ভোটার পর্ব বীরভূমের গর্ব”। সেখানে গ্রামের মহিলারা দলবেঁধে উৎসবের সাজে এসে ছবি তুলেছেন। বাঁকুড়ার কংসাবতী ক্যানেল ডিভিশন অফিসের বুথেও মহিলাদের জন্য ছিল গোলাপি রঙের বিশেষ ফ্রেম, যেখানে লেখা “গণতন্ত্রের ফ্রেম”। এই প্রতিটি উদ্যোগ বুথের পরিবেশকে করে তুলেছিল প্রাণবন্ত ও রঙিন।
নতুন ভোটারদের রাজকীয় অভ্যর্থনা: হেমতাবাদে অভিনব উদ্যোগ
১৮ বছর বয়স হওয়ার পর জীবনের প্রথমবার ভোট দেওয়ার অনুভূতিটাই আলাদা। সেই অনুভূতিকে আরও একটু বিশেষ করে তুলতে উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদ (Hemtabad AC) বিধানসভা কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল এক অভিনব উদ্যোগ। সেখানে মডেল পোলিং স্টেশনে নতুন ভোটারদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল ‘ফার্স্ট টাইম ভোটার ফেলিসিটেশন প্রোগ্রাম’ (First time voter felicitation programme)।
ভোট দিয়ে বেরোনোর পর নতুন তরুণ-তরুণীদের হাতে শংসাপত্র (Certificate) তুলে দিয়ে তাঁদের সম্মানিত করেন স্বয়ং বিডিও (BDO) এবং এআরও (ARO)। একটি গণতান্ত্রিক দেশের নাগরিক হিসেবে নিজের প্রথম দায়িত্ব পালনের পর প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তাদের কাছ থেকে এই সম্মান ও স্বীকৃতি পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই আপ্লুত হয়েছেন তরুণ ভোটাররা। এই ছোট ছোট উদ্যোগগুলোই আগামী দিনে যুবসমাজকে দেশ গঠনে এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় আরও বেশি করে যুক্ত হতে সাহায্য করবে।
“যাঁরা ভোটারদের জন্ম দেন…”—মায়েদের জন্য ‘ব্রেস্ট ফিডিং রুম’ জিতে নিল হৃদয়
সেলফি জোন বা নতুন ভোটারদের সংবর্ধনা যদি উৎসবের অঙ্গ হয়, তবে নির্বাচন কমিশনের মানবিক মুখের সেরা উদাহরণ ছিল ‘ব্রেস্ট ফিডিং রুম’ (Breast Feeding Room) বা স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য তৈরি বিশেষ কক্ষ। আমাদের সমাজে একজন সদ্য মা হওয়া নারীর জন্য ভোট দিতে আসাটা কতটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, তা হয়তো অনেকেই ভেবে দেখেন না। দুধের শিশুকে বাড়িতে রেখে আসা যেমন দুশ্চিন্তার, তেমনি কড়া রোদে লম্বা লাইনে বাচ্চাকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকাও চরম কষ্টের। বাচ্চার খিদে পেলে ভিড়ের মধ্যে তাকে স্তন্যপান করানোর কোনো জায়গাও থাকে না। এই সামাজিক ও পরিকাঠামোগত বাধার কারণে অনেক মা-ই বাধ্য হয়ে ভোটদান থেকে বিরত থাকেন।
কিন্তু এবার নির্বাচন কমিশন সেই বাধা দূর করতে বদ্ধপরিকর ছিল। বিভিন্ন মডেল বুথে মায়েদের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা, গোলাপি পর্দা দিয়ে ঘেরা সুরক্ষিত ‘ব্রেস্ট ফিডিং রুম’ তৈরি করা হয়েছিল। এই রুমের বাইরের একটি বিশাল ব্যানার গোটা দেশের হৃদয় জয় করে নিয়েছে। সেখানে এক মায়ের তার সন্তানকে পরম স্নেহে জড়িয়ে রাখার এক অপূর্ব ইলাস্ট্রেশনের পাশে ইংরেজিতে লেখা ছিল— “WOMEN bring all VOTERS into the world. Let Women Vote” (অর্থাৎ, মহিলারা এই পৃথিবীর সমস্ত ভোটারদের জন্ম দেন। তাই মহিলাদের নির্বিঘ্নে ভোট দিতে দিন)।
এই একটি লাইন যেন হাজার হাজার পৃষ্ঠার প্রবন্ধের চেয়েও শক্তিশালী! এটি শুধু একটি স্লোগান নয়, এটি নারীশক্তির প্রতি, মাতৃত্বের প্রতি এবং মহিলাদের ভোটাধিকারের প্রতি এক চূড়ান্ত সম্মান প্রদর্শন। এই সুরক্ষিত কক্ষের সুবিধা থাকায় অসংখ্য মা গতকাল তাঁদের কোলের শিশুকে নিয়ে নিশ্চিন্তে ভোটকেন্দ্রে আসতে পেরেছেন। ভিড়ের মাঝে বাচ্চার খিদে পেলে তাকে শান্তিতে স্তন্যপান করানোর সুযোগ পেয়েছেন। এই ছোট্ট অথচ অত্যন্ত সংবেদনশীল উদ্যোগটি প্রমাণ করে যে, একটি প্রকৃত সফল গণতন্ত্রের প্রথম শর্তই হলো সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের জন্য, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য একটি সুরক্ষিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক (Inclusive) পরিবেশ তৈরি করা। বাঁকুড়া বা বীরভূমের পিঙ্ক বুথগুলোর পাশাপাশি এই ব্রেস্ট ফিডিং রুমগুলোর ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশনের এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবেই মনে রাখা হবে।
প্রচণ্ড গরম, তাপপ্রবাহ এবং রাজনৈতিক উত্তাপ—সব কিছুকে ছাপিয়ে ২৩শে এপ্রিলের এই নির্বাচন এক নতুন পথের দিশা দেখাল। রেকর্ড ৯২ শতাংশ ভোটদান প্রমাণ করল যে, প্রশাসন যদি মানুষের কথা মাথায় রেখে পরিকাঠামো তৈরি করে, তবে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দেন। সেলফি জোনের উচ্ছ্বাস থেকে শুরু করে ‘ব্রেস্ট ফিডিং রুম’-এর গভীর মানবিকতা—সব মিলিয়ে এবারের ভোটপর্ব সত্যিই বাংলার এক নতুন গর্বের অধ্যায় হয়ে রইল।
এই বিষয়ে আপনার কী মতামত? নির্বাচন কমিশনের এই ‘সেলফি জোন’ এবং ‘ব্রেস্ট ফিডিং রুম’-এর মতো মানবিক উদ্যোগগুলো কি আপনাকেও বুথমুখী হতে অনুপ্রাণিত করেছে? আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। নিত্যনতুন তথ্য, অনুপ্রেরণামূলক গল্প এবং খবরের স্বাদবদলের জন্য চোখ রাখুন NewsOffBeat-এ। আমাদের লেখা ভালো লাগলে অবশ্যই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলো ফলো করুন এবং শেয়ার করুন আপনার প্রিয়জনদের সঙ্গে।
- “ভোট সে তো যুদ্ধ নয়…”— বুথে বুথে এ কোন নতুন উৎসব? যে মানবিক উদ্যোগে ইতিহাস গড়ল বাংলার প্রথম দফার নির্বাচন!
- বাংলার ভোটে আন্তর্জাতিক চমক! শিলিগুড়ি ও কার্শিয়াংয়ের বুথে বিদেশি প্রতিনিধিরা, নির্বাচন পরিচালনা দেখে কী বার্তা দিলেন বিশ্বের দরবারে?
- প্রথম দফার ভোটে কী ফল আসতে চলেছে? উল্টে যেতে পারে সমীকরণ, বুথ ফেরত সমীক্ষায় ইঙ্গিত বড় চমকের!
- ভুলে ভরা বক্তব্যে নেতারা ট্রোলের টার্গেট! আগামী প্রজন্মের চোখে নেতারা কি তবে হাসির খোরাক? ভুল বার্তায় ভবিষ্যৎ নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন!
- নতুন ভোটারদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে: জানুন, প্রথমবারের বিশেষ পদ্ধতিতে কীভাবে দিচ্ছেন ভোটাররা ভোট

